لومړۍ 200 کرښې.
শুভ সকাল।
শুভ সকাল, মা।
- তোমার বিড়াল আমাকে আবার কামড়েছে। - তুমি আমার পেন্সিল চুরি করেছিলে।
- তোমরা ঝগড়া করছ কেন? - কারণ ও আমার পেন্সিল চুরি করেছে!
- মিথ্যা বলছে। - ঝগড়া বন্ধ করো।
- দেখি। - চলো, সোনা। কয়টা বাজে?
- ৬টা ৪০। - ঈশ্বর, আমার আবার দেরি হয়ে গেল।
আমাদের যে ব্যাপারে কথা হয়েছে তোমার ভাইকে বলতে ভুলো না যেন।
- ওকে বোলো আগামী সপ্তাহ থেকে স্কুল শুরু হবে। - হ্যাঁ। বলব, ঠিক আছে?
আমাকে বই আর বাকি সব কিনতে হবে।
বললাম তো বলবো, সোনা, ঠিক আছে?
এখনও জুতা বাধোনি? তো, যেমনটা আমি শিখিয়েছিলাম, তাই না?
আমাদের কাছে আছে খরগোশের কান, গাছের চারিদিকে ঘুরিয়ে, আর...?
আর ঢুকে যাবে গর্তের ভেতর।
শব্দটা বেশ জোরালো ছিল।
কোনো মানুষ কীসের তৈরি, জানতে হলে তার পরিবারকে হুমকি দিয়ে দেখো।
পাবলো এসকোবার ছিল ক্রোধ, প্রতিশোধ এবং আতঙ্কের তৈরি।
ক্যালিতে ওর শত্রুদের উপর সরাসরি আক্রমণ করতে না পারায়,
তাদের মূল্যবান বৈধ ব্যবসায় আক্রমণ করে,
তাদের প্রিয় ওষুধের দোকানের চেইন।
আর ও দোকানগুলো উড়িয়ে দেয় সাথে আশেপাশে থাকা দুর্ভাগা মানুষগুলোকেও।
আমরা কথা বলছি কয়েক ডজন বোমার।
ও বোগোটা শহরকে চাপের মুখে ফেলে দেয় সাথে কলোম্বিয়ান সরকারকেও সতর্ক করে।
লস পেপেসকে উপেক্ষা করতে থাকলে, ওদের অপরাধ আমলে না নিলে, পরের নিশানা হবে তুমি।
"লুইস লনডোনো হোয়াইট, পাবলো এসকোবারের লোকজনের কিডন্যাপার"
কিন্তু আতঙ্ক আরও আতঙ্ক বয়ে আনে,
আর লস পেপেস নিজেদের তরিকায় প্রতিক্রিয়া জানায়।
আমরা ওদের প্রদর্শনকে একটা নাম দিই।
- ওখানে বসা। - কলোম্বীয় লোক প্রদর্শন।
এখানে।
যেমনটা বলেছিলাম, এসব বানোয়াট নয়।
এসবের মানে? সাইকোপ্যাথগুলো একটা মেসেজ দিচ্ছিল...
যতদূরই যাও না কেন...
এই খানকির পোলাটাকে দেখ একবার।
আমরা এটাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবো।
নরকের দরজা শেষমেশ খুলেছিল।
এক... দুই... তিন।
আর সবাই আগুন থেকে বাঁচার জন্য ঠেলাঠেলি শুরু করেছিল।
বা এতে ডুবার জন্য।
অনুবাদেঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
সম্পাদনায়ঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
NARCOS
আমি শুধুই এই পরিবারের পরোয়া করি।
- তুমিই একমাত্র... - আমি? আমি, অ্যাঁ? আমি?
- আমাদের এখান ছেড়ে যাওয়া উচিত না, টাটা। - সব আপনার ভুলে হয়েছে।
যদি পাবলোর কথা শুনতেন, তবে আজ আমার ভাই বেঁচে থাকতো।
তুমি মনে হচ্ছে খুব শোনো? ওর কথা শোনো তুমি?
