لومړۍ 200 کرښې.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
আপনার টোল চার্জ কেটে নেওয়া হয়েছে।
মাত্রই এলে নাকি?
কেমন আছেন?
অবশেষে এলে তবে।
অনেক সময় লাগালে।
স্বাগত।
এই ফুলকে শয়তানের শিঙ্গা বলে।
আর ওকে দেবদূতে শিঙ্গা বলে
কারণ দেখে মনে হয় মাটির দিকে মুখ করে বাজাচ্ছে।
আর একে দেখে মনে হয় আকাশের দিকে মুখ করে বাজাচ্ছে।
ঈশ্বর মনে করেন এর দেমাগ অনেক।
এজন্যই হয়তো ঘ্রাণ শুধু রাতেই পাওয়া যায়।
এই পটগুলো ফেলার আগে ভেঙে দেওয়া উচিত।
প্রিয় ইয়ন-জিন।
মনে আছে...
গ্রীষ্মকাল আমার কতটা অপছন্দ ছিল?
ভাগ্য ভালো, বেশি গরম পড়ার আগেই শহর ছেড়ে দিয়েছিলাম।
গতকাল থেকে ছবিগুলো সাজাচ্ছি,
একটু সময় লাগছে কারণ মুখগুলোকে অনেক মিস করছিলাম।
মনে মনে চিন্তা করছিলাম
একদিন যখন
ঐ দরজা দিয়ে বাসায় ঢুকবে তখন কী করব।
এগুলো কী?
জ্যে-জুন, সা-রা। এগুলো তো আমাদের ছবি।
এই,
তুমি আসলে কে?
আমি, ইয়ন-জিন। আমি।
তুমি এখনো বদলাওনি।
এখনও অনেক বেয়াদব তুমি।
কারো বাসায় ঢুকলে জুতা খুলে ঢুকতে হয়।
তোমাকে মারার আরও একটা কারণ দিয়ে ফেললে আমাকে।
আমাকে চেনা উচিত ছিল তোমার।
আমাকে মারবে?
আমাকে মারতে পারবে ভেবেছ?
হ্যাঁ, মারব।
তোমাকে মারার নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
তো জলদি করো, ইয়ন-জিন।
কারণ আমি এসে পড়েছি।
ওহ!
জানতে চাও
আমি কীভাবে এত বদলে গেছি
কীভাবে এই অবস্থানে এসেছি?
অফিসিয়াল রিপোর্ট ফাইল করা হয়েছে,
তাই অভিভাবককে আসাই লাগবে।
চিন্তা কোরো না, আমি ওকে ছেড়ে দিচ্ছি।
হ্যাঁ। আমি ফোন করব।
পার্ক ইয়ন-জিন।
- জি? - তোমার বান্ধবীকে বিরক্ত কেন করেছ?
এমন যেন আর না হয়।
তোমার মায়ের সাথে কথা হয়েছে, এখন যেতে পারো।
ও আমার বান্ধবী না।
আচ্ছা, স্যার...
আপনার আমার মায়ের সাথে কী চলে?
আমরা স্কুলে বন্ধু ছিলাম।
ওহ, তো আপনি মায়ের কাছে সোন মিউং-ওর মতো?
এজন্যই মায়ের ডিভোর্স হওয়াতে সাহায্য করেছিলেন।
আর বাবার পরকিয়ার সব প্রমাণ জোগাড় করেছিলেন।
ভেবেছিলাম মায়ের সাথে রাত কাটান হয়তো।
চল এখন!
কাজকর্ম সব ফেলে আসতে হয়েছে। চল জলদি!
কি বিরক্তিকর! আসতে মানা করেছিলাম তো!
সবাই একে অপরকে স্যরি বলে বুক মিলালে সব মিটে যাবে।
সা-রা, চলো।
কীভাবে সাহায্য করতে পারি?
আমি ডং-ইউনের অভিভাবক, ওর ক্লাস টিচার।
এই। এখানে স্কুল ড্রেস পরে এসেছ?!
বন্ধু-বান্ধবের মাঝে মশকরা নিয়ে পুলিশকে জানানো কী ছিল?
ভাইস প্রিন্সিপালের কানে খবর চলে গেছে...
তোমাকে পরে দেখব। চলো এবার!
স্যার, আমাকেও নিয়ে চলুন।
এক সপ্তাহের জন্য আমিও অনাথ।
বাবা-মা দেশের বাইরে গেছে।
- গল্ফ খেলতে। - তাই?
আমাকে আরও আগে বললেই তো পারতে।
আমি ওকেও নিয়ে যাচ্ছি।
ঠিক আছে।
এজন্যই বলি তুমি এখনো এখানে কী করছ।
তো খাবার কোথায় খাচ্ছ?
- বাসায় রান্নার লোক আছে। - ওহ, তাই?
বলেছিলাম আজকের দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু তুমি তো কথা শোনার মানুষ না।
কে জানতো ও পুলিশের কাছে রিপোর্ট করবে।
এজন্যই তো আমার রাগ।
সাধারণ একটা মেয়েকে সামলাতে পারলে না।
শুধু জ্যে-জুনের সাথে মিশবে বলেছিলাম না?
সাথে সা-রাও ঠিক আছে।
কবিরাজ তোমাকে...
ও নামের লোকজন থেকে দূরে থাকতে বলেছিলেন কারণ ওরা তোমার জন্য অশুভ।
আমি সোন মিউং-ও আর চোই হ্যে-জেওংয়ের কথা বলছি!
ভেতরে চলো। দেরি হচ্ছে।
দেখো কে এসেছে!
আমাদের সবার প্রিয় ডং-ইউন!
