لومړۍ 200 کرښې.
আর কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে? - চলে আসবে এখনই।
১১টা কেস এখনো বাকি। আমার অন্তত ৮জন লাগবে।
আচ্ছা, স্যার। - আজই তাদের রিমান্ডে নিতে হবে।
বলতে পারছিনা কতজন পাওয়া যাবে। - অন্যান্য থানার পুলিশরাও এসেছে।
দেখা যাক।
এতক্ষণ লাগছে কেন? - চলে আসবে, স্যার।
এইতো জেলার।
স্যার। - আমি দেখবো না কি বিষয়টা?
আমি জেলারের সাথে কথা বলছি, স্যার।
এখানে নতুন? - জি, স্যার।
সরে দাঁড়াও!
কোন জাতের? - কোরাভার, স্যার।
চুরির মামলা? - জি।
ওইপাশে যা।
যা!
এই, যা!
কোন জাতের? - দেভার, স্যার।
চলে যাও।
কোন জাতের? - কোরাভার।
ওইপাশে যা!
ভান্নিয়ার, স্যার। - চলে যাও।
কোন জাতের? - ইরুলা, স্যার।
তারা আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছে, স্যার।
সাধুবাবা আইছে! মিথ্যা মামলা!
ওইপাশে যা!
আমি ওট্টার, স্যার।
ওইপাশে যা!
তুই কোন জাতের? - কোরাভার।
ওইপাশে দাঁড়া!
গৌন্দার, স্যার। - বাসায় যাও।
নাইডু, স্যার। - যা।
মুদালিয়ার, স্যার। - যা।
তুই কোন জাতের?
কোরাভার, স্যার। - ওইপাশে দাঁড়া!
স্যার, এদেরকে নিতে কেউ আসবেনা?
তারা কি এতিম?
এমনটাই ভাবতে পারো।
এগুলোকে পাঠিয়ে দে। সময় নষ্ট করিস না। - কী?
সবগুলো নিয়ে যাও!
এখানে মোট ১২জন আছে।
৬ জন কোরাভারের, ৪ জন ইরুলের, আর বাকি দুইজন ওট্টার।
কারো নজরে আসার আগে, দ্রুত এদেরকে নিয়ে যাও।
অনেক কেস ঝুলে আছে। আমাদের অন্তত ৬ জন লাগবে।
আমরাও চাপের মধ্যে আছি! ইন্সপেক্টর নিজে এখানে এসেছে!
উনার প্রোমোশন ঝুলে আছে।
আমাদের শীঘ্রই বিচারাধীন মামলা সব গুটিয়ে নিতে হবে।
আমাদেরকেও উপরে জবাবদিহি করতে হয়। তাই সমান ভাগে ভাগ করেন!
এমন কোনো আইন আছে না কি যে একজনকে কেবল একটাই মামলা দেওয়া যাবে?
প্রত্যেককে দুইটা করে মামলা ঠুকে দাও। এটা নিয়ে প্রশ্ন করার কেউ আছে না কি!
যেন এই লোকেরা এখনই স্বীকার করবে। যেমনটা আপনি আমাদের সমস্যাগুলি জানেন...
উঠ গাড়িতে!
সবগুলো উঠ!
আজ ছেড়ে দেওয়ার কথা ছিল, আবার জেলে দিচ্ছেন কেন!
মারবেন না, স্যার। আমার বউ বাচ্চা এখানে আছে।
ভেতরে ঢোক! - আমি কিছুই করিনি।
ভতরে ঢোক, বলছি!
আমাকে মৃত ভেবে নিও, বাবা! - আমার ছেলে!
আমার বউ আর বাচ্চার খেয়াল রেখো বাবা।
এই পুলিশেরা আমাকে আর বাঁচতে দিবে না।
পরিবারের খেয়াল রেখো।
ওকে ধর, কনস্টেবল।
আমার ছেলেকে ছেড়ে দিন! - আমি কিছু করিনি, স্যার।
আমার ছেলেকে ছেড়ে দিন! - আমাকে মারবেন না দয়া করে!
এই সেনগানি, ধোঁয়ার কলসটা দে!
আসছি।
দ্রুত আয়!
আসছি তো!
দ্রুত, ইরুটাপ্পা। - আসছি।
এই নাও। - দে।
ফুঁক দে!
এই, করছিস কি! জোরে ফুঁ দে। - দিচ্ছি তো ভাই।
এত ধোঁয়া দিচ্ছি এরপরেও বের হচ্ছে না।
দেখা যাক আজ কে জিতে!
বের হইছে, বের হইছে। - ধর ধর।
সবকটাকে ধর!
