لومړۍ 200 کرښې.
শুভ সন্ধ্যা লেডিস এন্ড জেন্টলম্যান।
প্লাইটের ডেক থেকে ক্যাপ্টেন রুপার্ট বলছি।
আমরা খুব শীঘ্রই ভুবনেশ্বর বন্দরে অবতরণ করব।
আশা করি ফ্লাইটটি ভালো লেগেছে।
আবহাওয়া একটু মেঘলা এবং হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
লেডিস এন্ড জেন্টলম্যান্ট, আপনাদের সবার মনোযোগ আকর্ষণ করছি।
ভুবনেশ্বর থেকে কলকাতাগামী ফ্লাইট IE 6044,
খারাপ আবহাওয়ার কারণে বাতিল করা হয়েছে।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য, অনুগ্রহ করে এয়ারলাইন সেন্টারে যোগাযোগ করুন।
ভুবনেশ্বর থেকে কলকাতাগামী ফ্লাইট নম্বর IE 6044,
খারাপ আবহাওয়ার কারণে বাতিল করা হয়েছে।
ট্যাক্সি !
হ্যাপি ক্রিসমাস, স্যার।
স্যার?
স্যার!
কলকাতা, বাস। ক'টা বাজে?
বাস নেই।
বাস ভোর ছয়টায় এখানে আসবে।
স্যার, ইংরেজি?
যাও তো।
কোন বাস নেই।
আমি পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছি না?
বারবার ফোন করছো কেন?
আমার সময় দরকার।
আমাকে আবার ফোন করলে..
আমি ফোন বন্ধ করে দিব।
তুমি আমাকে ভালো করেই চিনো।
বাই।
বাই!
বাই।
কে তুমি?
আমি চেন্নাই থেকে এসেছি।
তো?
কলকাতার বাস কখন আসবে বলতে পারবে?
আমাকে জিজ্ঞেস করছো কেন?
এখানে শুধু আমাকেই দেখতে পাচ্ছো?
তাকে জিজ্ঞেস করছো না কেন?
-আমি এখানে তোমার চেহারা... -দাঁড়াও, দাঁড়াও।
তোমাকে তামিল বলতে শুনেছি তাই এখানে এসেছি।
পারলে সাহায্য করো।
না পারলে বাদ দাও। আমি দেখে নিব।
হাই।
দুঃখিত, আমি অন্য একটা ব্যাপার নিয়ে টেনশনে ছিলাম।
আমিও দুঃখিত।
তুমি কি বলতে চেয়েছ ঠিক বুঝিনি।
তোমার কী সাহায্য লাগবে?
আমাকে কলকাতা যেতে হবে।
জানি না কীভাবে যাব বা কোন বাসে যাব।
এখানের কারো কথাও বুঝতে পারছি না।
খুব জরুরী হলে, ফ্লাইটে চলে যেতে।
আমি ফ্লাইটেই এসেছি এবং এখান থেকে অন্য ফ্লাইটে করে যাওয়ার কথা।
কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সব ফ্লাইট বাতিল হয়ে গেছে।
এটা ছাড়া আর কোন সমস্যা নেই তো।
মানে...
অন্য কোন সমস্যা থাকলে বলতে পারো।
শুনো...
বাস এলে আমাকে জানিও।
এটুকুই করো।
আমি তোমার সাথে মন খুলে কথা বলার চেষ্টা করছি।
কয়েক ঘন্টার মধ্যে, আমরা ভিন্ন বাসে নিজ নিজ রাস্তায় চলে যাবো।
তাহলে এসবের কী দরকার?
সেজন্য তুমি কাঁদছিলে কেন ওই ব্যাপারেও জিজ্ঞেস করছি না।
তোমার জন্য খারাপ লাগায় তোমার সাথে কথা বলতে চাচ্ছি।
আর তুমি কিনা ভাব দেখাচ্ছো।
ওই ঘুম কাতুরেকে জিজ্ঞেস করো, তোমার বাস কখন আসবে।
আচ্ছা...
