لومړۍ 144 کرښې.
একদম খালি বক্স, যদি পরীক্ষা করতে চাও।
হ্যাঁ , বক্সে নষ্ট হওয়া শৈশব ছাড়া আর কিছুই দেখছি না।
ভালো রসিকতা করলে, চেলো বাদক।
সাথে আমাদের এই সম্পূর্ণ সাধারণ একটা সিলিন্ডার আছে, যদি পরীক্ষা করতে চাও।
সাধারণ, তবুও আমি টের পাচ্ছি এর থেকে জাদুময় সম্ভাবনা ঝরছে।
হায় রে।
একটা মানুষ একটু সময়ের জন্য প্রাকৃতিক কাজ সারতে গিয়ে,...
কেপ পরা ধর্মযোদ্ধার অভিযানে কী হলো জানতে গেলো, ফিরে এসে দেখলো...
আর আবিষ্কার করলো তার বাসা একটা সরাইখানায় পরিণত হয়েছে।
শেল্ডন, ও ওর কাজিনের বার্থডে পার্টির জন্য প্র্যাকটিস করছে।
যেমনটা বলছিলাম, খালি বক্স, খালি সিলিন্ডার, এবং...
হাজির !
আমি বলছি, হগওয়ার্টজ এক্সপ্রেসে তোমার নামে একটা সিট বুক হয়ে আছে।
এভাবে তুমি তোমার কাজিন আর ওর বন্ধুদের আনন্দ দেবে?
-এভাবে মিথ্যে বলে? -এটা মিথ্যা কিভাবে হলো?
ম্যাজিক শো সহজাতভাবেই প্রতারক উপস্থাপনা।
"এটা একটা সাধারণ টপ হ্যাট।" "তুমি নিজের ইচ্ছেমতো কার্ড বেছেছ।"
"আমার নিতম্বে এই তালা খোলার মতো কোনো লকপিক ঢোকানো নেই।"
তুমি কি বিস্ময়টা উপভোগ করতে পারো না, শেল্ডন?
তোমার সবসময় পর্দার পেছন বা নিতম্ব পর্যন্ত দেখতে হয় কেন?
যখন আমরা বাচ্চাদেরকে টুপি থেকে খরগোস বের হয় বলে ওদের...
বিশ্লেষণাত্মক চিন্তার ক্ষমতায় বিষ ঢেলে দেই...
তখন আমরা জ্যোতিষশাস্ত্র, হোমিওপ্যাথি আর গ্রিন ল্যান্ঠার্নের চরিত্রে...
প্রেমময় দুর্বৃত্ত ন্যাথান ফিলিয়ানের থেকে রায়ান রেনাল্ড ভালো ছিলো...
এসব বিশ্বাস করা প্রাপ্তবয়স্ক বানাই।
শেল্ডন, ও শুধু বাচ্চাদের কয়েকটা ম্যাজিক ট্রিক দেখাবে।
আমার সত্যিই মনে হয় না পরবর্তীতে ওদের গ্রিন ল্যান্ঠার্ন মুভি ভালো লাগা দিয়ে শেষ হবে।
ওর সাথে এমন কোরো না, একটু পাগলাটে হওয়াই স্বাভাবিক যখন তোমার...
কানে একটা কোয়ার্টার থাকে।
শরীরের অঙ্গে কয়েন থাকাটা মজার কোনো বিষয় না।
পাঁচ বছর বয়সে, বিলি স্পার্ক্স আমার নাকে একটা ম্যাক্সিকান পেসো ঢুকিয়েছিল।
-এটা মজার বিষয় না কিভাবে? -ওটা এখনো আছে।
বিমানবন্দরের নিরাপত্তা পার হতে আমার ৪৫ মিনিট লাগে।
দেখো, আমি শেল্ডনকে অদৃশ্য করে দিয়েছি। টা ডা !
পরের বার এটা দিয়েই শুরু কোরো।
S05E12- The Shiny Trinket Maneuver
ওহ, দেখো কারা ডেটে এসেছে। প্যাসাডিনার প্রিয় পাওয়ার জুটি, শেমি।
আর এই হলো তোমার প্রশ্নের উত্তর...
"চিজকেক ফ্যাক্টরিতে খেতে কী সমস্যা?"
তো, আমরা কি বিশেষ কিছু উৎযাপন করছি?
ওহ, হ্যাঁ।
আমাদের সম্পর্কের চুক্তিপত্র অনুযায়ী, প্রত্যেক মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার...
অথবা যেই মাসে পাঁচটা বৃহস্পতিবার, সেই মাসের তৃতীয় বৃহস্পতিবার, ডেট নাইট।
অনেক হট।
ঠিকাছে, আপত্তি ছাড়াই, আগের ডেটের পুরো সময়...