যখন তুমি ওকে সারাক্ষণ কথা শোনাও, ওর উপর সন্দেহ করো, চিন্তা করো।
টাটা।
আমি কখনোই এই পরিবারকে বিপদের মুখে ঠেলতে পারি না।
ওকে বল, পাবলো।
ওকে বল এতে আমার দোষ নেই, পাবলো।
- জানি, মা। - আমার দোষ নেই। ওকে বল, পাবলো।
তোমার দোষ নেই। জানি। তোমার দোষ নেই।
সব ঠিক আছে, মা।
তোমার কোনো ভুল ছিল না।
এই হাসি মুখগুলো দেখো।
আমরা তোমাকে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ফেলতে চাইনি, জুডি।
ওহ কত বুঝদার! তো এই জন্য কেউ আমাকে ফোন দেয়নি?
কারণ এই ল্যাব মেনকাডাদের। হুম?
ল্যাব ফিরে পাওয়ার পর আমাকে জানানোর কথা ছিলো।
- ব্যাপারটা আমাদের কাছে পরিষ্কার ছিল না। - আমি পরিষ্কার করছি এখন, কার্লোস।
- এগুলোর কী করব তাহলে? - কোকেন সব ক্যালিতে যাচ্ছে।
এই কোকেন আমার।
দেখো, জুডি, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম পাবলো এসকোবার না মরা পর্যন্ত...
এক কিলো কোকেনও মেডিলিনে যাবে না।
এটাই আমাদের রণকৌশল। ওকে কোনঠাসা করার।
এটা ক্যালি কার্টেলের কৌশল?
পয়সা ছাপাতে থাকা যেখানে বাকিরা না খেয়ে মরছি?
- জানো তো আমরা ওদের বিশ্বাস করতে পারি না। - না। না ওদের না তোমাদের কাউকে।
আমরা কোনো ড্রাগ কারবারিকে বিশ্বাস করি না।
বেশ, এটা ব্যক্তিগতভাবে না নেওয়া যাক, কার্লোস। ঠিক আছে?
আমাদের সবারই বন্ধু প্রয়োজন।
স্যার, নিবেন?
চল, চল, চল, চল, চল!
স্যার?
ঠিক আছেন?
আপনি ঠিক আছেন?
- আমরা আর একসাথে কাজ করছি না। - কী সমস্যা?
একটা সিপাহীর জন্য, নিরপরাধ নাগরিকের প্রাণ নিয়েছ।
ওরা নিরপরাধী নাকি অপরাধী, আমি সেই সিদ্ধান্ত নিব না।
সেটা যাজকদের কাজ, তাই না?
কাস্তানিয়োরা আরও পাগল হয়ে উঠেছে, আর সেটা প্ল্যানের অংশ ছিল না।
কিন্তু এতে কাজ হচ্ছে।
হবে না যদি আমি ইনফর্মেশন দেওয়া বন্ধ করে দিই।
যেমনটা তুমি জানো, আমি তোমার সঙ্গে আছি।
যা কিছু ঘটছে আমার পছন্দ না।
মেডিলিন আমার বাড়ি আর আমি একে অনেক ভালোবাসি।
আর থাকলো কাস্তানিয়োদের কাজের ধরণ...
বেশ, ওগুলোর কারণেই পাবলোর লোকজন ইঁদুরের মতো লুকিয়ে আছে।
সাথে উকিল নামের কলঙ্ক, ফেরনানডো দুকেও।
আমাদের ছেলেরা ওর উপর পুরো একটা ক্লিপ গুলি চালিয়েছে, পয়েন্ট ব্ল্যাংক থেকে।
শালা একটাও ওর গায়ে লাগেনি ভাবতে পারো?
ওকে খুঁজতে তোমার সাহায্য দরকার।
ও পাবলোর মাউথপিস আর সরকারের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম।
আমরা এই ইঁদুরটাকে ভোগে পাঠাতে চাই।
এই উপায়ে, আমরা পাবলোকে ধরতে পারব আর এই পাগলামি খতম করতে পারব, পেনিয়া।
তোমাকে বলেছিলাম! তোমাকে...