স্বাগত, ডং-ইউন।
তোমাকে বিরক্ত করার জন্য স্যরি।
আমাকে ক্ষমা করে দাও।
এমনটা আর হবে না, ঠিক আছে?
এর জন্য পুলিশের কাছে যাবার দরকার ছিল না।
যাইহোক, ডং-ইউন,
এখন থেকে তুমি চেক করবে,
স্ট্রেটনার গরম হয়েছে কিনা।
ছাড়ো! ছাড়ো আমাকে!
তোমরা ক্রাইম করছ! ছাড়ো আমাকে!
এই, ছোট্ট একটা উপকারই তো করবে। তাহলে ক্রাইম কীভাবে হলো?
স্যরি বললো তো।
ব্যস চেক করবে গরম হয়েছে কিনা।
গরম হয়েছে?
মনে হয় গরম হয়েছে।
দেখা যাক।
কেউ বাঁচাও! বাঁচাও আমাকে!
এই, কেঁদে লাভ নেই!
যতই কান্নাকাটি করো, কেউ আসবে না।
কেউ আসবে না বাঁচাতে।
জিম টিচার আমাদের এই চাবি দিয়েছেন!
আমার সাথে কেন এমন করছ?
কেন করছ তোমরা এমন?
কানটা পচে গেল।
কেন একই কথা বারবার জিজ্ঞেস করিস?
কারণ এমনটা করলেও, আমি থামব না,
আর তুইও ছাড় পাবি না।
নিজের অবস্থা দেখ!
পুলিশ স্টেশনে গিয়েও তো লাভ হলো না, ঘুরে ফিরে এখানেই আসতে হলো।
কিছু বদলেছে?
তোকে বাঁচাতে কেউ আসবে না, ডং-ইউন।
না পুলিশ, না স্কুল, না তোর বাবা-মা।
এমন কাউকে কী বলে জানিস?
রাস্তার কুকুর।
তুই হোস্টেলে থাকিস, তাই না?
তোর বদৌলতে হোস্টেল জিনিসটার ব্যাপারে প্রথম জানতে পেরেছি।
কিন্তু ও হোস্টেলেরই ভাড়া দিতে পারে না বোধহয়।
টাকা থাকলে তো দিবে!
এজন্যই ও গা থেকে এত গন্ধ বের হয়।
আর এখন তুই চেক করবি স্ট্রেটনার গরম হয়েছে কিনা।
ছাড়ো!
ছাড়ো আমাকে!
- ছাড়ো আমাকে! - চুপ কর!
- ছাড়ো। - মিউং-ও, ওকে চুপ করাও।
ছাড়ো!
তুই অনেক বেশি চিৎকার করিস।
হাইড্রোজেন পারক্সাইড?
শার্টে কিছু লেগেছে।
সেটা উঠানো লাগবে।
শার্টে কী লেগেছে?
রক্তের দাগ?
প্লিজ আমাকে হাইড্রোজেন পারক্সাইড দিন।
কীভাবে হয়েছে? কে করেছে এমন?
তোমার ক্লাস টিচারকে বলেছ?
এমন দাগ আমি আগেও দেখেছি।
টিচারের কাছে একা যেতে ভয় করলে, আমি যাব তোমার সাথে।
কে করছে এমন?
হ্যাঁ, মা।
তোমাকে পরে ফোন করব।
আমি করেছি।
আগেরবারও আমিই করেছিলাম।
তুমি কি জানো, ইয়ন-জিন...
তোমার মেয়ে পৃথিবীকে উল্টোভাবে দেখতে পছন্দ করে?
কারণ হয়তো কেউ কেউ বুঝবে
কিছু ক্ষেত্রে পৃথিবীটা আসলেই উল্টো।
আমার মায়ের কাছেও এমন জুতো আছে।
তো তুমিই...
পার্ক ইয়ন-জিনের মেয়ে, হা ইয়ে-সোল।
আপনি আমার মা'কে চিনেন?
আমি ওর কথা প্রতিদিন চিন্তা করি।
কাউকে খুব বেশি ঘৃণা করলে...
ভুলা বড় মুশকিল হয়।
"ঘৃণা"?
সেটা আবার কী? আমার জানা নেই।
ঘৃণার মানে কী?
কী হাস্যকর ব্যাপার!
হাহ? কী?
পালাবি?
ও উত্তেজিত হলে চোখগুলো আরও কালো হয়ে যেত।
এত দেরি হলো কেন?
কত মিস করছিলাম তোমাকে!
হাসার সময় ওর সেই কুঁচকানো ঠোঁট।
ওর সেই সুন্দর লম্বা চুল।
আর এসব দেখলে
ঘৃণা জন্ম নিতো।
ও জুতা খুলে ঘরে ঢুকেছে!
আমরা সব এক একটা অপদার্থ। লজ্জা হওয়া উচিত।
এই, সরো।
এটা তোমার?
চালের বাক্সে পেয়েছি।
- আমার তো বিশ্বাসই হয়নি। - ওটা দিয়ে দাও...
ওহ না।
রাগ হচ্ছে?
দারুণ ক্যাচ।
বহুত টাকা আছে!
তাই? আমি তো গরীব।
ডং-ইউন।
তুমি কত হিসেবি!
ধুর বাড়া। এবার কী খেয়েছ বলো তো?
তাড়ি নাকি বাংলা মাল?
থামো! এমন কোরো না!
ডং-ইউন তো বড়লোক্স!
- সব মিলিয়ে ২ লাখ ওন হবে। - তোমার টাকা তো আর পাবে না।
তোমরা তো ধনী! তোমাদের এই টাকার কোনো প্রয়োজন নেই!
আমি হাত জোর করছি। প্লিজ দিয়ে দাও, ইয়ন-জিন।
এই তো লাইনে এসেছ।
বেশ।
No comments yet. Be the first to leave one.