এটা ঠিক যে আমাদের নিজ নিজ রাস্তায় যেতে হবে।
কিন্তু, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা কথা বলতে পারি?
আমি একা থাকা আর চুপচাপ স্বভাবের মানুষ না।
আমি তোমার মত বদমেজাজিও না!
তাই সকাল পর্যন্ত।
প্লীজ।
কী ব্যাপারে কথা বলতে চাও?
বেশ।
তোমাকে নিয়ে কথা বলতে পারি।
তুমি কে? কোথা থেকে এসেছ?
তোমার নাম কী?
আমার নাম অর্জুন।
তোমাকে থেকে আলাদা…
আমি কথা বলার চেয়ে, পড়তে বেশী পছন্দ করি।
আমি কেবল পড়িই না।
পড়া গল্পের চরিত্রে নিজেকে কল্পনা করে বসি।
গ্রামের মানুষ বীরাপ্পানকে স্থানীয় অভিভাবক,
এবং হিরো হিসেবে বিবেচনা করে।
পাঁচ পৃষ্ঠায় বিস্তারিত।
পাঁচ পৃষ্ঠা।
পাঁচ পৃষ্ঠা কোথায়?
মা!
মা!
কী হলো, অর্জুন?
সংবাদপত্রের দুই পৃষ্ঠা গায়েব।
তোর বাবাকে জিজ্ঞেস কর।
বাবা!
-বাবা! -দাঁড়া!
কী হলো?
বীরাপ্পানের জীবনী নিয়ে তুমি বাথরুমে কী করছো?
দশ মিনিট দেরীতে পড়লে, বীরাপ্পান রাগ করবে না।
কিন্তু আমার রাগ হবে!
অর্জুন, সব রেডি।
টনি…
বাবা!
কী খুঁজছো?
কী খুঁজছো তা বললে আমি হয়তো সাহায্য করতে পারি।
ছাতা।
বুঝিনি।
ছাতা! ছাতা!
ওহ্, আচ্ছা।
টেবিলের উপর রাখো।
গুড মর্ণিং, অর্জুন।
গুড মর্ণিং।
আমি পৌঁছে গেছি।
আমি আধ ঘন্টার পর তোমাকে কল করবো।
আমার একটা গুরুত্বপূর্ণ মিটিং আছে।
হেই, অর্জুন। মনে হচ্ছে আজ একটু দ্রুত চলে এসেছ।
তুমি দেরীতে এসেছো।
হাই, গাইজ।
আমরা জরুরী মিটিংয়ের জন্য এখানে এসেছি।
তার আগে, সবার ফোন বন্ধ করতে হবে।
অথবা সাইলেন্ট মোডে রাখো।
হেই, অর্জুন। শুরু করো।
ঠিক আছে, স্যার।
তো, আজ আমরা আমাদের গ্রাহকদের শেয়ার কমিশন নিয়ে আলোচনা করব।
আর এজেন্টদের জেলা এবং অঞ্চল অনুযায়ী শ্রেণীবন্ধ করা হয়।
আমাদের কোম্পানিকে এজেন্টদের সরাসরি জবাব দিতে হবে--
স্যার, আমি ভেবেছিলাম মিটিংয়ে নীরবতা আবশ্যক।
এইচআর টিম কোন পদক্ষেপ,
নেয়ার জন্য অত্যন্ত দুর্বল...
বাবু, বলেছিলাম না আমি পরে ফোন করব।
যদি জরুরী কোন কল হয় তাহলে...
প্লীজ বাইরে যান।
দুঃখিত। ধন্যবাদ।
ছুতার নেই? তো আমি কী করব?
যাই হোক…
এইচআর টিমকে ভালো কর্মচারীদের তালিকা থেকে প্রতিযোগী তালিকায় নিয়ে যেতে হবে।
গ্রাহক শ্রেণীকরণ…
-হেই! -হ্যাঁ?
