لومړۍ 177 کرښې.
আমাদের ব্লাড ট্রান্সফিউশন শুরু করতে হবে।
অপারেশন রুমে কুলার আছে।
প্রেসিডেন্ট সাহেব, আমাকে শুনতে পাচ্ছেন?
স্যার, একটু দূরে থাকুন।
- এটা রাশিয়ানদের কাজ না। ওরা করেনি। - স্যার।
আমি বুক ফাড়ব, আর আপনি লেপরাটমিটা করবেন।
উনি সইতে পারবেন?
যা-ই করেন না কেন, কর্নেল রোডসের উপর ভরসা করবেন না।
- ওনার নাড়ি-স্পন্দন ধীর হচ্ছে। - চলো।
স্যার, আপনার কাছে ক্লিয়ারেন্স আছে?
তাহলে বাইরে অপেক্ষা করুন।
অপারেটিভদের ডাকো।
তোমার তো গর্ব হওয়া উচিত।
- টেলোস অবশেষে... - কী? মারা গেছে?
আমাদের টার্গেট ছিল প্রেসিডেন্ট, সে এখনো বেঁচে আছে।
- তা তো আমরা নিশ্চিতভাবে জানি না। - না।
কিন্তু এটা জানি আমাদের লড়াই সবে শুরু হয়েছে।
আর যা চুরি করা দরকার ছিল তা যদি করতে,
তাহলে আমি একাই ওদের সামলে নিতাম।
আদৌও পারতে?
তুমি ফিউরিকে মারার দায়িত্ব ভারাকে দিয়েছ এটা জেনেও যে ও সেটা করবে না।
আজকে ফিউরিকে মারার আরেকটা সুযোগ পেয়েছিলে, কিন্তু কাজে লাগাতে পারোনি।
কারণ ওর কাছে কিছু আছে যা আমাদের প্রয়োজন।
সত্যিই কি তাই?
বলেছিলে ফিউরি অ্যাভেঞ্জারের ডিএনএ লুকিয়েছে,
কিন্তু তোমার দেওয়া কোনো লোকেশনে পাওয়া যায়নি।
ফিউরি যেখানে তোমায় বিশ্বাস করেনি,
আমরা কীভাবে তোমাকে বিশ্বাস করব...
পেগন ভেবেছিল ও আওয়াজ তুলতে পারবে,
কিন্তু তোমরা কেউই পারবে না।
তোমাদের না আছে চেহারা
না আছে নাম।
ফিউরি আমাদের কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে পেরেছে
কারণ ওর ধোকাবাজ বউ আমার অর্ডার মানেনি।
বুঝা গেছে?
তো, আমাদের কিছু লোক ভারার বাসায় পাঠাও আর ওকে শেষ করে দাও।
হ্যাঁ?
কোথায় আছ?
হাসপাতাল যাচ্ছি, কাজটা ঠিকমতো শেষ করতে।
প্ল্যান চেঞ্জ।
রিটসনকে মেরো না।
আর ওকে বলো এটা শুধু রাশিয়ানদের কাজ না।
এতে স্ক্রালদেরও হাত আছে।
কী?
ওকে নতুন স্ক্রালদের স্যাটেলাইট ফুটেজ দেখাও।
ওর চোখে প্রমাণ করো যে স্ক্রালরা রাশিয়াতে থাকছে,
আর ওদের খতম করা দরকার।
- গ্রাভিক, তোমার মাথাটা কি গেছে? - না। এটাই সুযোগ, রাভা।
ফিউরি না চাইবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ, না চাইবে নিরীহ স্ক্রালদের মৃত্যু।
ওকে আমি সামলাবো।
যদি আমাদের চিন্তা মতো সব না হয়?
বেশ, তবে তাই করব যার প্রস্তুতি নিয়েছি।
বলিদান।
প্রসিডেন্ট কোথায়?
