لومړۍ 200 کرښې.
অনুবাদে ❝ সুশান্ত চক্রবর্তী সৌমিক ❞ ❝ শান্ত কুমার দাস ❞
সম্পাদনায় ❝ শান্ত কুমার দাস ❞
🌊 ⭐ ⭐ এটি আমার ❝১৯৬তম❞ পূর্ণাঙ্গ বাংলা সাবটাইটেল ⭐ ⭐ 🌊
রামিয়া, তোমার পালা।
কয়জনকে চুমু দিয়েছো?
- জ্বালিয়ো না তো! - বলো না!
বাচ্চাদের গালে চুমু দেওয়াও হিসাব করবো নাকি?
ধ্যাৎ!
দিব্যা, তোমার পালা!
নিজের ভালোবাসার সাথে কিভাবে দেখা হয়েছে তার গল্প।
দারুণ! ভিকির পছন্দের টপিক।
আমাকে এর মধ্যে টানছো কেন?
ঠিক আছে, আমি গেলাম তাহলে।
এটা আরেকবার ঘুরাতে পারি না?
- এই... - এটা প্রতারণা।
তোমাকে যে প্রশ্নটা করেছে সেটারই উত্তর দিতে হবে।
এই দিব্যা, বলো না। আমরা তোমার গল্প জানিনা।
হ্যাঁ দিব্যা, বলোনা!
বলে ফেলো, দিব্যা। দারুণ টপিক এটা!
শোনা যাক!
ঠিকভাবে বললে কলেজে দ্বিতীয় বর্ষের...
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সময় তার সাথে প্রথম দেখা হয়।
পরবর্তীতে মঞ্চে আসছে অরুণ।
"তার পরনে একটা জলপাই রঙের ম্যান্ডারিন কলার শার্ট, কালো জিন্স এবং..."
"সাদা স্নিকার্স ছিলো।"
যখন সে মঞ্চে উঠছিলো সবাই করতালি দিয়ে স্বাগত জানাচ্ছিলো।
"দেখলাম কলেজে ওর অনেক ভক্তবৃন্দ আছে।"
ধন্যবাদ!
সে বিজয় সেতুপতির কন্ঠে কথা বলা শুরু করলো।
অডিটরিয়াম হুল্লোড়ে একদম ফেটে পরলো।
বল উপরে উঠলো...
আমি বলটা ধরতে গেলাম।
ক্যাচটা মিস করলাম। এবং পড়ে গেলাম।
আচ্ছা, আচ্ছা, আচ্ছা। আমি এখানে ব্যাথা পেয়েছি।
ওই মেয়েটা কে? এরকম ভূতের মতো সেজেছে কেন?
ওয়াহ্!
"প্রতিযোগীতায় সে প্রথম পুরষ্কার অর্জন করে।"
"পুরো কলেজের নজর তার উপর ছিলো।"
তবুও, আমার মনে হলো...
সে আমাকে খেয়াল করেছে।
"সেদিনের পর থেকে, আমাদের শুধু মুখ দেখাদেখি হতো।"
"পরে দেখি সে আমার ডিপার্টমেন্টের অবিনাশের বন্ধু।"
"তো, তার সাথে পরিচয় হয়ে গেলো।"
"আমরা একসাথে ক্যান্টিনে সময় কাটাতে শুরু করলাম।"
"তারপর একে অপরের মোবাইল নাম্বার নিলাম।"
"গোপনে আমরা দেখা করাও শুরু করলাম।"
"এবং তারসাথে ফ্লার্টিংও শুরু হলো।"
আমার জন্মদিনের দিন, ল্যাব শেষে, ক্লাসরুমে গেলাম...
ক্লাসে গিয়ে দেখি টেবিলের উপর আমার জন্য একটা ঝুড়ি রাখা।
ওটা আমার ২১তম জন্মদিন ছিলো।
ঝুড়িটাও ২১টা উপহারে পূর্ণ ছিলো যেগুলা আমি পছন্দ করি।
ওটাতে একটা কার্ডও ছিলো।
"তাতে লেখা ছিলো, আমার স্ত্রী'কে শুভ জন্মদিন।"
- তারপর? - তারপর আর কী?
একটা গান শুরু!
এখনই সব ঠিক আছে, এবং তোমার দলের সাথেও একটা ভালো সম্পর্ক আছে।
ভিকি ব্রো, এখন চলে যাচ্ছো কেন?
আমাকে ওই অফিসে যেতে দাও তারপর সবাইকে ওখানেই ডেকে নিবো।
ঠিক আছে?
আহ ব্রো, আমি এই জায়গা ছাড়ছি না।
কোনো তাড়ছিড়া তোমার জায়গায় এসে আমাদের উপর নির্যাতন করবে।
মনে রেখো আমাদের অভিশাপ তোমার পিছু ছাড়বে না।
- অন্তত তো তুমি এখানে কাজ করবে, রামিয়া। - ঠিক!
