لومړۍ 200 کرښې.
আমাডো কারিও ফুয়েন্টেস!
আসমানের রাজা!
আহা কি চমৎকার, মাদারচোদ!
- খুঁচিয়ো না। - ওরে, চোদনা।
- ছোট ভাই? - হ্যাঁ। আলভারো।
এখানে আসো, বাছা।
- তুমিও বুকে আসো। - স্যার।
সব কেমন যাচ্ছে?
৩২০ মিলিয়ন সংখ্যাটা খারাপ না।
মনে হচ্ছে না আমেরিকার কোষাগার সঙ্গে এনেছি?
- এই অর্ধেক তোমার। - সত্যি?
- ভুলো না যেন। - আচ্ছা। আমরা তাহলে ভালো সময়ে এসেছি।
অন্যান্য মঙ্গলবারের মতোই আজ, পাচো। তুমি তো জানোই।
- মাদারচোদ। বাসায় চলো। - চলো।
- আচ্ছা। বাছা, তোমার মার্গারিটাদের ভালো লাগে? - অবশ্যই।
বেশ, কারণ তোমার জন্য আমার কাছে একটা মার্গারিটা রয়েছে।
সে তোমারটা সুন্দর করে চুষে দিবে।
ম্যাক্সিকোতে স্বাগতম, মাদারচোদ।
চলো।
টাকাগুলো নিয়ে প্লেনটা ধ্বংস করে দিস।
অনুবাদেঃ আখলাক আহমেদ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
সম্পাদনায়ঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
NARCOS
প্রথমত, সিনেটর মার্টিন ও আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই
আমাদের সাথে দেখা করার জন্য, রাষ্ট্রদূত।
কিন্তু ওয়াশিংটনে কী ঘটছে তা আপনার জানা দরকার।
আমরা জিতব কি না তা নিয়ে লোকে প্রশ্ন তুলছে।
আর, অ্যাপরোপ্রিয়েসন কমিটির সিনিয়র সদস্য হিসেবে,
আমাদের উদ্দেশ্যে সেই প্রশ্ন করা আছে।
এখন, এসকোবারকে নামিয়ে আনতে আপনার যে কাজ করেছিলেন তা নিয়ে সবাই গর্বিত।
বিশেষত আপনার সাথে দেখা হওয়াটা সম্মানের বিষয়, এজেন্ট পেনিয়া।
কিন্তু কোকেন উত্তরে ঢুকতেই আছে, এবং এই হুমকিকে কলোম্বিয়ানরা আমাদের মতোই
গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে কি না তা নিয়ে আমেরিকার লোকেরা প্রশ্ন তুলছে।
আমাদের সহকর্মী, সিনেটর হেলমস, সেসব প্রশ্নের কিছু উত্তর পেশ করেছেন।
কিন্তু আমরা এখানে এসে আপনাদের থেকে আসল উত্তরটা জানতে চাচ্ছিলাম।
কী ঝুঁকিতে আছে তা সরাসরি দেখতে চাচ্ছিলাম।
দেখতে যে, কীভাবে এবং... আপনাদের যে সমর্থন প্রয়োজন তা দিতে পারব কি না।
সিনেটররা এখানে থাকা অবস্থায় তাদের সর্বোচ্চ সাহায্য করো।
তাদের মিশনকে অগ্রাধিকার দাও। তারা প্রশ্ন করবে, তোমরা উত্তর দিবে।
ধন্যবাদ।
'দুনিয়াতে সব টাকার খেলা।
'বৈধ বা অবৈধ, ভালো মানুষ বা খারাপ, আমরা সবাই টাকার পিছে দৌড়ায়।
'ডিইএর ক্ষেত্রে, তারা তহবিল নিশ্চিত করার জন্য বাজেট মিটিং আয়োজন করে
'আর সঠিক লোকের পাছা চাটে।
'কিন্তু তুমি যদি পাচারকারী হও, তাহলে টাকা পাওয়া সহজ।
'সেটা ধরে রাখা কঠিন।'
'আগের দিনে, যে প্লেন আমেরিকাতে কোকেন নিয়ে যেতো সেটাই
'কলোম্বিয়াতে টাকা বয়ে নিতে আসতো।
'তারপর সেটাকে পেসোতে রূপান্তর করা হতো, অথবা তুমি যদি পাবলো এসকোবার হতে,
'কোনো গর্তে পুঁতে রেখে দিতে।