এরা সব খবর লিক করে দিবে।
পুরো জায়গাটা এক্ষুনি ঘিরে ফেলো।
ভাবাই যায় না।
আচ্ছা, আচ্ছা। শান্ত হও। শান্ত হও।
কিছু করার চেষ্টা করলে ও শেষ।
পিস্তল নামাও। পিস্তল নামাও।
ফিউরি আমাকে দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়েছে।
শুনো...
প্রেসিডেন্টকে বাঁচানোর জন্য পুরো দেশ তোমার কাছে কৃতজ্ঞ,
কিন্তু আমি এখন এসে গেছি। তুমি যেতে পারো।
তোমার আসল রূপ বের করব,
আর প্রেসিডেন্টের কাছে তোমাকে যেতেও দিব।
আমার আসল রূপ বের করতে হলে, নিক, তোমায় আমাকে মারতে হবে।
আর তুমি এমনটা করবে না কারণ তুমি এই মূহুর্তে মরতে চাও না।
কিন্তু আমি কোনো কাজ বাকি রাখি না,
তো একটা তথ্য দিয়ে রাখি।
৬০ সেকেন্ডের মধ্যে,
মারিয়া হিলকে মারার ফুটেজ
পুরো মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়বে।
ঠিক শুনেছ।
আর তুমি হবে বিশ্বের সবচেয়ে ঘৃণিত মানুষ যার পিছনে সবাই লাগবে।
- এটা করতে পারো না। - না, আমি পারি।
সত্যিই তাই করেছি।
সময় ফুরাচ্ছে, নিক।
এটা শুধু ট্রেলার ছিল, নিক,
কারণ প্রেসিডেন্টের ১০০ মিটারের মধ্যেও যদি তোমায় দেখেছি,
তাহলে তোমার কপালে সত্যিই দুঃখ আছে।
গ্রাভিককে বোলো ওর হায়াত কাছিয়ে এসেছে।
নিজে গিয়েই বলো।
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
এইমাত্র পাওয়া।
প্রাক্তন শিল্ড ডিরেক্টর নিকোলাস ফিউরির,
প্রাক্তন শিল্ড এজেন্ট মারিয়া হিলকে মারার পিছনে
হাত ছিল কিনা তদন্ত করা হচ্ছে, সাথে এটাও দেখা হচ্ছে
প্রেসিডেন্ট রিটসনের উপর হামলায় ফিউরি জড়িত কিনা।
সোনিয়া ফলসওয়ার্থ দেখা করতে এসেছেন, স্যার।
বলো আমি ব্যস্ত।
চিন্তা করবেন না। আমি কিছু দেখিনি। সত্যি।
গুড আফটারনুন, সোনিয়া। খবর শুনেছ?
রিটসনের উপর হামলা হবার? না। কী হয়েছে?
বেশ, তোমার কি সত্যিই মনে হয় স্ক্রালরা আমাদের মাঝে আছে?
আমাকে জিজ্ঞেস করলে বলব, স্যার, ওরা সবখানেই আছে।
সোনিয়া...
কী করছ তুমি?
ভদ্রভাবে ডক্টর রোজা ডল্টনের লোকেশন চাচ্ছি।
তোমার মাথা ঠিক আছে তো?
মিস ফলসওয়ার্থ।
এটা কী করলেন?
ডিরেক্টর ওয়েদারবির আসল রঙ দেখাচ্ছি।
এইযে, দেখো।
বলে রাখি, এসআইএসে স্ক্রালদের মারার ব্যাপারে কোনো অফিসিয়াল নিয়ম নেই।
তাই যদি আমার মনের ইচ্ছা মেটাতে না চাও,
তবে সব বলা শুরু করো।
গ্রাভিক। একটু সময় হবে?
কী বলবে, সৈনিক?
একটু বিভ্রান্তি কাজ করছে।
কী নিয়ে শুনি?
