لومړۍ 200 کرښې.
অনুবাদকঃ আতিকুল গনি রিপন।
পিয়েরেত্তি তার ২২তম জন্মদিনে মারা যায়।
লোকে বলে এটা মরার বয়স না, যদিও এ বয়সে মানুষ মারা যায়।
কে বলতে পারবে? কেউ না, জগতের নিয়ম।
সে হয়ত চেঁচামেচি করেছিল, হাতাহাতি করেছিল। কিন্তু তার এসব করা উচিত হয় নি।
হত্যাকারী আতঙ্কিত হয়ে তাঁকে কোন কারণ ছাড়াই মেরে ফেলে।
সে ভুলবশত মারা যায়।
মাত্র ১০০ ফ্রাঙ্কের জন্য একজন কিভাবে এত বেপরোয়া হয়?
অপ্রত্যাশিত হত্যাকারীকে তারা হয়ত খুঁজে পাবে....
কিন্তু কেউ তো আর তার হাত দুটি জড়িয়ে ধরবে না।
৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২....
দেখলে? কোন কিছুই নেই।
আপনাকে কয়েকটি কথা জিগ্যেস করার ছিল।
কিন্তু তার আগে মানুষ আপনাকে পছন্দ না করার কারণটা শুনতে চাই।
তারা পছন্দ করে না, এটাই সত্য।
কিন্তু তারপরেও আমি তাদের পছন্দ করি না।
এটা কোন কারণ না।
কি করেছেন, যার জন্য সবাই এত অপছন্দ করে?
- কিছুই না। - এটা একটা কারন।
আমি তত সামাজিক বা বন্ধুসুলভ না, আর তারা এটা পছন্দ করে না।
কাছাকাছি আসলে আলাপচারিতা বন্ধ হয়ে যায়, আর পাশ কেটে চলে আসলেই আবার শুরু হয়।
এসব আমার গায়ে লাগে না।
আমি নীরবতা পছন্দ করি, কথা বলা আমার পছন্দ না।
আপনি অদ্ভুত মানুষ তো।
আমার তা মনে হয় না।
দেখলেন? আপনিও অন্যদের মত।
পিয়েরেত্তি বর্গিওস আপনার রুমের পাশেই খুন হয়।
এক ট্যাক্সি চালক একজনকে আপনার ঘরের দিকে দৌড়ে যেতে দেখেছে।
খুব একটা লম্বা না, কালো ওভারকোট পড়া।
আপনার মনে হয় না ব্যাপারটা কৌতুহলী?
আচ্ছা, তেমন তো মনে হয় না।
সবাই বলে সে বেশ প্রানবন্ত মেয়ে ছিল।
পিয়েরেত্তি সবসময় হাসিখুশি থাকত।
জীবিত থাকাকালে সে বেশ ভদ্র আর প্রাণচঞ্চল ছিল।
চিন্তা করুন, যখন আমি তার বাগদত্তাকে খবরটা দিলাম তার প্রতিক্রিয়া কি হয়েছিল।
হা,
জীবন বড়ই বিভীষিকাময়।
না, আমি মজা করছিলাম।
সে আপনার মতই একা থাকত।
সে আপনার মতই অসামাজিক ছিল।
সে কখনোই কারো সাথে কথা বলত না।
সে বেশ অদ্ভুত মেয়ে ছিল।
আপনার এই বয়সে গোয়েন্দাগিরি চালিয়ে যাওয়া সহজ হবে না।
তোমার এভাবে চুমু দেওয়াটা আমার বেশ লাগে।
তুমি সত্যিকারের পুরুষের মতো চুমু দাও, আমার ভালো লাগে।
- তুমি কি আমায় একটা বাচ্চা দিবে? - কী?
তুমি কি আমায় একটা বাচ্চা দিবে?
তুমি চাইলে কয়েক রকমের।
চল একটু হাঁটি, খোলামেলা বাতাসে। সারাদিন দরজা বন্ধ করে ছিলাম।
শোন, এ্যলিস....
তুমি আসলেই ভবঘুরে। সবকিছু ঠিকটাক করছ না কেন?
বুঝলে এসব আমার দোষ না, বাবাকে কথা দিয়েছিলাম।
- তুমি সবসময় এ কথাই বল। - না, এটা সত্য না।
আমাদের কথা বাবাকে বলেছিলাম।
তিনি তোমায় দেখতে রাজি হয়েছেন।
- আমার ঐ চাকরিটার কি হবে? - তালগোল পাকিয়ো না তো।
দাঁড়াও তো।
ধৈর্য ধর।
তুমি তো জান, আমার কাছে তুমি কত গুরুত্বপূর্ণ।
রাখ এটা।
এমিলি, এভাবে আমায় ছোট করো না তো।
- কোথায় ছিলে? - জান তো এসব মেয়েলি ব্যাপার কিরকম।
- বললে ৫ মিনিট। - জানি।
আমার একটা ছবি তুলে রাখবেন?
