لومړۍ 200 کرښې.
সাপ্লাই অনেক কম।
৩ দিনের বেশি চলতে পারবো না।
সময় এসেছে কাঞ্জি...আমাদের ফিরতে হবেই।
আপনি লিখতে যান, মি. ইসায়ামা।
যতদিন আন্দামানের কালো পানিতে জাপানের রক্ত সূর্য আলো ছড়াবে,
আমি আমার পদ ছাড়ব না।
কিন্তু ৩৯ দিন হয়ে গেছে!
আরও আগেই প্লাটুনের আসার কথা।
ওদের জন্য অপেক্ষা করতে হবে আমাদের। এখানেই!
তাহলে আমি আদেশ করলাম, প্রাইভেট (সৈনিক) ।
ভুলে যাবে না আমি তোমার চেয়ে উচ্চপদস্থ।
আমরা একটা যুদ্ধের মাঝে আছি।
প্রতিটা সৈনিক এখন ডাক্তারের চেয়ে উচ্চ পদের।
আমার মতো লোকেদের আনা হয় আঘাত হানার জন্য, যাতে আপনার মতো লোকেরা তাদের চিকিৎসা করতে পারে।
মি. ইসায়ামা, আপনি- -
সম্রাট দীর্ঘজীবী হোক।
সম্রাট দীর্ঘজীবী হোক!
সম্রাট দীর্ঘজীবী হোক!
হিদেও...ওটা হিদেও!
- ওই, হিদেও। - সম্রাট দীর্ঘজীবী হোক!
কী হয়েছে? বাকিরা কোথায়?
হিদেও...বাকিরা কোথায়?
- পেছাও, কাঞ্জি! - মহামারীতে আক্রান্ত হয়েছে সবাই।
ওর কাছ থেকে দূরে যাও।
মহামারী...সবাই আক্রান্ত হয়েছে।
ওর জন্য পানি নিয়ে আসো। আর আমার ক্যামেরা...এক্ষুনি।
হিদেও, কেউ কি বেঁচে আছে?
আমাদের স্কোয়াডের কেউ বেঁচে নেই।
কিন্তু একটা ইউনিটের দুজন বেঁচে ছিল।
অবাক করার মতো ব্যাপার।
মহামারী...
ওরা সম্পূর্ণরূপে মহামারী থেকে নিরাপদ ছিল।
নিরাপদ?
হ্যাঁ। জেংকিন দ্বীপে যান।
বোগার্ট পাহাড়ের চুড়ায় পাবেন তাদের।
লাশ পাহারারত অবস্থায়।
সৈনিকদের...নাম জানো তুমি?
ওরা...ওরা সৈনিক নয়।
ওরা...
খোদার পছন্দের বান্দা।
: . : . : K A A L A P A A N I : . : . : Season 01 | Episode: 04 Translated by: Habib Siam
~~~ Eraba Reta Mono ~~~
কে?
এসপি?
মর্নিং স্যার।
মর্নিং শিবা।
আজকের ব্যাড নিউজ সকালের নাশতারও আগে?
সরি স্যার, কিন্তু জরুরি ছিল।
এটমের উপরমহলের সবাই আন্দামান ছেড়ে চলে গেছে।
আর কোথায় সেটা আমাদের জানা নেই স্যার ।
সন্তোষ স্যার...স্যার?
আপনি ঠিক আছেন?
চলুন স্যার। পানি বাড়ছে। ঢেউ আসার আগেই আমাদের যেতে হবে।
চলুন স্যার।
বোটের কী হয়েছে?
লন্ডভন্ড হয়ে গেছে, স্যার।
ঝড় আসাতে মোটর নষ্ট হয়ে গেছে।
কোথায় আছি কে জানে। উপরে গেলে হয়তো জানতে পারবো।
দেখে আসুন, স্যার।
কোথায় আছি আমরা?
পোর্ট ব্লেয়ার থেকে কতদূরে আছি?
স্যার, আমরা সবখানে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি।
এটমের কর্মকর্তাদেরকে সর্বশেষ বন্দরের দিকে যেতে দেখা গেছে।
কিন্তু তাদেরকে ফিরতে দেখেনি কেউই।
মানে, এতো জোরদার কারফিউয়ের পরও...
এই দ্বীপ থেকে যারা পালাতে পেরেছে ব্যক্তিরা তারা এখানকার সব থেকে ধনী লোক?
কী মনে হয় আপনার?
এই কাকতালীয় ঘটনায় সাধারণ জনগণ কেমন প্রতিক্রিয়া জানাবে?
