لومړۍ 184 کرښې.
প্রিন্ট মোটামুটি, খারাপ না একদম.... দেখতে থাকুন। মুভিতে অধিক প্রত্যাশা না রেখে, স্বাভাবিক রাখাই ভালো হবে।
SPYder (২০১৭)... ডিরেক্টরঃ এ.আর.মুরুগাদোস। 😎 অভিনয়েঃ মহেশ বাবু 💜, রাকুল প্রীত 😍, এস.জে সুরিয়া...
এটি আমার ৭ম সাবটাইটেল। তেলুগু ভাষার অর্থ করে (অনুবাদ নয়), ডিরেক্টলি ৫ম সাব। আশা করি, সাবের মান আপনাদের সন্তুষ্ট করবে।
সাউথ ফ্যানরা যোগ দিতে পারেন- ৪০,০০০+ মেম্বারের দুর্দান্ত এক্টিভ গ্রুপ "সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি ফ্রিক"য়ে। 💜
এই... এসে গেছে!
মামা, সুপার! আগে বলিসনি কেনো? প্রথমে তুই, তারপর আমি। ওকে?
স্যরি, দাদা দেরিতে ঘুমাতে যাওয়ায়- দেরি হলো।
আমার বন্ধু গিরিশ। বিয়েতে সাক্ষী দেওয়ার জন্য, একজন তো লাগেই! এজন্য...
- তোমার শাড়ি, গহনা ইত্যাদি সব এনেছো তো? - হ্যাঁ। ব্যাগেই আছে।
যাওয়া যাক? ব্যাগ তাকে ধরতে দাও।
মহালক্ষ্মী... তুমি গিয়ে পানির বোতল নিয়ে এসো। আমি গিয়ে তিরুপতির বাসে বসছি....
তারপর, তুমি এসে মহিলাদের সিটে বসো। কেউ দেখলে সমস্যা হতে পারে, তাইনা?
- কেউ কিছু জানে না তো? - কেউ জানে না!
- স্যার, বাদাম ভাজা নিন স্যার! - দরকার নেই! যাও।
- তিলে খাজা নিন, স্যার! - আপনারা তিরুপতি যাচ্ছেন বিয়ে করতে। বাদাম খান! চিন্তা দূর হবে।
- দুইজন যাচ্ছেন কেনো? ওহ, সাক্ষী লাগবে তো। - বিয়েতে সাক্ষী দেওয়ার পর, আপনি কি করবেন স্যার?
- মেয়েকে মহিলাদের সিটে বসিয়েছেন! - কাউকে না জানিয়ে, ভালোই ম্যানেজ করছেন স্যার!
এই, ভাগো সব!
[ ধরি মাছ, না ছুঁই পানি - এই জাতীয় প্রবাদের একটা গান... ]
এই...! কেউ জানেনা বললি? বাস স্ট্যান্ডের সবাই জেনে গেছে!
থাক তুই তোর ব্যাগ নিয়ে! ধর! আমাকে আবার ফোন দিলে, মেরে ফেলবো!
থাকো তুমি! গেলাম!
কারো না জানা প্ল্যান... সবাই জেনে গেছে, আমার জন্যে!
আমার নাম শিবা। এটাই আমার অফিস। মোট ২০ তলা, ৮৪ কর্মচারী।
র্যাংকের ভিত্তিতে সবাই কাজ করছে।
নিচ তলা থেকে -৩ তলা পর্যন্ত, ৩৭ জন কাজ করছে...
যার ভেতর আমিও একজন, আমার কাজ....
Call Tap! জাস্ট কল ট্যাপই আপনাদের কাজ।
আসলে, আমরা যেকোনো লোকের কল 'ট্যাপ' করতে পারি। এটা কি বৈধ? অবশ্যই অবৈধ!
এখন আপনারা অবাক হতে পারেন, যে- সরকার কেনো এগুলো করছে?
