لومړۍ 200 کرښې.
হেই।
ইচ্ছাপুরণের টানেলের ব্যাপারে গুঞ্জনটা শুনেছো?
কী গুঞ্জন?
যদি ওই টানেলের মধ্যে যাও
তোমার ইচ্ছা পুর্ণ হবে।
কিন্তু এর বিনিময়ে, তুমি শতবর্ষী হয়ে যাবে।
ওই টানেলের নাম কী?
ওই টানেলের নাম...
...উরাশিমা টানেল।
মনে হয় আমার আরো টাকার দরকার।
কিছু কিনতে চাই।
এরকম প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকলে, টাকা খুব কমই খরচ হয়।
হ্যাঁ, হ্যাঁ।
গ্রাজুয়েশনের পর আমি টোকিয়ো যেতে চাই।
অনুবাদ ও সম্পাদনায় শান্ত কুমার দাস
এটি আমার "১৪৬"তম পুর্ণাঙ্গ বাংলা সাবটাইটেল
পশুর সাথে সংঘর্ষের কারণে ওসারা থেকে সুগিমোরিগামী ট্রেনটি দুর্ঘটনাগ্রস্থ হয়েছে।
সেজন্য, পরবর্তী ট্রেনটি পৌঁছাতে ৩০ মিনিট বিলম্ব হবে।
সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখিত।
কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।
কী?
কিছু না।
কারো দিকে অদ্ভুত নজরে তাকিয়ে থাকাটা বিরক্তিকর।
তোমাকে দেখে এখানকার মনে হচ্ছে না।
হরিণের কারণে ট্রেন আসতে দেরি হবে, এটা সাধারন ব্যাপার এখানে।
এই যে আমার ছাতা।
এটা ব্যবহার করো।
কেন?
কারণ তোমার কাছে তো ছাতা নেই
মনে হচ্ছে তোমার ব্যাগটাও ভিজে যাবে।
মানে? ভালো সাজতে চাইছো?
এটা আমি নিলে তুমি কি ব্যবহার করবে?
অতিরিক্ত ছাতা আছে ?
নেই, তবে আমার বাড়ি স্টেশনের কাছেই।
এটা উত্তর হলো না।
তোমার জ্বর হলে
তোমার বাবা-মা চিন্তা করবে।
সে তো তোমার বাবা-মাও করবে।
বাড়িতে কেউ আমাকে নিয়ে চিন্তা করে না।
আমার বাবা-মা নেই।
সেটা তো ভালোই।
তোমার ছাতাটা দেবে?
হুম।
তোমার নাম আর ফোন নম্বরটা বলবে?
তোমার ছাতা ফেরত দিতে হবে তো।
পরে তোমার সাথে যোগাযোগ করবো।
তোনো কাওরু।
হানাশিরো আনযু।
দ্য টানেল টু সামার, দ্য এক্সিট অব গুডবাই
সকলে শান্ত হও।
জলদি ক্লাস শুরু হবে।
আর, আজ তোমাদের সাথে একজন নতুন বন্ধুর পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি।
দেখো? নতুন একজন ভর্তি হয়েছে।
ও টোকিয়ো থেকে এসেছে, ওর নাম হানাশিরো আনযু।
তো, হানাশিরো, নিজের পরিচয় দাও...
বলার মতো কিছু নেই।
বসতে পারি এখন?
ঠিক আছে।
আমরা সহপাঠী?
তো ঠিকুজিকোষ্ঠী বের করার প্যারা নিয়ো না।
কাল তোমার ছাতা ফেরত দিয়ে দেবো, কেমন?
কী? কোন ছাতা?
ওরা একে অপরকে চেনে?
কিছু কি হয়েছে?
ক্লাসের পরে ওর সাথে কথা বলি, কেমন?
এখনি ক্লাস শুরু হবে, এদিকে মন দাও।
হেই, তুমি কোথায় থাকো?
তোমার কোনো শখ আছে?
তা জেনে তোমাদের কোনো লাভ আছে?
হানাশিরো, কী পড়ছো?
ছুটির পর, চলো না স্টেশনের পাশের ওই ক্যাফেটাতে যাই?
আমার সাথে কথা বলো না।
হানাশিরো, দুপুরের খাবার কোথায় খাবে?
একসাথে খাই চলো?
আমার খাওয়া হয়ে গেছে।
কী রুক্ষস্বভাবের মেয়ে।
- হাবভাব কেমন যেন। - ভাব দেখাচ্ছে।
কাওয়াসাকির নজরে পড়ে যাবে জলদিই।
নিজেকে কী মনে করো?
দেখলে।
প্রথম দিনে এসেই এত দর্প দেখাচ্ছো।
রাজকুমারী না কি তুমি?
দাঁড়াও!
কী এটা? মাঙ্গা?
পুরানো।
ফেরত দিতে পারো?
ভেবেছিলাম কোনো সিরিয়াস বই পড়ছো।
ফেরত দাও।
প্লিজ।
স্যরি, হাত পিচ্ছিল ছিলো।
মাঙ্গাটা এত পুরানো যে এর উপর মাশরুম গজাতে পারে।
খুব পুরানো।
আর ধরলে এটা।
তোমরা...
