Varudu Kaavalenu

Varudu Kaavalenu (వరుడు కావలెను)

د Bengali ژباړه ډاونلوډ کړئ

د خپرونې معلومات

📌📌📌ভারুডু কাভালেনু ২০২১ ৭২০পি x২৬৪ ওয়েব-রিপ সাবটাইটেল বাই হাবীব সিয়াম
د لخوا تبصره Habib_Siam
📌📌📌মাতৃভাষায় উপভোগ করুন নাগা সৌরিয়া রিতু ভার্মার লেটেস্ট মুভি ভারুডু কাভালেনু। 2:07:03 সেকেন্ডের যেকোনো প্রিন্টে উপভোগ করতে পারবেন। সাবের ভালো মন্দ ফিডব্যাক জানাবেন আশা করি।

تګونه

other
په خپور شو: 2022-01-13
ډاونلوډونه: 35
د اوریدلو معیوبیت: No

د Bengali سرليکونو مخکتنه

لومړۍ 200 کرښې.

::::Varudu Kaavalenu::::

মা, তুমি কি কিছু জিজ্ঞাসা করতে চাও?

বাবা-মা যেহেতু হ্যাঁ বলেছে,

আমার আর কিছুই বলার নেই।

এমন হয়ে আছিস কেন?

তোর শাড়ি কোথায়? গয়নাগুলো কোথায়?

আবার স্বপ্ন দেখেছ? তোমার কি আর কোনো কাজ নেই?

তোর বিয়ে, বাচ্চাকাচ্চা হলে,

আমার আর স্বপ্ন দেখতে হতো না।

এই জীবনে কী সুযোগ পাবো অন্তত একটা অনুষ্ঠানে থাকার...

...এই বাড়ির?

- খবর কী? - একই পুরানো খবর।

- এখানে খুন, ওখানে ধাপ্পাবাজি। - লাঞ্চ।

- ধর। - কিছুই বদলাবে না।

আগে নিজের মেয়ের বিয়ের কথা ভাবো।

তারপর দুনিয়া নিয়ে ভেবো।

- সকাল সকাল শুরু করে দিয়েছে। - থামারও লক্ষণ নেই।

এমনকি আজ স্বপ্নেও দেখেছে।

- বাই, বাবা। - বাই, মা।

তুমি শুধু হাত নেড়ে নেড়ে ওকে অফিসে পাঠাও।

ওকে শ্বশুরবাড়ি পাঠানোর কথা ভাবো না?

আমি বেরোচ্ছি, এইতো রাস্তায়।

সত্যম আমার জন্য অপেক্ষা করছে।

ভূমি, সুপারমার্কেটের দিকে যাচ্ছ না?

- হ্যাঁ। - আমাকে নামিয়ে দিও।

- না, আমি পারবো না। - কেন? গাড়ি তো ফাঁকাই আছে।

এটা অটো রিক্সা নয় যে খালি থাকলেইসবাইকে...

এখানে-ওখানে নামিয়ে দিব।

টাডা...!

ফটো সেশন।

#monday_motivation

যদি সকাল সকাল উঠেই কেউ তোমার মুখ দেখে,

তারা কীভাবে অনুপ্রাণিত হবে?

- ম্যাডাম। - আসলে তুমি না,

ফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরা যারা আবিস্কার করেছে তাদের শাস্তি হওয়া উচিত।

তাকে তো আর শাস্তি দিতে পারবো না, তাই...

আগামীকাল থেকে অফিসে ফোন নিষিদ্ধ করলাম।

হাই, ম্যাম। আমি একটা সেরা প্ল্যান বানিয়েছি।

কারখানা/গুদাম/অফিসের জন্য।

আপনার পছন্দ হবে, দেখুন একবার।

সুন্দর না?

- হাহ, তাই। - ধন্যবাদ।

তোমার বাড়ির কাজে লাগাও এটা।

- দুঃখিত, ম্যাডাম। - এটা তোমার হোস্টেল নয় যে,

যখন ইচ্ছে আসবে, যখন ইচ্ছে যাবে।

- মাত্র দশ মিনিটই দেরী হয়েছে ম্যাডাম। - দশ মিনিট?