অন্যায় প্রতিহতের জন্য, দেশে শান্তি রক্ষার জন্য! জনগণের ভালোর জন্যই আমরা কল পর্যবেক্ষণ করছি।
কোনো ব্যক্তির উপর ক্রাইম সংক্রান্ত সন্দেহ হলে, তার কল রেকর্ড করে উপরের ডেস্কে পাঠানোই আপনাদের কাজ।
কিন্তু, ব্যক্তিগত স্বার্থে কল রেকর্ডের পরিবর্তে, কোনো ব্যক্তির কথাবার্তা শুনা- অনেক বড় অপরাধ।
এরকম করলে, নিজের চাকরি হারানোর পাশাপাশি, জেলের ভাত খাওয়া লাগবে!
জনগণের কল রেকর্ড করা যাবে, ক্রাইম ছাড়া শোনা যাবেনা- এটা আমাদের অর্ডার।
কিন্তু, আমি রোজ অনেক কলই শুনি... আমি নিজে একটা সফটওয়্যার মডিফাই করেছি।
ফোনে কেউ গালি দিলে, সাহায্য চাইলে, কাঁদলে, আমার সফটওয়্যার সংকেত দিতে থাকে।
সুপারস্টার মহেশ বাবু as শিবা.... স্পাই 😎😍
ভালো করে খোঁজ সবাই! কাউকে না জানিয়ে মাঝ রাতে সমুদ্রে প্ল্যান করলাম।
তারপরেও, কেউ কিভাবে এলো? কে রে সে?
আমি আগেই তোমার সব পেপার দেখেছি, শিবা। এবং আমি অবাক!
লক্ষ্যে গুলি করায় জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত, খেলাধুলা, বুদ্ধিমত্তা, বাকি সব দিকেও দুর্দান্ত রেকর্ড!
তারপরেও, এই চাকরি করছো কেনো? মাত্র ৪০,০০০ টাকা বেতন!
তুমি চাইলে, উপরে ৩ তলায় তোমার চাকরি দিতে পারি! বেতনও এর তিনগুণ পাবে!
- না, স্যার! আমার এই বেতনই যথেষ্ট! - এটা শুধু টেবিল ওয়ার্ক শিবা! জীবন কিন্তু টেবিলেই শেষ হয়ে যাবে!
সমস্যা নেই, স্যার। এ কাজের মতো সন্তুষ্টি, অন্য কাজে পাবো না আমি।
তার মতো দ্বিধায়- আমার বন্ধু এবং বাবাও পড়েছিলো। আমার বাবা জিজ্ঞাসা করেছিলো....
৪০,০০০ টাকার জন্য অবৈধভাবে কারো ফোন কল শুনছিস? একজন টয়লেটে যাচ্ছে, তার উপরেও গুপ্তচরগিরি করছিস?
পুলিশ হলে ভালো করতাম, তার মত।
একটা হত্যা হওয়ার পর, কে মেরেছে তা খুঁজে বের করে, কোর্টে নিয়ে...
মেরেছে বলবে এক উকিল, মারেনি বলবে আরেক উকিল, এরপর জেল, জেলের পর বেল (মুক্তি)।
একটা প্রাণ যাওয়ার পর, এসব করার জন্য পুলিশের চাকরি আমার দরকার নেই।
কিন্তু, এই কাজে... একটা অপরাধ ঘটার আগেই তা থামাতে পারি।
সেটা টিভি বা পত্রিকায় না আসলেও, সমস্যা নেই।
রাত দেড়টা বাজে, এখন কিসের সাহায্য দরকার?
কালকের "মানুষ এবং দৈহিক গঠন" সেমিনারের নোট প্রস্তুত করছি...
হঠাৎ একটা ভিডিও "আমাকে দেখো", "আমাকে দেখো" বলে মাথা খারাপ করছে!
- মানে? - মানে, ক্লিক করে দেখেছি।
- কিসের ভিডিও ওটা? - ঐ যে! গত বছর আমরা পড়েছিলাম, হিউম্যান রিপ্রোডাক্টিভ...
সোজা কথায়, পর্ণ ভিডিও!
ওকে, এখন কি তাহলে?
- তা নয়! ভিডিও দেখার সময় এরকম আরো অনেক ভিডিও এসেছিলো... - ওকে, তুই কি করলি?
- অবিরতভাবে সবগুলো দেখেছি! - কত সময় ধরে?
