لومړۍ 200 کرښې.
"নামবু সংশোধনাগার"
স্যার, আমার পরিকল্পনা কার্যকর করার জন্য আপনাকে আমার সত্যিই প্রয়োজন।
কিন্তু একবার যোগদান করার সিদ্ধান্ত নিলে
আপনি ছাড়তে পারবেন না, তাই সময় নিয়ে ভেবে---
যথেষ্ট।
চলুন করে ফেলি।
মানে, আমি এটা করবো।
কিন্তু একটা শর্তে।
আপনি কি আপনার পরিকল্পনায় আরও একজনকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন?
- মাদারী, ওখানেই দাঁড়া! - ধরতে পারলে তোকে মেরেই ফেলব!
বের হওয়ার পর, মস্কো সরাসরি ডেনভারের সাথে দেখা করতে যায়,
কিন্তু তাকে অপেক্ষা করতে হয়।
কারণ ডেনভারের কারণে অর্থ হারানো অবৈধ ফাইট ক্লাব জুয়াড়িরা....
তাদের ঠগ পাঠায় তার পেছনে।
ও ওপারে যাচ্ছে। ধর ওকে।
হেই।
দাঁড়া, হেই!
হেই, ঠেলিস না।
- ধ্যাৎ! - ঠেলতে না করলাম তো!
মাদারীর বাচ্চা।
সর্বনাশ!
- যা তাড়াতাড়ি! - ও পালিয়ে যাচ্ছে!
থাম, শালা!
কী হলো? ওকে ধরতে পেরেছিস?
এদিকে আয়।
তোর নির্মাতার সাথে দেখা করার সময় এসেছে।
ওরা এত অবিচল কেন?
আয় এখানে, মাদারী।
- নিচে আয়। - ধ্যাৎ।
আমার অবস্থা খারাপ হয়ে যাচ্ছে।
এরা কারা?
বাবা।
আরে, আমাকে ভয় পাইয়ে দিয়েছিলে তো!!
বোকার হদ্দ একটা!
আমি পড়ে যাচ্ছি।
- জলদি। - এদিকে।
ওদিকে।
তুমি আজ জেল থেকে বের হয়েছ, না?
- কথাটা কি করে ভুলতে পারলি? - আমি ভুলিনি।
- তোমার সাথে দেখা করতে যাচ্ছিলাম। - উচিত ছিল তোর।
এদিকে। এদিকে আয়।
বাহ, বাবা। তুমি এখনও দক্ষ।
আমি ক্লান্ত।
বাবা, ঠিক আছো তুমি?
বুড়ো হয়েছি বলে এমন হচ্ছে। আমি ঠিক আছি।
কেবল দেখতে থাকো, বাবা।
আমি শীঘ্রই টাকা উপার্জন করব এবং তোমাকে বিলাসিতার মাঝে রাখব।
হাবিজাবি বকা বন্ধ করে...
এই একটা কাজ তোর বাবার সাথে কর।
ব্যস একটা কাজ।
কী কাজ?
এটা এমন একটা কাজ যা আমাদেরকে শেষ পর্যন্ত দুঃখের জীবন থেকে পরিত্রাণ দিতে পারে।
এখনই তো...
ভালো জীবনযাপন করার সময়, তাই না?
আয়, আমার বোকাচন্দ্র।
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ۞ ⦿ শান্ত কুমার দাস ⦿ ۞
종이의 집 공동경제구역 ~ M O N E Y H E I S T : K O R E A - J O I N T E C O N O M I C A R E A ~
আমি জানি এই সব তোমার কীর্তি।
কিন্তু আমি তোমাকে কিছুতেই শাস্তি দেব না।
কেন? কারণ এটাই তোমার শাস্তি।
সে কি সত্যিই তাকে হত্যা করেছে?
সে একটা নয়, দুটো গুলি করেছে। এর মানে সে হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
তুমি এটা কিভাবে করতে পারলে?
তুমি ইউনকে ঝুঁকি নিতে বাধ্য করলে আর যখন তারা ওকে ধরে ফেলে তখন তাকে উপেক্ষা করলে।
কী? নিজেদের কথা সংশোধন করো।
আমি ওকে জোর করিনি, মিসুন স্বেচ্ছায় করেছে, ঠিক আছে?
আর তুমি নিজেকে ডিরেক্টর বলো?
- সে কিভাবে পারে? - ডিরেক্টর কি তাকে তা করতে বাধ্য করেছিলেন?
- এটা জলের মতো পরিস্কার। - আমি জানতাম সেটা।
ঈশ্বরের দোহাই, সকলে থামো।
এখানে সবথেকে বড় ভিক্টিম হলাম আমি।
আমি যে নারীকে ভালোবাসতাম...
