لومړۍ 200 کرښې.
ফ্লাইট উড্ডয়নের জন্য তৈরী হচ্ছে
মোবাইল ফোনে রিং বাজছে.....ক্রিং......ক্রিং..
হ্যালো
হ্যাঁ
কী!!
স্যার, প্লিজ আপনার মোবাইলটি বন্ধ করুন।
জাস্ট এক সেকেন্ড.এক সেকেন্ড... প্লিজ..
এক্সকিউজ মি
এক্সকি........উ.....জ.....মি...
স্যার, প্লিজ বসুন
ক্যাপ্টেন, এখানে একজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
একজন যাত্রী করিডোরে পড়ে গেছেন।
দিল্লি, এয়ার ইন্ডিয়া ১০১ একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সীর জন্য ফেরত আসছে।
এক্সকিউজ মি, স্যার.
এক মিনিট, দাড়ান
না না আমি একদম সুস্থ্য হয়ে গেছি। ধন্যবাদ। আপনারা যান, যান... আমি চলে যেতে পারবো ....
জেন্টলম্যান, দাড়ান...
চলো ভাই গাড়ী বের কর! - আপনি কি মিঃ ডিলন?
কেন নামের ট্যাটু কি কপালে লিখে ঘুরবো নাকি? আরে জলদি গাড়ি বের কর। জি স্যার, আসুন স্যার
হোটেলে যাবেন তাইনা স্যার?
হ্যাঁ হ্যাঁ হোটেল যাবো... তার আগে “বসন্ত বিহারে” যাবো ওখানে চলো
আরে ভাই আরেকটু দ্রুত চালারে ভাই!
হ্যাঁ ফারহান, বল....
তুই জ্বলদি বেড়িয়ে আয়, আমি তোর ওখানে ৫ মিনিটের মধ্যে আসছি।
কি হইছেরে দোস্ত?
আমাকে চতুর কল দিয়েছিলো? তোর মনে আছেতো চতুরের কথা?
কে? “সাইলেন্সার”
হ্যাঁ ... হ্যাঁ...
বলছিলো যে র্যাঞ্ছ নাকি আসছে......
কী. বলছিস.?
ও বলল যে, র্যাঞ্ছর সাথে দেখা করতে চাইলে ঠিক ৮টার সময় ক্যাম্পাসে চলে আয়, ট্যংকির উপর
এই সেড়েছে!
আরে তুই জ্বলদি বেরো নারে দোস্ত!
হ্যাঁ ঠিক আছে ঠিক আছে। ওকে.।
সুমি, আমি কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরবো আরে.... জুতা ...টা .... কই.?
আরে আমার দোস্ত’র খোজ পাওয়া গেছে
কি?
দোস্ত আমি ফিরে এসে কথা বলবো ওকে বাই।
আরে প্যান্টটা... তো পড়ে যাও.....
এখনতো হোটেলে যাবেন, তাইনা স্যার?
আরে হোটেলে যাবোরে ভাই কিন্তু কিন্ত ইম্পেরিয়াল কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং হয়ে তারপর...
ওকে স্যার.
মোজা আনতে ভূলে গেছি
তুই মোজার কথা বলছিস,
আরে নিচে দ্যাখ, তুইতো প্যান্ট পড়তেও ভুলে গেছিস
এই সেড়েছে...
ভাইসাব, এবার আপনি হোটেলে চলে যান, কিন্তু তার আগে এয়াপোর্টে আমার ভাই আসছে তাকে নিয়ে যাইয়েন।
লাস্ট নাম একই............ ডিলন।
আমি ডিলন। গাড়ী পাঠিয়েছ তো গেছে কোথায়? রানওয়েতে....?
অই... র্যাঞ্ছ
অই চতুর, র্যাঞ্ছ কোথায়?
. র্যাঞ্ছ.......
র্যাঞ্ছ কোথায়?
ওয়েলকাম, ইডিয়েট’স.....
‘মদিরা’ পান করবে?
এটা সেই মদ টা না? তোমরা যেটি এখানে বসে খেতে?
নাও খাও
আরে র্যাঞ্ছ কোথায় দোস্ত?
বলছি, . তারআগে এটা দেখো
আমার স্ত্রীকে নয়, ওর পিছনের বাংলো দেখো ইডিয়েট’স
$ 3.5 মিলিয়ন
সুইমিংপুল.. হিটেড
লিভিং রুম - মেপাল কাঠের ফ্লোরিং
আমার নতুন Lambhorghini 6496 cc -
সু.... সেইরকম ফাস্ট
আবে, এসব আমাদের কেন দেখাচ্ছিস?
ভূলে গেছ?
এটা কি?
'5th সেপ্টেম্বর'. আজকের তারিখ আর কী।
চল্ বাজি ধর
আমরা দশ বছর পর ফিরে আসবো
এই জায়গায়, আজকের দিনেই
সেদিন দেখবো, কে বেশী সাকসেস্ফুল হতে পারে?