- ও ঠিকই বলেছে। - বাদ দে তো।
- শুভ সকাল, জান। - শুভ সকাল।
কোথায় তুমি?
আমি সৌম্যর বাসায় আছি।
হ্যাঁ, বলেছিলে ওর বোনের সাধভক্ষণ আছে। [সাধভক্ষণ → বাচ্চা জন্মের আগে হিন্দুধর্মে অনুষ্ঠিত আচার অনুষ্ঠান]
কোন এলাকায় বলেছিলে?
- আমবাত্তুর এর কাছে... - আমবাত্তুর?
ঠিক আছে, তোমার লাইভ ঠিকানাটা পাঠাও।
কেন?
তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে। আমি কাছে পিঠেই আছি। দাও।
হ্যালো!
আমি কিছুক্ষনের মধ্যেই এখান থেকে বেড়িয়ে পড়বো।
ঠিক আছে, আমি তোমাকে নিতে আসবো। ঠিকানা পাঠাও।
তুমি আমবাত্তুরে নেই?
তুমি স্টোরি দিয়েছো নাকি?
- হেই, দিব্যা! - স্যরি, স্যরি, স্যরি, দিব্যা।
- আমি দুঃখিত। - দিব্যা?
- ঠিক আছে, ছাড়ো। - কী হয়েছে, রামিয়া?
হ্যালো?
- হেই! - অরুণ...
- আমি পরে তোমাকে ফোন দিচ্ছি। - কী জন্যে?
তোমার আমাকে বোকা মনে হয় না কি?
অরুণ, আমি দেখা করে সব ব্যাখ্যা করছি।
- কী ব্যাখ্যা করবে তুমি? - আমি বুঝিয়ে দিবো...
- কীসের ব্যাখ্যা? - আমি এখন কথা বলতে পারবো না। বুঝেছো?
আমি বলেছি তুমি কোথায় আছো সেখানের ঠিকানা দিতে।
অরুণ, ভিকির আগামীকাল শেষ দিন। তাই বিদায়ী অনু্ষ্ঠানে এসেছি।
সেটাই ভেবেছিলাম।
- আমি পরে তোমাকে ফোন দিবো। - ওর মুখ ভাঙ্গার জন্য এই কারণই যথেষ্ট না?
এই, তার সাথে দেখা করার অনুমতি কে দিয়েছে তোমাকে?
অরুণ, আমি বাসায় গিয়ে সব বলবো তোমাকে।
- অরুন, প্লিজ! - এই, আমি তোমার সাথে কথা বলছি!
আমি এখন কথা বলতে চাই, আর তুমি বলছো পরে ফোন দিবে?
- আমি এখন কথা বলতে পারবো না, অরুন। - কেন?
- দয়া করে বোঝার চেষ্টা করো। আমি পরে ফোন দিবো। - এখন কেন কথা বলতে পারবে না?
যদি ফোন কেটে দাও তাহলে আমাদের মধ্যে সব শেষ হয়ে যাবে।
তুমি কোভালামে আছো...
হেই!
দোস্ত, কোথায় তুই?
- আমাকে চালাতে দে। - এই, আমি চালাবো।
পিছনে যা।
আমরা কোথায় যাচ্ছি?
দোস্ত, আমরা পাংচারের দোকান পেরিয়ে গেছি।
ফেরার পথে সারিয়ে নিবো।
যাওয়ার সময় ঠিক আছে কিন্তু যাচ্ছিটা কোথায়?
- কোভালাম! - কোভালামে কেন?
আমার বারণ করা সত্ত্বেও ও তার সাথে দেখা করতে গেছে।
কার কথা বলছিস?
যাকে আমি ভালোবাসি।
ও কোভালামে ওই বদমাশ ভিকির সাথে আছে।
ভিকি'টা কে?
ওই জোচ্চর যে ওকে ফটো তুলতে মহাবলিপুরাম বীচে নিয়ে গিয়েছিলো।
ওই জোচ্চরটা?
ওর জন্যই তো তুই জেলে ডাউনলোড হতে যাচ্ছিলি।
শালার মুখটা ভেঙ্গেছি তবুও ওর পাশে ঘুরঘুর করছে।
সে ওর সাথে একা আছে নাকি?
- ওর সহকর্মীরাও সাথে আছে। - তাহলে তোর সমস্যাটা কোথায়?
যখন প্রশ্ন করেছি তখন বলেছে আমার সাথে ব্রেকাপ করতে চায়।
- আমার ওকে শিক্ষা দেওয়াটা কর্তব্য। - দোস্ত!
দোস্ত, আমার দিকে তাকা।
দোস্ত, বাইকটা সাইড কর।
দয়া করে কথাটা শোন। তোকে কিছু কথা বলার আছে।
- কী বলবি? - তুই কথা শুনিস না কখনো।
- কী? - গাধার মতো আচরণ করিস না।
তুই যদি ওর বন্ধুদের সামনে তাকে বকিস...
