لومړۍ 200 کرښې.
তো, গফের মাথা থেকে বাটারফ্লাইটা পালানোর পর,
ওর কী হয়?
ওকে গুলি করেছি। গুলি মেরে... একদম খুলি উড়িয়ে দিয়েছি।
ওরে ধরতে পারলে বেশি ভালো হতো, তারপরও পালাতে পারেনি এটাই বহুত।
মনে হয় না আমি কখনো আর হাঁটতে পারব।
কেন?
মাদারচোদটা আমার কড়ে আঙুলের অর্ধেক খেয়ে দিয়েছে।
এটাই তো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আঙুল।
- আমার তা মনে হয় না। - ঠিক আছে, এটা সত্যি না।
না, এটাই সত্যি! তুমি এটা ছাড়া হাঁটতেও পারবে না!
কড়ে আঙুল ছাড়া তুমি আরামসে হাঁটতে পারবে।
হাঁটতে গিয়ে বারবার পড়ে যাবো, তখন দেখতে বোকাচোদা লাগবে, আর সবাই আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করবে।
তোমার কড়ে আঙুল না থাকায় পড়ে গেছ বলে কে তোমাকে নিয়ে হাসাহাসি করতে যাবে?
ব্যস কল্পনা করছিলাম। আহ... স্যরি।
মেটাটারসেল হাড় না থাকলে হাঁটতে পারবে না।
এটা কড়ে আঙুলের গিড়ার মতো।
কিন্তু কুড়ি আঙুল কাটা গেলে, কোনো সমস্যা নেই।
ওর কী করবে?
- এই, না! - না!
• • • অনুবাদে • • • রায়হান শেখ জনি সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
• • • সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
- গাড়ি চালাতে পারবে এখন? - হ্যাঁ।
হারকোর্ট আর এডেবায়ো, গফের বাসা থেকে আনা বক্সগুলো চেক করো।
দেখো ওগুলোতে অন্যান্য বাটারফ্লাইয়ের ব্যাপারে কিছু জানা যায় কিনা।
আমি? জন নয় কেন?
ওকে তো জুডোমাস্টারকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে!
পিসমেকার, আমার অফিসে আসো।
তোমার মন এখানেই আছে তো?
- কী? - গতরাতে তুমি ঘাবড়ে গেছিলে।
মজা নিচ্ছ? কিন্তু স্নাইপার রাইফেলে একটা
শান্তি প্রতীক যদি লাগাতে তাহলে হয়তো অমন হতো না!
আমার কাছে, কাউকে মারার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে,
অস্ত্রে শান্তির প্রতীক থাকা।
এসব ফালতু কথা, সেটা তুমি জানো!
আর তুমি আমায় একটা বাচ্চাকে মারতে বলেছ। কিন্তু কারণ বলোনি!
হ্যাঁ, ঠিক আছে, ছেলেটা মোটকু ছিল।
কিন্তু এতে পরিস্থিতি ভালোর দিকে যায় না, বরং আরও খারাপ হয়!
এর জন্য আমার খারাপ লাগা শুরু হয়।
হ্যাঁ, তোমার উপর হয়তো একটু বেশিই জোর খাটিয়ে ফেলেছি।
আমি যেকোনো মূল্যে শান্তি বজায় রাখার শপথ নিয়েছি,
তার জন্য আমাকে যতজন পুরুষ, নারী, বা বাচ্চা মারা লাগুক, আমি মারব।
কিন্তু আমি ব্যস তোমার কথায় কোনো বাচ্চাকে মারতে পারব না!
তুমি নিশ্চিত এটাই আসল ব্যাপার?
- হ্যাঁ। - বেশ...
এই দুনিয়াকে একজন হারামির দরকার আর আমার কাছে শুধু তুমিই আছ।
- বাল! বাল! বাল! - বেশ, সেও সাথে আছে হয়তো।
বাল, হাঁটতে গিয়ে এত লাগছে!
- তুমি এব্যাপারে নিশ্চিত? - হ্যাঁ।
কেন?
ভিজিল্যান্টি একটু...
তোমার কী মনে হয় আমার তা চোখে পড়েছি?