- মাত্র ৪ ঘন্টা! - ৪ ঘন্টা??
- অনেক হয়েছে, তুই ঘুমা এখন! - না রে! আমার ঘুম আসছে না।
দেখ, আমার ৯৬% মার্ক আছে... কিন্তু, অন্তত ৯৮% মার্ক দরকার। বৃত্তি পেয়ে আমেরিকায় যাবার জন্য।
তার সাথে এটার কি সম্পর্ক?
আমি পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছি না!
আমি এটা একবার ট্রাই করতে চাই!
- পাগল হলি নাকি? পানি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়! - আমি চেষ্টা করেছি...
- কিসের চেষ্টা করেছিস? - ঘুমানোর চেষ্টা করেছি... ঘুম আসছে না!
আমি প্রেম-ভালোবাসায়ও আগ্রহী নয়, পড়াশোনার জন্য ক্ষতিকর!
তাহলে, এখন কি করার কথা ভাবছিস?
- I need a Blind Date! - ব্লাইন্ড ডেট?
আমার একজন হ্যান্ডসাম ছেলে দরকার। আমি কে, আমার নাম্বার কি- এসব সে জানবে না...
তেমনই, সে কে, তার নাম্বার কি, তাও আমি জানবো না।
আমাকে আমার মনোযোগ ফিরিয়ে আনতেই হবে, তোকে সাহায্য করাই লাগবে!
- ছি! ছি! লজ্জা নেই তোর? - এই! এত অভিনয় করিস না! তুই কত ইন্নোসেন্ট আমি জানি!
অনেক বেশি বলছিস! ঘুমা এখন! মেন্টাল! আর, আমাকে যা বললি, আর কাউকে বলতে যাস না।
আপনারা ঠিকই অনুমান করছেন, আমি পরদিনই তাকে সরাসরি দেখতে গেলাম!
[ A blind date is a social engagement between two people who have not previously met, usually arranged by a mutual acquaintanc ]
আবার যেনো পিছু নিতে না দেখি!
ধুর! এভাবে হবে না মনে হচ্ছে! আরো কিছুদিন ফোন কল শোনাই বেটার হবে।
আমাকে ফলো করছো কেনো?
আমি?
২৮ দিন ধরে দেখছি! ১ম দিন কালো শার্ট গাঁয়ে দিয়ে, ওখানে দাঁড়িয়ে ছিলে। ২য় দিন সাদা শার্ট গাঁয়ে, এখানে দাঁড়িয়ে ছিলে।
শুক্রবার আসোনি, কিন্তু পরদিনই আইম্যাক্সে পিছু নিয়েছো। ২ দিন ধরে খেয়াল করছি...
যেখানেই থাকো, সময়মতো এখানে এসে দাঁড়িয়ে পড়ো। ২৮০০১ বাসে উঠে পড়ো।
এবার থেকে এসব বন্ধ করো! এটাই!
অভিনন্দন! মেয়ে পটে গেছে!
- কি বলছিস? - ওরে! তোর গাঁয়ে দেওয়া শার্টের কথা পর্যন্ত মনে রেখেছে।
২৮ দিন, তা পর্যন্ত গুণ রেখেছে, আইম্যাক্স থিয়েটারে ২ ঘন্টা সিনেমা না দেখে তোকে দেখেছে!
কিসের জন্য? প্রপোজ করে দে।
- আমি তাকে ভালোবাসি না। - ভালোবাসিস না? তাহলে কি?
[ ভালোবাসে না, তারপরেও মহেশ কেনো রাকুলের পিছু নিয়েছে? 😱😎😹 ]
- দেখো, প্রেম ভালোবাসায় আমার আগ্রহ নেই! - জানি! আমারও ভালোবাসায় আগ্রহ নেই।
তাই নাকি? ভালো... তাহলে, ঠিক আছে।
- কিন্তু, আমার ভালোবাসায় আগ্রহ নেই, তা তুমি কিভাবে জানো? - মানে, ৯৬% এর বদলে ৯৮% পেলে আমেরিকায় বৃত্তি পাওয়া যাবে।
এই... এটা তুমি কিভাবে জানো?
