لومړۍ 200 کرښې.
আমাদের ফেসবুক গ্রুপ - ১. মালায়ালাম সিনেখোর। ২. মালায়ালাম মুভি লাভারস।
কেউ আছে দিতে জানে না।
আর কেউ মানতে পারে না।
কেউ ভালোবাসতে জানে না।
কেউ বাস্তবতাকে আলিঙ্গন করে সেই বাস্তবতার সাথে বাঁচতে জানে না।
কেউ প্রত্যাশার মোহে সংগ্রাম করে।
কেউ সংগ্রামও করতে জানে না।
কেউ আছে কখনো আত্মসমর্পণ করেনি।
কেউ বা সহজেই আতঙ্কিত।
কেউ নিজের মাঝেই পরিপূর্ণ।
কেউ সহানুভূতির কথাও কখনো শুনেনি।
কেউ মনে করে তারা কখনোই ভুল হতে পারে না।
কেউ আছে যদের বোধশক্তি নেই।
কেউ বা বুঝতেই আগ্রহী নয়।
কেউ সহজেই হাল ছেড়ে দেয়।
কেউ সহসাই গ্রহণ করে নেয়।
কেউ মারাত্মক আঘাতে আহত।
কেউ আঘাত পায় চিকিৎসার অযোগ্য।
কেউ কখনো যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পায় না।
সম্ভবত, তাদের মধ্যে আপনিও;
আর সম্ভবত আমিও!
© আরুশ আরিয়ান।
এখন সবাই OAT-এর দিকে চল। আমাদের ফটোগ্রাফার এসে গেছে।
সবাই আয়... আলো চলে গেলে আমরা ছবি তুলতে পারব না।
গায়ত্রী...
সে ফোন ধরছে না। হোস্টেলেও নেই।
তুই ফোন করলে ঠিক ধরবে।
কলেজের শেষ দিনেও তোদের কিসের ঝগড়া?
আমি কী ঝগড়া করছি?
যাই হোক! তুই ওকে ফোন কর।
সত্যিই প্রয়োজন?
সময় নষ্ট করিস না। ফোন কর।
হ্যালো!
হ্যালো!
এখানে আমাদের ক্লাসের সবাই গ্রুপ ছবি তোলার জন্য অপেক্ষা করছে।
তুমি কোথায়?
আমি যাবো না।
না আসার কারণ কী আমি?
না। সেখানে আমাকে মানাবে না।
তোমাদের স্মৃতিতে আমার মতো ক্লাসমেটের প্রয়োজন নেই।
হ্যালো?
এখানে ধূমপান করা যাবে না। বাইরে গিয়ে করো।
রেডি? এদিকে তাকান।
রেডি... 1... 2... 3... গো!
ইয়ো!
কী?
চল।
চল, যাবি না?
4_years.
এতো তারাতাড়ি সবকিছু শেষ হয়ে গেলো অদ্ভুত লাগছে, তাই না?
হ্যাঁ।
ব্যাঙ্গালোরে থাকলে আমার জীবনে ধ্বংস হয়ে যাবে ভেবে, বাবা আমাকে এখানে নিয়ে এসেছিল।
আঙ্কেল তো বেশ বুদ্ধিমান।
দেখ, আমার বিশ্লেষণ মতে এখানের কালচার হলো একধরনের মিশ্র কালচার তাই না?!
আরে! ওরকম কিছু না।
প্রথমদিকে জায়গাটা আমার একদম ভালোলাগতো না।
এখন যখন ভাবি,
এটাই আমার জীবনের সেরা ৪ বছর!
তাহলে আগামীকাল সকাল ৯ টার দিকে রওনা করি, তাই না?
একটা অটো নিব, আমরা তো দুইজনই।
তোর তো একটাই ব্যাগ, তাই না?
আমি বেশিরভাগ জিনিস এখানেই রেখে যাচ্ছি।
গত বছর স্পোর্টস-ডের সময় এখানে এনাউন্স বাক্স ছিল না?
এখানে ছিল? আমি কলেজে ছিলাম?