হ্যাঁ। হ্যাঁ, ঠিক।
যবে থেকে ঐ ম্যাটার-ইটারের সাথে টিম আপ করেছি,
সবকিছু কেমন যেন ওলট-পালট হয়ে গেছে।
তোমার ভিজিল্যান্টিকে কাছে রাখতে হবে।
ও মুখ খুললে, সব বরবাদ করে দিতে পারে।
ওকে তো একবার পুরো উইন্ডির রেস্টুরেন্ট খেয়ে ফেলতে দেখেছিলাম।
ভিজিল্যান্টি একটা রেস্টুরেন্ট খেয়ে ফেলেছে?
না, ম্যাটার-ইটার। এটাই ওর শক্তি, ও সবকিছু খেতে পারে।
রেস্টুরেন্টের লোক ওর খাবার আনতে দেরি করেছিল। মালটা পুরোই পাগল।
ওর নাম ম্যাটার-ইটার?
হ্যাঁ, কিন্তু এতকিছুর মধ্যে, তোমার ওর প্রতি এত আগ্রহ কীসের?
এটা মনোযোগ হারানোর সময় না, মুর্ন।
ঠিক আছে।
এই, ঐ বাটারফ্লাইরা কি...
এলিয়েন বাগদের মতো মানুষের মস্তিষ্কে ঢুকে তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে?
গিয়ে একটু আরাম করো, আবার রাতে এসো।
তখন সব বুঝিয়ে বলব।
ঠিক আছে।
শোনো, কাল রাতের জন্য আবারও স্যরি।
আগে কখনো কোনো মানুষকে মারিনি।
তুমি বলেছ।
আগে কাউকেই মারিনি।
মানে কাউকেই না।
জানো তো, আমি প্যাসকেটেরিয়ান।
তো, তোমার ঐ বেচারা হারামির জীবনের শেষ মূহুর্তটা
অকল্পনীয় বেদনায় ভরাতে পারছিলে না কারণ ওকে অমন দুর্দশা থেকে বের করার মতো
বুকের পাটা তোমার নেই,
কিন্তু তুমি তো একটা মাছ অবধি খেতে পারবে না?
বুঝেছি।
আমি মাছ খাই। প্যাসকেটেরিয়ানরা, শুয়োরের মাংস,
- গরুর মাংস বা... - আমার তাতে কিছু যায় আসে না, এডেবায়ো।
সত্যিটা হচ্ছে, তুমি এই চাকরিটা চাও, আর তুমি পিছনে হটতে পারবে না। কখনোই না।
যখন দরকার হবে তোমাকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
আমাকে এখন বাথরুম যেতে হবে।
এই! তুমি কি ওকে এখানেই রাখবে?
তাহলে আর কোথায় নিয়ে যেতে বলছ?
জানি না, হয়তো হাসপাতালে?
কী, যাতে ও পালাতে পারে?
খোদা, কত সিক্রেট আছে।
হ্যাঁ, ব্ল্যাক অপ্সের জীবনটাই এমন, বন্ধু।
আর, উম, হারকোর্টকে নিয়ে চিন্তা কোরো না।
ও কাউকেই তেমন পছন্দ করে না।
হ্যাঁ, হয়তো ওকে আর মুর্নকে দেখাতে হবে আমি কী করতে পারি।
বেশ, আমি কী করতে পারি তা দেখিয়ে দিয়েছি। এই যে তার প্রমাণ!
আহ-হা।
জন ইকোনমাসের সাথে কখনো হ্যাংকি প্যাংকি করতে আসবি না, মাদারচোদ!
এই, যাবার পথে বাবার বাড়ি হয়ে যেও।
ওনার কাছে একটা হেলমেট আছে মনে হয় আমার কাজে দিবে।
শোনো, উহ, গতকাল রাতে আমার বারোটা বাজতে দেওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।
তোমাকে স্বাগত?
জানো তো, আমার... এক মিনিটের জন্য, তোমার উপর... খুব রাগ উঠেছিল।
মানে, তোমার যেন পরোয়াই নেই...
যে আমি কেমন অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করছি!
