لومړۍ 200 کرښې.
আমাদের ফেসবুক গ্রুপ - ১. মালায়ালাম সিনেখোর। ২. মালায়ালাম মুভি লাভারস।
হয়েছে?
আরে, ভালো করে করো রেশমি।
এই তোমার গতি?!
স্কিল ভিডিও কোথায়?
কোথায়?
পবন...
এটা কপি করে রেখে মেমোরিটা ফেরত দাও।
নাও, এই ফর্মগুলোতে স্বাক্ষর করো।
এগুলো বিজ্ঞপ্তি...
তুমি যেসব সনদপত্রগুলো জমা দিলে তা সবই আসল তো।
পাসপোর্ট নম্বর ঠিক আছে কিনা ভালো করে দেখো।
বাকিটা আমি পূরণ করে দিবো।
___অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ___ © আরুশ আরিয়ান।
সকালেই বুঝতে পেরেছি দিদি।
এবারের মতো আমাকে যেতে দিন, প্লিজ।
জড়িয়ে ধরা পর্যন্ত তো ঠিক ছিল এখন সে চুম্মাচাটি শুরু করেছে।
সে সম্ভবত এটা উপভোগ করে।
তুমি মালা পড়নি?
ঠিক আছে, এমনকি বাজারে এখন কিছু খুঁজে পাওয়া একেকটা অলৌকিক ঘটনার মতো।
ইসমাইল ভাই, আর কতগুলো?
আরো চল্লিশ... কিন্তু আমার কথায় ভরসা করে কিছু বলো না।
আমার কাজ শেষ।
যথেষ্ট লোড হয়েছে।
আর একটা আছে, ভাই।
রাগ করো না!
চলো একটা চা খাই পরে শেষ করা যাবে।
তাদেরও হাত লাগাতে বলুন...
অথবা অন্য কোথাও থেকে কয়েকজন লোডার ব্যবস্থা করুন।
ড্রাইভার-রা লোড করবে না।
এক সপ্তাহের মধ্যে, আমাদের লোডার এসে যাবে।
চা খেয়ে আসছি।
ফ্যাক্টরির কাঁচামাল।
আর কী?!
তার প্রবেশের অনুমতি আছে। তাহলে সমস্যা কোথায়?
দীনেশ স্যার, সব ঠিক আছে, কিন্তু আমাকেও প্রটোকল মেনে চলতে হবে, তাই না?
আরে এগুলো কেমিক্যাল, চাচা! ভালো-ভালোই কী পৌঁছাতে দিবেন কিনা?
এসব কী ইসমাইল সাহেব? আপনিই বোঝান।
দুঃখিত, স্যার। এটা আমার ভুল, দুঃখিত।
- তাহলে আসুন। - জ্বি।
এটা আপনার ভুল কিভাবে ভাই?
আমার মতো বয়স হলে বুঝবে।
একবার তারা আমাকে বের করে দিলে, আমি আর চাকরি করতে পারব না।
সুধা দিদি, আমার তো অনেক গুলো বাতিল হয়ে যাচ্ছে।
সুরেশ সাহেব কী বলেছে শোনোনি?
চাপ কমিয়ে দিতে হবে।
আমি তো শুনিনি। কিকরে এটা আরও কমানো সম্ভব?
যাও গিয়ে উনাকে জিজ্ঞেস করো, নতুবা অন্য ডিপার্টমেন্টে চলে যাও।
স্যার, আমার আজ অনেক গুলো প্রডাক্ট বাতিল হয়েছে।
আমি গতকাল সবাইকে গ্যাসের চাপ কমাতে বলিনি রেশমি?
তাহলে আমাকে স্ট্রিপিং ইউনিটে দিয়ে দিন।
আমি জানি না কিভাবে গ্যাসের চাপ কমাতে হয়।
আমি তো সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারব না।
যাও গিয়ে ম্যানেজারের সাথে কথা বলো।
স্যার, আমি আপনাকে অনুরোধ করছি...
আমি জানি না এটা কিভাবে উনাকে বোঝাব।
আমার বেতন থেকে যেন বাতিল পণ্যের মূল্য না কাটে।
বাকি সবাই ভালো করছে। শুধু তোমারই কেন এতো বাতিল হচ্ছে?
দেখি তুমি কিভাবে কাজ করো আমার সামনে করো দেখি।
স্যার, আমার মনে হয় সলিউশনে কোনো সমস্যা।
এটা কিভাবে সম্ভব, সুরেশ সাহেব?
সবাই তো একই সলিউশন ব্যবহার করছে। তাদের কোনো সমস্যা দেখতে পাচ্ছেন?