স্যার, জানি ব্যাপারটাতে কর্তৃপক্ষের বদনাম হবে।
তারা আমাদের ওপর থেকে ভরসা হারাবে, শিবা।
এতো দুর্দশার পরেও যদি মানুষ গৃহবন্দী হয়ে থাকে,
সেটা কেবল আমাদের প্রতি বিশ্বাস থাকার কারণে।
না।
দ্বীপবাসীর কাছে আমরা ঋণী। যারা তাদের প্রিয়জন হারিয়েছে, তাদের প্রতি।
এই খবর আমাদের জনগণের পৌঁছার আগেই আমাদের এদের কাছে পৌঁছাতে হবে।
আমাদের জানতে হবে তারা কোথায় আছে এবং তারা কোথায় যাচ্ছে।
শিবা, কেউ তো এমন আছে, যিনি এদের ব্যাপারে কিছু জানে।
একজন আছে,
কিন্তু আমার মনে হয় সে ভরসার পাত্র হবে।
ও না।
স্যার, দুঃখিত বলার জন্য, কিন্তু আধা ঘন্টা হয়ে গেছে।
প্রথমে উসমানকে, পরে শরতকে আমার জন্য চা আর স্ন্যাকস আনতে বলেছিলাম।
একবার চেক করতে পারবেন?
কেতন, আমি সোজা এলজি স্যারের ওখান থেকে এসেছি।
আর আমি সোজাসাপ্টা জবাব চাই।
কোথায় আছে ওরা?
মাত্রই তো বললাম, স্যার।
- ভেবেছিলাম আমার চা আনতে গিয়েছে। - আমি...
কেতন, তুমি ভালো করেই জানো আমি তোমাকে কী জিজ্ঞেস করছি।
স্যার, আমার বিবৃতি আপনি নিজেই নিয়েছেন।
তুমি কি সত্যিই আমাকে বিশ্বাস করাতে চাও যে, তোমার পৌঁছার আগে ওরা চলে গিয়েছিল?
আর কেউ একটা তোমাকে মারধর করে,
আর যখন তুমি জেগে উঠলে তখন আমরা সেখানে ছিলাম।
একটু বেশি সুবিধা হয়ে গেলো, তাই না?
আমি জানি আমি কয়েকবার নেকড়ে নেকড়ে বলে চিৎকার করেছি, কিন্তু এবার সত্যিই নেকড়ে এসেছিল, স্যার।
কেতন, তোমার কি মনে হয় তুমি যদি ওদের সাহায্য করো,
তাহলে ওরা তোমাকে মূল ভূখন্ডে ফিরতে সাহায্য করবে?
মনে হতো, স্যার।
কিন্তু পরিস্থিতি বদলেছে এখন।
আমার প্রয়োজন শেষ।
- আর আমি আপনাকে এটাই... - চুপ করো!
বারবার শুধু মিথ্যে বলো কেন তুমি?
কারণ সত্যটা বলার শাস্তি আমি পাচ্ছি, স্যার।
আমি সরি। আমি সরি, স্যার।
আমি খুব দুঃখিত, স্যার।
স্যার, আমি জানি আপনার বিশ্বাস করাটা ততটাও সহজ না।
কিন্তু আমি আপনাকে সত্যিটা বলছি স্যার।
আর যদি তবুও আমাকে শাস্তি দিতে চান, তবে দিন।
কারণ আমার সাথে এমনটা প্রথমবার হচ্ছে না।
স্যার!
- আমাকে ডেকেছেন স্যার? - আসো, কামাত। বসো।
তোমারই রিপোর্ট পড়ছিলাম।
জগদীশ বিন্দাল কেস?
আর কতগুলো বাঘা বাঘা বিল্ডারদেকে রেইড দিয়েছ?
- কিন্তু ভালো কাজ। বলতেই হচ্ছে। - ধন্যবাদ, স্যার।
এতে কিছু ভুল ছিল,
- তাই কিছু সংশোধন এনেছি। - ঠিক আছে।
- তৈরী এটা। শুধু স্বাক্ষর করে দাও। - হ্যাঁ।
এটা...
এটা তো ভুল, স্যার।
স্যার, আমরা ওখান থেকে
প্রায় ৩ কোটি ক্যাশ জব্দ করেছি, এখানে মাত্র ১৮ লাখ লিখা।
পরিমাণ ঠিকই আছে।
তোমার টিম নিশ্চিত করেছে।
না, স্যার। আমি ছিলাম ওখানে। এটা...
তো এজন্যই অনুমতি পেতে এতো সময় লেগেছে।
মি. বিন্দাল একান্তে তোমার সাথে দেখা করতে চায়, কামাত।
উনার মাথায় একটা অংক ঠিক করা আছে।
স্যার, আপনি জগদীশ বিন্দালকে বাঁচাতে চান?
না, কামাত। আমি তোমাকে বাঁচাতে চাই।
শিকারির সাথে বন্ধুত্ব না করলে তার শিকারে পরিণত হতে হবে।
এটা তোমার সুযোগ।
খাদ্য শৃংখলটাকে বাড়ানোর।
সরি, স্যার।
আমাদের সবাই খাদ্য শৃংখলে বন্দী পশু নয়।
আমাদের অনেকের...
