لومړۍ 200 کرښې.
মুভিপ্রেমী হলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপঃ "Worldwide Blockbuster Movie Freak"
Intro
Thanks
অনুবাদে সাহায্যের জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানাই "নূরুল্লাহ মাশহুর" ভাইকে।
কোন প্রকার মজা না, তুমি আমার আগে হাঁটো।
দড়িটা শক্ত করে ধরো।
আবার নাস্তায় ভাপা পিঠা?
প্রত্যেকদিন এক জিনিস!
নকশাল উগ্রবাদীদের সাথে মজা হচ্ছে?
এটি ব্যাংকের কার্যক্রম, দয়া করে সহযোগীতা করুণ।
আপনার জন্য কলিজা বাড়িয়ে দিয়েছি।
জানিস, আমি ভার্কি থেকে মাংস কেন কিনি? কেননা সে তাজা মাংস বিক্রি করে।
- ভার্কি, আমার কুকুরের জন্য কিছু ঝড়া মাংস দে। - এই তাড়াতাড়ি কর না!
স্যুপ করার জন্য কিছু হাড় দে।
বলদ কোথাকার, কি করছিস এসব! মশকারা করতে এসেছিস এখানে?
- ঠিক আছে, আমি যাচ্ছি। - আচ্ছা ঠিকাছে।
রানের মাংস এনেছি, ফাদার।
অসংখ্য ধন্যবাদ।
- এই, এখানে কি? - ঐদিকে দিয়ে আয়।
সুভদ্রা, আজ মাংসের কোরমা বানাও।
- ভাইয়া, মাংসের বড় টুকরো, না ছোট? - বড় টুকরো ।
ভাই বোন দুটোরই তার ছেঁড়া।
আমরাও কিন্তু মাছ খাই।
- কিন্তু এটা তো ছোট মাছ। - আগে আমায় টেস্ট করতে দাও।
যা এখান থেকে, শালা বলদ!
আমার ভাই জানতে পারলে তোর চোয়াল ভাঙ্গবে।
টর্চ টা নিয়ে যাও । নয়তো অন্ধকারে পা পিছলে হাড় ভাঙ্গো।
এইটা ধর ।
বার থেকে থমাস কল দিয়েছিল। তাদের তাড়াতাড়ি মাংস লাগবে।
বারের টা পরে দেখা যাবে, প্রথমে কুরিয়াচানের বাড়িতে ৭ কেজি হাড় ছাড়া মাংস পাঠাতে হবে,
তার মেয়ের বিবাহের বাগ্দানের অনুষ্ঠানের জন্য।
ঐ শালার ব্যাটা জীবনে কাউকে দাওয়াত দেয়নি।
বলদ! এভাবে কেউ গাঁটছড়া বাঁধে?
তুই কি তোর শাশুড়ির গাঁটছড়া বাঁধার অনুশীলন করছিস?
পা গুলো একসাথে চেপে ধর।
ধরেছি, মাস্টারজ্বী।
এটার মাথা নীচে করে ধর,
শক্ত করে ধর!
Extra
আরো ভালো করে ধর, হ্যাঁ।
- এই পালালো রে! - এই ধর কেউ!
যেতে দিস না।
ধর তাড়াতাড়ি।
মুভির নামঃ জাল্লিকাট্টু (২০১৯)
Extra
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ নিয়ামুল হক আবেগ।
Extra
এই আগুন লেগেছে! আগুন লেগেছে! সবাই তাড়াতাড়ি পানি নিয়ে আয়!
Extra
সবাই তাড়াতাড়ি যাও, আগুন লেগেছে, আগুন লেগেছে।
- এই চল চল তাড়াতাড়ি যাই! - হ্যাঁ হ্যাঁ সবাই তাড়াতাড়ি করো!
সবাই তাড়াতাড়ি করো, গুরুতর আগুন লেগেছে। সবাই তাড়াতাড়ি যাও পানি নিয়ে।
সবাই সাথে করে পানি নাও! গুরুতর আগুন লেগেছে।
ভাই, ওখানে আগুন লেগেছে।
সবাই, তাড়াতাড়ি চলো!
দেখ দেখ ওখানে আগুন লেগেছে! দোয়া করো যাতে ছড়িয়ে না পড়ে।
চুল বেঁধে নাও।
ভাই এখানে কি হয়েছে?
- এতো শোরগোল কেন ওখানে? - একটা পাগলা মহিষ ছুটে গেছে।
কিন্তু এটা খড় কেন পোড়াবে?
মহিষ তো খড় খায়, তাইনা!
ধ্যাত!
গরীব মানুষের কি এখানে শান্তিতে বাঁচার কোন অধিকার নেই?
প্রভাকর!
দরজা খোল!
কে রে?
আমি, ভার্কি ।
ভার্কি?
কি ব্যাপার?
আমার সাথে আয়!
চিন্তা করিসনা, ভার্কি!
তারা সমভূমির অভিবাসী,
সকাল হওয়ার আগেই তারা ওটাকে ধরে দিবে। তারপর কেটে বেচতে পারবি।
তোর বাবা মাথান এইরকম একটা মহিষকে ধরতে গিয়ে কূপের ভেতরে পড়ে মরেছিল..