সাহস আছে? তো বল আসবি..? আসবি..........??
কিছু মনে পড়লো? এখানেই সেই ইডিয়েট টার সাথে বাজি ধরেছিলাম
আমি আমার ওয়াদা রেখেছি। আমি ফিরে এসেছি... হু..হু.
শালা আমি আমার ফ্লাইট ফেলে চলে এসেছি ওতো নিজের প্যান্টটাও ফেলে এসেছে
শুধু র্যাঞ্ছর সাথে দেখা করতে
৫ বছর ধরে আমরা ওকে খুঁজছি বেঁচে আছে না মরে গেছে, তার নেই ঠিক
আর তুই ভেবেছিস তোর সেই ফালতু বাজির জন্য ও এখানে আসবে
আসবে না,, আমি জানি যে ও আসবেনা। ...হু..হু..
দোস্ত তুই ওর দাঁত ভাংবি না আমিই ভেংগে দেবো
আরে শালা, তাহলে তুই আমাদের ডেকে আনলি কেন?
র্যাঞ্ছর সাথে দেখা করানোর জন্য
গিয়ে দেখ যে ও কোথায় পড়ে রয়েছে আর আমি কোথায় পৌঁছে গেছি।
তারমানে তুই জানিস র্যাঞ্ছ কোথায়?
হ্যাঁ.....
কোথায় র্যাঞ্ছ?
সে এখন ‘শিমলা’য় আছে।
চঞ্চল হাওয়ার মতো ছিল
উড়ন্ত ঘুড়ি যেন ছিল
হাড়াল কোথায় ..খুঁজে বলো ?
চঞ্চল হাওয়ার মতো ছিল
উড়ন্ত ঘুড়ি যেন ছিল
হাড়াল কোথায় ..খুঁজে বলো ?
আমরাতো চলতাম তৈরি পথ ধরে
সে নিজের পথ নিতো গড়ে
ভাঙ্গা গড়ার নেশায় মাস্তি সে করতেছিল।
আগামীর ভয় মোদের কুড়ে কুড়ে খেত
ও শুধু আজকের মজা লুটত
প্রতিটি ক্ষণে সে খুশির খেলায় মেতেছিল
কোথা থেকে সে এলো........
হৃদয় টা ছূয়ে দিলো.....
হাড়াল কোথায় ..খুঁজে বলো ?
কড়া রদ্দুরে ছায়ার মতো
মরু প্রান্তরের বাগিচার মতো
খুশবুতে হৃদয় ভরেছিলো।
আমরা থাকতাম যখন কূয়ার ভেতর
ও তখন নদীতে কাটছিলো সাতার
স্রোতের ধারার বিপরীতে যাচ্ছিলো।
মুক্ত মেঘের মতো ছিলো....
সে মোদের বন্ধু ছিলো
হাড়াল কোথায় ..খুঁজে বলো ?
র্যাঞ্ছ
র্যাঞ্ছর দাস শ্যামল দাস চাঁচর
শালার, নাম যেমন ব্যতিক্রমি ছিলো। তেমনি ব্যতিক্রমি ছিলো ওর চিন্তাধারা।
আমরাতো ছোট্ট বেলা থেকে এটাই শুনছি যে, জীবন হলো এক দৌড়ের পাল্লা, জোড়ে না দৌড়ালে অন্যরা তোমাকে পিষে ফেলে আগে চলে যাবে।
শালার, জন্ম নেয়ার জন্যও ৩০০ মিলিয়ন স্পার্মের সাথে পাল্লা ধরতে হয়েছিলো।
১৯৭৮ সাল। বিকেল ৫:১৫ মিনিটে আমি জন্মেছিলাম।
আর বিকেল ৫:১৬ মিনিটেই আব্বা ঘোষনা করলো
আমার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার হবে। - ফারহান কোরেশী. বি.টেক. ইঞ্জিনিয়ার।
আর আমার ভাগ্যে ইঞ্জিনিয়ারের ঠাপ্পা লাগানো হলো।
আরে আমি যে কী হতে চাই... . শালার .. কেউ জিজ্ঞেস পর্যন্ত করলোনা।
(সাড়া জীবন ধরে আমরা, মরার মতো বাচিঁ)
রাজু রাস্তগি র্যাঞ্ছর দাস চাঁচর
রুম নাম্বার বলো?
ডি - ২৬
চলো
আমি অইলাম মন মোহন. সংক্ষেপে এম.এম.
এখানকার সক্কল ইঞ্জিনিয়ার আমারে মিলিমিটার কইয়া ডাকে।
দুধ, ডিম, রুটি, লন্ড্রি....
জার্নাল’স কমপ্লিট... এসাইনমেন্ট কপি.করা..