কী করছ? তোমাকে পাসপোর্ট আনতে হবে।
ইউলিয়ানা... ওরা আমাকে মারার চেষ্টা করছে। আমাদের এখান থেকে যেতে হবে।
আমার তো মনে হয় যাওয়া দরকার তোমার।
কমপক্ষে সিমনকে দেখতে পারি?
- কোথায়... সিমন! - দাঁড়াও, ফেরনানডো!
সিমন স্কুলে।
তাছাড়া, এটা তোমার সপ্তাহও না। তো, প্লিজ... যাও।
- ওহ, কী ব্যাপার? - কেমন আছ?
- বাই। আন্দা! - বাই!
মা কোথায়? তুমি মায়ের গাড়ি এনেছ কেন?
উঠো।
এই, এই নামটা ট্রেস করো।
- আচ্ছা। - লোকটাকে খুঁজো।
ঠিক আছে? তোমাকে ক্লান্ত দেখাচ্ছে।
আসো।
আসো, বাছা। বসো।
তো, তোমাকে বদলি করা হচ্ছে...
ইন্টেল ইউনিটে যা কয়েক মাস আগে গঠন করা হয়েছে।
সেখানে তুমি ঠিক থাকবে।
আমি ভুল করেছি বলে আমাকে একটা অফিসে পাঠাচ্ছেন?
আর কিছু?
না, কর্নেল।
কেমন আছ, বাবা?
আর তুমি?
- ওখানে আমরা কতদিন থাকব? - বেশিদিন না।
ব্যস এখানের কাজ শেষ করতে যতদিন লাগে।
মনে আছে আমরা যখন আমেরিকায় গেছিলাম?
এটা একটা অভিযান হবে, সেটার মতো।
ওখানে কি ডিজনি ওয়ার্ল্ড হবে?
মনে হয় না।
তোমার মা আর দাদীর কথা শুনবে। ঠিক আছে?
আমি একাধিক রিজার্ভেশন করেছি যাতে কেউ জানতে না পারে তোমরা কোন ফ্লাইটে আছ।
আমি ফেরনানডোর সাথে কথা বলেছি আর ও বলেছে এটা একদমই বৈধ।
দেশ ছাড়ার পুরোপুরি অধিকার আছে তোমার।
- এটা সাধারণ কোনো ট্রিপের মতো। - সাধারণ ট্রিপ?
বলো৷ তোমার কি আফসোস হয়?
আমাকে বিয়ে করার জন্য?
এক সেকেন্ডের জন্যও না।
ওরা আমাদের আলাদা করতে পারে...
কিন্তু ধ্বংস করতে পারবে না।
যাও।
ছোট্ট খরগোশ। ছোট্ট খরগোশ।
আমি ওর খেয়াল রাখব, ঠিক আছে?
আমাকে একটা কিস দাও।
পাবলো ঠিক ছিল। সরকার ওর পরিবারকে আটকাতে পারেনি।
কিন্তু যদি মনে থাকে, তবে অ্যাভিয়ানকা এয়ারলাইন্সের সাথে পাবলোর সম্পর্ক তেমন ভালো ছিল না।
আর ওরা ভালোমতো নিশ্চিত করেছিল যাতে সবাই জানতে পারে
যে এসকোবাররা পালানোর চেষ্টা করছে।
আমরা জানি যে এসকোবার ওর পরিবারের জন্য টিকেট কিনেছে
বোগোটা থেকে যাওয়া আট জায়গার ফ্লাইট।
বার্সেলোনা থেকে টরেন্টো পর্যন্ত।
প্রেসিডেন্ট সাহেব, আমাদের এটা থামানো প্রয়োজন।
ওর পরিবারকে আমাদের হাতে রাখতে হবে। যদি ওরা কলোম্বিয়া ছেড়ে চলে যায়,
তবে এসকোবার শিকারে আমরা একটা সুযোগ হাত ছাড়া করব।
আইনত, ওদের দেশ ছাড়া থেকে আটকানোর কোনো উপায় নেই।
বাইরে থেকে চাপ দিয়ে,
আমরা ওর পরিবারকে অন্য দেশে ঢুকতে বাধা দিতে পারি।