'এক পাচারকারী এতোটা টাকা তার জমিতে পুঁতে রেখে মারা গেছিল যে, যখন বৃষ্টি হয়েছিল।
'তার সব টাকা বৃষ্টিতে ভেসে গিয়ে নদীর পানি ভর্তি করে ফেলেছিল।
'অবৈধ টাকার সবচেয়ে বড় সমস্যাটা হচ্ছে তার রেখে যাওয়া চিহ্নটা।
'এককালে, কোনো প্রশ্ন ছাড়াই আমেরিকার ব্যাংকগুলো সব টাকা নিয়ে নিতো।
'কিন্তু রাষ্ট্রপতি নিক্সন, ব্যাংক সিক্রেসি আইন পাস করানোর পর সেটা পাল্টে যায়।
'এখন ১০ হাজার ডলারের বড় কোনো লেনদেন ঘটলে ইউএসের সকল
'ব্যাংককে সেটা রিপোর্ট করতে হবে।
'এবং সেই আইন থেকে, অর্থ পাচারের জন্ম হয়।
'অর্থ পাচারের প্রথম ধাপ হচ্ছে প্লেসমেন্ট,
'এবং ক্যালি সেটাকে শিল্পে পরিণত করেছিল।
'তাদের পরিচিত লোকেদের আমেরিকা নিয়ে আসতো
'যেখানে তাদের একমাত্র কাজ ছিল মানি অর্ডার কেনা
'যার প্রত্যেকটার মূল্য ১০ হাজারের কিছু কম, যাতে সেগুলোকে রিপোর্ট না করা হয়,
'কোনো আইডিও লাগতো না।
'এবং ডিপোজিট বা নগদে পরিণত না করা পর্যন্ত অর্ডার ফাঁকা থাকতো।
'বেশ কিছু মানি অর্ডার কিনে ফেলার পর, তারা সেগুলোকে ব্যাগে ভরে দক্ষিনের
'রৌদ্রজ্বল ও দুর্বল আইন ব্যবস্থার দেশে নিতে যেতো।
'ক্যারিবিয়ানের সুইজারল্যান্ড: পানামা।
''যেহেতু তারা তড়িৎ লেনদেনের উপর নজর রাখতো না, তাই পানামা অর্থ পাচারের
দ্বিতীয় ধাপ 'লেয়ারিং' এর জন্য একেবারে আদর্শ জায়গা হয়ে উঠেছিল।
'এবং এখানে আসল শিল্পী মাঠে নামতো।
'পর্দার পিছে যেকোনো ড্রাগস কার্টেলের সবচেয়ে মূল্যবান খিলাড়ী হচ্ছে অর্থ পাচারকারী,
'যে নোংরা টাকা নিয়ে সেটাকে পরিষ্কার করে দায়। এভাবে সেটা করা হয়:
'স্থানীয় ব্যাংক একাউন্টে মানি অর্ডারটাকে ডিপোজিট করা হয়,
'তারপর সেটাকে ভুয়া কোম্পানি ও লিমিটেড অংশীদারদের মাঝ দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়,
'এবং এমন এক অনুসরণ অযোগ্য ভুয়া ক্রয় অর্ডার ও লেনদেনের রিপোর্ট সৃষ্টি হয়,
'যা টাকার বেআইনী উৎসকে একেবারে সাফ করে দেয়।
'কিন্তু তুমি যতোই লুকানোর চেষ্টা করো না কেন, টাকা ছাপ রেখে যাবেই।
'আর ক্যালিকে আঘাত করার সবচেয়ে সেরা উপায়টা ছিল সেটাকে খুঁজে বের করা।
ক্যালি... ময় হারমোসা, তাই না?
মারা খাও, ক্রিস।
লোকটা জিজ্ঞেস করেছিল আমার কোনো পার্টনার আছে কি না এবং তোমার ডেস্ক আমার পাশে ছিল।
তুমি সত্যিই আমাকে মারা দিয়েছ।
তুমি কি ডেস্কে চড়ে সোজা স্পেশাল অপারেশন ইউনিটে চলে আসবে?
হ্যাঁ, আসব।
এজেন্ট ফেইস্টল, ভ্যান নেস...
- ফেইস্টল। - ক্যালিতে আপনাদের স্বাগতম।
- ধন্যবাদ। - ক্যাপ্টেন ক্যালডেরন।
এখানে আসতে পেরে আমরাও খুশি।
ক্যালিতে আসার কারণ কী?
আমাদের হাতে কিছু ঠিকানা লেগেছে সেগুলো তদন্ত করতে চাই।
কার্টেল সম্পর্কিত?
জরুরি না।
কি আশ্চর্য ব্যাপার! ডিইএ এজেন্টরা আমাদের বিশ্বাস করে না।
শেষ দুজনের কী হাল হয়েছিল?