ভগবান আমার স্বপ্নে এসে এসব বলেছে, তোমার কোনো সাহায্য দরকার। সেটা খুঁজে সাহায্য করতে বলেছে।
- সেরকম কোনো ব্যাপার না... - তাহলে, দরকার নেই!
আমার স্ট্যান্ডে চলে এসেছি... আমি বিকাল ৫টায় সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে যাবো। কথা বলতে চাইলে, সেখানে আসো।
- কথা বলার জন্য লাইব্রেরিতে? - আস্তে আস্তে কথা বলবো!
ওকে! আস্তে আস্তে কথা বলবো!
এভাবেই সুখে শান্তিতে দিন কেটে যাচ্ছিলো। কিন্তু, একটা কল... জীবনটাকে ওলট পালট করে দিলো।
কি হলো এত রাতে?
সীতা, পরিবারের সবাই বিজয়াড়া গেছে। আমি একা আছি। এখানে ভূত প্রেত আছে মনে হচ্ছে। খুব ভয় করছে আমার।
সবসময় থাকিস কমিক বই আর ভূতের সিনেমা নিয়ে। এজন্য এরকম মনে হচ্ছে।
না রে! সবার বাড়িতেই কারেন্ট আছে, আমাদের বাড়ি ছাড়া। প্লিজ তুই একটু আয় আমাদের বাড়ি।
আমার বাড়ি কাছে নয় রে! তুই এক কাজ কর... দরজা জানালা সব বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়। ভূত বলে কিছু নেই। নিশ্চিন্তে ঘুমা। ওকে?
এই, শিবা! রি-ইউনিয়নে কেবল তুই-ই আসলিনা। তা, এত ব্যস্ত হয়ে পড়েছিস নাকি? চাকরির পাওয়ার ট্রিটও দিলিনা!
- হ্যাঁ, রেণু... একটা সাহায্য লাগবে! - ভেবেছিলাম, তা ছাড়া তো ফোন দিবিনা। বল!
- এখন কোথায় তুই? - বাড়ি যাচ্ছি।
তোর পাশের ফ্ল্যাটের ৩২নং বাড়িতে, একটা মেয়ে খুব ভয় পাচ্ছে... আমার মনে হয়, তার একটু সাপোর্ট দরকার।
- ওকে, ওকে, যাচ্ছি! কিন্তু, পদ্মিনীয় বিয়ে হয়েছে, শুনেছিস তো? - এসব পরে শুনবো। তুই আগে সেখানে যা। সমস্যা হলে, জানাস। ওকে?
ফোন রেখে, আগে খেয়ে নে!
- শার্ট লন্ড্রী করেছো? - আমি একা আর কত কাজ করবো? পত্রিকা রেখে নিজেই তো করে নিতে পারে।
এই নে টিফিন! রোজ খাবার বাঁচিয়ে রাখিস। আজ পুরো খাবার শেষ করবি...
ইন্টারমিডিয়েট পড়া হেমা নামের এক মেয়ে, আর রেণু নামের এক মহিলা পুলিশ কর্মকর্তা, দুজন একই বাড়িতে খুন হয়েছে।
দুজনের শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে কেটে আলাদা করে, দুজনের অংশ একত্রে মেশানো হয়েছে।
এ ঘটনা এলাকাবাসীর মনে ভীতির সৃষ্টি করেছে। আতঙ্কে এলাকাবাসী।
ইন্টারমিডিয়েট পড়া হেমা, আর একই কলোনির রেণু নামের কনেস্টেবল, দুজন একই বাড়িতে নির্মমভাবে খুন হয়েছে।
ম্যাডাম, একবার এদিকে আসুন।
কিভাবে বলবো বুঝতে পারছি না... তাদের চোখ, কান, নাক ইত্যাদি সব অংশ কেটে দুজনের অংশ একত্রে মেশানো হয়েছে। কোন অংশ কার বুঝতে কষ্ট হচ্ছে।
দুই পরিবারের দুই মহিলা এসে, সনাক্ত করতে পারলে ভালো হতো বলে স্যারের মত। একবার তাদের গিয়ে বলুন প্লিজ!
মেরে ফেলেছে! আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছে!