তুই ছিলি না?
এসবের কাছাকাছি যারা থাকে তারা না জানবে, আমি না।
আসি, ভাই।
আমরা যাচ্ছি।
- আসি ভাই। - ঠিক আছে।
একন আবার কী চোদনামি শুরু করলি?
এই দিনটা আর ফিরে পাবি না। দিনটা হারালি তুই।
কোথায় ছিলি?
আমি লাইব্রেরিতে ছিলাম।
আমার মুখ খুলতে বাধ্য করিস না।
লাইব্রেরি, আমার হেডা!
মোট ৩১ বিষয়ে সাপ্লি!
কলেজের ইতিহাসে এই প্রথমবার!
হয়তো সেই লজ্জায় গ্রুপ ছবি তুলতে আসেনি।
তোর সাথে ব্রেক-আপের কারণে নয়।
আমার জন্য আবার শেষ দিন?
এটা তোমাদের জন্য। চাকরি পেয়েছিস,
উচ্চ শিক্ষার জন্য যাচ্ছিস...
আর আমি এখনো পাসই করতে পারিনি।
এই দিনের জন্য তোর কোনো কষ্ট নেই।
বন্ধুদের চলে যাওয়া নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই।
আমি এতে অভ্যস্ত।
আমার জন্ম এই শহরে হলেও ছোটবেলার বন্ধুরা অনেক দিন আগে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে।
সে অন্তত দূর থেকেও আমাকে ফোন করে।
সে ফোন করেছে কারণ আমি তাকে বলেছিলাম বলে।
আমিই গত ৪ বছর থেকে ওর রেকর্ড লিখছিলাম।
আমি নিশ্চিত, সে এই কোর্সটা সম্পূর্ণ করবে না।
সে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে! তুই টেনশন নিচ্ছিস কেন?
এমনকি পরীক্ষার আগের রাতেও আমাকে ফোনে পড়াতো।
নিজের পরীক্ষা থাকা সত্যেও।
যখন সে আমার সাথে...
ইম্প্রুভমেন্ট পরীক্ষা দেয়,
তার উত্তরপত্রে আমার রোল নম্বর লিখে দিয়েছিল!
আমার এক বছর পিছিয়ে যাওয়া আটকাতে।
অন্য কেউ এমন করবে?
আগামীকাল থেকে এই গাছগুলোতে কে জল দিবে?
এই গাছে বেশি পানির প্রয়োজন হয় না।
নিজের থেকেই বাড়বে।
পরের বার কলেজে আসলে যাচাই করে দেখা যাবে।
নিরর্থক লাস্ট-ডে টক!
আবার যে এখানে আসা হবে নিশ্চয়তা কী?!
আরে!
এটাই সেই জায়গা যেখানে এসে আমরা নিজেদের থেকে নিজে কে হারিয়ে ফেলেছি।
কিছুদিন পরে ঠিক আমরা নিজেদেরকে খুঁজতে এখানে ফিরে আসব।
এসব হয়তো আমার প্রাক্তনদের অভিশাপ!
আমি খোঁড়ার অজুহাতে সবাইকে হারিয়ে ফেলেছি।
অবশেষে, আমি নিজের ফাঁদে নিজেই ফেঁসে গেছি।
দ্বাদশ শ্রেণীতে পূজা যা বলেছিল তাই ঠিক ছিল।
সত্যিকারের ভালোবাসা অনেক কষ্টের।
তার চেয়েও বড় কষ্ট আছে, সাপ্লির কষ্ট!
তোর সেই কষ্টের কথা ভেবে পড়াশোনায় একটু মনোযোগ দেওয়া উচিত, সোনা।
ভেবে লাভ নেই।
আমার দ্বারা পড়াশোনা হবে না।
আচ্ছা যাই হোক! আজ রাতে জমিয়ে পার্টি হবে।
সবকিছু কাঁপিয়ে দিব।
তোর কিন্তু গান গাওয়া লাগবে।
ঠিক আছে?
মসলা দোসা আর আইসক্রিম। বাইরে গিয়ে খাবো?