ছুটিরদিন বাদ দিলে, কার্যদিবস হয় ২৮০ দিন।

যদি তুমি প্রতিদিন দশ মিনিট দেরী করো।

তাহলে এক বছরে মোট ২৮০০ মিনিট।

তার মানে, প্রায় ৪৭ ঘন্টা।

যদি অফিসের সময় ৯ ঘন্টা হয়, তবে মোটামুটি ৫ দিনের মতো।

তাহলে পাঁচ দিন বাদ দিয়ে তোমার বেতন হিসেব করো।

ওহ, খোদা। যে তাকে বিয়ে করবে...

হ্যাঁ, যে আমাকে বিয়ে করবে...

- জোরে বলে ফেলেছি, ম্যাডাম? - ফোনটা এখানে নিয়ে এসো।

আসো।

সন্ধ্যার মধ্যে আমার টেবিলে এই মাসের বিক্রয় প্রতিবেদন চাই।

- ম্যাডাম। - রিপোর্ট দিয়ে,

ফোন নিবে।

আঙ্কেল, শুভ সকাল, প্লীজ আসুন।

- হাই, শুভ সকাল, বসো, বসো। - প্লীজ, আসুন।

- আঙ্কেল, এটাই প্রজেক্টের আইডিয়া। - চমৎকার।

- আর বেশ ভাল কনসেপ্ট। - সত্যিই আমারও পছন্দ হয়েছে।

হ্যাঁ।

তাদের এত ভয় দেখাও কেন?

এদের মাঝে দায়িত্ববোধ মোটেও নেই,

অন্তত ভয় তো পাওয়া উচিত।

আমার তো ভয় হয় কোনদিন আমাকেই না গালি দিয়ে দাও।

তো, কী অবস্থা? তোমার মা কী বলছে?

ওই একই কাহিনী। এখন বাইরে দেখা করতে যাচ্ছে।

কারণ বাড়িতে কাউকে নিয়ে আসলেই বকা দিই।

তাহলে তুমি তার জন্য নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছো না কেন?

যদি সারাজীবন একসাথে থাকতে চাই।

প্রথম তার সাথে আমার সংযোগ থাকতে হবে।

আশা করি খুব শীঘ্রই তুমি সেই সংযোগ খুঁজে পাবে।

- হাই। - হাই।

হঠাৎ জরুরীভাবে প্যারিস থেকে ডাকলি কেন? কী হয়েছে?

আমি ইন্ডিয়া যেতে চাই।

- ওখানে যেতে চাস কেন? - জানিস,

যেদিকেই তাকাবি, শুধু কালো কোট আর সাদা দাড়িওয়ালা দেখবি।

এমনকি যদি বাইরে বের হই, শুধু উঁচু উঁচু বিল্ডিং দেখবি,

তুই বলেছিলি ইন্ডিয়ায় কয়েকটা প্রজেক্ট আছে, তাই না। - হ্যাঁ।

বলে দে, আমরা প্রজেক্টটা নিতে রাজি।

এখানে একটা বিরতির দরকার আমার।

- হাই, স্যার। - বিরতির ফাঁকে তোমাকে কিছু খবর দেই।

মনে হচ্ছিল, তুমি কোটিপতি হতে যাচ্ছো। যখন এখানে দেখলাম,

তুমি একদম কলেজ ছাত্রের মতো।

আচ্ছা, আসল কথা বলি।

- অবশ্যই, স্যার। - আমি তোমাকে একটা চুক্তি দিবো।

যা তোমার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স ২০০ কোটি বাড়িয়ে দিবে।

২০০ কোটি?

