لومړۍ 146 کرښې.
প্লিজ...
ঠিকমতো আত্মহত্যাও করতে পারিসনি?
আমাকে মেরে ফেলো...
প্লিজ...
ভেবেছিস তোকে মেরে কষ্টের হাত থেকে বাঁচাব?
ভুল ভেবেছিস!
এভাবেই তিলে তিলে মর,
মাদারচোদ।
সবাই আমাকে ঘৃণা করতে বাধ্য হবে
আর আমি বুক ফুলিয়ে নরকে যাব।
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
ডিফিকাল্টি লেভেল, কুইন অব ক্লাবস।
"টার্গেট"
গেম: "টার্গেট।"
গেম শুরু হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
আমি মরে গেছি ভেবেছিলে?
মোটেও না।
তুমি অনেক মজবুত, আন, জানতাম আমাদের আবার দেখা হবে।
মজবুত, হাহ?
সত্যি বলতে, মৃত্যুর অপেক্ষা করা সহজ লাগতে শুরু করেছিল আমার।
আমারও।
কিন্তু আজ আমরা এখানে।
হ্যাঁ।
ক্লাবস টিমের খেলা।
তাহলে তো আমরা দুজনে মিলেই খেলে দিতে পারব।
আর কয়েকটা গেম বাকি। চলো জিতা যাক।
হ্যাঁ। আমরা জিতবই।
রেজিস্ট্রেশন বন্ধ হয়ে গেছে।
এখন গেম শুরু হবে।
এভাবে আর কতক্ষণ যেতে হবে?
এই!
তুমিও এখানে এসেছ!
ছিশিয়া।
আর মাত্র দুইটা গেম বাকি।
সব প্লেয়ার শিবুয়াতে একত্রিত হচ্ছে।
আমি জানতাম তুমি বেঁচে থাকবে।
মনে হচ্ছে তুমি অনেক পাল্টে গেছ।
তাই?
হ্যাঁ।
আগের চেয়ে কম বদমেজাজী লাগছে।
কম বদমেজাজী?
হ্যাঁ, বেশ, অনেক কিছুই পার করতে হয়েছে।
তো, আরিসু...
তোমাকে আমার ব্যাপারে এমনকিছু বলতে পারি যা কাউকে আগে কখনো বলিনি?
অবশ্যই।
আমি...
এই!
তোমার সাথে এখানে দেখা হয়ে ভালোই লাগছে।
নিরাগী...
তুমি আমাকে মারার জন্য গুলিটা চালাওনি।
হুট করেই তো এর ইতি টানতে পারি না।
ঠিক আছে, চলো শুরু করি
এক নতুন খুনী খেলা।
যেহেতু তিনজন আবার এক হয়েছি,
একটু মাঠ কাঁপানো যাক।
তিনজনের মাঝে একটা গেম হয়ে যাক?
আমরা তিনজনেই এক রকম।
যাদের সমাজে কোনো জায়গা হয়নি।
আমরা অপদার্থ।
তবুও, অন্যদের চেয়ে আমাদের টিকে থাকবার ইচ্ছাশক্তি বেশি।
আমার কাছে বেশি সময় নেই।
তো শুরু করা যাক।
শেষ একটা গেম।
চলো একসাথে খেলি!
অনেক মজা হবে।
খেলবে নাকি, আরিসু?
ছিশিয়া?
তোমারও আমার উপর রাগ আছে নিশ্চয়ই।
এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফেলো তবে।
চলো তিনজনে মিলে গেমটা খেলি।
তোমার মাথা কি খারাপ হয়ে গেছে?
আরে। তোমার হাতেও তো বন্দুক আছে। মারো গুলি!
এসব না করলে হয় না?
নিরাগী, থামো!
আমার যা মন চায় করব!
যেমনটা তোমরা দুজন করো!
নিজের বেলায় আঁটিশুঁটি!
পরের বেলায় চিমটি কাটি?
কিছু মানুষকে মরতে দেখেছ তার মানে এই না যে অনেক বড় কিছু হয়ে গেছ!
"অন্যের জন্য বেঁচে থাকা"? যত্তসব ফালতু আলাপ!
সবাই শুধু নিজের কথা চিন্তা করে!
নিজে বাঁচলে বাপের নাম!
কী বলেছিলি, সবাই এক থাকলে এখান থেকে বের হতে পারব?
তুই শুধু নিজেকে বাঁচাতে চেয়েছিলি!
আমি চাই না শেষটা এমন হোক!
আমাদের সবাইকে মারবে নাকি?
জলদি করো!
হ্যাঁ।
তুমি ঠিকই বলেছ।
একে অপরকে মেরে ফেলাই ঠিক হবে!
যাক, কথা তাহলে মাথায় ঢুকেছে।
নিরাগী!
তোমার কথাই আমার কাছে সবচেয়ে যৌক্তিক মনে হচ্ছে!
আমি প্রায় রাজি হয়ে গেছি!
কিন্তু...
আমি আর...
কোনো দুর্বল, স্বার্থপর লোকে পরিণত হতে চাই না!
আমি হার স্বীকার করছি।
নিজেকে বাঁচাতে আমি বন্দুকের ট্রিগার চাপবো না।
অবশেষে...
সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি...
আমি কীভাবে জীবন কাটাতে চাই।
এর জন্য তোমায় ধন্যবাদ।
তুমি সব ঘেঁটে দিয়েছ।
আরিসু।
কী করছ?
ওহ হ্যাঁ, তুমিও তো আছ।
উসাগি!
থামো!
উসাগি এসবের সাথে জড়িত না!
উত্তেজনা ধরে রাখতে প্রতিটা গেমে একজন নায়িকার দরকার তো পড়েই!
তোমার মাথা কি ঠিক আছে!
তুমি মরলে,
সবকিছু আগের মতোই চলবে।
মাঝখানে তুমি এসে দাঁড়িয়েছ।
ছিশিয়া!
ছিশিয়া!
ছিশিয়া! কেন এমন করলে?
কেন আমাকে বাঁচালে?
নিজের চরিত্রের বাইরে গিয়ে কিছু করতে চাইছিলাম।
হয়তো এখানে পাওয়া লোকেদের কারণে
যেমন কুজুরিয়ো
আর আরিসু।
এই, তোমার ব্যাপারে তখন কী বলতে চাইছিলে?
ওহ, হ্যাঁ...
সৎ লোকজনকে
আমার বোকা মনে হতো।
যারা মেহনত করে জীবন কাটাতো...
তাদের বিরক্ত করতে খুব ভালো লাগতো।
পরার্থপরতার কোনো মূল্য ছিল না আমার কাছে।
তাদের দেখে আমার হিংসা হতো।
তাদের কাছে এমন কিছু ছিল যা আমার ছিল না।
মানে তারা আমাকে একটা অপদার্থ আর
বাজে লোকের নজরে দেখতো।
তাদের আমি ভয় পেতাম।
তোমার কথা আমি বুঝতে পারছি।
আমি জানতাম তুমি বুঝবে, আরিসু।
শটগান...
মানুষ মারার জন্য ভালো না।
যা খুশি করো,
ব্যস আমাকে খারাপ বোলো না।
আমার মতো আরও ৭০০ কোটি মানুষ থাকলে,
তোমরাই খারাপের কাতারে পড়তে।
তোমাদের ভাগ্য ভালো...
সংখ্যাগরিষ্ঠদের দলে পড়েছ।
ও আসছে!
No comments yet. Be the first to leave one.