এসব পড়া আর সম্মতি নেয়া হয়ে গেছে। নতুন কিছু?
-তোমার দিন কেমন গেলো? -দারুণ।
আজকে সকালে আমি অ্যাালফা-বিটস সিরিয়াল দিয়ে একটা বাক্য বানিয়েছি।
"সুন্দর হ্যাট, বব টাহেকিন"
মনে হচ্ছে, তুমি অনেক উৎসাহ পেতে শুরু করেছ।
আমারও একটা দারুণ খবর আছে।
দীর্ঘসময়ের সংযুক্ত ক্ষমতা সৃতির ধারাবাহিকতাকে কিভাবে ডেনড্রাইটিক শাখায়...
চিত্রাঙ্কিত করতে পারে, এটার ওপর আমার নতুন পেপার "নিউরন"...
জার্নালের কভারে ছাপা হয়েছে।
ওহ, সুখবরের কথায় মনে পড়লো, একজনের টুইটারে ১০০ জন ফলোয়ার হয়েছে।
ভালো। যাইহোক, আমি অনেক সময় ধরে এই দিনের স্বপ্ন দেখেছি।
হ্যাঁ, আমিও। তিনটা সংখ্যা। মিথ্যে বলবো না, আমারও ভালোই লাগছে।
শেল্ডন,আমি একটা জানাশোনা জার্নালে ছাপানো একটা পেপারের একক লেখিকা...
যেটার মাধ্যমে আমার ফিল্ডের ব্যাপক পরিবর্তন হতে পারে।
১০১! আশেপাশের বাতাস একটু হালকা হওয়া শুরু হয়েছে।
তো, তোমরা কি অর্ডার করবে?
এক মিনিট। আমি হাত ধুয়ে আসছি।
অদ্ভুত। আমরা দুজনেই এখানে আসার আগে হাত ধুয়েই এসেছি।
হয়তো হিসু চেপেছে না বলে পরোক্ষ শব্দ ব্যবহার।
-শেল্ডন, তোমার সমস্যা কী? -তেমন কিছু না।
যদিও কোয়ালা মাত্রাতিরিক্ত পছন্দ করাটা আমার ত্রুটি হতেও পারে।
জানি না এটা কী, যখন ওরা ইউক্যালিপটাসের ডাল চিবোনো শুরু করে, আমি গলে যাই।
আচ্ছা, এমি তোমাকে চমৎকার একটা খবর দিলো আর তুমি এমন ভাব করলে এটা তেমন কিছু না।
ওহ! বুঝেছি তোমার বিভ্রান্ত হওয়ার কারণ। না।
ওর খবর শুনতে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, কিন্তু তুমি ভুলে যাচ্ছ...
এটা প্রাণীবিজ্ঞান বিভাগের অর্জন।
সব জঘন্য নরম জিনিসের কারবার।
ঠিকাছে, সোনা। ও কষ্ট পেয়েছে। তুমি ওর বয়ফ্রেন্ড।
তোমাকে অন্তত চেষ্টা করতে হবে ও যেগুলোতে আনন্দ পায়, সেগুলোতে আনন্দ পাওয়া।
-যদি আমার আনন্দ না হয়? -তাহলে, হাসবে, আর কোয়ালার কথা মনে করবে।
ও সেটা বুঝে ফেলবে। আমরা সবসময় চিড়িয়াখানায় যাই।
ও আমার কোয়ালা মুখ চেনে।
আর ভবিষ্যতের প্রসঙ্গে, এটা এমন।
ওয়াও, তোমার অনেক ম্যাজিকের জিনিস আছে।
হ্যাঁ, আমার বয়ঃসন্ধিকালে শুরু করেছিলাম।
ভেবেছিলাম কোনো মেয়েকে কয়েকটা কৌশল দেখিয়ে বাকিটা দেখার জন্য...
আমার শোবার ঘরে নিয়ে আসবো।
-কাজ হয়েছিল? -বলা যায়...
যেই দণ্ডটা সবথেকে বেশি অ্যাকশন দেখেছে, তা হচ্ছে এটা।
ওহ! দেখো আমার মা আমাদের প্রদর্শনীর জন্য কী বানিয়েছে।
ওহ! কাপড়টা সুন্দর। কোথা থেকে কিনেছে?
মা তার পুরনো একটা গোসলের কাপড় কেটে বানিয়েছে।
এই দুটো কোটি আর আধ ডজনের মতো ন্যাপকিন বানিয়েছে।
ও কি কোটি পরে দেখেছে?