তুমি রাজি হলে, আমি কালকের মধ্যে কাগজপত্র ঠিক করে ফেলবো।

ধন্যবাদ।

কিন্তু দরকার নেই, স্যার। আমি আগ্রহী নই।

ঠিক করে পরিমাণটা শুনেছো তো? ২০০ কোটি টাকা।

দুইয়ের পর নয়টা শূন্য।

আমি আগেই বলেছি, আমি আগ্রহী না।

ভেবেছিলাম, তোমাকে শুধু দেখতে কলেজ ছাত্রের মতো,

তোমার চিন্তা ভাবনাও দেখছি একই।

আমি জানি, টাকার চাহিদা অনেক।

কিন্তু টাকাই একমাত্র চাহিদা নয়।

আপনার সাথে কথা হয়ে ভালো লাগলো, স্যার।

আরে, ২০০ কোটি?

কথাটা বলে, আমি নির্বাক ছিলাম।

তুই এত সহজে প্রত্যাখ্যান করে দিলি।

২০০ কোটি টাকার কথা বাদ দিয়ে,

আর ইন্ডিয়ার দুইটা টিকিট নিয়ে আয়।

কী ম্যাডাম, সেইদিন যে ছেলেটা এসেছিল তাকে পছন্দ হয়নি আপনার?

না।

ছেলেটা ছবি দেখে বললো ঠিক আছে,

কিন্তু আমার মেয়ে ছেলেটার ছবি না দেখেই না বলে দিয়েছে।

বাদ দিন, ম্যাডাম। ছেলেটা ততোটাও ভালো ছিল না।

- সত্যিই, না? - হ্যাঁ।

- দেখো একবার। - সত্যি বলবো?

- শেষ ছেলেটা ভালো ছিল, ম্যাডাম। - যাও।

কাউকে যাচ্ছেতাই বলো তুমি।

আপনার জন্য কফি আনবো?

- যাও, আনো। - ঠিক আছে।

যদি কিছু না কিনি তাহলে তোমরা এখানে বসতে দিবে না।

তুমি তো ছবির চেয়ে বাস্তবে বেশি সুন্দর।

কাকে খুঁজছ তুমি?

- কারো জন্য অপেক্ষা করছ? - আপনার মেয়ে?

- সে আসবে না। - ওহ, কফির গন্ধ সহ্য করতে পারে না?

এসব কথাবর্তাই পছন্দ করে না।

- তাহলে আমাকে ডাকলেন কেন? - আমার সাথে কথা বলো, বাবা।

যদি আমার তোমাকে পছন্দ হয়, তাহলে আমি ওর সাথে কথা বলবো।

ভেবেছিলাম, কফিশপে দেখা করাটা যেন নতুন একটা ট্রেন্ড।

মানুষ খোলামনের হবে। কিন্তু সে তো আসেইনি।

আমি কল্পনা করতে পারছি, তার সাথে আমার ভবিষ্যৎ কেমন হবে।

বাবা।

- হাই, বাবা। - আরে।

বাড়িতে এত শান্তি কেন? প্রভাবতী নেই?

নেই।

মন্দিরে গিয়েছে।

- ওহ, এখনও ফিরেনি? - না।

যাতে করে তোর শীঘ্রই বিয়ে হয়,

ভগবানকে কথা দিয়েছে, সে বাড়তি প্রার্থনাও করবে।

- জয় ভগবান ভেঙ্কটেশের জয়। - আমি এখনও বিয়ে করিনি।

ওহ, রাক্ষসী এসে গেছে।

ফোনটা দাও, আমি কল দিচ্ছি।

কোথায় যাবে? এক্ষুনি চলে আসবে।

দেখো এসে গেছে।

ওহ, ওহ, না।

ওহ।

তোমাকে ক্লান্ত মনে হচ্ছে।

ওহ, ভগবান।

- পা ব্যাথা করছে। - ওহ, ভগবান।

- কোথায় গিয়েছিলে? - দেখিস না।

ভেঙ্কেটেশ্বর মন্দিরে গিয়েছিলাম। নাও প্রসাদ নাও...