বন্ধু, ক্যালিতে, চার্চের চেয়ে দুর্নীতিবাজ পুলিশের সংখ্যা বেশি।
তুমি আমাকে বিশ্বাস করো না? আমি বুঝি।
কিন্তু যদি ক্যালিতে কিছু করো, তবে পুলিশের সাহায্যই দরকার হবে।
আমার না হলে, অন্যকারো।
এই নিয়ম আমার না।
- বুঝেছি। - ভালো।
ঠিকানাগুলো কার্টেলের অর্থনৈতিক কারবারের সাথে জড়িত।
আমরা সেগুলোতে নজর রাখতে চাই। যদি কোনো কানেকশন খুঁজে পাই...
তো এতদূর কানেকশন খুঁজতে এসেছ?
আমাদের যা আছে তা নিয়েই কাজ করতে হবে।
যদি না বলো হিলবার্টো আর মিগেল রদ্রিগেজকে কোথায় খুঁজে পাবো।
ওরা অর্ধেক শহর কিনে না ফেললে, ওদের যে অস্তিত্বও আছে জানতাম না।
রদ্রিগেজ ভাইয়েরা ভূতের মতো।
'সেটা সত্য।
'যখন আত্মসমর্পণের শর্ত নিয়ে আলোচনা শেষ পর্যায়ে ছিল,
'ভাইয়েরা ধরা পড়া এড়ানোর জন্য পালিয়ে বেড়াচ্ছিল।
'নিজেদের জমকালো ভবন ছেড়ে তারা নতুন নতুন বাড়িতে চলে যাচ্ছিল।
'যেখান থেকে তাদের বৈধ ব্যবস্যাতে পা না রেখেই
'তাদের সাম্রাজ্য চালিয়ে যেতে পারবে।
'অন্যদিকে চাপে নিউইয়র্কে তাদের ক্রিয়াকলাপ বাড়িয়ে যাচ্ছিল।
'কিন্তু কখনো কখনো ভাগ্য সেরাদেরও সাথ দেয় না।
'মোনোকোতে কম্পিউটারের একটা সামান্য ত্রুটির ফলে এটা কর্তৃপক্ষের
'নজরে আসে যে একটা লিমিটেড অংশীদারের একই ব্যাংকে একাধিক একাউন্ট আছে।
'যখন তারা খতিয়ে দেখা শুরু করে,
'তারা লক্ষ্য করে যে ইউরোপ জুড়ে শত শত ভুয়া একাউন্টের সাথে ওটা জড়িয়ে আছে।
'এবং সেগুলো কেবল একটা ব্যাংকের দিকে নির্দেশ করছিল... যেটা এখানে বোগোটাতে অবস্থিত।
'সৌভাগ্যবশত, রাষ্ট্রপতি ডিইএকে তাদের সেরা অস্ত্রটা দিয়েছিল:
'ক্লিনটন লিস্ট।
'যদি আমরা সন্দেহ করি যে কোনো কোম্পানি পাচারকারীদের সাথে কাজ করছে,
'তাদের নাম লিস্টে উঠে যাবে।
'এবং তারপর তারা কোনো ইউ.এস কোম্পানির সাথে ব্যবসা করতে পারবে না,
'এবং কোনো ইউএস কোম্পানিও তাদের সাথে ব্যবসা করতে পারবে না।'
'তারা দুই দিক দিয়েই মারা খাবে।
এবং জানো এটা সবচেয়ে ভালো দিক কোনটা?
আমাদের কিছু প্রমাণও করতে হবে না। শুধু তাদের নাম লিস্টে তুলে দিতে হবে।
আর ওএফএসি বাকিটা সামলে নিবে।
আপনাকে কীভাবে সাহায্য করতে পারি, এজেন্ট পেনা?