...ঝামেলা করার ধান্দায় আছো?
তো করবে কী?
দাঁড়াও, রক্ত বের হচ্ছে।
জলদি ম্যামকে ডাকো!
আমিও আসছি!
আমার সাথে এভাবে কথা বলে!
ও আমার সাথে ভাঁড়ামো করছে?
কে?
ওখানে দাঁড়িয়ে আছিস কেন?
জল আনতে যাচ্ছি।
আজ, ওই মহিলা অফিসে এসেছিলো।
সামনে কারেনের মৃত্যুবার্ষিকী না?
বললো ও কারেনের সমাধিটা পরিষ্কার করতে চায়। শালী!
যেন ও কোনো ভালো মানুষ, বেকার মহিলা।
তোরও তাই মনে হয়?
হ্যাঁ, হ্যাঁ।
"হ্যাঁ" বলবি না!
কী বলছিস তুই?
তোর কারনে এতকিছু!
কারেনকে তুই মেরেছিস!
সারাক্ষণ শুধু এটা কানে গুজে গান শুনিস!
দয়া করে কারেনকে ফিরিয়ে নিয়ে আয়!
ওর ফেরার বিনিময়ে তোর জীবন উৎসর্গ করতে রাজি আছি!
কারেনকে তাড়াতাড়ি এই বাড়িতে নিয়ে আয়!
কোথায় যাচ্ছিস?
কাওরু!
এটা কোন জায়গা?
বিষ্ময়কর।
কারেন?
এটা এখানে কেন...
কারেন তো...
কারেন, কারেন!
পাখি?
বেঁচে আছে ও?
দুর থেকে ব্যাঙের ডাক শুনতে পাচ্ছি।
এটা... "কী" (পাখির নাম)?
ওর তো মৃত হওয়ার কথা।
উরাশিমা টানেল।
তাহলে এটা বাস্তব?
অসম্ভব...
গানটা...
আমি আর কারেন কী এর জন্য লিখেছিলাম।
সত্যিই তুমি "কী"?
কে? কেউ আছে ওখানে?
কাওরু।
কী হয়েছে?
ওহ ঈশ্বর।
ভেবেছিলাম যে তুই হারিয়ে যাবি।
ক্ষমা করে দে।
ওইসময়ে, আমি মাতাল ছিলাম।
তাই দয়া করে আর পালিয়ে যাবি না।
স্কুল থেকে ফোন এসেছিলো বিধায় আমি বিভ্রান্ত হয়ে গেছিলাম।
কোথায় থাকছিস তুই?
শহরে তো যাচ্ছিস না, তাই না?
না, সারারাত থাকবো না।
ব্যস হাঁটাহাঁটি করছিলাম।
ঠিক আছে। বলতে না চাইলে থাক।
কিন্তু আবার যদি সপ্তাহখানেকের জন্য গায়েব হয়ে যাস, তোকে ক্ষমা করবো না।
এক সপ্তাহ?
একি?
২২শে জুন?
এক সপ্তাহ আসিসনি কেন?
হঠাৎ জ্বর হয়েছিলো।
তাহলে তোকে এই এক সপ্তাহ ফোনে পাইনি কেন?
চার্জ দিতে ভুলে গিয়েছিলাম।
বোকা।
আজ এসেছো।
- সুস্থ আছি। - ব্যস মরে যেয়ো না।
কাল আসবে?
হুম।
বেশ, কাল তোমার ছাতা নিযে আসবো, কেমন?
ওটা দেখতে দেখতে বিরক্ত হয়ে গেছি।
ও চিন্তিত।
কার জন্য?
তোর জন্য রে ব্যাটা।
স্বপ্ন নয় এটা।
এটাই সেই উরাশিমা টানেল।
যদি কারেনকে ফিরিয়ে আনতে পারতাম...
কারেন...
কারেন...
কোন জায়গা এটা?
হানাশিরো?
তোনো, এটা কোন জায়গা?
জলদি চলো!
দাঁড়াও।
কী হয়েছে আসলে?
একটু বুঝিয়ে বলবে?
ওহ, বুঝলাম।
তো এটা এমন এক টানেল যেখানে সময় বাইরের থেকে ভিন্নভাবে অতিক্রান্ত হয়?
ভেতরে কয়েক সেকেন্ড ছিলাম আমরা।
কিন্তু বাইরে, পাঁচ ঘন্টা কেটে গেছে।
তো
ভেতরে গেলে আমাদের বয়স দ্রুত বেড়ে যাবে।
কিন্তু বিনিময়ে, আমরা যেকোনোকিছু চাইতে পারি।
তো, তোমার কোনো ইচ্ছা আছে?
না।
কিন্তু আমি নিশ্চিত।
এই টানেলের ব্যাপারে
আর কাউকে বলেছো?
কাকে বলবো।
কেউ এটাকে বিশ্বাস করেনা। এটা ব্যস গুজব বলে মানে সবাই।
আমাদের নিজেদেরই চেষ্টা করে দেখতে হবে।
তোনো।
কী?
আমার সাথে যাবে?
আমারও একটা ইচ্ছা আছে।
No comments yet. Be the first to leave one.