তাকে এই ডাকাতদের হাতে হারিয়েছি!
ভালোবাসা? বালছাল বকা বন্ধ করো।
হেই, চোই। ডিরেক্টরের সাথে ওভাবে কথা বোলো না।
তুমি কি ইউনকে মারা যেতে দিতে যদি সে দক্ষিণ কোরিয়ার হত?
এখানে উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া কোত্থেকে এলো?
হেই!
চুপচাপ নিজেদের জায়গায় ফিরে যাও।
সাব্বাশ! তুমি অভ্যস্ত হয়ে যাবে।
লাশটার এমন ব্যবস্থা করো যাতে কেউ খুঁজে না পায়।
- আমাদের প্রফেসরকে বলা উচিত। - কী? দাঁড়াও।
দাঁড়াও, টোকিও।
এটা কি দুই প্রেমিকের মধ্যকার ঝগড়া?
তা না হয়ে থাকলে, কেন আমার অনুমতি ছাড়া এখানে এসেছ তা ব্যাখ্যা করো।
প্রফেসর বলেছিলেন কাউকে মারা হবে না।
তো? তাকে জানাতে চাও?
ওই ঘড়িটি সবকিছু ভেস্তে দিতে পারতো।
তারা আবার সীমা অতিক্রম করবে যদি আমরা এর একটা শিক্ষা না দিই।
সীমা তো তুমি অতিক্রম করছো।
প্রফেসরেরও কি জানা উচিত নয়?
সময় হলে আমি নিজেই তাকে বলব।
প্লিজ যেতে পারো যাতে আমি কাজ করতে পারি?
আরেকবার বলতে বাধ্য করিও না।
এখানে এই উত্তেজনার কারণ কী?
চলো যাই।
হ্যাঁ, প্রফেসর?
কী হয়েছে?
কিছু না।
আমদের মধ্যে ছোট একটা মতবিরোধ হয়েছিল, কিন্তু এখন সেটা ঠিক হয়ে গেছে।
আমার কাছে তো দেখে ছোট মনে হচ্ছে না।
ডেনভারের একজনকে জিম্মি করার সাথে এর কি কোন সম্পর্ক আছে?
ওহ, ওটা?
সে গর্ভবতী বলে মনে হচ্ছে।
তার বিশ্রাম দরকার, তাই আমরা তাকে অন্য জায়গায় রেখেছি।
আমি স্বীকার করি যে আমি জিম্মিদের একটু হুমকি দিয়েছি, কিন্তু তারা আর কিছু করবে না।
যেমনটা জানো,
আমরা এমন একটা পর্যায়ে আছি যা হয় আমাদের পরিকল্পনা সফল করবে নয়তো ভেস্তে দেবে।
বুঝতে পেরেছি।
স্মার্টওয়াচের ব্যাপারটা আমরা দেখে নিয়েছি, এখন কি পরিস্থিতি অনুকূলে?
রিওকে ফোনে দাও।
হ্যাঁ, প্রফেসর, বলছি।
তুমি কি নষ্ট স্মার্টওয়াচের অ্যাক্সেস লগ পরীক্ষা করতে পারবে?
কঠিন হবে কাজটা, তবে পারবো মনে হয়। কিন্তু এটা কেন জিজ্ঞেস করলেন?
পুলিশ কিছু খুঁজে পেলো কিনা সেটা আমাদের জানতে হবে।
তুমি এসব থেকে দূরে থাকো। কেবল প্রফেসর যে কাজটা দিয়েছে তার উপর ফোকাস করো।
ধ্যাৎ!!!! আমাকে ভয় পাইয়ে দিয়েছিলে তো।
ওই মেয়েটা কোথায়?
কোথায়?
ওখানে।
ধুর, এটা একদম পাগলামি।
আমি কিভাবে কাউকে গুলি করতে পারি?
ধ্যাৎ।
এখন কী করি?
আমাকে মেরো না।
আমি না মারলেও বার্লিন নিজের হাতে মারবে তোমাকে।
যদি আমরা ভান করি যে তুমি আমাকে মেরে ফেলেছো? তুমি আমার উরুতে গুলি করতে পারবে না?
আমি মরার ভান করব। তুমি বলে দেবে যে আমাকে মেরে ফেলেছো!!
কিন্তু তাও....
জলদি। এখানে গুলি করো।
- অনেক ব্যথা পাবে। তুমি সহ্য করতে পারবে? - আমি পারবো, মারো!!
বেশ, তাহলে করা যাক।
আমি এখানে গুলি করব। তোমার বাজেভাবে লাগবে।
এখানে কামড়ে ধরে থাকো।
হেই, তুমি তৈরি?
