لومړۍ 171 کرښې.
আচ্ছা, অ্যাাভাটারে যখন ওরা প্যান্ডোরায় সেক্স করলো...
তখন ওরা ওদের ঝুটি সংযোগ করলো।
কাজেই আমরা জানলাম, যে ওদের ঝুটি যৌনাঙ্গের কাজ করে।
হ্যাঁ, তো?
তো যখন ওরা ঘোড়ার ওপর চড়ে বা পাখির ওপর বসে ওড়ে...
-তখনো ওরা ঝুটি সংযোগ করে। -কী বলতে চাইছ?
আমার কথা হল, যদি আমি ঘোড়া বা পাখি হতাম, তাহলে জেমস ক্যামেরনের আশেপাশে ভয়ে থাকতাম।
আমার অবাক লাগে, তুমি কী পরিমাণে কাল্পনিক চরিত্র নিয়ে পড়ে থাকো...
যেখানে বাস্তবে কত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আছে চিন্তা করার মতো।
যেমন, উইলিয়াম শ্যাটনার কেন নতুন স্টার স্ট্রেক সিনেমায় ছিল না?
এই, শেল্ডন... আমি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফিসের ওদিকে ছিলাম...
তখন সৌভাগ্যবশত চ্যান্সেলরের বিজ্ঞান পুরস্কারের...
বিজয়ীর নাম শুনে ফেলেছি।
এখন তুমি কি এটা বলে আমার অবদান আবারও উপেক্ষা করা হয়েছে বলে কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিতে এসেছ?
আমি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের উইলিয়াম শ্যাটনার।
আচ্ছা, আমি জানতে চাইছি...
নিজেকে গুরুত্তপূর্ণ ভাবা, কোন গর্বিত লম্পটকে এবার সম্মাননা দেয়া হচ্ছে?
ওহ, খুবই ভালো লাগলো তুমি এভাবে জিজ্ঞেস করাতে, তুমি।
-আমি জিতেছি? -তুমি জিতেছ।
আমি জিতেছি।
কি আশ্চর্য।
আমি পুরস্কার জিতেছি সেটা না। আমার থেকে বেশি কারো প্রাপ্য ছিল না।
আসলে, আমার মনে হয় ভুল বলেছি। এটা আশ্চর্য না।
বলা যায় অনেকটা অনিবার্য।
বুঝতে পারছি না কী করবো। হয়তো আমার মাকে ফোন করা উচিৎ।
দাড়াও, বুঝতে পেরেছি, আমি আমার নিজের একটা ইন্টারভিউ নিয়ে...
অনলাইনে পোস্ট করবো।
যাক, ভালোই হল ওর।
হ্যাঁ, তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের উইলিয়াম শ্যাটনারের একমাত্র...
যেটা দরকার ছিল, তা হলো নিজেকে শ্রেষ্ঠ ভাবার আরও এক ধাপ বৃদ্ধি।
S03 E18 · The Pants Alternative
দেখে কি মনে হচ্ছিল না ওই বর্শা একেবারে খুলির ভেতর দিয়ে যাবে?
না।
তুমি সেভেন-ইলেভেনে স্লারপি না খেলে, চশমাও পাবে না।
ওহ, আরও একটা অভিনন্দনসূচক কল হয়তো আমার জন্য।
-শব্দ বন্ধ করো, প্লিজ। -থামো, দাড়াও... আগুনের তীর।
হ্যালো?
ওহ, চ্যান্সেলর মর্টন, কেমন আছেন, স্যার?
জি, আমি আপনার কলের অপেক্ষা করছিলাম। তিন বছর আগে।
বুঝেছি।
আমি যদি বক্তৃতা দিতে না চাই, তাহলে?
আচ্ছা, আর আমি যদি পুরস্কার না হারাতে চাই?
আচ্ছা, আপনি তো তাহলে ব্যবস্থা করেই রেখেছেন।
ঠিক আছে, ধন্যবাদ।
-গণ্ডগোল। -কী?
ওনারা চাইছেন আমি ভোজসভায় একটা ভাষণ দেই।
আমি ভাষণ দিতে পারি না।
না, তোমার ভুল হচ্ছে। তুমি সবসময় ভাষণ দাও।
যেটা তুমি পারো না, সেটা হলো চুপ থাকা।
হ্যাঁ, সিনেমা শুরুর আগে তুমি বিশ মিনিট ধরে গোয়াকামোলি...
কেন বাদামি হয়, সেটা বকছিলে।
তুমি কথা বলতে বলতেই বাদামি হয়ে গেলো।
ছোট দলের মধ্যে কথা বলতে আমার কোনো সমস্যা নেই।
আমি জনসমাগমে কথা বলতে পারি না।
তোমার কাছে জনসমাগম কী?
আমাকে পদদলিত করে মেরে ফেলতে পারবে, এমন সমাগম।
সাধারণ ধারা হচ্ছে, ৩৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক, বা ৭০ জন বাচ্চাকাচ্চা।
শেল্ডন, অভিনন্দন।
তোমার জন্য রেস্টুরেন্ট থেকে চিজকেক এনেছি।
তোমার পুরস্কারের জন্য, বেয়াড়া এটার ওপর হাঁচি দিয়েছে, এজন্য না।
-আমি পুরস্কার নিচ্ছি না। -কেন?