যেকোন কাজ থাকলে কইবা... আমি কইলাম ফিক্স রেটে কাম করি, দরাদরি চলবোনা কইলাম।
আরে এক মিনি...এক মিনি... এক মিনিট.. এটা ধরতো
ও হইতাছে কিলোবাইট, ও মেগাবাইট আর এইটা অগর মা, গিগাবাইট
ফটু তুলবা? তোল তোল এই ফ্যামেলি কাউকে বাইট (কামড়ানো) করেনা।
লে .. বাবা.. আরেক ভক্ত চইল্ল্যা আইছে !
হায়, ফারহান কোরেশী - আমি রাজু রাস্তগি
চিন্তা কইরোনা।
এইহানে কিছু দিন থাকলেই দেখবা এমনিতেই ভগবানের উপর থেকে বিশ্বাস উইঠ্যা যাইবো
তখন দেয়ালে মেয়েদের অশ্লীল ফটু লাগাইবো। আর কইবো....
ওহ্..... গড..., একবার মিলাইয়া.. দে....
ওই বেরো বলছি এখান থেকে ..... বেরো..
৪ টেকা দেও, প্রতি ব্যগ দুইটেকা কইরা
নে ধর ৫টাকা, বাকী ১টাকা তোর বকশিস
আরে বাহ্ বস্..... তুমি যখন আমারে বকশিস দিলা তয় আমিও তোমারে একখান বকশিস দিমু
আইজকা রাইতে ভালো দেইখা জাইঙ্গা পইরেন কইলাম।
কেন ?
জাহাপনা.... , আপনি মহান.....
উপহার গ্রহণ করুন।
আ...হা....হা. ..... ওতো হীম্যান রে হীম্যান
ওহ্..হ্..হ্..ঠাপ্পা... সেইরকম......পিস্ একটা
ইজ্জত ভূলুন্ঠিত হয়েছিলো....
. ....হাত সালাম ঠুকছিলো.....
গোলামী করার জন্য মস্তক ছিলো অবনত
যখন আমরা প্রথমবার র্যাঞ্ছ কে দেখলাম।
চারআনা...
আটআনা...
নয়া উপঢৌকন.....ওই উপঢৌকন. . উপঢৌকন.. উপঢৌকন..
নমস্কার স্যার, প্যান্টটা খুলুন আর ঠাপ্পা লাগিয়ে নিন।
নাম কিরে তোর বল?
'রাঞ্চুর দাস শ্যামল দাস চাঁচর'
শুনছ্... ভাইজানেরা .. তৈরী হয়ে যান ফাইনাল পিস রেডি করে আনছি....
প্যান্ট খোল... প্যান্ট..... খোল...
আচ্ছা ... তো তুই এমনি এমনি শুনবিনা না?
ভেঁজা প্যান্ট পড়েনা খোকা, নে খোল.. খোল.
সব ঠিক আছে !!!!সব ঠিক আছে !!! - কি বললি?
সব ঠিক আছে !!!!সব ঠিক আছে !!!
ও বলছেটা কিরে?
আরে..কেউ বুঝাতো ওকে... অই জেমস্ বন্ড
বোঝা ওকে হুম.
টেক অফ ইউর প্যান্টস্ অর দে আর গইং টু পিস অন ইউ
ওই ইংরেজ! বাংলায় বলতে কি তোর লজ্জা করছে?
সরি স্যার, আমার জন্ম হয়েছিলো তো উগান্ডাতে আর পড়াশুনা পন্ডেচেরীতে
তাই বাংলায় আমি একটু স্লো (ধীর গতি)
তাহলে ওকে স্লোলিই বোঝানা। জ্বলদি করছেটা কে?
আবারো পড়ে ফেলেছেন আপনারা?
বস্ত্র খুলে ফেলুন।
নয়তো উনি আপনার উপর 'মুত্র বিসর্জন' করবেন।
হিসু করাকে কি বলল 'মুত্র বিসর্জন'
মহা পন্ডিত এসেছে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে
অই বাইরে আয় শালা
বাইরে আয়. .. নয়তো.....
নয়তো তোর দরজার সামনেই 'মুত্র বিসর্জন' করে দেবো
১০ পর্যন্ত গুনবো। বাইরে না আসলে আমি...
আমি পুরো সেমিস্টার ধরেই তোর দরজায় 'মুত্র বিসর্জন' করবো
১
২
৩
৪
৫
৬
৭
৮
৯
১০
লবনাক্ত পানি তড়িৎ পরিবাহী সেই ক্লাস ৮ এ পড়েছিলাম
আমরা শুধু বইতেই পড়েছিলাম। শালায় তা ব্যবহার করলো
আইসিই’র ডিরেক্টরের নাম ছিলো ‘ডক্টর ভিরু শাস্ত্র বুদ্ধ’
সবাই তাকে ভাইরাস, কম্পিউটার ভাইরাস বলে ডাকতো।
No comments yet. Be the first to leave one.