- আঙ্কেল, আপনি জানেন? শিবা চাকরি ছেড়ে দিয়েছে! - ছেড়ে দিয়েছে?
কি এসব? চাকরি ছেড়েছিস কেনো?
আমি এ কাজে আর মনোযোগ দিতে পারবো না। অপরাধ ঘটার আগে তা থামাতে পারিনি।
আমার ভুলের জন্য ২টা প্রাণ গেছে, এ কাজ আমি আর করতে পারবো না।
মেয়েটি ভূতের ভয়ের কথা বলেছিলো। সে ঠিকঠাক বলতে পারলে, এসব কিছুই ঘটতো না!
ছোট বাচ্চা! সঠিকভাবে বুঝে বলতে পারেনি। কিন্তু, আমার বোঝা উচিৎ ছিলো! আমার ওখানে যাওয়া উচিৎ ছিলো!
এই, কত অপরাধই তো থামিয়ে দিই। একবার ভুলে মিস হয়ে গেছে! কি করা যাবে? চল, অফিসে চল!
না রে... এই কাজ আমাকে অনেক সন্তুষ্টি দিয়েছে। দুর্বলদের সাহায্য করার সন্তুষ্টি। অন্যায়কে প্রতিহত করার সন্তুষ্টি।
এই কাজ প্রতি মিনিটে আমাকে সন্তুষ্টি দিয়েছে... কিন্তু, এই ২ প্রাণ যাওয়ার পর, এই সন্তুষ্টি আমি আর খুঁজে পাবো না!
অন্যায় কিছু ঘটার আগেই থামিয়ে দিতে, এই কাজে যোগ দিয়েছিলি। তাই না?
এই ২ জনের হত্যাকারী, আগে কাউকে হত্যা করেনি ভাবছিস?
নাকি আর কাউকে মারবে না ভাবছিস?
এসব জানা দরকার... এটা বড় কোনো ক্রাইমের সূচনাও তো হতে পারে!
যা, কাজে যা। এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে- চাকরিতে ফিরে যা! যা...
তোর সিস্টেমে মেয়েটির নাম্বার পাঠাচ্ছি। তুই তার Whatsapp মেসেজ চেক কর, আর তুই তার ফোনের মেসেজ চেক কর।
কারো উপর সন্দেহ হলে, মার্ক কর। নতুন কোনো বন্ধু, প্রেমিক- আছে কি না চেক কর।
( মেয়েটির সমস্ত কল হিস্টোরি চেক করছে স্পাই শিবা )
শিবা, কমিশনারের সব কল রেকর্ড করতে বলেছিলি। একটা কল সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। তোর কাজে লাগতে পারে। শুনতে চাস?
- স্যার, এসিপি শর্মা। - বলো, শর্মা। - স্যার, আপনার সাথে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলতে চাই। জরুরী!
- সমস্যা নেই, ফোনেই বলো। - না, স্যার। অনেক গুরুত্বপূর্ণ! ফোনে বলা যাবে না।
সমস্যা নেই, শর্মা। বলো...
স্যার, মার্ডারের স্থানে আমরা একটা কাপড় পেয়েছিলাম। এবং সেটা পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছিলাম। সে রিপোর্ট হাতে পেয়েছি...
সে কাপড়ে, মারা যাওয়া ২ মহিলা ছাড়াও আরো ৮ জনের রক্তের দাগ আছে এবং সবগুলোই এ মাসের।
তাই নাকি? ব্যাপারটা বেশ জটিল মনে হচ্ছে।
শর্মা, একটা কাজ করো... শহরে এ মাসে যত মিসিং কেস আছে, তার লিস্ট নিয়ে আমার সাথে যোগাযোগ করো।
- ঠিক আছে, স্যার। - হ্যাঁ, শর্মা... এ ব্যাপারে একটু গোপনীয়তা বজায় রেখো।
কি এসব! কথা শুনেই তো ভয় লাগছে! এ মাসেই আরো ৮ জনকে মেরেছে!
ঐ কাপড়ে আরো ৮ জনের রক্ত পাওয়া গেছে, এর বেশি লোককেও মারতে পারে!