ইচ্ছা থাকে।
কিন্তু সেখানেই কথা শেষ হয়নি।
বিন্দাল কেস বেশ হুলস্থূল বাঁধিয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদও হয়েছিল আর যখন ওরা--
ভাতু বস্তির কাছে এক ট্রাকে পাথর নিক্ষেপ করা হয়েছে, আবার।
ওহ, ঈশ্বর।
এক কাজ করো পিবিএমসিকে বলো সকল কার্গো ট্রাক যেন কামরাজ নগরে যায়।
আর সেখানকার এসআই এর সাথে যোগাযোগ করো।
- বলো আমি কথা বলতে চাই। - জি, স্যার।
কার্গো।
- কার্গো কন্টেনার। - কী?
স্যার, বর্তমানে বন্দরের বেশিরভাগ কন্টেনার এটমের মালিকানাধীন।
- হয়তো তারা... - না, কেতন। এটা অসম্ভব।
জরুরি মালামাল সরবরাহের প্রতিটা জাহাজ...
কোস্ট গার্ড পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চেক করে।
তারা যদি কোনো জাহাজে থাকতো তাহলে এতোক্ষণে ধরা পড়তো।
সেটাই তো, স্যার। যদি তারা জাহাজে থাকতো তাহলে।
হয়তো বন্দর থেকে তাদেরকে বের হতে কেউ এজন্য দেখেনি কারণ...
ওরা সেখান থেকে কখনো বেরই হয়নি।
আমাদের দামী কার্গোটা হয়তো এখনও ডকেই পড়ে আছে।
ভাইয়া, পানি দাও।
নাও।
এটাই সে।
নিশ্চিত সে-ই।
এটা কোন জায়গা, আপু?
পুরানো মিলিটারি বাংকার।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন জাপান আন্দামান দ্বীপ দখল করেছিল,
তখন ওরা এমন অনেক আশ্রয়স্থল বানিয়েছিল।
তোমরা এখানেই অপেক্ষা করো।
হ্যালো!
কেউ আছেন?
হ্যালো!
বসু আংকেল, আমি জোছনা।
কে?
জোছনা!
সৌভিকের বান্ধবী ছিলাম!
স্কুলের পর আমি আর বিনায়ক আপনার বাসায় যেতাম,
আর আপনি আমাদের নারিকেলের পানি খাওয়াতে নিয়ে যেতেন।
আমাকে দেখে নারিকেল বিক্রেতা মনে হয়?
ভাগো এখান থেকে, যাও!
আংকেল, আমি নিজের জন্য আসিনি এখানে।
এই বাচ্চাগুলো পর্যটক। আর ওদের চিকিৎসা সহায়তা চাই।
আমি জানি আপনার কাছে ঔষধ আছে।
আমাদের ভেতরে যেতে দিলে ঔষধ নিয়ে আমি চলে যাবো।
আমি অসুস্থ বাচ্চাদের জন্য কোনো এনজিও খুলে বসিনি।
ভাগো!
সৌভিক বেঁচে থাকলে কখনোই আমাকে এভাবে যেতে বলতো না।
- বসু আংকেল! - থামো!
যা করতে বলবো তাই করো ব্যস।
তো, এই অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল পেপটাইড, এলকে-৩৭
এটা এলএইচএফ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী?
স্যার, সৌদামিনী ম্যামের গবেষণা এদিকেই নির্দেশ করে।
এটা পেপটাইডটা কেবল একটা বিরল উদ্ভিদে পাওয়া যায়,
আন্দামানি একিনেশিয়া।
আর তোমার বিশ্বাস
আমরা যদি এই উদ্ভিদ থেকে এই পেপটাইডকে নিষ্কাশন করতে পারি,
তাহলে আমাদের কাছে সম্ভাব্য একটা চিকিৎসা থাকতে পারে?
- এটা একটা তত্ত্ব স্যার। - তত্ত্ব?
জি, স্যার। এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে। এখানেই।
কয়েক বছর আগে, গবেষকবৃন্দ...
এমন এক উদ্ভিদ আবিষ্কার করেছিলেন, যেটা প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপ্যারাম ধ্বংস করে।
সবচেয়ে ক্ষতিকর ম্যালেরিয়া পরজীবী।
স্যার, উনারা মূলত সেরিব্রাল ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক আমাদেরই এলাকাতে খুঁজে পেয়েছিল।
স্যার, ভাবুন, এই উদ্ভিদই যদি এলএইচএফ এর প্রতিষেধক হয়, তবে?
এটা গবেষণা করার মতো একটা তত্ত্ব।
No comments yet. Be the first to leave one.