لومړۍ 200 کرښې.
❤️সাবটাইটেল সমন্ধে 'বাংলা সাবটাইটেল মেকার্স বিডি (BsmBD)' গ্রুপে আপনার মতামত দিন❤️
আমি রবি...
জীবনে যেকোন কিছু ঘটতে পারে।
এমনকি যেসব জিনিসের কল্পনাও আমরা করি না।
আমার জীবনের গল্পটাও তেমনই অবিশ্বাস্য...
স্যার, এই ফর্মের "জাত" আর "ধর্ম" পূরণ করা হয়নি।
- "বর্ণ" মানে কী, খোকা? - আমি জানি না, বাবা।
আমরা তাদের এমন কিছুর শিক্ষা দিচ্ছি যার ব্যাপারে তাদের ধারণাই নেই।
এসব বাদ দিয়ে, আমার ছেলেকে তার ক্লাসের বন্ধুদের সাথে সমানভাবে বড় হতে দিন।
আমি ওগুলো পূরণ করব না। আপনাকে ধন্যবাদ।
ব্যাস, কাজ শেষ।
সে রবিবারের সময়টা 'ধোকরা মূর্তি' বানিয়ে কাটাতেই পছন্দ করে।
লোকজন সমালোচনা করলেও, পছন্দ মত কাজই আমাদের করা উচিত।
এটা সবসময় উপকারে আসবে।
ওটা ভাঙা কেন, বাবা?
এই টুকরো, তাই না?
আমাদের পরিবারের সবার পছন্দের মানুষটির হাতে, এটা দেওয়া হয়।
আমার বাবা আমাকে দিয়েছিলেন, আর এখন, এটা আমি তোকে দিচ্ছি।
ওটা পেয়ে খুব খুশি হয়েছিলাম।
হবো না কেন?
এটা প্রমাণ করে, আমি বাবার সবচেয়ে প্রিয়।
ধন্যবাদ, বাবা।
এটাকে সাবধানে রাখবি।
রবি, আয় ক্রিকেট খেলি।
আসছি, মনি।
আমি নব্বইয়ের দশকে বড় হয়েছি।
আজহারউদ্দিন!
রাস্তাই ছিল আমাদের খেলার মাঠ!
আমাদের কাজ কারবার যাই হোক না কেন আমরা দল বেঁধে সেই কাজ করতাম।
সেমাইয়ের লাঠি আইসক্রিম খেতে আমরা এক সপ্তাহ ধরে টাকা জমাতাম।
আরে, বরফেরটা দিন!
মনে আছে, আমরা সব জায়গা থেকে সাইকেল আর বাইক ভাড়া করতাম?
১ ঘন্টার জন্য ৩ টাকা।
ক্রিকেট খেলা, প্রেমপত্র, পিয়ন, শচীন টেন্ডুলকার, কুস্তি, ট্রাম্প কার্ড।
আমরা কীভাবে এতসব উত্তেজনার কথা ভুলে যেতে পারি?
বিশটা ঘর মিলে একটা টিভি শেয়ার করতাম।
একটা টেলিফোন দশটা ঘরে ব্যবহার করত।
১ মিনিট...
ঊষা তোর ফোন এসেছে।
মনে হয় ঊষার ফোন এসেছে।
এমনকি এই অদ্ভুত খেলাগুলো ছোট হলেও, আমাদের আনন্দ ছিল অনেক বড়।
কিরে কাঁদছিস কেন? কী হয়েছে?
ও বাবার দাড়ি কাটার আয়না ভেঙে ফেলেছে, বাবা ওকে পেটাবে বলে ভয় পাচ্ছে।
ওহ! চিন্তা করিস না, সোনা।
আমি বাবাকে বলব, ওটা ভুল করে ভেঙে গেছে।
এক মিনিটের জন্য বাইরে আয়।
তুই তাকিয়ে তাকিয়ে ওর কান্নাকাটি কেন দেখছিলি? ওকে সান্ত্বনা দিতে পারলি না?
আমি জানি, যাই হোক না কেন, বাবা ওকে শাস্তি দিবেই।
আমি কীভাবে তাকে সান্ত্বনা দেবো?
আমার কথা শোন।
যদি কেউ আমাদের সামনে কাঁদে অথবা তাদের চিন্তার কথা প্রকাশ করে,
তারা আমাদের কাছে সেটা সমাধানের আশা করে না।
কেউ তাদের হাত ধরে বলবে,
'ভয় পেয়ো না, তোমার পাশে আমি আছি।'
তারা শুধু স্বান্তনা পেতে এই কথাগুলোর আশা করে।
তুই কিছু করতে পারিস আর না পারিস, সেটা তাদের কাছে জরুরি নয়।
কিন্তু সেই সময় আশ্বস্ত করার জন্য তাকে যা বলবি,
"আমি তোমার পাশে আছি।"
এটাই জরুরি। তুই কি বুঝতে পেরেছিস?
