لومړۍ 173 کرښې.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় শান্ত কুমার দাস
সিজন ২ দেখা শুরু করার আগে, অবশ্যই সিজন ১ দেখে নিবেন।
উঠাও! উঠাও! উঠাও!
দেখে মনে হচ্ছে সে বেশ চালাক।
ফোনের সব রেকর্ড ডিলিট করা হয়েছে।
এরপর বলো।
ওই নম্বরের মালিক কে জানতে পেরেছো?
মালিকের নাম লিউ লান,
ঠিকানা রুম নম্বর ৬০৭, ৪৮ টংলী লেন, নান্দে জেলা।
উঠাও! উঠাও! উঠাও! উঠাও!
কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো, সে কয়েক বছর আগে মারা গেছে।
কী? শু শানশান এমন একজনকে এমএমএস করেছে...
যে আর পৃথিবীতেই নেই?
ক্যাপ্টেন শাও, আরেকটা জটিল সমস্যা ঘটেছে!
আপনার হয়তো যত শীঘ্র সম্ভব আসা উচিত।
কী? একজন সাক্ষী কেসের রিপোর্ট করতে এসেছে?
শুরু করা যাক। যা যা জানো সব আমাদের বলো।
কাজ হবে না।
এভাবে করে কখনো পুতুল ধরতে পারবে না তো!
এখান থেকে পুরা গানটা এখন রিভার্সে (উল্টো) বাজছে এবং ভিডিও রিভার্স হচ্ছে
#০৫ অন্তিম নৈশভোজ
মন দিয়ে দেখো।
এর নাম দিয়েছি "দোদুল্যমান নখর"।
এতে করে মেশিনটা খারাপ হয়ে যাবে না তো?
চিন্তা করবেন না।
এইবার!
আপনি পেরেছেন!
শিশি, তোমার পুতুল!
দেখলেন, বলেছিলাম না চিন্তা না করতে!
এটা কেমন কৌশল?
এটা এত ভালো কীভাবে পারেন?
আসলে, এটা বেশ সহজ।
ব্যস নখরটাকে গর্তের উপর কিংবা পাশে নিয়ে আসুন।
এরপর ডানে-বামে কিংবা উপরে-নিচে দোলান।
পুতুলের একদম সর্বোচ্চ পয়েন্টে নখরটা ছেড়ে দিন।
এতে নখরটা আড়াআড়িভাবে হাত মেলবে।
এরপর কন্ট্রোলার দিয়ে পুতুলটা গর্তের উপরে আনবেন।
তখন, নখরটা পুতুলটাকে ছেড়ে দেবে আর ওটা গর্তে পড়ে যাবে।
থিওরি একদম সহজ।
কিন্তু নখরটা ছাড়ার টাইমিং শিখতে অনেক অনুশীলন লাগে।
পুতুলটা হাতে পাওয়ার পর, ঠিকঠাকমতো...
হাসিখুশি মুখ দেখিয়ো...
শিশি, তোমার পছন্দ হয়েছে এটা?
৪৮, টংলী লেন, নান্দে জেলা।
এবার রুম নম্বর দেখতে পেয়েছি।
রুম নম্বর ৬০৭।
অনেক ধন্যবাদ।
এগুলোও নিজে হাতে করে বয়ে এনেছেন।
স্বাগত। এগুলো চাইনিজ ভেষজ না-কি?
হ্যাঁ, ঘরে গাঁজানোর জন্য রেখে দিয়েছিলাম।
কী কাকতালীয় ব্যাপার!
তাদের পাশের ঘরের প্রতিবেশীর সাথে দেখা হয়ে গেলো।
এজন্যই মাঝেমধ্যে চাইনিজ ভেষজের গন্ধ পাই।
ওপস্, দুঃখিত।
এর ঘন্ধ যে পাশের ঘর পর্যন্ত পৌঁছে যাবে বুঝতে পারিনি।
আরে, ব্যাপার না।
পিচ্চি বাবু, তুমি খুব কিউট!
তোমার নাম কী? বয়স কত?
আমার বোনকে ছোঁবে না!
মেঁসেজটাতে লেখা "ভালো ভাই" কি সে-ই?
চেং শাওশিও রুম নম্বর ৬০৭, ৪৮ টংলী লেন, নান্দে জেলা- এই ঠিকানাতে।
নিশ্চয়ই এটা লিউ লানের বাড়ি।
ওয়াং, ওকে ধরে রাখো।
পালাতে দিয়ো না।
এরপর লিউ লানের তথ্য বের করো, যত শীঘ্র সম্ভব।
বিষয়টার জন্য দুঃখিত।
ও ব্যস রেগে গেছে একটু, বোনকে সুরক্ষা দেয়ার চেষ্টা করেছে।
ব্যাপার না। ছেলে তো।
ছেলেদের উচিত বোনদের রক্ষা করা।
আজকের জন্য ধন্যবাদ।
হার্ব নিয়ে আসা এবং পুতুল উঠিয়ে দেয়ার জন্য।
ওকে ধন্যবাদ দেয়ার দরকার নেই।
দুষ্ট লোক।
যারা বাইরে ভালোমানুষি দেখায়, কিন্তু ভেতরে ভেতরে শয়তান, তাদের আমি দেখতে পারি না।
এত কম বয়সে...
তার প্রতিবেশীর প্রতি ক্ষোভ কেন তার?
ওরকম লোকেদের কখনো নিজেকে স্পর্শ করতে দেবে না।
বুঝেছো?
মেয়েদের উচিত নিজেদের রক্ষা করতে শেখা!
হাসবে না, আমি সিরিয়াসলি বলছি।
এই পৃথিবীতে কেবল সামর্থ্যবানরাই টিকে থাকে।
যদি দুর্বল থাকো, লোকে তোমাকে আরো কষ্ট দেবে!
