لومړۍ 200 کرښې.
এটা লটের শেষ গয়না।
- কোথায় ছিলে তুমি? - সব গয়না এসে গেছে?
পলিন্যাক এইমাত্র এলিনা অব সেভয়ের ডায়মন্ড টিয়ারাটা রেখে গেছে।
ভল্ট আগামী ১৫ ঘন্টা বন্ধ থাকবে, খুলবে সোজা পরীক্ষার সময়।
ধন্যবাদ, এলিন।
পারফেক্ট টাইমিং।
ভেতরে যাবার এটাই সময়।
দুইদিন ধরে উধাও ছিলে। কোথায় ছিলে তুমি?
শহরটা ঘুরে দেখছিলাম।
মিসেস পলিন্যাকও দুদিন ধরে নেই।
ব্যাপারটা কি কাকতালীয়?
ওর সাথে ছিলে, তাই না?
এজন্যই এখানে আসতে দেরি হলো।
বলেছিলে আমাদের বিপদে ফেলবে না।
কিন্তু তাই হলো।
হিংসেতে জ্বলা গার্লফ্রেন্ডের মতো কথা বোলো না। তোমার সমস্যা কী?
পলিন্যাকের বাসা থেকে আমাদের ক্যামেরাগুলো সরিয়েছ?
না।
ভাবিনি এত জলদি চুরি করতে হবে।
আর বিপদে নাকি আমি ফেলেছি!
তুমি গিয়ে এন্টিচেম্বারে ওয়েল্ডিং করো আমি ক্যামেরা সরিয়ে দিব,
যদিও কাজটা আমার না।
সবাই, স্যুট পরে নাও।
ঠিক আছে, ভরা ভল্টের ভিডিও রেকর্ড করছি যাতে লুপে চালাতে পারি।
তৈরি হলে বোলো,
ভিডিওটা সিকিউরিটি গার্ডদের মনিটরে চালিয়ে দিব।
হ্যালো?
- আপনার ফোন, স্যার। - আচ্ছা। ধন্যবাদ।
ফ্রান্সিওস পলিন্যাক।
কেইলা, আমরা তৈরি।
এন্টিচেম্বার লুপ তৈরি আছে।
চালু করলাম।
অনেক আগ্রহ আছে আমার। সেটাই ঠিক হবে।
আচ্ছা। ফোন করার জন্য ধন্যবাদ।
শুভ সন্ধ্যা। রাখছি।
ধন্যবাদ।
আমরা ভল্টে ঢোকার জন্য প্রস্তুত, কেইলা।
- ঢোকো। - ক্যামেরন।
প্রতিটা বাক্স নিজ নিজ স্থানে রাখতে হবে।
একটুও এদিক ওদিক হওয়া যাবে না।
কেইলা লুপ থামানোর পর সব বাক্স তাদের স্থানে থাকা লাগবে।
চলো শুরু করা যাক।
২৬ নম্বর গয়না।
৫৬ নম্বর গয়না।
৫ নম্বর গয়না।
৫৯ নম্বর গয়না।
৪৬ নম্বর গয়না।
৫৩ নম্বর গয়না।
২৩ নম্বর গয়না।
৩৬ নম্বর গয়না।
এভিগননের এলিনর।
৩৯ নম্বর গয়না।
বোলোনিয়ার বেত্রেসের হার।
মানুষ তো এসবের জন্যই বেঁচে থাকে।
ওহ তাই? জীবনের ব্যাপারে তুমি কী জানো?
তুমি সেই বকোয়াস মানুষ, যে প্যারিসে একটা মেয়ের সাথে তিন রাত কাটাতে,
নিজের ১০ বছরের সুখী সংসার জলাঞ্জলি দিতে পারে।
৬২ নম্বর গয়না।
যে ওর সাথে শোবার জন্য ওকে ফুসলেছে
কষ্টে ভরা নিজের জীবনের মিথ্যা নাটক করে।
ওটা নিছক ছেলেখেলা না।
আমি ওই মেয়েটাকে ভালোবাসি।
তাহলে একটু ধৈর্য ধরো। ওকে সম্মান দাও।
কারো জীবন ধ্বংস করা ভালোবাসা কী করে হয়?
১১ নম্বর গয়না।
সবকিছুই তো মিথ্যে তাহলে একে ভালোবাসা কীভাবে বলতে পারো?
