لومړۍ 200 کرښې.
🎫 অনুবাদ ও সম্পাদনায় 🎫 শান্ত কুমার দাস
💮 💮 Extraordinary You (어쩌다 발견한 하루) 💮 💮 🔸 🔷 অসাধারণ তুমি 🔷 🔸
নেটফ্লিক্স ভার্সন : এপিসোড-১৬
কিসের শব্দ ছিলো? ভেতরে কী হয়েছে?
হা-রু, কী হয়েছে?
কী হয়েছে?
ওখানে ফিরে চলো। ঐ অদ্ভুত শব্দটা--
যেও না।
শ্যাডোতে এরকম ঘটনা হরহামেশা ঘটেই থাকে।
ওটা কিছু না।
কিন্তু তাও...
এজন্যই আমি তোমার সাথে থাকতে চাই।
কাম অন।
হা-রু।
হুম। এইতো এখানে আমি, ডান-য়ো।
তোমার সাথে।
হ্যা, তুমি তো এখানেই।
অবশেষে মনে হচ্ছে আমরা যেখানে ছিলাম সেখানে ফিরে এসেছি।
আমরা দুজনেই একবার করে আমাদের আত্মসচেতনতা হারিয়েছিলাম,
কিন্তু আমরা কখনোই লেখকের কাছে নতি স্বীকার করিনি।
আমরা পুনরায় আত্মসচেতনতা খুঁজে পেয়েছি।
যেন আবার মিলিত হওয়ার জন্য আমরা নিজেরাই নিজেদের নিয়তি তৈরি করেছি!
তোমার কী মনে হয়? আমরা সেরা না?
হুম, তাই আমি এখন খুব খুশি আছি।
না, এটা যথেষ্ট না।
মনে আছে? ১৯ বছর বয়সী আমি এবং ২০ বছর বয়সী আমিও তোমার সাথে থাকবো।
আমরা গ্রাজুয়েট হওয়ার পরে আরও অনেক কিছু করতে পারবো।
এখন আমার হার্ট যেহেতু ঠিক হয়ে গেছে, তাই আমরা প্রথমে কী করবো?
এগুলো না। আমি আমার নতুন উইশগুলো লিখে রাখবো।
কী লিখা যায়?
"ডান-য়ো আর হা-রু, একে অপরকে চিঠি লিখবে, কাপল আইটেম কিনবে..."
না, এটা তেমন কিছু না। আসলে....এটা...
- তুমি সবগুলো দেখে ফেলেছো? - হুম।
"১০০ বার কিস করবে।"
হ্যা। না, সেটা না...
এটা... মানে, এটা তো আমি লিখি নি।
আমি তোমাকে বলছি কে লিখেছে...
যাই হোক, এটা আমি লিখি নি।
আমি লিখি নি।
কোথায় গেলো ও?
এই তো আমি।
এই লেখকটাও না...
এখন যেহেতু গল্প প্রায় শেষ, তাই এখন ভালোভাবে জিনিসগুলো আঁকতে আলসেমি করছেন।
উনি দ্বিতীয়বার না ভেবে শুধুমাত্র সব প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো আঁকছেন...
আর অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো মুছে ফেলছেন।
ধুর। তাহলে আমি আগামীকাল লাঞ্চে কী রান্না করবো?
তোমাকে এখানে মানায় না।
- মানে? - তুমি আর স্কুল।
জানো আমি A4-এর একজন সদস্য।
- কিন্তু তুমি একদম শেষের জন। - হুম, সেটাতো...
তাহলে আমাকে কোথায় মানায়?
প্রাচীন কোথাও?
প্রাচীন?
- আমাকে যেতে হবে। - যেও না।
যাও। নাহলে ক্লাসে পৌঁছাতে দেরী হয়ে যাবে।
তবে আমি আবার আসবো।
এই মুখটা দেখে, আমার আবার এখানে ফিরে আসতে মন চাইছে।
은 단 오 백 경 (বেয়ক গেয়ং)
하루 (হা-রু)
লেখক এই দুনিয়াকে মুছে ফেলতে শুরু করে দিয়েছেন।
কী কোরছো?
- চিঠি লিখছি। - চিঠি?
은단오 안녕 - 하루 ইউন ডান-য়ো, হাই ।
কী এটা?
এটা চিঠি?