আমি যাবো না।
তুই বাদাম!
আমরা এখন এই ধরনের ছোট-বড় ইচ্ছা নিজের মতো করে পূরণ করতে পারব।
এখন কী প্যারিস যাওয়া সম্ভব নাকি?!
আমি ক্ষুধা লাগেনি।
যা, হাঁট...
তোর পৃথিবী স্বপ্নের!
আমার না!
হ্যালো!
হ্যালো!
তোমার সাথে দেখা করাটা খুব প্রয়োজন।
তুমি কখন যাচ্ছ?
সকালে।
এখন কী দেখা করা যাবে?
এখন?
আমি OAT-এ আসছি।
ওখানে আসো।
গেট বন্ধ করে দিয়েছে।
তোমার সাথে দেখা করাটা খুব প্রয়োজন।
আমি সেখানে অপেক্ষা করব।
না আমি পারব না, বিশাল।
প্লিজ, বোঝার চেষ্টা করো।
আমি বুঝেছি।
তাই তো তোমাকে এতদিন কোনো ফোন করিনি।
তুমিই তো প্রথমে ফোন করেছিলে না?
তুমি না আসা পর্যন্ত আমি সেখানে অপেক্ষা করব।
সারারাত।
যদি মন চায়, তাহলে এসো।
আজই তো শেষদিন?
চেষ্টা করে দেখো।
বসো।
কী অজুহাতে বেরিয়ে আসলে?
১০ মিনিটের মধ্যে ফিরার প্রতিশ্রুতি নিয়ে ওয়ার্ডেন আমাকে ছেড়েছে।
আমার ফিরে যেতে হবে।
ঠিক আছে।
যাও।
জানো, এই জায়গাটার বিশেষত্ব কী?
এখানেই আমি তোমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলাম।
দেখা করতে বললে কেন?
এমনই।
যদি তোমাকে দেখার সুযোগ আর না হয়?
তোমার পরবর্তী পরিকল্পনা কী?
কিসের পরিকল্পনা!
ফুড-পান্ডায় খাবার ডেলিভারির কাজ নিব।
এরজন্য একটা বাইকই যথেষ্ট।
আর যা ইনকাম হবে তা দিয়ে আমার মৌলিক চাহিদাগুলো পুরণ হয়ে যাবে।
আর তোমার সাপ্লি?
সেগুলোও ক্লিয়ার করতে হবে।
সিনেমায় সহকারী পরিচালক হওয়ার স্বপ্নের কী হলো?
আমি এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি সেই স্বপ্নের পিছু নিব কিনা।
কেন?!
দিনে শেষে,
তুমি আমাকে এসব জিজ্ঞেস করতে,
আমার দৈনন্দিন বিষয়গুলো, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত...
বিস্তারিত...
এমনকি এখন তুমি এটাও জানো না।
কারণ...
এইবার আমি IFFK-ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বেশ কয়েকটা দুর্দান্ত সিনেমা দেখেছি।
তারপর আমি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলাম আমি আসলে চলচ্চিত্র জগতে গিয়ে কিচ্ছু করতে পারব না।
খড়্গপুর কখন যাচ্ছ?
মাসের শেষের দিকে।
চমৎকার জায়গা।
তুমি কখনো গিয়েছিলে?
আমি তাহলে যাই?
সময় হয়েগেছে।
যেও না।
একটা চুমু দিবে?
বিশাল ছাড়ো আমাকে।
অন্তত একটা হাগ?
ঠিক আছে।
কিন্তু জাস্ট ফ্রেন্ডলি হাগ।
যাই হোক!
আরেকটা শর্ত...
ফ্রেন্ডলি হাগেও কী শর্ত আছে নাকি?!
তোমার ফোনে থাকা আমাদের সমস্ত ছবি ডিলিট করে দিতে হবে।
তোমার কী সত্যিই এমন মনে হয় আমি সেগুলোর অপব্যবহার করব?
বলা তো যায় না।
বাহ্!
No comments yet. Be the first to leave one.