তাইনা?
ভার্কি, আমি নিশ্চিত সে এদিকে গিয়েছে।
প্রতিদিন মদ খেয়ে মাতাল থাকতে পারিস,
কিন্তু একটা মহিষকে সামলে রখতে পারিস না!
এই, আগে আমার থেকে গতবারের মাংস কেনার টাকা টা দে!
ওটা আমাদের প্রায় মেরেই ফেলেছিল।
আমি জানি ওটাকে কিভাবে ধরতে হবে। যা এখান থেকে!
তোর কারণে আমার ৫০লিটার গরুর দুধের লোকসান হয়েছে। এটার জন্য তোকেই জবাবদিহি করতে হবে।
যা, গিয়ে পুলিশকে ডাক দে।
যা এখান থেকে ।
আলো জ্বালা ভালো করে।
এন্টোনি কোথায়?
এই, এই, এই, এতো সকালে যাচ্ছিস কোথায়?
মহিষ তো গেলো!
এখানে বেচে থাকা অসম্ভব!
এই ***! মহিষ কোথায়?
বাগানের দিকে দেখেছিলাম।
দৌঁড়ে এটা যেদিকে যাচ্ছে সেদিকেই তছনছ করে দিয়ে
জঙ্গলের দিকে পালালো।
দাঁড়া সবাই!
তোরা সবাই যাচ্ছিস কোথায়?
তোরা তিনজন ঐদিকে যা।
আর তোরা কয়েকজন এদিকে আয়।
ধ্যাত শালা! এইটা কি বাগান না পোকামাকড়ের আড্ডাখানা!
এটাই প্রকৃতি, বন্ধু । এটাই প্রকৃতি ।
এই, এতো তাড়াহুড়ো কিসের? জন্তুটা তোকে একা পেলে শিক কাবাব করবে।
কোথায়? কোথায়?
আয় । তাড়াতাড়ি আয় ।
পিছু নে শালার! যেতে দিসনা একদম।
এইযে, ওটা এদিকেই এসেছিল।
এইতো, এইতো মহিষটা। তাড়াতাড়ি আয় সবাই।
ওটা ওদিকে গেলো।
আরে আরে আরে, গাছপালা নষ্ট করিস না! এগুলো সব ঔষধি গাছপালা।
কি হয়েছে?
ভার্কি যে মহিষটার মাংস আজ বেচতো ওটা পালিয়েছে।
আমরা ওটা ধরতে এসেছি।
ঐ পবিত্র আত্মাকে বাঁচতে দে।
এই দুনিয়াটা প্রত্যেকটা জীবজন্তুর, শুধুমাত্র মানুষের না।
ওটাকে ছেড়ে দিয়ে শান্তিতে বাঁচতে দে।
আমরা মানুষরা এখানে জীবন বাজি রেখে মরছি, আর এই বা** আসছে বয়ান দিতে!
আরে সাঙ্গু! বাজে শব্দ ব্যবহার করিস না। এতে করে পরিবেশে শব্দ দূষণ ঘটে।
সাঙ্গু, তাড়াতাড়ি আয়! ওটা এদিকেই আছে।
আরে গাছপালা দেখে হাঁটাচলা কর!
মহিষটাকে খুঁজে বের কর আর বেধে ফেল!
পওল, শান্ত হও!
পওল, খারাপ শব্দ ব্যবহারে পরিবেশে শব্দ দূষণ ঘটে।
প্রত্যেকটা ছোট ছোট কারণে বাবাকে কল দেওয়ার কি আছে?
একশো বার দিবো, আমার যখন ইচ্ছে বাপের বাড়ি যাবো।
সে নিজেকে ইন্সপেক্টর বলে, কিন্তু নিজের বউয়ের আবদার পূরণ করতে পারেনা।
আমার কথা মেনে চলতে পারলে এখানে থাক, নয়তো তোর অগা বাপের কাছে চলে যা । - অসহ্য লাগছে এসব!
- বাপ মেয়ে দুইটাই পাগল - আমার বাবাকে অপমান করার সাহস হয় কি করে?
- করবো একশোবার! - চলে যাবো আমি এখনই! - গেলে চলে যা না!
যখন থেকে এই ঘরে এসেছিস একটার পর একটা অশান্তি লাগিয়েই রেখেছিস!
কোথাও গিয়ে মরো! তুই গিয়ে তোর বাপের বাড়ি মর!
- বিয়ের এক সাপ্তাহ যেতে না যেতেই এসব শুরু হয়েছিল। - আমি শুরু করেছি!
আসো আসো, মেরে ফেলো আমায়!
হ্যাঁ, হ্যাঁ, তোকেও মারবো তোর বাপকেও মারবো।
মেরে দেখাওনা!
স্যার!
সাব ইন্সপেক্টর, স্যার... - আমি পরওয়া করিনা...
নিজে খুলে নাও দরজা!
স্যার, বাগানটা অনেক পরিশ্রম আর আদরযত্নে গড়েছিলাম।
ঐ মহিষ এসে আমার সবকিছু ধ্বংস করে দিলো।
যদি আপনার কাছে লাইসেন্স করা বন্দুক থাকে, তবে গুলি করে মহিষটাকে মেরে ফেলুন।
আর শুনেন!