তোমার হাত দেখাও দেখি।
অন্য হাতটাও।
দেখুন?
তুমি আংটি পরেছো কেন?
স্যার, এটা থাকলেও কোনো সমস্যা নেই। বলুন, স্যার।
স্যার, সে বলেছে এটা থাকলেও কোনো সমস্যা নেই। সে শুরু থেকেই এটা সব-সময় পরতো।
তো ম্যাডাম শুরু থেকেই ফ্যাক্টরির নিয়ম লঙ্ঘন করছে?!
আর সুরেশ সাহেব আপনিও তার সমর্থন করছেন
- আপনার দেশি বলে। - মোটেও না, স্যার।
সে সত্যিই ভালো একজন কর্মী। তাকে নিয়ে আজ পর্যন্ত কোনো অভিযোগ আসেনি।
কিন্তু এখন ভুল করে বিপদে ফেলে দিয়েছে, তাই না?
রিপোর্ট তো করতে হবে।
এখানে আংটি পরা যাবে না! এটা নিয়ম বিরোধী!
স্যার, এটা খোলা অসম্ভব।
- তাই নাকি? - হ্যাঁ।
তাহলে, টেস্টিং ইউনিট ছেড়ে আগামীকাল থেকে ওয়াশিং ইউনিটে চলে যাও।
সন্দীপ, নাও।
আরে শোনো।
মন খারাপ করো না, কিন্তু...
ইন্সপেকশনে গিয়ে দেখলে তারা তোমাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করত।
এছাড়াও, নিয়ম আরোপ করার ক্ষেত্রে ওয়াশিং এরিয়া খুব একটা কঠিন নয়। ঠিক আছে?
হরিশ!
এসো।
আমার টাকা ফেরত লাগবে, মোহন।
তুমি তো ভালো করেই জানো যে এটা কখনো সম্ভব নয়।
ভিসার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমি টাকা ফেরত দিতে পারব না।
আমরা আট মাস থেকে এখানে আটকে আছি। অন্তত নিজের মানুষদের ধোকা দিও না।
কে কল্পনা করেছিল এমন কিছু হবে?
তুমি এই বছর কোথাও যেতে পারবে না।
তুমি যদি আমাকে বিশ্বাস না করো তবে নির্দ্বিধায় অন্য চেষ্টা করতে পারো।
আমি ওসব জানি না, আমাকে এখন সাহায্য করো।
আপাতত এমনই থাকো।
অন্তত তোমার তো একটা চাকরি আছে। আমার অবস্থাটা কল্পনা করো।
চিন্তা করো না, সময় হলে আমি তোমাকে ফোন করব।
এখন কী নিয়মিত হচ্ছে?
সব বার বন্ধ।
তাই একটু সামান্য।
মোহন দা, ওঠো।
- উঠো। - তুমি কী আমাদের পাসপোর্ট ফেরত এনেছ?
শুধু পাসপোর্ট নয়...
আমি আমাদের টাকাও ফেরত আনার চেষ্টা করছি।
ওঠো, চলো।
চলো।
তুমি কী আজ রাতে থাকবে না?
হ্যাঁ...
আগে একে তুলি।
তোমার জন্য কী রান্না করব?
খাবার খেয়ে বের হও।
আজ রাতে বাইরে খাবো।
দরজাটা বন্ধ করো দাও।
সাবধানে।
দাড়াও।
এসো।
কতবার বলতে হবে গ্লাভস পরে কাজ করো?
রেশমি…
তোমাকে আলাদাভাবে বলতে হবে?
দিদি, তার কাছে তো গ্লাভস নেই।
ভিতরে আসো, দিচ্ছি।
সবসময় পড়ে থাকতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত নষ্ট না হয়।
ঠিক আছে।
অদ্ভুত কিছু পেলে সাথে-সাথে আমাকে জানাবে।
দিদি, অদ্ভুত?
যেমন, যদি গ্লাভসগুলো দেখে অন্যরকম কিছু মনে হয়।
অথবা দাগ থাকলে, ছিঁড়া হলে আমাকে জানাবে।
ঠিক আছে।
- বুঝলে? - হ্যাঁ।
যাও।
দিদি, আমি এগুলো নিয়ে যাবো?
ওগুলো স্পর্শও করো না। আমি নিজেই গুলো ওয়াশিংয়ে দিবো।
ওই মহিলার কী সমস্যা?
নিজেকে সামলাও, সোনা। এই ধরনের ছেলের ফাঁদে পড়ো না।
ট্রায় মেরেই দেখি না যদি সে আমার বাবুকে একটা স্মার্টফোন কিনে দেয়।
- কোথায় যাও? - আসছি।
আমার কোনো ভুল হয়নি।
আমি গত ২০ বছরে এখানে এরকম কিছু দেখিনি।
আর সুরেশ স্যার, আপনি উনাকে সমর্থন করছেন কেন?
