لومړۍ 154 کرښې.
ওটা কী?!
চলো পালাই এখান থেকে!
দাঁড়াও! আমরাও আমরা পড়তে পারি।
তাহলে কী করতে বলো?
আর কি কোনো উপায় নেই?!
আমি জানবো কীভাবে?!
আমাদের দুজন এরমধ্যেই মরে গেছে!
কেউ নড়বে না! তাহলে মূর্তিটা আবার আক্রমণ করবে।
জো-হি! জো-হি!
মরার কিনারায় ছিলাম।
তুমি যদি মূর্তিটার নড়াচড়া খেয়াল না করতে, আমরা মারা পড়তাম।
তুমি টের পেয়ে গিয়েছিলে বলেই আমাদের নুয়ে পড়তে বলেছিলে, তাই না?
না...আমি বিপদের আঁচ করতে পেরেছিলাম...
মি. সং, আপনার হাত!
আমি সহ্য করতে পারবো।
তোমরা রক্তপাত হওয়াটা থামাতে পারো?
আমি জো-হিকে বলবো ভাবছিলাম...
কিন্তু ও খুব দুর্বলমনা।
তাই ও শুধু সহজ অভিযানগুলোতেই অংশ নেয়, B-র্যাঙ্ক হিলার হওয়া সত্ত্বেও।
আমি বেশ কয়েকটি B-র্যাঙ্ক মিশনেও অংশ নিয়েছি...
আর ওটা সম্ভবত A-র্যাঙ্কের শত্রু...S-র্যাঙ্কেরও হতে পারে।
কার্টেনন মন্দিরের আদেশনামা লেখা আছে পাথরে।
"প্রথমে, প্রভুর অর্চনা করো। দ্বিতীয়ত, প্রভুর প্রশংসা করো।"
"তৃতীয়ত, প্রভুর কাছে বিশ্বাসের প্রমান দাও।"
"যারা আদেশ মানবে না, তারা জীবিত বের হতে পারবে না।"
মি. সং, এখানে যে প্রভুর কথা বলা...
নিশ্চয়ই ওইটা হবে, তাই না?
দশ বছরেরও বেশি সময় আগে,
আবির্ভাব ঘটে বেশ কয়েকটি পোর্টালের যা আমাদের বিশ্বকে সংযুক্ত করে একটি বিকল্প ডাইমেনশনের সাথে,
বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকে অতিপ্রাকৃত ঘটনার সংখ্যা।
যেমন, যাদের মধ্য ক্ষমতা জাগ্রত হয়, তাদের হান্টার বলা হয়।
তারা এই পোর্টালগুলো দিয়ে অন্ধকুপে গিয়ে হত্যা করে দানবদের,
আর হান্টারদের ক্ষমতা একবার জাগ্রত হলে, তা আর পাল্টায় না।
তাছাড়া, প্রতিটি পোর্টালের অপর পার্শ্বে
পুর্ণ ছিলো দানব ও ডাকের আনাগোনায়,
যারা পৃথিবীতে নিয়ে আসতো নিরাশার ছায়া।
অনুবাদ ও সম্পাদনায় শান্ত কুমার দাস
এটা দেখেছো?
মুভিটা?
কী করছিলে? আরেকটু হলেই প্রেজেন্ট মিস করতে।
কাজ ছিলো একটা।
জিন-আহ, তোমার ভাই একজন হান্টার, তাই না?
হুম।
ও কেবল একজন E-র্যাঙ্ক হান্টার।
ও মারাত্মক চোট পায়। মনে হয় অনেক ঝক্কির কাজ এটা।
গতবার পুরো ব্যান্ডেজ মোড়া অবস্থায় এসেছিলো।
জিজ্ঞেস করলে কেন?
এমনিই।
আমি তার জায়গায় থাকলে, ভালো করে কাজ করতাম।
ওর সাথে আমরা পেরে উঠবো না।
পরিস্থিতি শান্ত হলে এখান থেকে বেরিয়ে পড়বোখন।
যদিও সহজ হবে না—
আমি এখানে চুপচাপ বসে মরতে পারবো না!
আমি শেষমেশ একটা বড় সংস্থার সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছি।
এরকম জায়গায় আমি মরতে পারবো না!
কী করছো?! নড়ো না!
আমি পারবো! আমার গতির উপর আত্মবিশ্বাস আছে আমার!
ও আক্রমণ করার আগে আমি বেরোতে পারবো!
না!
আমার মনে হয় ওটা আমাদের যেকোনো মুহুর্তে শেষ করে দিতে পারে।
তাও হাতি যেভাবে পিঁপড়েকে পিষে দেয় সেভাবে।
তাহলে ওটা এখন আমাদের মারছে না কেন?