আর যদি ওরা কলোম্বিয়ায় থাকে, তবে ওদের নিরাপত্তার জন্য এসকোবারের চিন্তা হবে।
ফোন কন্ট্যাক্টের চেষ্টা করবে, হয়তো... ভুলও করে বসবে।
বা হয়তো ওরা লস পেপেসের ভিক্টিমে পরিণত হবে।
প্রেসিডেন্ট সাহেব... যদি ওর পরিবার নিরাপত্তা পেয়ে যায়, তবে বলা মুশকিল সামনে কী আসতে চলেছে।
হয়তো এসকোবার সারেন্ডার করবে, হয়তো যুদ্ধে নামবে।
ওর পরিবার আমাদের জন্য একটা সুযোগ। আমাদের সেটা ব্যবহার করতে হবে।
আমি রাজি।
তোমার একটা লোক ওদের পিছনে পাঠাও যে আমাদের আপডেট দিবে, ওদের খবর রাখবে,
আর দেখবে ওরা কোথায় যাচ্ছে। সারাক্ষণ যেন ওদের উপরেই নজর রাখে।
- মর্ফি। - হেই, মেসিনা বলছি।
তোমার পাসপোর্ট নিয়ে বোগোটা ইন্টারন্যাশনালের জন্য বেরিয়ে পড়ো।
কোথায়?
এসকোবারের পরিবার দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছে। যেখানেই যাক, ওদের পিছে পিছে যাবে।
- হ্যাঁ। কখন? - এক্ষুনি। ওদের খুঁজে পেলেই, চেক ইন করবে।
- আর মর্ফি, কেউ যেন না জানে। - জ্বি, ম্যাম।
কে ছিল?
মেসিনা।
- কোথায় যাচ্ছ? - বাইরে।
- পাসপোর্টের সাথে? - হ্যাঁ।
- ওহ, ব্যস এটুকুই জানাবে? - হ্যাঁ।
- উহ, কিছু টিকেট দিবেন, প্লিজ। - কোন... ফ্লাইটের জন্য, স্যার?
দেখি। মাদ্রিদ, লন্ডন...
মর্ফি বলছি। মেসিনাকে লাইনে দাও।
- মেসিনা বলছি। - হেই, আমি। ওরা ফ্রাংকফুর্ট ফ্লাইটে চড়ছে।
জার্মানি। ধ্যাত।
জ্বি, ফরেন মিনিস্টার সাহেব, কিন্তু আমি তুর্কি থেকে আসা কোনো চাষির বলছি না
যে বার্লিনে ট্যাক্সি চালাতে এসেছে। আমি কথা বলছি পাবলো এসকোবারের পরিবারের।
না। না, তারা কোনো অপরাধ করেনি।
সম্প্রতি কিছু ঘটনার কারণে,
ইউরোপে জার্মানির ইমিগ্রেশন স্ট্যান্ডার্ড খুব নরম ছিল।
দেহে প্রাণ থাকলেই ওরা তোমাকে ঢুকতে দিয়ে দিত।
হয়তো সেটা মানব জাতির জন্য ভালো,
এবং ভালো ছিল এসকোবারদের জন্য।
কিন্তু খারাপ ছিল আমাদের জন্য।
সার্জেন্ট। প্রাইভেট হুগো মার্টিনেজ জুনিয়র আপনার সেবায় নিয়জিত, স্যার।
কর্নেলের ছেলে।
উনি বলেছিলেন তোমার টেকনিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড আছে।
আমি বেশ কিছু ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাস করেছি, স্যার।
আর আমার বাবা-মার বাসায় একটা হ্যাম তৈরি করেছি।
দারুণ। আরডিএফের ব্যাপারে কী জানো?
বেসিক কনসেপ্ট, স্যার।
বেসিক কনসেপ্ট।
ঠিক আছে।
জেনে নাও। আমরা কাল বিকেলে বের হবো।
চিন্তা কোরো না।
No comments yet. Be the first to leave one.