তোমার নাম। ফোন নাম্বার।
দুদিন পর উধাও হয়ে যাবে তুমি, আর ও হয়ে পড়বে নিস্ব।
সম্পর্কটা শেষ হয়ে যাবে বলে
ওকে ভালোবাসা বন্ধ করে দিব না।
যখন এমনটা হবে, আমি যন্ত্রণার সাগরে তলিয়ে যাব।
কিন্তু তার আগ অবধি, আমি বেঁচে থাকতে চাই।
এই নাও। শেষ ডিপোজিট।
তুমি একটা স্বর্থপর।
এই সম্পর্ক কি সত্যিই এত যন্ত্রণার দাবিদার?
অবশ্যই।
ক্যামিলিয়ার সাথে কাটানো ৫ মিনিট
২০ বছরের বৈবাহিক জীবনের চেয়ে বেশি সুখকর।
কিন্তু কারমেন তোমার সাথে শুধু এই কারণে আছে, কারণ ও তোমার চেয়ে ভালো কাউকে খুঁজে পায়নি।
কিছু শুনলে?
কী, স্যার?
ভেতর থেকে আওয়াজ পেলাম।
মেটাল প্রসারিত হচ্ছে বোধহয়। মাঝেমধ্যেই হয়।
ওরা আওয়াজ শুনে ফেলেছে।
দেখুন? কিছু নেই।
খুলো।
ভল্ট বন্ধ হবার পর ১৫ মিনিট পর্যন্ত আর খুলবে না।
না, এন্টিচেম্বার খুলো। সব ঠিক আছে কিনা দেখা লাগবে।
ওরা এন্টিচেম্বারে যাচ্ছে। ব্রুস, ক্যামেরন, সব জলদি বন্ধ করো!
যাও, যাও!
লুপ বন্ধ করছি।
সব ঠিক আছে।
- হ্যাঁ, দেখলাম। - আপনি চাইলে ভল্ট আবার খুলতে পারি।
ওহ খোদা। ওরা বোধহয় ভল্ট খুলবে।
তার দরকার নেই।
- আমি বাসায় যাচ্ছি। শুভরাত্রি, এলিন। - শুভরাত্রি, স্যার।
পলিন্যাক যাচ্ছে।
শুভরাত্রি।
বেটরেন্ড।
ও মেইন গেটের সামনে আছে। বাসায় যাচ্ছে।
কাজ শুরু করো।
আমি বাকিদের জন্য কাজটা শেষ করে যাব।
কিন্তু এরপর আর একসাথে কাজ করছি না।
যখন ভল্ট থেকে সব গয়না চুরি করা শেষ হবে,
তখন রোই আর আমি ওগুলো নিয়ে
হোটেলে যাব, আর বাকিরা সব আগের মতো করে দিবে।
সব আগের মতো করার জন্য আমাদের হাতে ৪ ঘন্টা আছে।
MONEY HEIST BERLIN
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
দামিয়ানের ঘরে রেখেছি সব গয়না।
হুম।
ও ঘুমাচ্ছে।
চলো।
আমার কাছে আসো, সোনা। এই তো। শশ!
চলো।
একবার গয়না হাতে পাবার পর, আমরা সব আগের মতো করে দিব।
প্রতিটা জিনিস তাদের জায়গায় রেখে দিব।
কাটা অংশ জোরা লাগিয়ে দিব।
কাজ শেষে স্টিলকে পলিশ করব, ওকে পেইন্ট করব,
ভল্টকে আবার সীল করে দিব।
আবারও চোখের ভেলকি দেখাবো।
ভল্টের ভেতর আমাদের ঢোকার কোনো প্রমাণ না থাকলে,
আমাদের উপর সন্দেহও করবে না কেউ।
- বেডরুমেরটা শুধু বাদ আছে। - ওটাও বের করে ফেলব।
এগুলো তুমি সাবধানে নষ্ট করে ফেলো।
জানো তো কী করছ?
কী?
ক্লোরোফর্ম প্ল্যানের অংশ ছিল না।
দামিয়ান ঠিক বলছে।
আপনার প্রেম প্ল্যানকে ঝুঁকিতে ফেলছে।
তাই?
এখন ভুল-ঠিক তুমি শেখাবে?
আমার বিড়াল আমাকেই ম্যাও?
নিজের ওউকাত জেনে রাখা ভালো।
ভুলে গেছ বোধহয় কয়েক মাস আগে
তুমি একটা ছিচকে চোর ছিলে ব্যস?