আমাদের মারার শক্তি তো এর কাছে আছে, কিন্তু মারছে না।
এটা ওই অতর্কিতে হামলা করা দানবগুলোর থেকে আলাদা।
মি. সং, আদেশনামার প্রথমটা যেন কী ছিলো?
আদেশনামা?
মনে হয় প্রথমটা ছিলো, প্রভুর অর্চনা করো।
প্রভু...
এই অন্ধকূপের নিজস্ব নিয়ম আছে।
কী করছো?!
যদি আমার ভুল না হয়ে থাকে...
থামো—
তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে না তুমি এখান থেকে বাঁচার আশা ত্যাগ করেছো।
সবাই মুর্তিটার সামনে মাথা নত করো!
মাথা নত করবো?
কীসব বলছো?
কোনো পথ খুঁজে পেয়েছো?
মনে হয়। যতক্ষণ আমরা মাথা নত করে রাখবো, ওটা আমাদের আক্রমণ করবে না।
"প্রভুর অর্চনা করো", যেমনটা প্রথমে লেখা ছিলো।
তুমি নিশ্চিত তো?
হ্যাঁ,....আপাতত...
তাহলে...
এতেই আমরা বেঁচে যাবো? ব্যস এটুকু করলেই?
মা গো, কী ভয়ংকর!
ওটার এক্সপ্রেশন বদলে গেছে?
কিছু করছে না ওটা।
হেই! উঠো না!
দেখো! ওটা আর আক্রমণ করছে না!
এভাবেই শেষ হয়ে গেলো?
এখন আমরা নিরাপদ?
আমরা বেঁচে গেছি।
বেঁচে গেছি আমরা!
আমরা বাড়ি যেতে পারবো।
না...এখনো...
ভেবেছিলাম বিপদ কেটে গেছে!
সাং, এখন?! তোমার মাথায় নিশ্চয়ই কোনো পরিকল্পনা আছে, তাই না?
না-না আসলে!
কিন্তু এখানকার আদেশনামায় লেখা কথাগুলো ভাঙা অনুচিত হবে!
দ্বিতীয়টা ছিলো, "প্রভুর প্রশংসা করো"।
এখন এটার একটা উপায় বের করতে হবে!
প্রশংসা?!
কীভাবে?!
আমি একবার চেষ্টা করে দেখি।
আমি জাতিতত্ত্ব নিয়ে পড়ছি।
আমি জানি কীভাবে ঈশ্বরের প্রশংসা করতে হয়।
হে ঈশ্বর, এই পরিপুর্ণ সৃষ্টিজগতের একমাত্র সর্বময় কর্তা...
কাজ হচ্ছে?
গতি কমছে মনে হয়?
আমাদের সত্যের মার্গ দর্শন করাও।
দাঁড়াও! ওটা তো...
তোমার...
এগুলো এই প্রভুর প্রশংসামন্ত্র নয়!
আমরা তোমার পুজা করবো।
হে ঈশ্বর, এই পরিপুর্ণ সৃষ্টিজগতের একমাত্র সর্বময় কর্তা...
না!
পালাও!
একসাথে থাকাটা বিপদজনক হবে!
ছড়িয়ে যাও!
বেশ!
চলো, জো-হি!
আমি এমন জায়গায় মরতে পারবো না!
আমার পরিবার অপেক্ষা করছে আমার জন্য!
এখানে নিরাপদে থাকবো, তাই না?
হেই, পার্ক! তোমার পেছনে!
পার্ক!
প্রশংসা করো... প্রশংসা করো...
ওটার প্রশংসা কী করবো!? ওটা তো একটা শয়তান!
কিন্তু জো-হিকে তো একা ছাড়তে পারবো না।
একটা ক্লু লাগবে!
বর্শা... কুঠার...
হাতুড়ি... তরবারি... বাদ্যযন্ত্র...
বাদ্যযন্ত্র?
শুনছো, বাদ্যযন্ত্র থাকা মুর্তিগুলোর নিচে যাও!
বাদ্যযন্ত্র!
এটা... বাজাচ্ছে?
হেই! বাদ্যযন্ত্রওয়ালা মুর্তিগুলো আক্রমণ করছে না!
না...
প্লিজ, তোমার সংগীত শুরু করো!
দুজন থাকলে কি কাজ করবে না এটা?
জো-হি, তুমি এখানে থাকো!
জিন-য়ু!
ওইতো ওখানে!
ওখানে না!
না!
জিন-য়ু!
এখনি... থামছি না...
থামবো না!
প্রশংসা দিয়ে এটাই বুঝাতে চাইছিলো?
জিন-য়ু! তুমি ঠিক আছো?
হ্যাঁ...আছি...
জিন-য়ু...
হ্যাঁ...
তোমার পা...
ব্যাপার না, জো-হি! আমি ঠিক হয়ে যাবো।
No comments yet. Be the first to leave one.