নতুন শাড়ি, প্রসাদ, ফুল, পা ব্যাথা।

তুমি সবকিছু ঠিকঠাকই চালিয়ে নিচ্ছ।

কিন্তু, যদি কেউ মন্দিরে যায় তাহলে নারিকেল সেবা দিয়ে আসে,

পুরো নারিকেলটা বড়ি আনে না।

- তুমি বদলাবে না? - আমি বদলাবো না।

মা, বিয়ে এভাবে হয় না।

তাহলে বল, বিয়ে কীভাবে হয়? আমি সেভাবেই তোর বিয়ে দিবো।

আমাকে পুতুলের মতো বসিয়ে দিয়ে,

অথবা আমাকে স্ক্যান করে যদি আমাকে পছন্দ না করে বা না চায়।

আমি এইসব করতে পারবো না।

আজ পর্যন্ত কে তোকে প্রত্যাখ্যান করেছে?

উল্টো তুই-ই সবাইকে প্রত্যাখ্যান করেছিস, এই বলে যে সংযোগ খুজে পাসনি।

তুমি যাকেই দেখাবে তার সাথেই কি সংযোগ হয়ে যাবে?

যদি কারো সাথে সংযোগ করতেই চাস, তবে প্রথমে তো তাকে দেখতে হবে।

তোর বয়সীরা সবাই বাচ্চার মা হয়ে বাচ্চাকে স্কুলে পাঠাচ্ছে।

আর আমি হতভাগা, তোর জন্য জামাই খুঁজে বেড়াচ্ছি।

কতটা হতভাগা আমি!

আমি এইসব সহ্য করতে পারবো না।

- তুমি কি... - সত্যম।

সত্যম।

হ্যালো, সত্যম।

শুভ সকাল, ম্যাডাম।

গভীরভাবে চিন্তা ভাবনার পর আর একটা ডিজাইন করছি, ম্যাডাম।

এটা দেখলে আপনি হতভম্ব হয়ে যাবেন, বিশ্বাস করুন।

কত নিবে তুমি?

ধন্যবাদ। জানি, আপনার পছন্দ হবে।

এছাড়াও, আমি আপনার সাথে দরদাম করতে চাই না, ম্যাডাম।

- আপনার যা খুশি তাই দিবেন। - এই ডিজাইনের জন্য নয়।

আমি তোমাকে আর অন্য ডিজাইন দেখতে চাই না।

ধন্যবাদ, ম্যাডাম। সরলা, তোমার নিজের কাজ করো।

প্লীজ, আমার পথে এসো না।

আমরা নতুন ম্যানুফেকচারিং ইউনিট চালু করতে যাচ্ছি।

চালু করলে, আমি জানাবো আমি ঘুরে আসতে পারবেন।

ম্যাডাম।

- কী দেখছো? - ম্যাডাম।

তোমার ফোনটা দাও, দাও।

এটা কী?

আমি এটা ভেতরে ভেতরে রেখেছিলাম, ম্যাডাম।

কিন্তু, বেরিয়ে পড়ে।

- এটা? - প্রতিভা, ম্যাডাম।

পরের বার,যদি আমি দেখি তুমি কিন্তু হারিয়ে ফেলবে।

- কী হারাবো, ম্যাডাম? - চাকরি।

রাক্ষসী।

এই ফ্যাক্সটা চেক করে ম্যাডাম কে দাও।

- তুমি গিয়ে দাও। - এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ, তোমাকেই দিতে হবে।

আমি দিতে পারবো না।

খুব ভালো।

সরলা, সরলা।

ভূমি, ওই আর্কিটেক্টের ওপর এতো রেগে গেলে কেন?

আমাদের কোম্পানির কনসেপ্ট আর তার ডিজাইন সম্পূর্ণ আলাদা।

তার অন্তত সাধারণ জ্ঞানটুকু ব্যবহার করা উচিত ছিল।

Varudu Kaavalenu subtitles in other languages

More Bengali subtitles for Varudu Kaavalenu

تبصرې

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left