খুনীকে ধরতে হলে... সে কে, কয়জনকে মেরেছে- সব বিস্তারিত জানতে হবে।
আসলে, আমরা যেখান থেকে শুরু করেছিলাম, সেখানেই থেমে গেছি!
মেয়েটি কোথায় গিয়েছিলো, কখন গিয়েছিলো- তা তার কল ও মেসেজে আছে। সময় ও স্থান মিলিয়ে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখলে- সূত্র পাওয়া যেতে পারে।
৩য় তলায় একজন আছে, কৌশিক, সে কি আমাদের সাহায্য করবে?
- কি এটা! এত বড় লিস্ট? এত ফুটেজ কিভাবে ম্যানেজ করবো? - অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যেভাবেই হোক সাহায্য কর, প্লিজ!
- ধরা পড়লে কি হবে? - আমার কথা শোন, ধরা পড়বি না।
প্রতারণা কর! যেভাবেই হোক কর!
জীবনের অর্থ এখনো বোঝেনি, এমন এক মেয়ে... নতুন চাকরিতে যোগ দেওয়া কনেস্টেবল...
দুইজনকে মেরে... পোশাক খুলে... দুজনের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ কেটে একত্রে মিশিয়েছে।
এরকম লোক! বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে!
তাকে আমার চাই! তাকে আমি ধরতে চাই! এজন্য, সিসিটিভি ফুটেজ দরকার!
আমার অফিস -৩ তলায়, আমি তোর অপেক্ষায় থাকবো!
শপিং মল, থিয়েটার, মন্দির, এটিএম, কুক্কাটপেল্লি চৌরাস্তা, জুয়েলারি দোকান, ট্রাফিক, পেট্রোল পাম্প এর সিসিটিভি ফুটেজ।
গেলাম, শিবা। কাল দেখা হবে।
- কি ব্যাপার? সারারাত এখানেই ছিলো মনে হচ্ছে। - হ্যাঁ, হ্যাঁ। কিছু একটা বের করেছে, দেখে নিস!
এই! সে কে জানতে পেরেছিস?
এই লোককে দেখ... ক্যাশ কাউন্টারে দাঁড়িয়ে, বারবার দরজার দিকে তাকাচ্ছে। কারো জন্য অপেক্ষা করছে!
এমন সময় মেয়েটি এসে এখানে বসলো। সে মেয়েটিকে দেখলো এবং এসে তার পাশের টেবিলে বসলো।
মেয়েটি তার বান্ধবীর সাথে বাইরে গেলো। সেও তার খাবার ফেলে বাইরে গেলো। এবং ফলো করা শেষ করে আবার এসে বসলো।
চেহারা ভালোভাবে বোঝা যাচ্ছে না...
পার্কিং এরিয়ার ফুটেজ দেখ, এর ভেতরেই আছে।
এরকম নাম্বার বাইকের হয়না, লরির নাম্বার এটা।
মরবে শালা! পুলিশকে খবর দিবি?
আমি সারারাত কষ্ট করেছি, জনগণের কথা ভেবে। পুলিশকে খবর দিলে সঠিক শাস্তি হবেনা। ওকে আমিই ধরবো!
আমার নাম গৌরি। আমি একজনকে ভালোবাসি, সেই রাগে আমার ভাই আমার সার্টিফিকেট নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে।
ভাইয়া... তুমি যা বলবে, তাই করবো। যাকে বলবে, তাকেই বিয়ে করবো। বাড়ির অবস্থা মোটেই ভালো নয়। মায়ের শরীরও অনেক খারাপ।
শুধু তোমার কথাই বলছে। প্লিজ ভাইয়া... আমার সার্টিফিকেট নিয়ে চলে আসো। না হলে, না খেয়ে মারা যাবো!
এটা আমার ভাইয়ের ফটো! নাম- কৃষ্ণমূর্তী। কেউ ইনাকে দেখলে, প্লিজ আমার বলা নাম্বারে ফোন দিয়ে জানান।
আমার সার্টিফিকেট থাকলে, যেকোনো একটা কাজ খুঁজে, মায়ের দেখাশোনা করতে পারবো। প্লিজ...
বলো, ভাইয়া...
No comments yet. Be the first to leave one.