لومړۍ 200 کرښې.
বাংলায় অনুবাদে- জ্যোতির্ময় সজ্জন
ওই! আমি সিদ্ধান্ত নেবার পর..
..এ আলোচনা কিসের রে? এ জমিটা আমার. পাশে সর!
ওই, আমি এ জমির মালিক না যে তুই সরে যেতে বললেই আমি সরে যাব .
আমি ল্যান্ডমাই. শেষ করে দেব!
আসলে জমিটা পুলিশ ডিপার্টমেন্টের.
পুলিশের জমি কব্জা করা..
..ধূমপান ও মদ্যপানের চেয়েও ক্ষতিকর.
তোদের গোনা শুরু হবে এখন.
তোরা এ গুন্ডাগিরি ছেড়ে না দিলে..
..না ছাড়া পর্যন্ত..
..আমি মিস কল দেব.
SMS পাঠাব. সতর্কবাণী হিসাবে ভয়েস মেল পাঠাব.
বদলে গেলে ঠিক আছে.
না বদলালে, আমি না, আমার বন্দুক কথা বলবে.
জয় তেলাঙ্গানা! জয় আন্দ্রা!
জয় ভারতমাতার স্নেহের পুত্র! নরেন্দ্র মোদি!
দূরে গিয়া মর!
বিয়ে করবি এ মিথ্যা কথা বলে বাড়ি..
..ভাড়া নিয়েছিলি কিন্তু করছিস সমাজবিরোধী কাজকর্ম.
বাড়ির ভিতর মোমবাতি জ্বালাতে বলেছিলাম, সিগারেট না.
দুধ খেতে বলেছিলাম, খেয়েছিস বাংলা মাল.
রাত ৯ টার সময় নাইটি পড়া একটা মেয়েকে বাড়িতে আনোস তুই?
সে মেয়ে না স্যার, আন্টি.
মাঝরাতে স্বামি বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিল তাই সান্তনা দিতে নিয়ে এসেছিলাম.
চপ্পল উঠিয়ে মারব শালা.
সারা রাত ধরে তুমি তারে সান্তনা দিছ? - চুপ করুন, স্যার.
ভালবাসা দিয়ে সান্তনা দিতে সারারাত লাগে না?
তোর ঘাড় পিষে ফেলব আমি.
ব্যাচেলর হিসেবে অভিশাপ দিচ্ছি আপনাকে.
ব্যাচেলরদের দেবী সানি লিয়নের নামে শপথ করে বলছি.
এরপর যে আপনার বাড়িতে ভাড়া থাকতে আসবে..
..সে আপনার রাতের ঘুম হারাম করে দেবে.
এটাই আমার অভিশাপ. - তোর ছাদেম! দূর হ!
চলেই যাচ্ছি. অনেক খালি ঘর পাওয়া যায় এখানে.
বাবা, তোমার মন এখন সন্তুষ্ট তো?
ভাড়াটেদের সাথে এভাবে টেনিস খেলতে থাকলে..
..তারা এখানে এসে ১০ দিনও থাকবে না.
তুই তোর বাবাকে সাপোর্ট করবি না ভাড়াটেদের? ঠিক করে নে.
তুমি প্রতি মাসে একজনকে তাড়ালে..
..শুধু একমাস থাকবে এরকম লোক আমি কোথায় পাব?
এজন্যই এমন ভাড়াটে আন..
..যাদের ব্যবহার ভাল.
বেহুদা পোলাপান! তুই আমার সহকারী হিসেবে কাজ না করলে..
..কোর্টে ভালমতো মিথ্যাও বলতে পারতি না জীবনে.
বাবা! - হেই! এটা বাড়ি না সমাবেশ?
যেদিন এ বাড়ির বউ হয়ে এসেছি সেদিন থেকেই দেখছি.
বাপ-ছেলে কখনো কি শান্তিতে কথা বলতে পারেন না?
সবসময় রাজনীতিবিদের মত ঝগড়া.
টিফিন তৈরি, খান.
প্রথমে ওকে বুদ্ধির ঘাস খাওয়াও.
তাকে ঘোড়ার ডিম খাওয়াও যেটা বেশি করে ঘাস খায়.
এ বাড়িতে ঘোরার ডিম পাওয়া যায় না.
শুধুমাত্র মুরগিরডিম. - তাহলে মুরগিরডিমই দাও.
লোভ দেখছ ওর? এজন্যই বকাবকি করি আমি ওরে.
আচ্ছা. ওর ছোট ভাইটা কই?
জানিনা বাবা. সকাল থেকেই অর্জুনের ফোন বন্ধ.
জানিনা কোন গর্ধবের সাথে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে?
আজকের কেস কি, বাবা?
গাছের নিচে বসলেই আমাদের কিছু হবে.
অর্জুন, দাঁড়া.
হ্যাঁ, বাবা. - আমি জীবনে অনেক কেস সামলেছি..
