لومړۍ 200 کرښې.
মুভি, সিরিজ এবং সাবটাইটেল সম্পর্কিত সকল লেটেস্ট আপডেট পেতে জয়েন করুন আমাদের গ্রুপে: ওয়ার্ল্ডওয়াইড মুভি ফ্রিক
উচ্চ জাতের কুকুরের ২৪ তম আন্তর্জাতিক চ্যাম্পিয়নশিপে স্বাগতম!
আমরা দেখছি ফার্নান্দোর কুকুর হিটলার ভালোভাবে পার হচ্ছে!
- আসো! - আমরা জানি যে হিটলার...
...গত দুই বছর ধরে এই টুর্নামেন্ট জিতে আসছে, এবং এই বছরও এটাই আশা করছি।
দারুণ ! অসাধারণ ফিনিশিং, হিটলার!
চ্যাম্পিয়নশিপ যাচ্ছে মিস্টার ফার্নান্দোর হাতে!
অভিনন্দন।
এখন, উপদেষ্টা, জনাব নাসার, মিঃ ফার্নান্দোকে পুরস্কার প্রদান করবেন।
এটা ছিল আমার টানা ষষ্ঠ পুরস্কার।
১৯৭০ সালের লন্ডনের রেকর্ডের...
...এখন সমান।
পরের চ্যাম্পিয়নশিপ জিতলে বিশ্ব রেকর্ডধারী হব!
এই বছর অবশ্যই ঘটবে।
এটা কেউ বদলাতে পারবে না!
উপদেষ্টা, জনাব নাসার, দাবি করেছেন তিনি এই বছর ট্রফি জিতবেন।
"উপদেষ্টা "? সে আমার কর্মচারী ছিল।
তার পদ্ধতি পুরানো।
প্রতিযোগিতার জন্য কিভাবে কুকুর নির্বাচন করেন?
সিম্পল
আমি সেরা কুকুরের প্রজনন করি।
রক্তরেখা বজায় রাখি।
পৃথিবীতে একমাত্র যোগ্য ব্যক্তিই বেঁচে থাকতে পারে।
যাদের মধ্যে কোনো গুণ নেই, তারা এখানে থাকার যোগ্য নয়।
আমি বিশ্বাস করি.
খুব ভালো.
- কুকুর তোমাকে অনেক পছন্দ করে। - সে আমাকে পছন্দ করে...
আমার গোলামরা!
আমার সোনার দাসরা!
আমাকে ওটা দে.
ইডিয়ট!
কতবার বলেছি ওকে এখানে না আনতে?
শালা মূর্খ!
- ওকে রুমে নিয়ে যাও। -ঠিক আছে, স্যার.
তাকে আমার ভাই হতে হবে.
উত্তরাধিকার না থাকলে অনেক আগেই শেষ করে দিতাম!
আমার প্রিয়তম!
দুঃখিত, ছেলেরা.
শহরের বাইরে থাকায় তোমাদের সাথে দেখা করতে পারিনি।
তোমাদের নীচে আরো দুটি কুকুরছানা পপিং আউট হবে?
কতদিন হয়েছে?
ত্রিশ দিন।
ভালো।
আসো, আসো
এটা অন্ধ হয়ে জন্মেছে, বস.
এটা কিভাবে সম্ভব?
তিন বারের চ্যাম্পিয়নের ধৃষ্টতা, না?
এটাকে মেরে ফেল
এটাকে কোথাও ছেড়ে দেবো?
মারবো কেন, বস? কেউ এটা নিতে পারে, তাই না?
না!
কেউ অন্ধ কুকুর নিবে না।
এটা বিপথগামী হিসাবে বড় হবে.
এক বছরে, এটা অন্য কুকুরের সাথে সঙ্গম করবে আর কুকুরছানা জন্ম দিবে।
তা হলে আমার মর্যাদার কী হবে?