এ্যলিস, তোমাকে কয়েকটি কথা বলি।
সজাগ হতেই মাথায় আসল, আর সোজা তোমার কাছে আসলাম বলার জন্য।
আমি সত্যিই বলছি |
তুমি সত্যটা জেনে রাখলে।
আমাকে বিয়ে করবে?
হা, আমি তোমাকে স্ত্রী হিসেবে চাই।
নিজেকে ফেলনা বানিয়ে না তো।
- মানে? - তুমি মিষ্টি কথা বলার জন্য আস নি।
- আমাকে বিশ্বাস কর না? - না, তবে আগের মতই ভালোবাসি।
- তুমি আজব তো। - হা, জানি আমি।
তো?
আমি জানি না, হতে পারে।
আমরা আবার চেষ্টা করবো।
আবার শুরু করুন, please.
- তিনি ছিলেন, না ছিলেন না? - হতে পারে, কিন্তু আমি নিশ্চিত না। Sorry.
তো আমি যেতে পারি?
পিছনে ফিরে!
Please, ম্যাডাম.....
আমার চোখ বাঁধেন তো।
- দিলাম। - Thanks.
৯ রাত, ঠিক আছে?
পল, চিন্তার কিছু নেই। আমি সবসময় হিসেব রাখি।
দেখলেন? কিছু স্থানে আমি অপছন্দের না।
আমরা আপনার একটা রেকর্ড পেয়েছি।
৬ মাস ছিলেন অশ্লীল আচরণের জন্য।
এসব আপনার মামলায় কাজে আসবে না।
মঁসিয়োর হায়ার..... এটা আপনার আসল নাম?
না, এটা ঠিক।
হিরোভিচ।
আমার বাবা আর দাদা পরিবর্তন করে "হায়ার" রাখেন।
তো, মঁসিয়োর হায়ার.....
কতদিন ধরে মেয়েদের দলে ভিড়লেন?
আরেকটু সরুন।
দুঃখিত।
মাফ করবেন।
তার আর কত বছর হবে?
১৭/১৮?
আস।
তার নাম রয়ে যাবে।
মানুষ তাঁকে ভালোবসত, বেচারি তার জীবন কাটিয়ে দিল কবুতরদের খাবার খাইয়ে।
কবুতরদের খাবার খাইয়ে।
আস।
চুপ কর!
সারাদিন এক পার্ক থেকে আরেক পার্কে ঘুরত।
মুঠোতে পাখির খাবার বিতরণ করতে করতে।
সব পার্ক রক্ষীরা তাঁকে চিনত......
আর সুসম্পর্কও ছিল।
এক ফটোগ্রাফার তার চারপাশে কবুতর ঘেরা একটা পোস্টকার্ড বাজারে বেচতে চেয়েছিল।
সে রাজি হয়েছিল।
সে নিজেই জনপ্রিয় ছিল।
একদিন, আমি জানি না কিভাবে প্রকাশ পেল.....
তার ইচ্ছা ছিল হয়ত.....
মানুষ জানতে পারল খাবারে বিষ মেশানো ছিল।
বছরের পর বছর সে হাসিমুখে হাজারে হাজার কবুতর মেরেছে।
তার প্রতিবেশীরা বিশ্বাস করেনি।
তাঁকে ভালোই মনে হত।
ভিতরে আস, ঠান্ডা লাগবে।
- না,আমি যেতে চাই না। - অন্য কাউকে চাও?
- রোজা কে আনব? - না গোলাপী, না জেসমিন, কেউ না।
দুর হ বেশ্যা, তর যন্ত্রণায় আমি অতিষ্ঠ! একা থাকতে দে!
তুমি আসবে?
আমার সাহায্য লাগবে না, একা থাকতে দিন।
তোমার ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
আমি বখাটে নয়।
আমি মঁসিয়োর হায়ার।
আমি তো মনে করতাম এখানে কেউ থাকে না।
আমি কখনো বাতি জ্বালাই না।
আমি দেখি তো।
কি সাংঘাতিক, আপনি তো সব দেখেন।
আপনি যদি তখন না সরতেন, আমি কখনই জানতাম না।
অনেক দিন হবে,
আপনি আমার থেকে সুযোগটা নিচ্ছেন।
আমি তো শুধু দেখেই গেলাম।
সেদিন আপনি আমায় ভয় পাইয়ে দিয়েছিলেন, ভাবলাম আপনি আমাকে আঘাত করতে চান।
আপনি এমন করেন কেন?