এরজন্য তো আমার চেয়ে আপনি বেশি চিন্তিত হওয়ার কথা।
চোখ পরীক্ষা করান, স্মিতা ম্যাডাম।
একটা নির্দিষ্ট বয়সের পরে, অবসর নেওয়াই উত্তম কাজ।
বুঝলেন?
এবং, যদি আপনার আর কোনো অভিযোগ বা চিন্তা থাকে,
আপনি আমার কেবিনে আসুন সেখানে বসে কথা হবে।
তা নাহলে আপনি সরাসরি ফ্যাক্টরি মালিকের কাছে বিচার দিন।
সুরেশ স্যার, আমি আপনার কাছে অনুরোধ করছি। ল্যাটেক্স আরো একবার চেক করিয়ে নিন।
স্মিতা ম্যাডাম, একটু ভেবে দেখুন। প্রডাকশন বন্ধ করে দিতে হবে।
আর দয়া করে কর্মীদের সামনে এমন কথা বলবেন না।
আমি বিষয়টা দেখবো, চিন্তা করবেন না। আমরা একটা-না-একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে নিব।
রেশমি!
- ওয়াশিং ইউনিটে কী কোনো সমস্যা হয়েছে? - আমি ঠিক জানি না, স্যার।
তিনি আমাকে জিনিস স্পর্শ করতে মানা করেছেন।
হেই!
- কী? - লোডিং শ্রমিকরা কোয়ারেন্টাইনে আছে।
ফোনটা রেখে আমাদের সাহায্য করুন।
কে রে তুই?
জানিস না ড্রাইভার-রা লোডিং-য়ের কাজ করে না?
দাড়াও।
তাহলে, লোড এখানেই থাকবে। যদি নিয়ে যেতে চাস তাহলে লোড করে নিয়ে যা।
- হয়েছে তো না। - ইসমাইল ভাই!
এই বাঞ্চোত কে রে?
- গালি দিচ্ছি কেন বে? - কী বললি?
- নাম! - আরে!
- শালা, আমি তোকে দেখছি! - শালা!
হরিশ, ওরা আমাদের সাথে কয়েকদিন এখানে থাকবে।
ঘুমানোর আগে নাস্তা করে নিও।
সেও তো এখানে থাকতে পারে?
রেশমির ফোন দিয়ে ও অনলাইনে ক্লাস করবে।
ফ্যাক্টরির আশেপাশে কোথাও কয়েকদিনের জন্য থাকলেও তো পারো।
আমি গেলাম।
হ্যাঁ।
- হ্যালো। - হ্যাঁ, গুড্ডু?
ভাই আপনি কী শুরু করছেন?
হোয়াটসঅ্যাপে এসব বাল-সাল কী কেউ শেয়ার করে ৷
কী হয়েছে?
আমাকে কী জিজ্ঞাসা করছেন?! হোয়াটসঅ্যাপ চেক করেন না?
হ্যাঁ, ঠিক আছে।
গুড্ডু, কী হচ্ছে এসব?
এই প্রশ্নটা তো আমার আপনাকে জিজ্ঞাসা করা উচিত!
আপনি এমন ভিডিও বানালেন কেন?
কোন ভিডিও?
যেটা ড্রাইভার সন্দীপ গ্রুপে শেয়ার করেছে। হোয়াটসঅ্যাপ চেক করেন।
ওটা মনে হয় আমার থেকে ডিলিট হয়ে গেছে। আবারও শেয়ার করো তো।
ভাই, আপনার কী সত্যিই কোনো লজ্জা-সরম নেই?
আরে, তুমি আজাইরা পকপক করো না। তুমি আগে আমাকে ভিডিও পাঠাও, ঠিক আছে?
পাঠাও!
হ্যাঁ।
_রেট কত ভাই?_
_এসব বদমাশদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হোক!_
_রেট কত?_
ভাই, এই দোকানটা কী বন্ধ?
লকডাউনের পর থেকেই বন্ধ।
আর মালিক? মোহন? সে আসে না?
জানি না, হয়তো সে গ্রাম চলে গেছে।
এখন খুলেই আর লাভ কী?
দিদি...
একটু দেখুন।
তাড়াতাড়ি দরজাটা বন্ধ করো।
পর্দাও নামিয়ে দাও।
- এগুলো সব আজকের? - হ্যাঁ, দিদি।
No comments yet. Be the first to leave one.