এটাকে মেরে ফেল! সাহস করে ছেড়ে দিলে...
... দুজনকে টুকরো টুকরো করে ফেলব৷
ঠিক আছে, বস।
এখানে কবর দিবো. যেন পার্থক্যটা জানে!
তাকে চিনিস না।
সন্দেহ হলে সে কবর খুঁড়বে।
সেই ভীতিকর মানুষ, হাহ?
অবশ্যই! ব্লু ক্রসের ঝামেলা এড়াতে আর কী...
...সে বলেছে কবর দিতে।
কি অহংকার!
আজ তোর শেষ দিন!
এটা তোর ভাগ্য! পুফ !
তর কি এটাই প্রাপ্য, বস?
এটা পালাচ্ছে! ধর!
মাথা ঘুরাচ্ছে, বস!
কুকুর চলে যাচ্ছে আর তুই আমার সাথে ধাক্কা খেলি, হতভাগা?
এটাকে ধর!
- আমি পারবো না! - ধর!
- সবসময় কথা কাটাকাটি করিস! এদিকে খুঁজ। -বুঝেছি!
কোথায় গেছে জানি না...
কি? খুঁজে পেয়েছিস?
দৌড়ানো বন্ধ, তাই না?
এ বিষয়ে কাউকে কিছু বলবি না।
আমরা কুকুর মেরেছি!
না. এটা পালিয়ে গেছে!
বোকা!
বসের কাছে মিথ্যা বলব আমরা কুকুরটিকে মেরেছি!
এখানে মেরে কবর দিয়েছি।
- বুঝেছিস? চল যাই! - মেরে কবর দিয়েছি।
অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ শান্ত কুমার দাস মোঃ রানা সরকার আহমেদ জয়নুদ্দিন কবির হোসেন তইবুর
প্রস্তুত, অর্জুন?
প্রস্তুত!
ছয়!
কে ওখানে?
পালাও!
- অর্জুন ! - আমি না, দাদা!
- রাস্তা পার হবে? -হ্যাঁ.
বাই, আংকেল
ধন্যবাদ, অর্জুন।
- বাই ! -বাই, বাবা!
- আমার বন্ধুকে মারলে কেন? - কি হয়েছে!
এখানে কি হচ্ছে?
হে অর্জুন!
দেখো মানুষ কেমনে আবর্জনা ফেলে!
-সাহস কত এখানে ময়লা ফেলিস? ধর! - আমি না!
আমাকে ধর, অর্জুন!
আমি এখানে!
হ্যাঁ! -এটা কি বাবা?
বাবা দেখো।
অর্জুন !
তোমরা সবাই কেমন আছো?
বিস্কুট খাও।
অর্জুন ! কি করছিস?
কতবার বলেছি এখানে না আসতে?
আমি শুধু দেখতে এসেছি, আন্টি!
-"দেখার জন্য এসেছিস"? -আমি আর আসবো না!
দূরে পালাচ্ছিস, তাই না?
এখানে আবার আসিস, তোর খবর আছে!
মল্লিকা আন্টির কুকুরের বাচ্চা হয়েছে, মা!
তুই কি তাদের বিরক্ত করেছিস?
না, মা।
কেন কুকুরের অনেক রঙের ছানা হয় না?
এমন প্রশ্ন করিস কেমনে?
বলো মা!
প্রথমে কফিটা তোর দাদাকে দিয়ে আয়।
- সেখানে দুষ্টুমি করবি না। ঠিক আছে? -ঠিক আছে মা.
ওহ, এখানে সব, হাহ?
অনেক দিন ধরে খুঁজছি।
দাদা...
দাদা...
কি দারুন!
একটা বন!
আমি এই বনের রাজা!
না! "আমি" এই বনের রাজা!
আমিই সবচেয়ে শক্তিশালী। আমি গাদাগাদি মেটাতে পারি!
- আমরা কি খুঁজে বের করব? -হ্যাঁ!