ঠিক আছে, যা।
ওকে এখন স্বান্তনা দে।
আমি তোর পাশে আছি, দিব্যা। ভয় পাবি না।
১৯৯৯ সাল...
এই বছরের কথা আমি জীবনেও ভুলতে পারব না।
১৫৩... ১৫৪... ১৫৫...
আমি খুব খুশি হয়েছিলাম।
পরীক্ষায় পাশ করার জন্য নয়,
প্রতি বছর নতুন মেয়েরা স্কুলে ভর্তি হয়, তাই না?
আমাদের স্কুলের মেয়েরা বোকা প্রকৃতির হয়ে থাকে।
কিন্তু আজ নতুন করে ভর্তি...
- হাই, ভিগনেশ। - /i>নতুন মেয়েরা...
একমুঠো স্বপ্ন নিয়ে দ্বাদশ শ্রেণীর প্রথম দিনের ক্লাসে গেলাম।
আরে, কী খবর!
বুকে আয় দোস্ত। লাইফবয় সাবান দিয়ে গোসল করেছিস তো?
মোটামুটি...
বেশি মোটামুটি...
'ইডলি' বানানোর ছাঁচ...
মেজাজ খারাপ হয়ে গেল!
হাই, আমি ভূমিনাথান।
হয়তো লজ্জা পেয়েছে!
- আকাশ রাজা। - উপস্থিত, মিস।
আনন্দ কুমার।
উপস্থিতি নেবার জন্য এটা আবার কেমন নিয়ম?
এটা কি তাহলে মেয়েদের জন্য আনন্দ, উৎফুল্ল আর প্রতিক্রিয়া দেখানোর শেষ ঘন্টা?
রবি, এই বিভাগ হলো যাদের নাম "ম" দিয়ে শুরু।
তুমি হচ্ছ পরের বিভাগে।
আমার কাছে বিস্কুট আছে।
আমার কাছে একটা পেনসিল,
আর একটা বোতামওয়ালা পেন্সিলের বাক্স আছে।
এছাড়া একটা সুগন্ধি রবারও আছে।
তোর কাছে কি বিস্কুট আছে?
না নেই।
এই অর্ধেক তোর জন্য।
চল, আমরা সারা জীবনের জন্য বন্ধু হয়ে যাই।
ঠিক আছে, দোস্ত।
তুই এখন যা, আমি চিৎকার করে কান্নাকাটি করে তোর কাছে আসব।
যেকোন উপায়ে ওই বিভাগে চলে আয়।
- মন খারাপ করিস না। - কৌশল করে হলেও আসবি।
আমি এখনি তোর কাছে আসছি।
আমাকে ছেড়ে দে, আমার বন্ধু আমাকে এরমধ্যেই মিস করছে।
মনে হচ্ছে, ও যাবে না।
সাবানের বাক্সের মত চেহারা! ওকে বল...
ও চলে গেছে... খুশি!
- আমার নাম নিকিতা। - মাফ করবেন, মিস।
বাবার নাম কৃষ্ণমূর্তি।
হ্যাঁ, ভেতরে এসো।
উনি এইচডিএফএস ব্যাংকে চাকরি করে।
আমার মায়ের নাম সাত্তিয়া।
গৃহিনী...
আর আমি মাদিপাক্কামে থাকি।
মাদিপাক্কাম!
এটা যে ওরই বাড়ি, তুই কীভাবে এতটা নিশ্চিত হলি?
আরে দোস্ত, হাজিরা খাতায় ঠিকানা আর ফোন নাম্বার লেখা থাকে, তাই না?
আমি ওটা চুরি করে এনেছি।
নিকিতা, এই যে এখানে।
- আরে! কোনও ঠিকানা নেই? - মনে হয় পূরণ করেনি।
আয় হায়! ওর ফোন নাম্বারটা লিখে নে।
২২৫৮ ২৯৯৯ চল, দ্রুত ভাগি।
আমি দিনরাত ধরে ফোনবুকে ওই নাম্বার খুঁজে অবশেষে বের করতে পেরেছি।
কিন্তু রাস্তার জন্য আমি দ্বিধায় পড়ে গিয়েছি। রাস্তায় পুরনো আর নতুন দুটো নাম্বারই লেখা রয়েছে।
তাই আমি ওই নাম্বারে কল করি।
আমি ১০১% নিশ্চিত এটাই।
মনে হয়, উনি ওর মা।
- ওকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। - ওর মাকে যদিও ভালই লাগছে!
ক্ষমা করবেন।
আমি এখন ওর বাবাকে দেখতে পাচ্ছি।
হ্যালো?
সে হ্যালো বলছে। এটাই ও!
হ্যালো?