কেন আপনার মত মর্যাদাপূর্ণ, রুচিশীল একজন
অন্যের উপর নজরদারি করবে?
আমি আপনার নামে নালিশ করতে পারি।
আপনি জানেন, আমি জানাতে পারি।
হয়ত পারবে, কিন্তু জানাও নি।
কেন তুমি আমাকে ভয় পাবে?
তুমি কল্পনাও করতে পারবে না এটা আমাকে কতটা যন্ত্রণা দেয়।
আমি মিথ্যা বলছি, আপনি আমাকে দেখতে পারেন।
কেউ একজন দেখছে মনে করে বরং স্বস্তি লাগে।
কিন্তু শুধু আপনার ক্ষেত্র, অন্য কেউ হলে হতো না।
আপনার ক্ষেত্র আলাদা ব্যাপার, আমি লক্ষ্য করেছি আপনি অমায়িক।
এটা কি করে হয়? তুমি তো আমাকে চিনই না।
আমার পাশে বসুন, আমরা স্বাচ্ছেন্দ্য কথা বললাম।
আপনার পছন্দ হয় নি?
- আপনি আমাকে অনেক দিন থেকে দেখছেন? - হা, প্রতি রাতেই।
আমি শুতে গেলে আপনি কি করেন?
কিছুই না, অপেক্ষা করি।
- কি জন্য? - জানি না, আমার ঘুম খুব কম হয়।
তো আপনি আমায় সবসময় দেখেন?
আপনি আমার সবকিছু জানেন?
সব না অবশ্য, কিন্তু অনেক কিছু।
আপনার কোনটা সবচেয়ে ভালো লাগে? যখন কাপড় খুলি, না যখন গোসল করি?
- যাও এখন, এখানে আর থাকবে না। - দুঃখিত, মনে করলাম--
বাহির হও এখান থেকে!
এটা তবু কিছুটা চলে,
কিন্তু তেমন না।
এটা সাদাসিধে, অনেকটা দুর্লভ সেন্ট।
ওয়েটার, আগেরটার মত, please.
- সুরায় তোমাকে শরাবিয় লাগে। - শরাবিয় লাগলে চুমু দাও।
আমাকে কি এখনো বিয়ে করতে রাজি আছ? মনে হয় এখন সময় হয়েছে।
- কাল সকালে কেমন হয়? - এত তাড়াহুড়ো কিসের?
আমি সত্যিই বলছি এমিলি। পারলে এখনি আমাকে বিয়ে কর।
আমি জানি তুমি আগে এভাবে চাও নি।
কিছু একটা বল, অসহ্য!
আমার এখানে পুলিশ আসছিল।
আমরা কসম কাটলাম এ ব্যাপারে কথা বলব না। তুমি কথা দিয়েছিলে।
তারা কিছুই জানে না, কেউ আমাকে দেখেনি। এখানে কোন সমস্যা নেই।
আমকে একটু সতর্ক থাকতে হবে আর কি।
মানলাম, আমরা এ প্রসঙ্গ আর তুলব না।
আমি শুধু তোমাকে জানাতে চাই।
চিন্তার কিছু নেই, আমি আছি তোমার সাথে।
তোমাকে তো খুব সুন্দর লাগছে।
তুমি না হয় কম আমাকে ভালেবাসলে, আমি দুজনের হয়ে বেশি ভালোবাসব।
আপনার মাফলার নিয়ে আসলাম।
- এটা তুলছেন না কেন? আপনারই তো। - আমার হবে কেন?
দেখে তো আপনারই মনে হয়।
অবশ্য, আপনারটা পরিষ্কার হওয়ার কথা।
রক্তের দাগগুলো পিয়েরেত্তির।
আমরা মাঠের মধ্যে পেয়েছি।
আপনার প্রতিবেশীরা খুশি হয়ে বলল এটা আপনার।
আমার এরকম একটা আছে।
তো, আমাকে দেখান।
নিশ্চয়।
নতুন, তাই না?
খুব কম পড়ি, এটা খুব প্রিয়।
নতুন, তাই মনে হয়।
আর কিছু?
তো শুভরাত্রি।
পাপোশের নিচে একটা চিঠি ছিল।
সে বেশ মিষ্টি মেয়ে....
আর তত বোকাও নয়।
No comments yet. Be the first to leave one.