ঠিক আছে।
হ্যাঁ, কিন্তু তারপর আমি বুঝলাম... যে তুমি তো ব্যস আমাকে সাহায্য করছ
আরও মজবুত হয়ে উঠতে।
এমন কেউ যে কারেন্টের শক খেলে বা
আঙুল অর্ধেক কাটা গেলেও মুখ খুলবে না।
- তুমি তো ঠিকমতোই হাঁটতে পারবে। - বেশ, মনে হয় না আমি ভালোভাবে আর কখনো হাঁটতে পারব।
কিন্তু এটা কাজে দিয়েছে, মানে আমি আরও আবেগ বুঝতে শিখেছি, তো...
ধন্যবাদ!
তোমার মতো অস্থির বন্ধু কখনোই ছিল না আমার।
- কী? - মনে হচ্ছে যেন, তুমি ভেতরে ভেতরে,
- এই ব্যাপারে রেগে আছ। - না।
- দেখে তো তাই মনে হচ্ছে - বেশ, আমি রেগে নেই, দোস্ত।
বেশ, এখন যেভাবে "দোস্ত" বললে।
- কী? - তাতে বিরক্তির ছাপ ছিল।
নাহ, সবসময় যেভাবে বলি সেভাবেই বলেছি।
একটা কথা জানো কি? তোমার আসলে কৃতজ্ঞ বোধ করা উচিত,
কারণ আমি যদি ঐ লোককে কিছু বলতাম তবে তোমার সত্যিই অনেক অপরাধবোধ হতো
কারণ অতটুকু টর্চারও তুমি সইতে পারো না।
ওহ, হ্যাঁ, সত্যিই অনেক অপরাধবোধ হতো!
দেখলে ওটা। ওটা, ওটাই ছিল রাগ।
না, ছিল না! ওটা স্বাভাবিক ছিল।
আমি তো ব্যস... সহমত প্রকাশ করেছি।
তোমার বাবা নিজের বাগানে আমেরিকার পতাকা উল্টো করে টাঙিয়েছে কেন?
জানি না, বাড়া। এগুলো ডিপ স্টেট ব্যাপার।
বা হতে পারে তোমার বাবার মাথায় সমস্যা আছে।
ওহ, তাই? যেমন তোমার বাবা আরেকটা লোকের জন্য তোমার মাকে ছেড়ে গেছিল।
- এই! - তাই তো করেছে।
হ্যাঁ, ওরা একে অপরকে অনেক ভালোবাসতো।
আমার তো সন্দেহ আছে। মনে হয় তোমাদের থেকে পালানোর জন্য সে গে হবার নাটক করেছে।
বেশ, হয়তো! কিন্তু তার সাথে এসবের কী সম্পর্ক?
জানি না। হয়তো আমরা বাবাদের নিয়ে কথা বলছিলাম।
এখানে থাকো, আমি আসছি।
ধুর বাল।
ওহ, হেই, তুমি এসেছ!
আপনারা দেখছেন KWUE তে দুপুরের খবর।
আজ সকালে এভারগ্রিন জু'তে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, জু'কিপারেরা জানায়
সিলভারব্যাক গোরিলা চার্লি নাকি নিখোঁজ।
জু বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, আর ফরেনসিক টিম এখন তল্লাশী চালাচ্ছে।
জু'য়ের কর্মীরা জানিয়েছে গোরিলার চুরি হবার ব্যাপারে তাদের কোনো ধারণা নেই...
আর আশা করছি চার্লি জলদিই ফিরে আসবে। আমার ঐ গোরিলাটাকে ভালো লাগে!
বর্মটার মধ্যে গ্যাপ আছে।
- কী? - এটা তোমার বাবার হোয়াইট ড্রাগন কস্টিউম, তাই না?
যেখানে যেখানে কাপড় আছে সেখানে সেখানেই সমস্যা।
তোমাকে গাড়ির মধ্যে থাকতে বলেছিলাম!
সব রেডিও স্টেশনে অ্যাড চলছে...
এই জায়গায়টা এত বড় কীভাবে?