আমি কিছু শুনিনি, কিছু দেখিনি ।
- তোর কিছু হয়নি তো! ঠিক আছিস? - টেনে টেনে থ্যাতলে দিলো একদম!
ফাদার!
- কি হয়ে গেলো দেখ! - এমনকি একটি বুনো শুয়োর ও এই জাতীয় তাণ্ডব সৃষ্টি করতে পারবেনা।
ভার্গেস, পুলিশ স্টেশনে কল দে।
নেমে আয়!
নীচে নেমে আয়!
এখন কোন ভেজাল পাকিওনা। পরবর্তীতে সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।
চার্চের জমি কি তোর বাপের?
আমার কথা শোন!
এই সমস্ত জমি ঘন বন ছিল।
আমার বাবা এটি দখল করে আর পরবর্তীতে চার্চকে দান করে দেয়।
আর এই শালা এখানে এনে মহিষ ছেড়ে দিলো। শালা ***** কোথাকার!!
আমিও দেখবো তোর মাংসের দোকান কিভাবে খুলিস আর!
এই, পুলিশকে কল দিয়েছিস?
মাস্টার, পুলিশের গাড়ি আসছে।
এখনই এর একটা ব্যবস্থা করবো।
আমি একটা জরুরী কাজে চার্চে এসেছি। পরে কল দিবো তোমায়।
সরে দাঁড়ান সবাই!
বললাম না আমরা দেখছি!
স্যার ওটাকে গুলি করার কোন আইন নেই মানলাম,
কিন্তু দেখুন শস্যাদির কি পরিমাণ ক্ষতি করেছে এটি।
ফাদার, এখানে সবকিছু পর্যায়ক্রমে নিয়মানুসারে চলে।
ভূমি অফিসারকে অর্ডার দিতে হবে, ভেটেরিনারি সার্জনকে আসতে হবে।
তার মানে এর সমাধানে আরো এক সাপ্তাহ লাগবে।
তার চাইতে ভালো আমরা নিজেরাই এটাকে ধরে ফেলি!
এই, তোমায় বলেছিনা পরে কল দিবো আমি!
আমাকে যখন তখন কল দিয়ে বিরক্ত করবেনা!
আপনারা যা ইচ্ছে করতে পারেন। কিন্তু বন্যপ্রাণী হত্যা করলে,
আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আমরা দেখছি ঘর থেকেও বেরুতে পারবোনা!
সম্মানিত গ্রামবাসী, একটি পাগলা মহিষ চারদিকে ছুটে বেড়াচ্ছে....
আর গ্রামের সম্পদ ও শান্তি নষ্ট করছে।
চারদিকে এর ভয় বিরাজমান।
এটি ইতিমধ্যে অনেক ফসল ও সম্পদ নষ্ট করে ফেলেছে।
ভয় পেওনা বাবা, তুমি কাঁদছ কেন?
একটা পাগলা মহিষ ছুটে বেড়াচ্ছে। বাচ্চা ভয় পাবে।
দরজা টা বন্ধ করে দেই।
আমি জানি কেন!
মহিলা এবং বাচ্চাদের জন্য ঘরের ভেতরে থাকার উপদেশ রইলো।
বয়স্কদের বাহিরে ঘোরাফেরা না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।
এই তোমরা সবাই নিজ নিজ বাসায় যাও।
সকল শ্রমিক ভাইদের কাজে না যাওয়ার অনুরোধ রইলো।
সকল কাজ আপনারা পরেও করতে পারবেন।
কিন্তু প্রথমে নিজের প্রাণ রক্ষা করুণ।
মালিকরা জোর করলে তাদের বিরুদ্ধে কড়া প্রতিবাদ করবেন।
কেননা তারা আপনার জীবন আর সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব নিবে না।
তুই তোর সারাজীবন তার পেছনে ঘুরঘুর করে কাটিয়ে দিলি।
গ্রামবাসী যখন গভীর নিদ্রায় থাকে,
তখন সে এক যুবতী মেয়ে বাসায় একা এক রুমে থাকে।
সে যখন ক্লাস নাইনে ছিল, তার সাথে পিটি টিচারের চক্কর ছিল।
শালি লুইচ্চা নাম্বার ওয়ান!
- সমস্যা কি রে তোর? - ছাড় ওসব!
দেখেছি তার সামনে তোর কতটা চলে, যা যা করে বেড়ায়।
এসব আজাইরা কথা বাদ দিয়ে, যেটা করতে যাচ্ছি সেটায় মনোযোগ দে।
বুঝতে পেরেছিস?
এটি যানবাহন ভাঙ্গাচুর করছে।
আমাদের সম্ভবত কুট্টাচানকে ডাকানো উচিৎ।
ঐ বা*টার নাম একদম নিবিনা!
এসব কি করছিস! ছাড়! কেন ঝগড়া করছিস? ঝগড়া করিসনা!
সকাল সকাল এতো চেঁচামেচি কিসের?
No comments yet. Be the first to leave one.