-মাত্র দিয়েছি ওকে। -আশা করি গায়ে হোক।
ওর শরীর অস্বাভাবিক। ও আমার মতোই খাটো আর মাংসল।
ও তোমার মতো মাংসল না, মা। ও কখনো নিজের ওপর পা মাড়ায় না।
শোনো হাওয়ি, হয়তো আমি জাদুকরের সহকারী হওয়ার জন্য ঠিক হবো না।
তুমি ভালো করবে। ওই রিংগুলো দেবে?
দেখেছ? ফাটিয়ে দিয়েছ।
না, আসলে, আমি বাচ্চাকাচ্চাদের সাথে স্বস্তি বোধ করি না।
তার কারণ তুমি ওদের আশেপাশে থাকো নি।
এটা ভালো প্র্যাকটিস। মানে, তুমিও তো একদিন মা হবে, তাই না?
হ্যাঁ, নিশ্চয়ই।
এই ট্রিক টা অনেক বছর দেখি নি।
এটা হচ্ছে ঘুঘুর প্যান। এই খালি প্যানটা সবাইকে দেখাবে...
কিন্তু ঢাকনায় গোপন একটা ছোটো জায়গা আছে
তারপর এটাকে খুলে একটা জীবিত...
ভেতরে দেখো না।
ওহ, একটুখানি "রেড ডেড রিডেম্পশন", না?
-হ্যাঁ। -মিশনে যাচ্ছ না কেন?
শুধু ঘুরে বেড়াচ্ছ।
আমার বাজে একটা সন্ধ্যা গেছে, ভাবলাম একটু হেঁটে মাথা পরিষ্কার করি।
কিছু মানুষ বাসার বাহিরে গিয়ে এটা করে।
রাত ৯ টার ওপর বাজে। এই সময়ে প্যাসাডিনার রাস্তায়...
মাতাল নাবিক আর গলির বিড়ালেরা ঘোরাঘুরি করছে।
তুমি কি কথা বলতে চাও?
না, আমার মনে হয় আমি এই সরাইখানায় দিয়ে মদের সাথে দুঃখ গিলে খাবো।
তুমি জানো ডিজিটাল মদ কোনো সমাধান না।
কী হয়েছে?
বিশ্বাস করা যতই কঠিন হোক তাও...
সম্ভবত আমি ভালো বয়ফ্রেন্ড না।
এটা শোনার জন্য বসায় আমি আনন্দিত।
তোমার আর এমির ঝগড়া হয়েছে?
এমি ঝগড়া করেছে। আমি পুরোপুরি যৌক্তিক কথা বলেছি।
আমি হুইস্কি খাবো। তুমি কিছু নেবে?
না,পারবো না। আমি একটু পর 'গ্র্যান্ড থেফট অটো" খেলবো।
-দেখো, আমি মেয়েদের বিষয়ে দক্ষ না... -সেটা আমিও বলবো।
একজন তোমাকে সাহায্য করার চেষ্টা করছে, এই সময় না অন্তত।
দুঃখিত, মদের কারণে উল্টোপাল্টা বলছি। বলে যাও।
মাঝেমাঝে মেয়েদের সাথে, তুমি বসে ওদের কিসে কষ্ট হয় সেটা শুনবে...
আর ওদের বোঝাবে যে তুমি বুঝদার হয়ে নিজেকে বদলাতে পারো।
যতসব পাগলামি। আর কী আছে?
কী বলবো বুঝতে পারছি না। ওকে কিছু কিনে দাও।
সেটা কিভাবে কাজ করে?
তুমি আবেগময় সংযোগ মেরামতের একটা সুযোগ মিস করো...
তারপর ফাঁকা আর্থিক ইঙ্গিত দিয়ে তার ভালবাসা পুনরায় জয় করো।
বেশ, এই ভঙ্গির সবটায় শেল্ডন কুপারের নাম লেখা আছে।
-সাহায্য করে ভালো লাগলো। -আমি কৃতজ্ঞ।
যদি তুমি কখনো কোনো মেয়েকে পটাতে পারো, আমি সানন্দে এই উপকার ফেরত দেবো।
আর এখন সব রিং জাদু দিয়ে জোড়া লেগে গেলো।
আমার বাগদত্তাও একটা রিং পরে আছে। সেটা আমার সব টাকা অদৃশ্য করে দিয়েছে।
ওহ, ওহ, হ্যাঁ।
আর এখন, মহান হাওডিনির পরবর্তী অলৌকিক বিভ্রম।
আমরা কেক কখন খাবো?
তোমরা পুরোপুরি অবাক হওয়ার পর।
কিন্তু আমরা এখন কেক চাই।
বেশ, তোমরা এখন কেক পাবে না, পুঁচকে সোনা।
ঠিকাছে, ঠিকাছে।
No comments yet. Be the first to leave one.