ধরে ফেলেছি। দেখ কতগুলো ইঁদুর এখানে!
ধর ধর।
এই ইরুটাপ্পা, আরো গভীরে। - পেয়েছি।
ওলে, বাচ্চাটা...
কিচ্ছু হবে না...
এইতো। যাও পালাও!
এই পাগলি! কষ্ট করে ধরা ইঁদুরগুলো ছেড়ে দিচ্ছিস কেন?
এটা বাচ্চা ইঁদুর। এই পিচ্চিটা দিয়ে আমাদের ক্ষুধা লাঘব করা কি উচিত হবে?
এইটা পিচ্চি? - হ্যাঁ।
খুব ভালো...
এটা নিয়ে যা। - এই মোসাকুট্টি!
আমি চটের ব্যাগটা নিয়ে আসছি! - কী হয়েছে?
আমি তোকে ইঁদুর ধরতে বলেছি আর তুই কুয়া খুঁড়ে বেড়াচ্ছিস!
এসব কি, মাসি? তোমার ভাইকে সামলাতে পারো না?
খুব মজা লাগছে, তাইনা? - তা নয়তো কী?
এমনভাবে গর্ত করছিস যেন ওখান থেকে গুপ্তধন পাবি!
খুঁজে পেলে কি ধরবো না? - কথা বন্ধ করে খুঁড়তে থাকো!
দেখ এখন কীভাবে ইঁদুর ধরি! - অনেক বছর ধরে এসব করছি!
এখানে কি গান শুনতে এসেছিস? শস্য সংগ্রহ কর!
গানটা তোমার নামের সাথে মিল আছে। তাহলে এখন কাজ করবো কেন?
ওহ আচ্ছা, এভাবেই চলবে?
এভাবে, তো তুই এখানেই বাচ্চা নিয়ে নিবি মনে হচ্ছে।
যখনই তোমার ইচ্ছে হয়, আমি রাজি বাচ্চা নিতে!
শিকারী বংশে জন্মেছি, একটা বাচ্চা নিতে ভয় পাবো বুঝি?
আচ্ছা তবে। আজ রাতে তাহলে জেগেই কাটাবো!
ওরে, সব দেখছি শস্যের ভেতরে লুকিয়ে আছে!
এখানটায় দেখ। - এই নে।
যথেষ্ট পাওয়া গেছে।
এই!
এসব কী?
আমরা সব ইঁদুর ধরে ফেলেছি সাহেব। কোনো সাপ আর সমস্যা করবেনা।
তোরা দেখছি শুয়োরের পালের মতো খামার বানিয়ে ফেলেছিস এখানে!
আমরা যাওয়ার আগে সব ঠিক করে দেবো।
করে দিস কিন্তু! - জি, সাহেব।
তোদেরকে এই গ্রামে থাকতে দিয়ে অনেক বড়ো ভুল করে ফেলেছি!
তোদেরকে বসতে দিলাম, আর তোরা শুইতে চাইছিস!
সবার জন্য একটা ধাঁধা। যদি পারো সমাধান করো।
বলো!
"বেড়ে গেলে একবার কমবে না আর।"
না হেসে উত্তর দাও!
পানি তাই না? বাড়লে তো আর কমে না!
ভুল উত্তর! সঠিক উত্তরঃ বয়স।
আয়, বাবার কাছে আয়!
বাসায় চল, ভাই!
না, চালের আড়তে কাজ আছে। - ওখানে যাচ্ছো?
আচ্ছা। আল্লি, চাচাকে একটা চুমু দাও!
আচ্ছা তবে। - দেখা হবে।
"পান পাতা বা সুপারি না খাওয়া সত্ত্বেও, ঠোঁট লাল হতে পারে কীভাবে?"
এমন কি আছে আবার দুনিয়াতে?
এই বিজয়া, ছাগলগুলো ঘরে আনো। - সরো, সরো!
শুনতে পাচ্ছিস না? - কী হয়েছে?
শেষবারের মতন বলছি, আসবি? - চুপ করে ঘুমোও।
এদিক আয় না! - ছাড়ো।
দেখ, কবে থেকে ডাকছি আমি!
কেন এমনটা করছিস?
তখন তো ধোঁয়ার কলস হাতে মনে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলি!
এই নাও, এগুলো ভাজ করো।
বাড়ি ভেঙে পড়া উপক্রম আর তুমি আছ মনের ফালতু আগুন নিয়ে।
"ফালতু আগুন?"
কী?