'ক্লিনটন লিটের হুমকি ব্যবহার করে,
'আমাদের যে তথ্য দরকার আমরা বের করতে পারব,
'এবং সেই ভাবে আমরা ক্যালির এক নম্বর অর্থ পাচারকারীর নাম জানতে সক্ষম হই:
'ফ্রাঙ্কলিন হুরাডো।
'যেহেতু কলোম্বিয়ার নাগরিকদের জন্য নিজের কাছে
'আমেরিকান অর্থ রাখাটা ছিল বেআইনী,
'তাই যেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের টাকা সাফ করতো, একজন অর্থ
'পাচারকারী সেগুলোর সাথে যোগসূত্রের চাইতেও বেশি কিছু ছিল।
'এক দিক দিয়ে বলতে গেলে, সেই হচ্ছে তাদের আসল অর্থ।
'হুরাডো ছিল নার্কোস ও উচ্চ অর্থের দুনিয়ায় মাঝের আদর্শ সেতুবন্ধন।
'সে ৫ টা ভাষা জানতো এবং অনেক দেশের পাসপোর্ট তার আয়ত্তে ছিল।
'ইউএসের বিজনেস স্কুলে দেখা হওয়া এক আমেরিকান মেয়েকে সে বিয়ে করেছিল।
'তারপর তাকে দক্ষিণে এনে তার কাজে যুক্ত করে দিয়েছিল।
'ক্যারিবীয়ানের যেকোনো ব্যাংকে আমেরিকার পাসপোর্টকে সোনা হিসেবে দেখা হতো।
'হুরাডো তার কাজে দক্ষ ছিল, কিন্তু এখন আমরা তার নাম জেনে গেছিলাম।
এগুলো অর্থ লেনদেনের রেকর্ড।
ফ্রাঙ্কলিন হুরাডো নামের একজন এসব একাউন্ট নিয়ন্ত্রণ করে।
- তুমি তাকে চিনো? - তার ব্যাপারে জানি।
সে ইন্টারআমেরিকাজে ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছে।
- রদ্রিগেজ ভাইয়েদের ব্যাংক। - হুম।
পরে তারা তাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ দেয়।
হুরাডোর ঠিকানা আছে আপনার কাছে?
জোগাড় করে দিতে পারি।
আমাদের শেষবার দেখা হওয়ার পর কী হয়েছিল?
ওদের ধরবে নাকি?
- আমি নিজের কাজ করছি। - আর আপনার বসেরা?
তারা জানে আপনি যা করছেন?
কোনো মন্তব্য করতে চাই না।
ভাবছিলাম...
...হয়তো আমিও তোমার সাথে যেতে পারি।
রাজি হয়ে যাও, হয়তো আর কখনো এভাবে ভ্রমণ করার সুযোগ পাবো না।
- মিলানের সেই জায়গার কথা মনে আছে? - যেখানকার ছাদে ফুঁটো ছিল?
তোমার জন্মদিনে। এবং সেই জঘন্য রিসোর্ট।
সেই ব্যালকানি।
ভাইয়েরা এখন খুব চাপ দিচ্ছে, বাবু। তারা আরো বেশি একাউন্ট খুলছে।
- এটা বিপজ্জনক। - আমি পরোয়া করি না।
তুমি নেশা করেছ?
ওই, মারা খাও!
তোমার পাসপোর্ট দাও।
আমি আর এই এপার্টমেন্টে থাকতে পারব না, ফ্যাঙ্কলিন।
একা একা বাংলা সাব দিয়ে আরেকটা মুভি দেখলে আমি পাগল হয়ে যাব।
আমি কার্টেলের স্ত্রীদের কাছে তাদের স্বামীর ব্যবসার গল্প শুনতে চাই না।
- তুমি হার্ভার্ড থেকে ইংলিশ ডিগ্রি অর্জন... - এখন বলো না যে আমাকে পড়াতে হবে।
তাহলে আমার মুখ থেকে কী শুনতে চাও? শাউয়া আমার...
পরো কখনো যাবো।
ডাইনিং রুম এখানে আছে।
এখানে একটা রুম আছে।
এখানে আরেকটা।
আর এখানে আছে, লিভিং রুম।
এখানে ডিমার আছে।
চাইলে আলো কমাতে বা বাড়াতে পারবেন।
বেশ... সব বুঝে গেছেন নিশ্চয়ই।
- না। বুঝিনি। - কী বুঝেননি?
এসব কি আপনার কাছে সাধারণ মনে হচ্ছে?
রদ্রিগেজ সাহেবকে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন
যে নর্থ ভ্যালিতে আপনার ফেরা অনিশ্চিত।
তাই আমাকে একটা প্রাসাদ কিনে দিলেন। যাতে ডিমার আছে।
ডন মিগেলকে ধন্যবাদ জানাবেন,
কিন্তু আমাকে ওনার এই মহানুভব প্রস্তাবের ব্যাপারে ভেবে দেখতে হবে।
আজ রাতে আমাদের ডিনার আছে।
তোমার বন্ধুদের সাথে?
ইনভেস্টরদের সাথে।
ছয় মাসের অপেক্ষা তাদের পছন্দ হবে না।
আর আমার মনে হয় রদ্রিগেজ ভাইয়েদের নাম না নিলেই ভালো হবে।
জানি আমার কাজে তুমি বিব্রত।
আমি জানি তুমি এটা পরিবারের জন্য করেছ।
কিন্তু এই লোকগুলোর যদি আজ রাতের সব কথা পছন্দ হয়,
এই ছয় মাস পর তোমার নিজের একটা সিকিউরিটি ফার্ম হবে।
No comments yet. Be the first to leave one.