তাহলে তো সে ব্রেকাপ করবেই।
- কিচ্ছু যায় আসে না। আমি আর নিতে পারছি না। - প্লিজ কথা শোন।
একটা বুদ্ধি এসেছে। দয়া করে শোন।
- কী? - প্লিজ থাম।
আমার দিকে তাকা। তাকাতে বলছি।
কয়েক প্যাক ড্রিঙ্ক খা...
তারপর আমরা পরিস্থিতিটা ঠান্ডা মাথায় সামাল দিবো।
কী বলিস?
মাত্র সকাল ১০টা বাজে।
তাতে কী!
সে একটা খুব ভালো মেয়ে ছিলো।
কলেজে আমার অনুমতি ছাড়া কিছুই করেনি।
অফিসে যোগ দেওয়ার পর থেকে ওর সাথীদের পাল্লায় পরে এসব করছে।
বুঝতে পারছি না, দোস্ত।
যদি সে আমার কথার সম্মান না করে তাহলে আমদের এই সম্পর্কের মানে কী?
ফোন গাড়ির স্পিকারে যুক্ত আছে। আমি বাসায় গিয়ে ফোন দিচ্ছি।
এই! এই, এবার কিন্তু তুমি অতিরিক্ত...
আমি এখানে প্যারায় মরছি আর সে ওখানে গাড়িতে বসে গান শুনছে।
শোন, সাবধানে কথা বলবি। সীমার বাইরে কোনো কিছু বলবি না।
তুই এখানে অপেক্ষা কর।
দরকার হলে আমাকে জোরে ডাক দিস।
হাই, দাদা!
দিব্যা!
আমি নিচে অপেক্ষা করছি।
হেই, ও মাতাল হয়ে আছে।
অরুণ থামো!
অরুন, ভিতরে আসো।
শেষবার বিল্ডিং এ একটা বিশ্রী সমস্যা হয়েছিলো।
হতে দাও!
আমার যায় আসে না, দিব্যা!
তুমি কিছুক্ষনের জন্য নিচে আসো।
অরুণ থামো! দয়া করে আমার কথা শোনো।
অরুণ!
অরুণ! প্লিজ থামো।
অরুণ, যাই কথা থাকুক চলো উপরে গিয়ে বলি।
তুমি কতবার আমাকে মিথ্যা বলেছো?
- তুমি ভুল বুঝছো, অরুণ! - প্লিজ বোঝাও!
কী? তুমি সাধভক্ষণে গিয়েছিলে?
ওই অনুষ্ঠানটা কি সমুদ্র পাড়ে হয়েছিলো?
ওর এই সপ্তাহেই অফিসে শেষ দিন।
- তাই একটা বিদায়ী... - তো সেটা আমাকে জানাওনি কেন?
কেন লুকিয়েছিলে?
তুমি আমাকে যেতে দিতে?
তুমি আমার অনুমতি নেওনি কেন?
এটাই তোমার সমস্যা। যদি তোমাকে জানাতামও তবুও হতো না।
তুমি চাও আমি অনুমতি নিই।
- সেটা আমার দ্বারা হবে না। - আমি বুঝতে পারিনি।
আমি জিজ্ঞেসও করতে পারবো না যে তুমি কোথায় যাচ্ছো?
তুমি জিজ্ঞেস করছো না, অরুণ। তুমি আদেশ দিচ্ছো।
- শালী, তুই আদেশ মানিস নাকি? - অরুণ, গালি দিবে না।
আমি তোমাকে হাজারবার বলেছি।
যে ওর উদ্দ্যেশ্য ঠিক না।
যদি ওর সাথে অফিসে দেখা করো তাহলে আমার কোনো সমস্যা নেই।
- অরুণ, আমি... - ওর সাথে ঘুরতে যেতে কেন চাও?
অরুণ, আমি বাচ্চা না।
মানুষের উদ্দেশ্য বোঝার মতো বয়স আমার হয়েছে।
তুমি কিছুই জানো না!
শুধুমাত্র একটা পুরুষই অন্য পুরুষের উদ্দেশ্য বুঝতে পারে!
অরুণ, চিৎকার বন্ধ করো!
যদি সত্যিই ও ঘুরতে যেতে চায় তাহলে ঐশুকে সাথে নিয়ে গেলো না কেন?
নাকি সেও যে কারো সাথে যাবে!
তোমার আমার বান্ধবী সম্পর্কে কথা বলার কোনো অধিকার নেই।
বিষয়টা আমার কাছ থেকে লুকালে কেন?
আমাকে মিথ্যা বললে কেন?
বলো এখন!
- অরুণ, আমার মাথা ভনভন করছে। - আমাকে মিথ্যা কেন...
- আমাকে মিথ্যা বললে কেন? হেই! - দয়া করে চলে যাও!
থামো!
হেই, দিব্যা, হেই!
থামো দিব্যা!
ধ্যাৎ!
অরুণ!
No comments yet. Be the first to leave one.