দাঁত দিয়ে শক্তভাবে কামড়ে ধরো।
কপাল ভালো যে তুমি সেই মুহূর্তে এসেছিলে।
বার্লিন যদি জানতে পারে সে বেঁচে আছে, আমাদের একজনকেও ছাড়বে না।
সেটা জানো তো, না?
হ্যাঁ, আমি জানি।
আমি সতর্ক থাকবো।
তোমার পোশাক খুলে ফেলো।
আমাকে ক্ষত দেখতে দাও।
আমি দুঃখিত।
যেটা তোমার করা উচিত করো। আমি বাইরে আছি।
তার অবস্থার উপর নজর রেখো।
প্রতিদিন তাকে এন্টিবায়োটিক দিও।
আচ্ছা।
জানি ব্যথা করছে, তাও একটু সহ্য করো।
আমি একটা না একটা উপায় খুঁজে বের করব।
আচ্ছা শোনো...
প্রফেসরকে বলেছো?
না। এখন যা পরিস্থিতি, যদি আমি উনাকে বলি'ও,
বার্লিন তাকে নিজেই হত্যা করবে।
বাল, আমরা তাহলে কী করব? আমরা এখানে বেশিদিন তাকে লুকিয়ে রাখতে পারবোনা।
আমি মনে করি না বার্লিনকে...
আমাদের এভাবে চালিয়ে যেতে দেওয়া উচিত।
কী করবে, তাহলে?
দায়িত্বে আরেকজনকে বসাতে হবে।
কিন্তু সেটা করতে হলে...
প্রথমে হেলসিঙ্কি ও অসলোকে...
মোকাবেলা করতে হবে।
হান জোসেফ, ২২ বছর বয়সী, মেডিকেল স্কুল থেকে ড্রপআউট করেছে।
তাহলে কি সে জিম্মিদের একজন?
সে আমাদের অনুমিত জিম্মিদের তালিকায় নেই।
কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড আছে?
সে একজন নাবালক হওয়ায়, পুলিশ তাকে সতর্ক করে ছেড়ে দেয়, কিন্তু কিশোর বয়স থেকেই সে একজন বিখ্যাত হ্যাকার।
এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে কেন আমাদের সাইবার টিমকে নাকানিচুবানি খেতে হচ্ছে।
সে অবশ্যই ডাকাতদের একজন।
যদি তারা এই বিস্তারিত পরিকল্পনা করার জন্য এত পরিশ্রম করে থাকে,
তবে তারা অবশ্যই ডাকাতির আগে মিন্টে এসে থাকবে।
মিন্টের কাছাকাছি সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করুন।
তুমি সেখানে প্রবেশ করার সাথে সাথে,
আমি ক্যামেরা এবং ফোনের মাধ্যমে ভিতরে কী ঘটছে তা জানতে পারব।
মিন্টের ওখানে কি ঘটতে পারে তা আমরা জানি না,
আমার এমন একজনকে লাগবে যে আমার হয়ে মিন্টের ব্যাপারটা দেখুক।
কে হতে চায়?
তোমাদের কি মনে হয় না যে আমি এই জাতীয় দলের সাথে কাজ করেছি বিধায় আমি কাজটা ভালোভাবে করতে পারবো?
সত্যিই? কী করেছো তুমি?
আমার করা বিশাল বিশাল কাজের মধ্যে,
জেজু-দো ক্যাসিনোতে চুরিটা অন্যতম।
- কী? - ৭ বিলিয়ন টাকা হাপিশ করেছিলাম।
ওটা সত্যিই তুমি ছিলে?
- কীসের কথা বলছো? - তুমি জানো না?
সে কাজটা এতটা চালাকির সাথে করেছে যে,
কিছুদিন কেউ টেরই পায়নি যে টাকা চুরি গেছে।
হ্যাঁ, ঠিক।
হেই, সেই গ্যাংয়ের সবাই বিদেশী ছিল, আর আমি শুনেছি তারা সবাই গ্রেফতার হয়েছে।
আমি ধরা পড়িনি।
আমি পুরো পরিকল্পনাটা শুরু থেকে তাদের জন্য সাজিয়েছিলাম।
কিন্তু ব্যাপারটা অনেক হতাশাজনক ছিল। তারা হয়তো আমার কথা বুঝতে পারেনি?
মানে?
তুমি মুখ খুলেছো মানেই মিথ্যা বলছো।
আমি করব।
কারো কোনো আপত্তি আছে?
ব্যক্তিগত কৌতূহল থেকে জানতে চাচ্ছি,
কেন তুমি স্বেচ্ছায় দায়িত্ব নিতে চাচ্ছো?
ছড়ি ঘুরাতে পছন্দ করো?
অস্বীকার করব না,
তবে এটাই একমাত্র কারণ নয়।
No comments yet. Be the first to leave one.