তাই আমাদের যথেষ্ট শক্তিশালী হতে হবে।
'না' বলা শেখো।
তাহলেই যাদের আমরা ঘৃণা করি তাদের প্রতিহত করতে পারবো!
এই বয়সের ছেলেরা আসলেই খুব নাটুকে স্বভাবের এবং আবেগপ্রবণ।
তাকে জিজ্ঞেস করো...
এগুলো তাকে কে বলেছে।
কিন্তু, কিন্তু কীভাবে?
যা যা বলছি অনুসরণ করো।
ইশারা ভাষার ব্যবহার করো।
তর্জনী আঙুল তোলো।
উপরে এদিক ওদিক করো।
এরপর মুখের সামনে এনে কয়েকবার ঘোরাও।
সম্প্রতি নতুন এক বন্ধুর সাথে দেখা হয়েছে, সে বলেছে।
দারুন ছেলে সে!
যদি এটা উঠানোরই সাহস না হয়...
তাহলে আমার বন্ধু হবে কীভাবে?
সে জলের মধ্যে নেমে বলটা তুলে দিলো!
যদিও তার পুরো প্যান্ট ভিজে গিয়েছিলো,
তাও অমন বেপরোয়া ভঙ্গিতে তাকে দারুণ লাগছিলো!
বেপরোয়া হওয়ার মধ্যে এত বিশেষ কী আছে?
বলে দিতে পারি, সে একজন দুষ্টু ছেলে।
যাক, শেষমেষ তোমার মধ্যে আত্মসচেতনতা এলো।
লু গুয়াং!
তোমাকে মাত্র ইশারা ভাষা ব্যবহার করতে দেখলাম। একদম বাজে হয়েছে।
তোমাকে যা শিখিয়েছিলাম সব ভুলে গিয়েছো, তাই না?
বেশ, বলো তো 'আমি বাড়ি যেতে চাই' কীভাবে বলতে হয়?
আগে আঙুল দিয়ে নিজেকে দেখাও।
এরপর মাথা নাড়াও।
থামো, থামো।
আঙুল তোমার বুক বরাবর রাখতে হবে। বুঝতে পেরেছো?
বেশ, আবার চেষ্টা করো।
নিজেকে দেখাও এবং এরপর মাথা নাড়াও।
না। মাথা নাড়ানো নয়, আঙুল মাথা বরাবর তাক করা।
'বুক বরারর তাক করতে হবে' বলেছিলো না?
বুঝেছি। প্রথমে বুক বরাবর তাক করো, এরপর মাথা।
আমি সব ঠিকভাবে করেছি তো।
শান্ত হও।
আবার করো।
প্রথমে আঙুল বুক বরাবর তাক করো।
হ্যাঁ, হ্যাঁ, এরপর মাথা।
না, মাথা বরাবর তাক করো।
এভাবে নাকি...
হ্যাঁ, মাথা বরাবর তাক করো।
না, না।
ওখানে না!
ওরে, আমার সব তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে...
দেখো, এভাবে।
এর মানে হলো ''আমি' এবং 'চাই'।
আর এর মানে হলো 'ফিরতে'।
এরপর দুই হাতের আঙুলগুলোকে এভাবে একসাথে আনো।
এগুলোকে ছাদের মতো করে উপরে তোলো, এবং এর মানে হলো 'বাড়ি'।
সবগুলোকে ইশারাকে যোগ করো।
এর মানে হলো 'আমি বাড়ি ফিরতে চাই'।
বুঝতে পেরেছো?
লু গুয়াং, এখনো ওখানে আছো? লু গুয়াং?
আবার নিজে নিজে একবার করো।
আমি তোমার মাথা নাড়াতে বলিনি।
বলেছি, আঙুল দিয়ে নিজেকে দেখাতে।
তোমার কপাল বরাবর।
লু গুয়াং, কোথায় গিয়েছিলে?
এখানেই তো ছিলাম সর্বক্ষণ।
আজব।
সিগন্যাল এত বাজে কেন?
হেই? কী ভাবছো?
স্বাগতম।
বছর শেষ না হতেই আমরা ব্যাচটা শেষ করে ফেলেছি।
তিয়ানচেন, শিশি, খেতে আসো!
শিশি আজ কোনো নতুন ইশারা ভাষা শিখেছে?
পুতুলটা আগে তো কখনো দেখলাম না।
পেলে কোথায়?
শিশিকে আজ আবার ডাক্তার দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম।
আসার পথে একটা দোকানে দাঁড়ালাম, ওখান থেকেই আনলাম।
শিশি একা তুলেছে পুতুলটা?
পুতুল তোলা তো বেশ কঠিন কাজ।
আমিই শেষমেষ তুলে দিয়েছি ওকে।
আজ আমাদের ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিলো।
একদম সাথে থাকা শেষ কয়েনটাতে উঠেছে পুতুলটা।
যাই হোক, এখন পুতুলের কথা বাদ।
খাবার ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।
শিশি, বসো।
তিয়ানচেন,
খেতে এসো।
বাহ, আবার পেট ভরে খাবো এখন।
বর্তমান বয়স এবং লিঙ্গের প্রতি সচেতন হও।
ক্ষুধাকে নিয়ন্ত্রণ করো।
তামাশা করছো?
এতে কাজের পর পেটপুরে খেতে পারবো না?
আজ একাজ করবো না।
নাও, মাংস খেলে আরো তাড়াতাড়ি বড় হবে।
কত ভালো ভাই!
শুধু বোনকে খাওয়ালেই হবে না।
No comments yet. Be the first to leave one.