জানা গেছে, মহান শেল্ডন কুপারের মঞ্চভীতি আছে।
এটা পিছে হটার কোনো কারণই না।
আমি একবার হাই স্কুলে বিরাট একটা সম্মাননা পেয়েছিলাম।
আমি ওই এত মানুষের সামনে দাঁড়ানোর সময় প্রচণ্ড ভয়ে ছিলাম...
কিন্তু আমি সেটা মোকাবেলা করেছি, আর জানো?
একটা খড়ের স্তূপের ওপরের দুনিয়াটা একটা ফোর্ড এফ-১৫০...
এর পেছনে কর্ন কুইন কোর্টে বসে দেখতে অসাধারণ লাগছিল।
ধন্যবাদ, মাথায় রাখবো এটা...
যদি আমি কখনো হিলবিলি শান্তি পুরস্কার পাই।
-শেল্ডন, তুমি হাস্যকর কথা বলছ। -তাই?
তোমাদের একটা গল্প বলি।
দরকারের সময় ৭০ টা বাচ্চা কোথায় থাকে?
আমার বয়স তখন চৌদ্দ, কলেজ থেকে সুম্মা কাম লাউডে হয়ে স্নাতক শেষ করছি।
"সুম্মা কাম লাউডে" এই ল্যাটিন কথার মানে সর্বোচ্চ সম্মাননার সাথে।
এই যে তুমি যেভাবে কেউ যেগুলো জিজ্ঞেস করে না সেগুলো বাদ দাও, আমার খুব ভালো লাগে।
আমি ভ্যালেডিক্টোরিয়ান ছিলাম, আর একটা ভাষণ দিতে বলেছিল আমাকে।
এখনো, আমার ওই মুহূর্ত মনে আছে...
আমি যখন মঞ্চে উঠলাম আর মানুষের দিলে তাকালাম...
ওখানে নির্ঘাত হাজার খানেক মানুষ ছিল।
আমার বুকের ভেতর কলিজা লাফাতে লাগলো।
আমি আতঙ্কিত হয়ে গেলাম।
আমার দৃষ্টি ঝাপ্সা হয়ে গেলো, আর কিছু বোঝার আগেই...
ওহ, খোদা।
-হায় ঈশ্বর, -শেল্ডন?
-শেল্ডন, ঠিক আছ? -আমাকে পদদলিত কোরো না।
আরে, মা তুমি তো জানো কেন আমি এই পুরস্কার নিতে পারবো না।
সম্মানের সাথে বলছি, আমার মনে হয় না প্রার্থনা কোনো কাজে আসবে।
না, আমি "জিসাস, টেক দা হুইল" গানটা শুনিনি।
না, না, না, তোমাকে এখন গাইতে হবে না।
হ্যাঁ, আমি আই টিউন থেকে কিনে নেবো, মা।
বাই, মা।
হ্যালো।
-বসো। আমরা তোমার সাথে কথা বলতে চাই। -আমি কি কিছু করেছি?
আমার মা কি তোমাদের কল দিয়েছে?
বসো আগে।
আমাদের ধারণা আমরা তোমার মঞ্চ ভীতি দুর করতে সাহায্য করতে পারি।
ওহ, আমার সন্দেহ আছে।
আমি নিজেই কোনো উপায় বের করতে পারি নি, আর আমি তোমাদের সবার থেকে অনেকটাই বুদ্ধিমান।
হ্যাঁ, কিন্তু তুমি আমাদের জোড়া বুদ্ধির থেকে বেশি বুদ্ধিমান নও।
ওহ, দুঃখিত। আমি সেটাই বুঝিয়েছি।
আচ্ছা। তোমার সমস্যা হচ্ছে তুমি সবকিছু নিজে নিজে করার চেষ্টা করছ।
আমরাও তোমাকে সাহায্য করতে পারি। তোমার দলের সদস্য হয়ে।
যেমন প্রোফেসর জেভিয়ার আর তার এক্স-মেন।
আমার এক্স-মেন পছন্দ অবশ্য।
আমি কি এক্স-মেন দেখেছি?
হ্যাঁ, আমরা গত সপ্তাহে দেখলাম, তুমি বললে তোমার ভালো লেগেছে।
ওহ, আমি অনেক কিছুই বলি, সোনা।
তো, কেমন হয়, শেল্ডন?
বুঝতে পারছি না, তোমরা যদি আমার এক্স-মেন হও, তোমাদের পাওয়ার কী কী?
আচ্ছা, আমি তোমাকে শপিং এ নিয়ে যাবো, তোমাকে একটা সুন্দর স্যুট কিনে দেবো।
-তোমার মনোবল বাড়াতে পারে। -এটা এমন কোনো পরিবর্তন না...
যার কারণে তুমি জেভিয়ারের প্রতিভাধর তরুণদের স্কুলে ভর্তি হতে পারবে...