এটা একটা কোয়ান্টাম ফোল্ডিং এরিয়া।
এটা অন্য একটা স্থানে নিয়ে যায়।
বেশ, তোমার বাবা রেসিস্ট হবার পরও মাথায় বুদ্ধি আছে ভালো।
আর যদি তোমার বাবা রেসিস্ট হয়, আর যদি তুমি তার সাথে কাজ করো...
আমি তার সাথে কাজ করি না! সে আমাকে জিনিস বানিয়ে দেয়।
যদি কেউ হাঁসের মতো চলে, তাহলে তো তাকে হাঁসই বলবো।
এর মানে কী?
যদি কেউ হাঁসের মতো চলে, তবে সে হয়তো হাঁস,
নয়তো কোনো হাঁস... মানুষের কস্টিউম... পরে আছে...
জানি না! হয়তো... সে নিজের চলনভঙ্গি লুকাতে পারেনি!
এটা কীভাবে সম্ভব?
কোনটা কীভাবে সম্ভব?
মানুষের কস্টিউমে হাঁস?
সাইজ ম্যাটার করে রে ভাই!
জানি না। হয়তো, হাঁসরা চালাক।
এটাই তো পুরো ফ্রেজটার মোদ্দা কথা।
আর, তারা হয়তো নিজের বেস্ট ফ্রেন্ডের কড়ে আঙুল নিয়ে পরোয়া করে!
এখান থেকে বের হও। তুমি এখানে থাকার যোগ্য নও!
আমাকে ধাক্কা দিবে না!
ব্যাটম্যানের পিছনে এক ঝাঁক সুপারভিলেন লেগে আছে।
- জোকার, রিডলার, ম্যাড হ্যাটার... - তো?
বলেছিলে তুমিও নাকি ব্যাটম্যানের মতো সুপারহিরো।
তোমার পিছনেও কি এক ঝাঁক সুপারভিলেন লেগে আছে?
না, নেই।
হয়তো তুমি কোনো সুপারহিরোই না।
আমার পিছনে কেন কোনো সুপারভিলেনের ঝাঁক লেগে নেই জানতে চাও?
কেন?
কারণ তারা ছয়-ফিট নিচে দাফন আছে!
এইতো, দেখলে? ব্যাটম্যান কাউকে মারে না!
- কারণ ও ভীতু! - সে রাতের রক্ষক!
ও একটা বকচোদ!
যে ভাঁড়ের মতো কাপড় পরে খুনিদের সাথে কুতকুত খেলে আর তাদের জেলে পাঠায়!
যাতে তারা জেল থেকে বেরিয়ে আরও মানুষ খুন করতে পারে।
একটা কথা বলো, ব্যাটমান ইনডিরেক্ট কতজন মানুষ মেরেছে...
ঐ চোদনাগুলোকে ভোগে না পাঠিয়ে
যাদের কিনা শুরুতেই হোগা মেরে আসমানে তুলে দেওয়া উচিত ছিল,
নষ্টচোদা, গোবর গনেশ, বুড়ো ভাম কোথাকার?
খোদা! আমি তো ব্যস একটু কথা বলার চেষ্টা করছিলাম।
ধুর বাড়া!
তোমার এমন হাবভাব দেখে বলাই যায়, তুমি নিঃসন্দেহে একজন সুপারভিলেন।
তুমিও তোমার বাবার মতো শীঘ্রই জেলের ভাত খাবে!
কীসের কথা বলছ?
- পিসমেকার। - হচ্ছেটা কী, মুর্ন?
আমাকে পুলিশের হাত বাঁচাতে আমার বাপকেই ফাঁসিয়ে দিলে?
ওটা আসলে প্ল্যান ছিল না। তাড়াহুড়োয় নেওয়া সিদ্ধান্ত ছিল ওটা।
ওটা আমার বাপ রে, ভাই! ধুর! তোমার আদৌও কোনো বাপ আছে?
অবশ্যই আছে। আমি তো আর আকাশ থেকে পড়িনি।
তুমি ফিরে আসতে চাইলে, আমরা এ ব্যাপারে বড়দের মতো কথা বলতে পারি।
না! না! আমার বাপ জেলে আছে, আর আমি তাকে দেখতে যাচ্ছি।
স্মিথ, এটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।
No comments yet. Be the first to leave one.