সে সবসময় এমন মুখ গোমরা করে থাকে কেন?
এতদিন তোমাকে এটাই বলে আসছি।
কিন্তু, তুমিই তার পিছে পড়ে আছো।
যাইহোক, তাকে বেশ লাগছে।
শুরুতে সবকিছুই ভালো লাগে।
যদি তাকে বিয়ে করো, তার অত্যাচার তুমি সহ্য করতে পারবে না।
এবং শেষ পর্যন্ত তার মাথা পাথর দিয়ে থুঁতলে দিতে বাধ্য হবে।
দেখেছ?
অন্তর্মুখী একটা।
শুধু তুমি না,
কোন মেয়েই তাকে একদিনের বেশী সহ্য করতে পারেনি।
কোনকিছু ভাবা ছাড়াই সে তাকে ছুড়ে ফেলে দিবে।
-ঠিক আছে… - এক্সকিউজ মি।
মেট্রিমোনি ওয়েবসাইট থেকে দুই দিনে আমি দশটা সম্বন্ধ পেয়েছি।
আমার মা আমাদের রাশিফলের সাথে মিলিয়ে উপযুক্ত একজনকে বেছে নিয়েছে।
জননী।
আমি নিশ্চিত হয়ে বলতে পারি।
আমার জীবনে একমাত্র মেয়ে যাকে আমি পছন্দ করেছি, এবং একমাত্র মেয়ে যে আমাকে পছন্দ করেছে,
সে ছিল জননী।
স্যার?
গুড মর্ণিং, অর্জুন।
হ্যাঁ।
হেই, জননী আমি কিছুক্ষণ পর তোমাকে কল করব।
দেখ তাকে।
তুমি বলেছিলে সে কখনো কোন মেয়ে পাবে না।
কাহিনী সবে শুরু।
মানে?
তারা সবেমাত্র কথা বলা শুরু করেছে।
জননী…
আমি কি তোমার জন্য পারফেক্ট?
-আসলে, না। -উহু?
আপনার সাথে দেখা হওয়ার এক মাস আগ পর্যন্ত...
আমি বিয়ে করতে চাইনি।
কেন?
ভেবেছিলাম বিয়ে করলে আমি আমার স্বাধীনতা হারিয়ে ফেলব।
কিন্তু, তোমার ছবি দেখার পর মা কিছু বলেছে,
তারপর বাবা কিছু বললো, তারপর রাশিফল…
এবং তারপর তারা আমাকে বিয়েতে রাজি করিয়েছে।
এখন এতে তোমার কোন সমস্যা নেই তো?
অর্জুন, তুমি বেশ বাস্তবিক।
তুমি মন থেকে কথা বল।
মনোরম স্বভাবের।
কেউ কীভাবে তোমাকে পছন্দ না করে থাকতে পারে?
আর একটা ব্যাপার।
আমার মনে হয় না বিয়ের পর আমাদের কখনো ঝগড়া হবে।
কেন?
কারণ তুমি কোন কথাই বলো না!
ভাইয়া, আমাকে এক প্লেট পানিপুরী দিন।
-একটু খেয়ে দেখবে? -না, সমস্যা নেই।
জানতাম আমি।
পানিপুরী পছন্দ করো না?
এটা মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়।
তারা চারদিন পরপর পানি বদলায়।
খাদ্যের গুনগত মান অনুযায়ী এটা ১৪%ও পূরণ করে না।
এতে তোমার সর্দি্, জ্বর এমনিতে সংক্রমণও হতে পারে।
আমি এখন কী করব?
ফেলে দাও।
সিরিয়াসলি?
আরো একটা বাকী আছে।
ধন্যবাদ।
- আমরা যাবো? -হুম।
-জননী। -হ্যাঁ?
আমার ছবি দেখে তোমার মা কী বলেছে?
বিয়ের পরে বলবো।
No comments yet. Be the first to leave one.