কিন্তু, বলে যাও, লেনারড?
আমি ভেবেছি তোমাকে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করে তোমার এই ভীতির মূল কারণ উৎঘাটন করবো।
আমার মন বোঝার চেষ্টার জন্য তোমার যোগ্যতা কী?
আমার মা একজন অতি সম্মানীয় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ...
আর আমি নিজে তার থেরাপিতে ছিলাম...
যবে থেকে আমার মা আমাকে সহ-নির্ভরশীল ভাবে বুকের দুধ খাওয়ানোর দোষারোপ করেছে।
আর রাজ বলছে ও তোমাকে... কী বললে নামটা?
জানি না, আলতু ফালতু কোনো ভারতীয় মেডিটেশন শেখাবে।
বুঝলাম, আমার ধারণা যেহেতু তোমাদের বাকিদের মান এত নিচে...
যে সবথেকে সেরা অবদান নিশ্চয়ই শেষে বলবে বলে রেখেছ।
বলে ফেলো, হাওয়ারড, চমকে দাও আমাকে।
আমার পাওয়ার হচ্ছে, আমি ভান করতে পারি যে তোমার এই অর্থহীন সমস্যার...
ব্যাপারে আমার কোনো মাথা ব্যাথাই নেই।
সেটা সবসময়ের জন্য, বন্ধু।
আর আমি এই ভান করার তারিফ করি।
তো, তুমি কী বলো, শেল্ডন? আমরা কি তোমার এক্স-মেন?
না, এক্স-মেনের সবার নাম হয়েছিল চার্লস জেভিয়ারের এক্স অক্ষর থেকে।
যেহেতু, আমি শেল্ডন কুপার, তাই তোমরা হবে আমার সি-মেন।
খুব একটা ভালো নাম হলো না।
ঠিকাছে, শেল্ডন...
আমি তোমাকে কিছু মেডিটেশন এক্সারসাইজের মধ্যে দিয়ে পরিচালনা করবো।
এই পদ্ধতি এসেছে সুদূর প্রাচীন ভারতের গুরুদের থেকে...
আর সাথে আমার নিজের ভয় কাটাতেও সাহায্য করেছে।
তারপরও তুমি মেয়েদের সাথে কথা বলতে পারো না।
সত্যি, কিন্তু মেডিটেশনের কারণে আজ...
আমি হিসু করা ছাড়া ওদের সাথে এক ঘরে থাকতে পারি।
এবার, চোখ বন্ধ করো।
ঠিকাছে, কিন্তু আমাকে ঘুষি মেরো না।
-কী? -যখন ছোট ছিলাম, আমার বোন বলতো...
"চোখ বন্ধ করো, একটা সারপ্রাইজ দেবো।"
তারপর ও আমাকে ঘুষি মারতো।
-আমি তোমাকে ঘুষি মারবো না। -এটাই আমার বোন বলতো।
-আচ্ছা, তুমি কি চাও নাকি না? -দুঃখিত, শুরু করো।
ঠিক আছে...
মনে করো তুমি সবথেকে স্বস্তি বোধ করো, এমন একটা জায়গায় আছ।
-কী সেটা? -সিমসিটি।
আরও বিস্তারিতভাবে, আমার নকশা করা সিমসিটি, শেল্ডনোপলিস।
আচ্ছা, তুমি শেল্ডনোপলিসে।
এখানে কোথায়? শেল্ডন স্কয়ার?
শেল্ডন টাওয়ার্স? শেল্ডনদের সাথে লড়াই এর জায়গা, শেল্ডন স্টেডিয়ামে?
যেখানে তোমার খুশি।
আমি ভেবেছিলাম, এটা নির্দেশনা মোতাবেক মেডিটেশন হবে।
বেশ, তুমি শেল্ডন স্কয়ারে।
আসলেই? বছরের এই সময়ে? কিছুটা ঠাণ্ডা ওখানে।
তাহলে সোয়েটার পরে নাও।
তাহলে, আমি ডাউনটাউনে গিয়ে শেল-মার্ট থেকে কিছু একটা নিয়ে আসছি।
হ্যাঁ, যা খুশি করো। সোয়েটার কিনে আনো।
জানো, শেল-মার্ট এর আকর্ষণীয় ব্যাপার হল, এটা আমার নিজের, তাই আমি ১৫ শতাংশ ছাড় পাই।
তুমি ওই ছাতার মালিক, এমনিই সোয়েটার নিয়ে নাও।
শেলফ থেকে এমনি এমনি জিনিস তুলে নেয়ার কারণে...
গত তিন মাসে আমার কোনো লাভ হয় নি।
ঠিক আছে।
তুমি সোয়েটার কিনেছ, আর এখন তুমি শেল্ডন স্কয়ারে।
দাড়াও।
কার্ডিগান। আমার বোতাম লাগাতে হবে।
-ওহ, না। -এখন কী?
গডজিলার মত একটা দৈত্য শহরের দিকে আসছে।
আমার লোকেদের নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যেতে হবে।
No comments yet. Be the first to leave one.