এটাকে তোমার চিঠি মনে হয়, হা-রু?
এটা একেবারে ছোট। কনফিউজ হয়ে গেলাম।
- কনফিউজ? - হুম।
Anneyong (안녕) তুমি গুডবাই বলার সময়ও বলতে পারো।
তাই তুমি আমার প্রতি তোমার ভালোবাসা সম্পর্কে লিখে এটাকে আরো বড় করো। ঠিক আছে?
চিঠিতে তুমি এমন কিছু লিখতে হয় যা তুমি কাউকে বলতে চাও কিন্তু তাকে বলতে পারোনি।
লেখো।
বসে আছো কেন? দ্রুত কিছু লেখো।
আমি তোমাকে অনেক কথা বলতে চাই।
যেমন আমি খুব ভালো, সুন্দরী আর কিউট...
আমাকে কতটা ভালোবাসো তেমন কিছু?
হুম।
আমি তো সেসব জানি। যা আমি অলরেডি জানি তা লিখার প্রয়োজন নেই।
দাঁড়াও। না, তুমি এগুলোই লিখবে।
পরেরবার সাবলীলভাবে একটা লম্বা চিঠি লিখবে।
হা-রু!
আমি আবার আসবো?
ধরে নেবো আমি কিছু দেখিনি, তাই এবার ভালোভাবে লুকিয়ে রাখো।
আরে, হা-রু। আমি তো জানতামই না তুমি এখানে আছো।
কিন্তু তুমি ওখানে কী লুকিয়ে রেখেছো?
আমাদের কাপল আইটেম।
তুমি কি এগুলো আমার লিস্টে থাকার কারণে কোরছো?
সেটাই হবে। চিঠি লেখা, কাপল আইটেম...
আর ১০০ বার কিস করা।
ধুর, ওটাকে বাদ দাও।
এটা মন থেকে বলছো?
না। হ্যা। না। হ্যা।
হুম... আমাকে কাপল আইটেমটা দেখাও।
আমি চোখ বন্ধ করে অপেক্ষা করছি, ঠিক আছে?
এটা কী?
আমাদের কাপল আইটেম।
- আচ্ছা... - সুন্দর না?
অন্য লেভেলের টেস্ট...
এর মানে তোমার এটা পছন্দ হয়েছে, তাই না?
কাম অন। আমার দিকে ওভাবে তাকিয়ে থাকলে, আমার এটা পছন্দ কেন হবে না?
একি? তুমি হাসছো কেন? তুমি চোখ খুলে ফেলেছো, তাই না?
কী করছো তুমি? হাসছো কেন?
এখন আমি আর কখনো...
তুমি আর কখনো?
বাদ দাও!
আবার করো।
হেই, ডান-য়ো।
ও গলায় ওটা কী পরে আছে?
এরকম জিনিস কিন্ডারগার্টেনের বাচ্চারা তাদের বার্থডে পার্টিতে পড়ে।
যদি ও আসল ডান-য়ো হতো, তাহলে এতক্ষণে ওটা ডাস্টবিনে ফেলে দিতো।
হা-রু মরিয়া হয়ে ওকে সবকিছু...
মনে করানোর চেষ্টা করছে।
ডান-য়ো।
তোমার কি এখনো এটা মনে পড়ছে না?
এই যে, পাখা ঝাপটানোর ব্যাপারটা।
কী?
তোমার এই চাহনি...
হ্যা, আমি ডান-য়ো। তুমি যেই ডান-য়োকে চিনো।
বন্ধু!
তোমাদের ছাড়া স্কুলে থাকতে একদম একঘেঁয়ে লাগে।
হয় আমি বেহালা বাজাই...
নয়তো ফালতু গান গাইতে গাইতে হাঁটি। জানো কেমন লাগে?
অবশ্যই জানি। এটা হলো A3'র তিনমূর্তির ত্রিকোণ পদচারণা।
যাই হোক, তোমরা দুজনে এটা কী পরে আছো?
- আমাদের কাপল আইটেম। - কী?
বলবো না ওকে?
যাই হোক! আমি লি দো-হোয়া, সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি।
আমি তোমাদের একজন সেরা বন্ধু হবো। আমি এটা A3'র পক্ষ থেকে বলছি।
সিউলি হাইস্কুল ট্রায়ো, ক্রস!