..কিন্তু তোর কেসটা কিছুতেই বুঝতে পারছিনা.
কোন কেস বুঝেছ তুমি?
তোর ভিতর ভালো কিছু আছে? যেমন কোন লক্ষ্য.
কেন থাকবে না? আমার হজম শক্তি অনেক ভালো.
তা ঠিক আছে.
কিন্তু জীবনে তোর লক্ষ্য কি?
তোর ভাই আমার নিচে সহকারী উকিল হিসেবে কাজ করে.
আমাদের চাকরানি.
জরিনা. আমরা ওকে মাসে ৭,০০০ টাকা দেই.
সেও তোর থেকে ভাল.
হায় আল্লাহ্!
আমি জজকে অনুরোধ করব..
..সে তোকে নিরাপত্তা রক্ষীর কাজটা দিবে. কাজটা কর.
তুমি আমার ফাদার না চার্চের ফাদার?
বৌদি, অন্তত তুমি কিছু বল.
বাবা, কোর্টের জন্য দেরি হয়ে যাচ্ছে, আপনারা যান.
সেরকম না, ও.. - ছাড়ুন তো, বাবা. আমি বলছি.
যান. - ধন্যবাদ, ধন্যবাদ.
ধন্যবাদ, বৌদি.
তুমি আমাকে বাঁচালে. ঘূর্ণিঝর সিডরের পর যেমন সারা বাংলাদেশ শান্ত হয়ে গেছিল..
..তেমনি বাবা বাড়ি ছেড়ে গেলেই বাড়িতে শান্তি নেমে আসে.
অর্জুন, বড়দের নিয়ে এরকম কথাবার্তা বলিস কেন?
প্রত্যেক বাবাই ছেলের চেয়ে বড়.
যদি তার হালকা-পাতলা বুদ্ধিও থাকত.
বাবার এ বকাবকির কারনে..
..আমার নিশ্চিত..
..হার্ট অ্যাটাক হবে.. আর..বাবা..বাবা..বাবা.
ক্ষমা কর.
সৌন্দরিয়া, দেখলে তুমি..
..কি বলে যাচ্ছে?
যাবার আগে তুমি দুটো মহিষকে আমার হাতে দিয়ে গেলে.
এখন আমি এদের ভরণপোষণে ক্লান্ত.
আমি সবই দেখছি, থাম.
ছোট ছেলে! তোর কোন হুল্লো না করে আমি তোকে ছাড়ব না.
আমি এ কালো কোট এমনি এমনি পড়িনি.
হ্যাঁ, বাবা. কোটটা কাল ধোপা ধুয়ে দিছে তাই পড়েছ. - তুই চুপ কর.
ফুড কোর্ট কেস?
কোর্টে? বাবা আর আমি কোট গায়ে দিচ্ছি.
আমরা আসতেছি, পথে আছি. আচ্ছা.
আসো, বাবা.
আমরা ফিরে এসেছিলাম কেন?
ওহ্, ব্যাগের জন্য. ব্যাগ কোথায়? ব্যাগটা কোথায়?
ও যখন ওর মায়ের গর্ভে ছিল..
..তখন তাকে খাটি গরুর দুধ খাওয়াতাম..
..আর একজন বিজ্ঞানী জন্ম দিতে বলতাম.
কিন্তু সে জন্ম দিলো এ বজ্ঞানীকে (মূর্খ অর্থে).
যারা ওর সাথে পড়ত তারা..
..এখন সরকারি অফিসে শান্তির চাকরি করছে..
..AC র নিচে ঘুমাচ্ছে কিন্তু ও মাতাল হয়ে..
..সূর্যের নিচে AC র মজা নিচ্ছে.
আমার পেয়ারের পুত্র! অশ্বিন!
ওঠ বাবা!
বাবা একজন ছোট SI..
..আর ছেলে লোফার, সবাই আমাকে দেখে হাসে.
অন্তত বাড়ি পাহারাদারের চাকরিটা কর.
ওঠ. সোনা!
আব্দুল কালাম স্যার কি বলেছিলেন? - স্বপ্ন দেখতে বলেছিলেন.
বাবা, আমি স্বপ্ন দেখতেই বেশি ঘুমাচ্ছি.
সে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখতে বলেননি.
সে জীবনে ভালো কিছুর স্বপ্ন দেখতে বলেছিলেন.
নাগেশ্বর রাওয়ের ছেলে হয়েছে নাগার্জুনা.
কৃষ্ণার ছেলে মহেষ বাবু.
NTR র ছেলে বালাকৃষ্ণা.
আমার ছেলে লোফার হইল কেন?
অলসটা! কেউ বারবার তোরে ফোন দিচ্ছে.
উঠে, ফোনটা ধর.
বাবাই, ভুলে গেছিস? কিশোরের বিয়েতে যাবার কথা আজ.