আমি তোকে পাকা ঘর বানিয়ে দিবো। আগে শক্ত করে আমায় জড়িয়ে ধর।
স্বপ্নের দুনিয়া থেকে বেরিয়ে আসো!
তোমার মনে হয় যে, অফিসাররা এখানে আমাদের বাড়ি বানাতে দেবে? যাও তো!
এদিক আয়!
আগে, অন্তত ছাদ তো ঠিক করে দাও! বাকিসব নিয়ে নাহয় পড়ে ভেবো?
প্রিয় বউ আমার!
তোমার দিব্যি দিয়ে বলছি!
আমি মরার আগে...
...তুমি একটা পাকা ঘরের মালকিন হবেই।
জামাইকে জ্বালানো হচ্ছে, না?
আমি আমার মেয়ের বাড়িতে যাচ্ছি। আমার ফিরে আসতে ২ মাস লাগবে।
পৌরসভার প্রধানের সাথে দেখা করুন। - আচ্ছা, সাহেব।
হায় ঈশ্বর! সাপ!
কত ইট যে এই হাতে গড়েছি পাকা ঘর বানাতে!
আর নিজেই কিনা নিজের জন্য একটা পাকা ঘর বানাতে পারছিনা।
এই রাজাকান্নু! - জি ভাই?
রামাপুরামের প্রধানের ঘরে সাপ দেখা গেছে, দ্রুত আয়!
এখনই আসছি!
সেনগানি? - হা?
ওষুধ দে।
নাও, খেয়ে নিও। - আচ্ছা।
আসছি আমি। - সাবধানে।
কাকা আসলে তাকে এটা ঠিক করে দিতে বলিস! - আচ্ছা।
চলেন, ভাই।
সব কাঠ ভিজে গেছে। আমি বাইরে শুকাতে দিয়ে আসি।
দেখি দেখি, - সরেন, দিদি।
ওখানেই দেখেছিল। - ওখানেই তো!
এদিক আয়। ওখানেই তো ছিল, তাই না?
হ্যাঁ, ওখানেই ছিল।
স্বর্ণগুলো ওভাবে খোলা রেখে এসেছিস কেন?
আমি অনেক ভয়ে পেয়ে গেছিলাম।
হায় ঈশ্বর!
ধ্যাত! বেড়াতে যাওয়ার আগেই এসব হওয়ার ছিল!
সে কি পেয়েছে? - জানি না।
মনে হয় পেয়েছে।
সাহেব?
এখানে নেই, সাহেব। এই নিন আপনার কানের দুল।
জুয়েলারির বাক্সে দেখেছ? - এই!
এটা ওখানে গেল কীভাবে? - যদি সাপটা আমায় ছোবল দিতো?
নির্বোধ কোথাকার!
আয়, আয়...
হয়েছে...
হয়ে গেছে।
সব জায়গা ছেড়ে তুই গ্রাম প্রধানের বাড়িই পেলি উৎসব পালন করতে?
এটাকে আদর করছিস কেন রে?
মেরে দূরে ফেলে দে এটাকে! - এই বেচারা কি করবে, সাহেব?
ঈশ্বর তার দাঁতকে বিষাক্ত করে দিয়েছে বলে বেচারা যেখানেই যায়, শুধু তাড়ানিই খায়।
সাপ না থাকলে আবার গ্রাম ইঁদুরে ভরে যাবে।
আমি এটাকে জঙ্গলে ছেড়ে আসব। - যা খুশি মন চায় কর, যা এবার!
কী নাটক দেখছিস সবাই এখানে! যা! - এই নে, যা এবার।
এতক্ষণ ধরে কী করছিলি তুই?
স্টার্ট করে রাখতে পারিসনি? - দেখছি আমি।
গাড়িটা ধাক্কা দে তো! - জি, সাহেব!
গাড়িটা কি শহর অব্ধি যেতে পারবে?
দাঁড়া একটু ।
এই এদিক আয়। - আসছি!
জি?
এই নে। - লাগবেনা, সাহেব!
কেন যে দিয়ে লজ্জা দিচ্ছেন? লাগবেনা। - আচ্ছা।
এমনিতেও, মালকিন আমার গ্রামেরই। - তোর গ্রামের?
পরে বলে বেড়াবি, তোর আত্মীয় আমি!
তোদের বস্তি আবার গ্রামের অংশ হলো কবে?
ডিজেল ফুল আছে গাড়িতে? - জি, সাহেব। - চল তবে।
নতুন প্রভাতের সূচনা হয়েছে!
নতুন প্রভাতের সূচনা হয়েছে আমাদের কোনামালাই গ্রামের মানুষের জীবনে।
No comments yet. Be the first to leave one.