আরেকি ব্যাপার, আমার মূর্খ বন্ধু।
ভুল-ঠিক আমাকে শেখাতে এসো না।
বিদায় হও এখান থেকে।
তুমি তোমার কাজ করো, আমি আমারটা করব।
আমার কাছে এসো, সোনা।
কত সুন্দর তুমি! অনেক সুন্দর!
চলো। আসো। আসো আমার সাথে।
কাজ শেষ হওয়া মাত্র, সব প্রমাণ মিটিয়ে ফেলব আমরা।
আর সিকিউরিটি ক্যামেরা এমিটর্স কখন সরাবো?
সরানো মাত্র ওরা মনিটরে আমাদের দেখতে পাবে।
তখন অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটবে।
যেমন কোনো বড় ধামাকা।
অকশান হাউসের নিচ দিয়ে হাই ভোল্টেজ পাওয়ার লাইন যায়।
যার ব্যাপারে শুধু আমরা জানি।
যার ক্যাপাসিটি ২০ কিলোভোল্টেরও বেশি।
যদি আমরা বিল্ডিংয়ের সব পাওয়ার কানেক্ট করে ডিফারেনশিয়েট সুইচ বাইপাস করে দিই
তবে পাওয়ারের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে
আর অকশান হাউসের সব ডিভাইস পুড়ে ছাই হয়ে যাবে।
তবে, এত বড় ধামাকা করার আগে, ওদের মনোযোগ অন্যদিকে সরানো লাগবে।
আমরা সিকিউরিটি গার্ডদের কল করব হেডকোয়ার্টারের লোক সেজে।
আর সবাই জানো, ওরা পাসওয়ার্ড চাইবে।
ওরা ওদের পাসওয়ার্ড দিবে, আর তোমরা তোমাদের।
আর এর মধ্যে কেইলা সেগুলো মুখস্থ করে ফেলবে।
আমি হেডকোয়ার্টার থেকে ফোন করেছি। আপনার পাসওয়ার্ড?
বিগ বানি, ৩৩। আর আপনার?
নর্থ পোল, ৭৪।
কী ব্যাপার?
বিল্ডিংয়ের বাইরে অস্বাভাবিক গতিবিধি লক্ষ্য করা গেছে।
কয়েকটা গাড়ি ও কিছু লোক পাশের বিল্ডিংয়ে প্রবেশ করছে।
গিয়ে একবার চেক করুন।
ঠিক আছে।
তো পুলিশ যখন ওদের জিজ্ঞেস করবে ওরা সারারাত
মনিটরের সামনে ছিল কিনা,
তখন ওরা বলবে,
"দুই তিন মিনিটের জন্য বাইরে গেছিলাম।"
তখন ওদের মনে প্রশ্ন জাগবে, "চোর কি পিছনের দরজা দিয়ে ঢুকেছে?"
- এলিন? - হেডকোয়ার্টার থেকে ফোন এসেছে।
- কী হয়েছে? - চলো আমার সাথে।
বাকিদের ডাকো।
এলিন।
কিছু নেই এখানে।
আর তখনই,
ভোর তিনটায়, আমরা ধামাকাটা করব,
আর সিকিউরিটির দল হা করে দেখবে।
আরে!
বেটরেন্ড? এই! বেটরেন্ড, শুনতে পাচ্ছ?
আমরা
সারভালেন্স সিস্টেম তো ডাউন করবই,
সাথে ভল্টের দরজা খোলার সিস্টেমও অকেজ করে দিব।
- এলিন, সব ঠিক আছে? - এটা লক হয়ে গেছে।
- কী? - এটা লক হয়ে গেছে।
লক হয়ে গেছে মানে? আবার চেষ্টা করো।
ধ্যাৎ।
ওরা টেকনিশিয়ান ডাকবে।
আর ভল্ট বানানো কোম্পানি
যেহেতু জেনেভায় আছে,
ওদের এসে দরজা খুলতে ছয় থেকে সাত ঘন্টা লাগবে।
মানে কমসেকম।
তাই আমাদের লাগানো সব এমিটার্স
খোলার জন্য যথেষ্ট সময় পাবো।
সিল করার সময় হয়েছে।
সিল করা শেষ।
[অকশান হাউস ডিক্লাইন, এক্সেপ্ট]
ওয়্যারিংয়ের কাজ শেষ হলে,
No comments yet. Be the first to leave one.