তিন দিন ফুল মস্তি!
তোরা অনেক পাজি!
মাম্মা!
Macha! - ব্রো, ও তোকে Machha বলে ডাকছে কেন?
ও ঢাকার বন্ধু এ জন্য মাম্মা ডাকছে.
আর ও বরিশালের বন্ধু তাই দোস্ত বলে ডাকছে.
আমি সিলেটের এজন্য ব্রো. - গাধা বর সেজে দাড়িয়ে আছে!
তোরা এতো তাড়াতাড়ি আসলি কেন?
বিয়ের দিন আসতে বলেছিলাম না? তোর ভালোবাসার গুষ্টি কিলাই.
মেয়েদের জন্য এসেছি আমরা, Machha. - ওহ্..
কনে কি তোর মতই না একটু ফর্সা-ঠর্সা? - দেখিনাই এখনো.
দেখো নাই?
কেন? - বাবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল.
হাসপাতালের বিল হয়েছিল ১৫ লক্ষ.
যখন ভাবছিলাম কি করা যায়..
তখনই অনলাইনে বিয়ের প্রস্তাব পাইলাম. তারা ৫০ লাখ যৌতুক দিতে চাইল..
..তাই মেয়ে না দেখেই হ্যাঁ বলে দিলাম. - গাধা!
কোটি টাকা পাইলে তুই তার সাথে অনলাইনেই থাকতি মনে হচ্ছো.
অপশন আছে এরকম? - চুপ কর!
Macha, কনেকে না দেখে বিয়ে করা কিন্তু ভারী অন্যায়. - তাই নাকি?
আমি জানি কনে কোথায় আছে.
গিয়ে দেখে আসব? - হ্যাঁ. - আচ্ছা, চল যাই.
দেয়ালের ওপাশে কনের রুম.
বুদ্ধি পাইছি! আম গাছ বেয়ে উপরে উঠলেই..
..অপর দিকের সৌন্দর্য খুব সুন্দরভাবে দেখতে পাবি.
আমি গাছে উঠতে জানি না. - আমি জানি. - আমিও জানি.
তাহলে তুই উঠে আমাকে টেনে তোল. - দরকার নেই. লম্বা তুই, তুই উঠবি.
যেই উঠিস না কেন, আমাকে উঠাতে ভুলিস না যেন.
আচ্ছা. এটা ধর.
কিশোর! - কে?
আমার বাবা! লুকা! লুকা!
ঢোক! লুকা!
কোথায় গেল বোকাটা?
আয়, আয়.
কনেকে দেখলি?
দেখলাম. - ভালো তো?
একদম চখাম.
কোন রংয়ের পোষাক পরা ছিল?
কোন পোষাকই ছিল না.
সবকিছু দেখেছিস?
উপর থেকে নিচ, সবটুকু.
অনেক সুন্দর সে?
তোর অনেক আগ্রহ আছে মনে হচ্ছে?
তাকে একেবারে শুদ্ধ কোহিনুরের মত লাগছিল..
..বিকিনিতে প্রজাপতির মত লাগছিল.
স্নানের পোষাকে মোনালিসা লাগছিল.
চুপ কর! আমি বিরক্ত হচ্ছি.
তোর সামান্য পূর্ণবিকশিত হওয়া দরকার. - আমি মোটেও পূর্ণবিকশিত নই. ঠিক আছে
জামাই বাবাজি!
দেখছ সবকিছু?
এতো আলোচনা-পর্যালোচনার পর আমি দেখে কি করবো?
বিয়ের পোষাক.
ও বিনা পোষাকে সবকিছু দেখেছে এখন আমি পোষাক দেখে কি করব?
আমাকে একটু একা থাকতে দিন, আংকেল.
অনুগ্রহ করে বের হন, আঙ্কেল. কিছু মনে করবেন না. অনুগ্রহ করে বের হন.
মনে হচ্ছে অনেক বিরক্তবোধ করছ. - হ্যাঁ, অনেকটা.
যাচ্ছি. - যান.
তোরাও যা, দোস্ত. আমি একটু একা থাকতে চাই.
সেরকম না.. - যা তো.
বালের বন্ধুরা.. - চল আমরা যাই.
ও এখনও অপূর্ণাঙ্গ.
জামাই বাবাজির বন্ধু!
এক মিনিট!
জামাই আমাদের উপর একটু বিরক্ত ও অনেক চিল্লাপাল্লা করছে.
একা বসে কাঁদছে.
তা কেন? - কে নাকি কি দেখে ফেলেছে.
স্নানের পোষাক সম্পর্কে বলছে সম্ভবত.
এটা স্নানের না. বিয়ের পোষাক.
তুমি দয়া করে ওটা তাকে একটু পড়িয়ে দিয়ে আসো.
আচ্ছা.
তোমার জ্ঞান নেই? বিনয় নেই?
No comments yet. Be the first to leave one.