সে হ্যালো বলছে।
এটাই নিকিতা!
হ্যালো?
হ্যালো বলছে। এটা ওর মা!
কোন গাধাটা প্রতিদিন ফোন করছে? আমি ঝাড়ু পেটা যদি না করেছি!
হাই।
- আমি এখানে চলে এসেছি। - ও হাই বলেছে।
- তোদের বিয়ে কবে? - বিয়ে, তাই না?
আমার প্রিয় ছেলে!
পাকোড়া খেয়ে তারপর পড়াশোনা কর।
এই "কমপ্লান"-টুকু পান করে নে।
ভালোবাসা!
আমরা কি ক্লাসের পড়ায় ফিরে যাব?
তিনটা "সিমঝি" ধ্রুপদী ভাষার নাম বলো।
দেনমোঝি, কানিমোঝি, ইলমমোঝি।
তারপর মোঝি, কানি মোঝি, ইলম মোঝি।
এত হাসির কী হলো?
পাগলী মহিলা! সে কেন চিৎকার করে হাসছে?
মনি, সুন্দর একটা জোকস বলেছিস।
- ধন্যবাদ। - মনি...
উনাকে বলে দে, এটা আমার জোকস।
আমি কীভাবে বলব? সবাই তো হাসছে!
এখন এটা আমারই জোকস।
আমরা কি ক্লাসের পড়ায় ফিরে যাব?
তিনটা শাস্ত্রীয় তালিকা লেখ...
বাদ দিন, মেডাম।
মনি, ওটা দারুন জোকস ছিল।
ধন্যবাদ।
ওটা আমার জোকস ছিল। আমিই ওটা বলেছিলাম!
- রবির কথা বিশ্বাস কোরো না। - রবি, চুপ কর।
- একদম চুপ! - ১ মিনিট পরে আমি ফিরে আসছি।
মিস... মিস...
মনে হচ্ছে এটা বছরের সেরা জোকস!
এর জন্যই আমি বেশি জোকস বলি না। অন্যরা আমার বলা জোকস চুরি করে ফেলে!
- অধ্যক্ষ! - মনি...
আমি তোর জোকসটা প্রিন্সিপালকে বলেছি।
আরে, মনি! এটা চমৎকার জোকস ছিল।
আপনাকে ধন্যবাদ, আমি কৃতজ্ঞ, স্যার।
পরে বলার মত অনেক জোকস আমার মাথায় আছে।
শুধু তোর কারণেই স্কুলের বারোটা বেজে যাচ্ছে।
- ধন্যবাদ। - সুপার জোকস, মনি।
কলমের নিব ভেঙে গেছে!
ওটা আমার জোকস ছিল...
- আজকে আমার ভালোবাসা প্রকাশ করব। - ঠিক আছে।
- আমি কথাটা তাকে পরে বলব। - ঠিক আছে।
হাই
- আমি... - পরে বলব।
তুই তাকে পরে বলতে চাস, তাই না?
এটা কী?
আমি ঠিক করেছি সবাইকে শেখাব, কীভাবে এত সুন্দর ধোকরা মূর্তি বানাতে হয়।
- বাহ, কি দারুন! - তোমার এটা পছন্দ হয়েছে?
- এটা নাও। - না, না।
আমি আমার ক্যামেরা নিয়ে এসেছি।
আমি কি তোমাদের সবার একটা ছবি তুলতে পারি?
এটা ওর লক্ষ্য। ছবি তুলবে... সবাই ভালো করে দাঁড়া।
আমার পায়ে পারা দিবি না।
সুরেশ, নিচে বসে পড়। আমাদের আড়াল করবি না।
তাহলে এই "ভাজ্জি" দোকানেই ঘটনা ঘটবে?
হ্যাঁ, এখানেই ঘটনাটা ঘটবে।
জানতে চাস কেন?
সে এখানে প্রতিদিন আসে, আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বৃষ্টি থাকুক আর রোদ থাকুক।
একদিনও বাদ যায়নি।
কারণ,
ডিম পিঠার দোকানের মহিলার পিছন দেখে সে মোহে পড়ে গেছে।
গাজাকে যদি আমাদের হত্যা করতেই হয়, তবে তাকে কোনকিছু টের পেতে দেওয়া চলবে না।
শুধু যখন সে তার কোমর আর পেছনে তাকায়, তখনই সে একটা মোহে থাকে।
যখন তার ভাজা পেঁয়াজের পিঠা শেষ হবে, তখন সে কাঁচা কলা কাটার জন্য নিবে।
৬০ সেকেন্ডের জন্য সে ঝুঁকে থাকবে।
সে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে পেঁয়াজ কাটে।
একইভাবে দাঁড়িয়ে সে কলা কাটে।
তাই, কলা কাটতে তার ১ মিনিট সময় লাগে।
No comments yet. Be the first to leave one.