لومړۍ 200 کرښې.
[NOTE: সাবটিতে প্রয়োজন অনুযায়ী অধিকাংশ জায়গায় ভাবানুবাদ করা হয়েছে।]
ওহ ঈশ্বর।
দো-হুনের মা!
ওহ, আপনি! হ্যালো।
আজ অনেক ঠান্ডা, তাই না?
সুপারমার্কেটে গিয়েছিলেন নাকি?
হ্যাঁ।
গতকাল না গিয়েছিলেন দেখলাম।
হ্যাঁ, গিয়েছিলাম।
আসলে ডিম শেষ হয়ে গিয়েছিল।
স্পেশাল কেউ আসবে নাকি?
আসলে না।
আমার ছেলে আজ বাড়ি আসছে।
ওমা সত্যি?
আপনি অবশ্যই অনেক খুশি।
হিংসে হচ্ছে, সত্যি হিংসে হচ্ছে।
আজ আপনার আনন্দের দিন।
ই-রান আপু!
আহ, জং-ওন!
আপু।
আজ কি ভালো কিছু ঘটেছে?
আমার?
আসলে...
তাহলে আপনার মুখটা এত ঝলমল করছে কেন?
ওহ।
ঝলমলে, হ্যাহ?
যেমনটা ভেবেছিলাম।
একটা ক্ষুদ্র জিনিসও গুরুত্বপূর্ণ হয়।
এই ব্রোচ লাগালে, গায়ের রংও বদলে যায়।
তোমার কাছে অনেক কৃতজ্ঞ।
ওহ, কী যে বলেন।
আপনাকে এটাতে ভালো মানায় বলেই দিয়েছি।
খুব সুন্দর। প্রায়ই পরব তাহলে।
ধন্যবাদ।
আপু।
আমি গেলাম।
আরো ১ কিমি দৌড়াতে হবে।
আচ্ছা, যাও যাও।
বাই!
পরে দেখা হবে।
সে কী নির্লজ্জভাবে আমাদের ইগনোর করলো।
আর বলিয়েন না।
দুই বছর ধরে এখানে বাস করছি, মনে হয় আমি যেন কোনো অদৃশ্য মাল।
সে সম্ভবত আপনাদেরকে দেখেনি।
কীভাবে দেখতে পেল না শুনি?
আপনাকে না ঠিকই দূর থেকে দেখে ফেললো।
ওর নজর একদম ঈগলের মতো।
দো-হুনের মা।
এ ব্যাপারে কী ভাবেন...
ছাড়ুন ওর কথা।
তারা যেভাবে ব্রোচ শেয়ার করে তাতে মনে হয়,
তারা সম্ভবত ঘনিষ্ট বন্ধু হয়ে গেছে।
ওহ, কী বলছেন এসব!
এটা মোটেও সত্যি নয়।
তাহলে কেন সে সবসময় এখানে দৌড়ায়, বিরক্ত করে।
সবকিছুতেই সবসময় নাক গলায়।
গেলাম তাহলে।
ঠিক আছে।
পরে দেখা হবে।
সে সবসময় এমন ভাব নেয় যেন ভাড়া থাকে না।
আমার মাথা গরম হয়ে যায়।
আরে বাদ দিন তো।
শুনেছি তার ছেলে নাকি সিউল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে।
ভেবে দেখুন, তার ছেলে যেহেতু সাফল্য অর্জন করেছে,
তাই সে নিজেকে আমাদের থেকে আলাদা ভাবে।
আহ।
ওহ ঈশ্বর।
ওহ!
সময় হয়ে গেছে...
ওহ।
ট্যাক্সি!
দো-হুন...
কীভাবে এলি এখানে?
ট্যাক্সি দিয়ে।
একা এলি কেন...
আমার জন্য অপেক্ষা না করে।
বলেছিলাম তো নিতে আসব।
শীতে জমে গেছিস নিশ্চয়ই।
এটা পরে নে।
শীত লাগছে কি?
হুমম?
না, আমি ঠিক আছি, তুই...
আমার শীত লাগছে না।
ব্যাগগুলি ভারী নিশ্চয়ই।
আমাকে দে।
তেমন একটা ভারী না।
কিছুটা ক্লান্ত লাগছে, তাই না?
খিদে পেয়েছ কি?
হ্যাঁ, এগুলি ভারী, আমাকে দে।
ওহ ঈশ্বর!
আমাদের এখানে কে এসেছ দেখো?
দো-হুন!
অবশেষে ফিরে এলে?
দেখো তোমাকে।
আগের চেয়ে অনেক সুন্দর হয়ে গেছ।
ওহ ঈশ্বর...
দো-হুন!
অনেকদিন পর দেখা!
এত শুকিয়ে গেছ কেন?
সম্ভবত বাড়ির কথা মনে পড়তো।
মায়ের হাতের খাবার খায়নি, ওজন কমে যাবে কেন না বলেন?