আর ওটা আসছে না।
আমি যদি ওটা দেখতেই না পেতাম।
আবার আমার দিকে ওরকমভাবে তাকিয়ে আছিস কেন?
- গেয়ং। - কিছু বলার থাকলে, দ্রুত বল।
ধন্যবাদ।
কিসের জন্য?
ডান-য়োর স্মৃতি ফেরাতে সাহায্য করার জন্য।
আমরা একে অপরকে ধন্যবাদ জানানোর জন্য অতটাও ঘনিষ্ঠ নই।
তাহলে আমরা কি পরষ্পরের কাছে কিছু চাওয়ার মতো ঘনিষ্ঠ?
অবশ্যই না।
আমার বাগদত্তা আমাকে ছেড়ে উভয় দুনিয়াতেই তোকে বেছে নিয়েছে...
সেটা ভুলে গেছিস?
ও ছোটবেলা থেকেই এরকম।
কোনো কিছু যদি ওর মাথায় চাপে, তাহলে ও সেটার শেষ দেখে ছাড়ে।
সেটাতেই ওকে মানায়।
তুই কী জানিস? তুই তো আর ওকে ছোটবেলা থেকে জানিস না।
আমি জানি যে উভয় দুনিয়াতেই তুমি...
বিরক্তিকর ছিলে।
আমি সবসময় ভাবতাম যে ছেলেদের প্রতি ওর ভাবনা অদ্ভুত ধরনের।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত যার যেখানে থাকার, সবাই সেখানে আছে।
ডান-য়ো...
তুমি...
আমি।
আমাকে ইগনোর করতে পারো?
আমি ক্লাসে যেতে চাই না।
না, পারবো না।
ইশ, তুমি ক্লাস ফাঁকি দিচ্ছো। তুমি খুব খারাপ স্টুডেন্ট।
এখানেই আমাদের দেখা হয়েছিলো।
লেখকের আঁকা চরিত্র হিসেবে।
এনগেজড হওয়া ডান-য়ো আর বেয়ক গেয়ং হিসেবে।
কিন্তু আমরা এখন এখানে।
কী করলে?
এটাই হলো দৃশ্যের বাইরের আসল গেয়ং।
এটা একটা উপহার।
백경 (বেয়ক গেয়ং)
এইতো ডান-য়োর মতো কাজ।
তুমি সর্বদাই খুব যত্নসহকারে এই ফালতু উপহারগুলো তৈরি করো।
তুমি সত্যিই খুব বেয়াদব!
ডান-য়ো।
আমি সাধারণত কাউকে ধন্যবাদ দিই না।
সেটা আমি জানি।
ধন্যবাদ।
পরের স্টেজে দেখা হবে।
- জু-দা। - হুম?
কী এটা?
খুলে দেখো।
কেমন দেখাচ্ছে আমাকে?
যেমনটা ভেবেছিলাম, আমি সুন্দর জিনিস খুঁজে পেতে পটু।
এটা কিনলে কখন তুমি?
আমি জানি না।
আমি সারাক্ষণ শুধু তোমার কথাই ভাবতে থাকি,
তাই আমার আর অন্য কিছু মনে নেই।
নাম-জু।
নাম-জু।
তোমার সত্যিই মনে নেই?
- কী মনে নেই? - এটার কথা।
কখন আর কোথা থেকে এটা কিনেছিলে?
আমি জানি না।
সেরিন্নের উত্তরাধিকার হওয়ার আগে,
তুমি এখনো একজন হাইস্কুল স্টুডেন্ট।
তোমার ইকোনমির কোনো ধারণাই নেই। তুমি শুধু টাকা খরচ করতে জানো, তাই না?
মানে?
এই নাও।
용돈 (ব্যয় ডায়েরি)
- এটা কী? - এটা হলো একটা "ব্যয় ডায়েরি"।
ব্যয় ডায়েরি?
এখন থেকে, তুমি তোমার খরচ এখানে লিখে রাখবে আর আমাকে দেখাবে, ঠিক আছে?
আমি তোমাকে এখনকার থেকেও আরো সফল ব্যক্তি তৈরি করবো।
আচ্ছা। আমি আরো সফল হওয়ার চেষ্টা করবো।
হুম। চলো।
নাম-জু, তুমি এগোতে থাকো।
No comments yet. Be the first to leave one.