এখানে আসো, খরগোশ!
ধরা পড়বে না। গুহায় লাফ দাও!
ওহ না! দাদা!
- তুই কি করছিস? - দুঃখিত, দাদা! কিছুই করিনি!
এইটাও ভেঙ্গে গেছে? অর্জুন !
অর্জুন !
থাম! শঙ্কর !
- শঙ্কর ! - বাবা?
- কি হয়েছে? -দেখ তোর ছেলে কি করেছে!
আমার অষ্টম জোড়া চশমা!
কতবার বলেছি ওকে আমার রুমে না পাঠাতে?
ফেলে দাও. পুরোনো চশমা. নতুন কিনে নাও.
"ফেলে দিবো"?
টাকা কি গাছে ধরে?
যেমন তুমি পারো...
এমনকি বাড়ির বন্ধকী ঋণ পরিশোধ করতে পারিস না.
এখানে এটা টানছো কেন?
ঋণ তো ছেলের পড়ালেখার জন্য, তাই না?
- আমি শোধ করব. -তুই করবি!
তুই কি ঋণের এক হাজার টাকাও পরিশোধ করেছিস?
অথচ তার স্কুলের ফি বাবদ মাসে আট হাজার টাকা দিস!
এমন কথা বলছ কেন? ঋণ পরিশোধ করা আমার দায়িত্ব।
একদিন, পাওনাদার দোরগোড়ায় এসে হাজির হবে...
...আর সব টাকা ফেরত চাইবে অথবা আমাদের এখান থেকে বের করে দিবে!
আমরা রাস্তায় নামবো!
তবেই পারবি!
আমিই পরিবারের ব্যয় মিটাচ্ছি!
ঋণের সাথে চশমা ভাঙার কী সম্পর্ক?
সবকিছু নিয়ে বকবক করা বন্ধ করো, বাবা!
এত খরচ করে আন্তর্জাতিক স্কুলে বখাটে পড়াবি কেন?
আপনার ছেলেকে যত খুশি বকাঝকা করেন।
এমনকি আপনার ছেলেকে বিয়ে করার জন্য আমাকে তিরস্কার করেন।
কিন্তু আমার ছেলেকে বখাটে বলার সাহস করবেন না!
চুপ করে ভিতরে যাও!
- জানো কার সাথে কথা বলছো? - হ্যাঁ আমি জানি!
প্রত্যেকেই তাদের নাতি- নাতনিদের ভালোবাসে
আর এখানে এই লোক!
সবাই বড় হয়েছে, কিন্তু...
মুখ সামলে কথা বলো!
আপনি এখন খুশী?
একবার আমি বের করি অর্জুন চশমা ভাঙ্গেনি, তোমার খবর আছে।
অর্জুন !
কি দারুন! প্রজাপতি!
হু...
এখানে আসো...
বিদায়।
হ্যালো!
কু..কু..!
কু..কু..!
ওহ প্রিয়...
কাঁদায় আটকে আছিস?
দাঁড়া. তোমাকে রক্ষা করবো.
দাড়া. নড়বি না!
শরীর কাদায় ভরে গেছে।
তোকে পরিষ্কার করে দেব।
অর্জুন !
আমরা কি বাড়িতে যাব?
- এখানে আয়! - এটা কি মা?
তোকে সবখানে খুঁজেছি!
কোথায় ছিলি?
কুকুরছানাটা দেখ, মা.
সাঁতার জানতো না। আমি বাঁচিয়েছি
এর কেউ নেই, মা।
এটা রাখি
তোকেই বড় করাই একটা বিশ্বযুদ্ধ! আর তুই একটা কুকুর চাস?
মা!
আমাকে বল! তুই কি দাদার চশমা ভেঙ্গেছ?
অভিনয় বাদ দিয়ে জবাব দে!
আমি ভাঙিনি, মা।
No comments yet. Be the first to leave one.