আসলে, পেগন।
ও আমাদের নিরাশ করেছে।
ওহ।
ভয় করছে?
হ্যাঁ, কিছুটা।
বলো।
সার্জারি সফল হয়েছে।
চিন্তা করার দরকার নেই। আমি সামলে নিব।
ওর জ্ঞান ফিরলে, হামলার জন্য কনফার্মেশন দিব।
তাই যেন হয়।
এমন নাহলে তুমি জানো কী হবে, ঠিক আছে?
আর কে আছে?
হাহ?
কে আছে?
তুমি একটা সত্যিকারের দানব।
মনে আছে ছোটতে এখানেই খেলতাম।
বাবা এর গুরুত্ব বুঝিয়েছিল,
কিন্তু ভুলে গেছি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, নাৎসিরা এই জায়গা একপ্রকার ধ্বংস করে দিয়েছিল।
তারপর, ব্রিক্সটন ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে আসা প্রবাসীদের জন্য স্বর্গে পরিণত হয়।
মাথা গোজার একমাত্র জায়গা।
এজন্যই এই জায়গা বেছে নিয়েছ?
সংগ্রামের পথ দুরারোহ হয়।
এখানে আসলে অনেক শক্তি পাই।
টেলোসও পেতো।
- টেলোসের মৃত্যু... - থেমে যাও।
ও মারা গেছে।
ভিন্ন এক গ্রহে।
অন্যদের লড়াইয়ে।
যাতে কিছুই মেলেনি।
বাবার থেকে দূরে সরে গেছিলাম কারণ জানতাম ও হারবে।
টেলোস সংগ্রামের পথ বেছেছিল, ও হারেনি।
তুমি দুঃখে বশীভূত হতে পারো না, গায়া। কিছু করার এটাই সময়!
টেলোস বলেছিল তুমি কীভাবে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচেছিলে।
আর কোনো উপায় ছিল না।
গ্রাভিক কোন ডিএনএগুলো চুরি করেছে?
ব্যস কয়েকটা স্যাম্পল।
কাল অবসিডিয়ান, ফ্লোরা কলোসাস।
কিন্তু ও সেগুলো চুরি করেছে কারণ যা খুঁজছিল তা পায়নি।
আর ও কী খুঁজছিল?
দ্য হারভেস্টের কথা বলছিল।
দ্য হারভেস্ট।
বাবাকে দাফন করতে হবে।
প্রিসিলার কাছে নিয়ে যাও। ও দেখবে ব্যাপারটা।
ওহ, ধ্যাৎ।
আমি যোগাযোগ রাখব।
- কোথায় যাচ্ছ? - ফিনল্যান্ড।
নিজের খেয়াল রেখো, সোনা।
আমার চিন্তা কোরো না।
আমার চেহারা সব ঢেকে নিবে।
ওহ।
হ্যালো, স্ক্রালস।
কে তুমি?
প্রশ্নটা এমন হওয়া উচিত,
আমাকে তোমার কী বানাতে চাও?
আমি সর্বগুনী।
উদাহরণসরূপ, তোমার ভালো বন্ধু হতে পারি।
আবার শত্রুও হতে পারি।
পছন্দ তোমার হাতে। জীবন নাকি মরণ।
- বেরিয়ে যাও। - আরে, এবার তো ভ্যাজাল লেগে গেল।
নাইজেল, এর জন্য কিন্তু কারো অনেক বড় শাস্তি হতে পারে,
বা গুলি খেতে পারে, কারণ বিষয়টা এখন প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে।
- না, আমার নাম ভিক্টর। - তা তো অবশ্যই।
নাইজেল হচ্ছে তোমার মাথায় পিস্তল তাক করে থাকা লোকটা।
ওহ। এসে পড়েছে। বসে কথা বলা যাক?
স্যাম্পলগুলো মাইক্রোস্কোপে দেখার পর বুঝলাম,
No comments yet. Be the first to leave one.