হ্যালো।
দেখুন, আমার ছেলে মাত্রই এলো, তাই...
কোরিয়ায় এসে ভালো লাগছে নিশ্চয়ই?
কী?
ওহ, ঠিক বলেছ!
ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্সটা কেমন লাগলো?
আচ্ছা সেখানে... আমেরিকাতে!
আমেরিকাতে কোথায় যেন ছিল বলেছিলেন?
ওহ...
নিশ্চয়ই ওখানকার খাবার পছন্দ হয়নি,
এ কারণেই এত শুকিয়ে গেছ।
ওহ ঈশ্বর।
দেখুন আমার ছেলে...
এখনো কিছুই খায়নি।
স্যরি, স্যরি আপু।
একটু বেশিই আনন্দিত হয়ে গিয়েছিলাম।
স্যরি, আমরা সত্যি অনেক বেআক্কেল।
"ওপ্পা, বাসায় যাও আর ভরপেট খাও।"
পরে আরো কথা হবে কেমন।
বাই, জং-ওন।
বাই।
ঠিক আছে।
আমি খুলে দিচ্ছি।
নে আরো খা।
তোর পছন্দের খাবার।
আচারযুক্ত টুনা।
তুমি খাবে না?
আহ, আমি...
তোকে অনেকদিন হলো খেতে দেখি না।
তাছাড়া, তোকে খেতে দেখছি, এতেই আমার পেট ভরে গিয়েছে।
যাইহোক।
দরজার পাসওয়ার্ডটা কী?
১২১৫, তোর জন্মদিন।
ওহ, আচ্ছা।
ইদানিং অনেক কিছুই ভুলে যাচ্ছি।
চিন্তা করিস না, ঠিক হয়ে যাবে, তোর ভালো লাগবে।
আমেরিকায় ছিলাম বলেছ কেন?
কী?
ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্সের কথাটা।
আমেরিকার কোথায়?
কী বলেছ লোকজনকে?
আহ... নিউইয়র্ক।
আহ... নিউইয়র্ক?
লোকজনকে এমনটা বলায়...
নিশ্চয়ই অস্বস্তিকর বোধ করছিস, তাই না?
না।
তাই কি?
ঠিক আছে।
বলি কি...
ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্সের বিষয়ে কী ভাবিস,
ইউরোপ, আমেরিকা ভ্রমণ করতে পারবি।
পুরোপুরি মিথ্যাও বলিনি।
তাই না?
হুম...
কী হলো? খাবার শেষ কর।
পেট ভরে গিয়েছে।
"গোল্ড মেডেল (স্বর্ণ পদক)" "অসাধারণ একাডেমিক কৃতিত্বের পুরস্কার"
এসবকিছু কী?
আমাকে বলা হয়েছে,
যে এমন পরিবেশ মানসিক চাপ কমায়,
এবং মানসিক অবস্থা উন্নত করে।
আমার এক বন্ধু বুদ্ধিটা দিয়েছে।
এই নে।
পান কর এটা।
ওহ ঈশ্বর...
তোর চুল কাটতে হবে।
হুম।
এখানে। সাইন করুন।
এর চেয়ে ভালো অপশন পাবেন না।
সঠিক স্বীদ্ধান্তটাই নিয়েছেন।
ধন্যবাদ আপনাকে।
নিরাপদে ভ্রমণ করবেন।
পরে কল করব!
হ্যালো?
জি, আমি দো-হুনের মা।
ওর শরীর কি বেশি খারাপ?
কোনো ধরনের অপারেশন করা লাগবে কি?
না।
MRI-তে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না।
আচ্ছা তাই?
যেহেতু রোগী হ্যালুসিনেশন...
এবং দুর্বল কল্পমূর্তিতে চিন্তানিমগ্ন,
আর বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে চায়।
আমার সন্দেহ এটা সিজোফ্রেনিয়া হতে পারে।
কী ধরনের রোগ বললেন?
এটা জেনেটিক কারণেও হতে পারে,
এবং পরিবেশের প্রভাবেও হতে পারে।
রোগটির সঠিক উৎস এখনো অজানা।
প্রথমত,
এই মুহূর্তে তার লক্ষণগুলির কারণে,
নিজেই নিজের ক্ষতি করার সম্ভাবনা বেশি।
অতএব, চিকিৎসা করা উচিত...
কেমন করে একজন অভিভাবক...
এমন মনমরা চেহারা বানিয়ে বসে থাকতে পারে...
যেন বেঁচে থাকার আশা এখানেই শেষ?
এটা কেবল একটি রোগ মাত্র।
হুমম?
সম্প্রতি, কার্যকরী ঔষধ আবিষ্কার হয়েছে।
লোকজন এটা সম্পর্কে তেমন জানে না।
No comments yet. Be the first to leave one.