لومړۍ 196 کرښې.
খুবই ছোট একটা গ্রাম।
ফলবাগিচা বাড়ির ছেলে।
আমার মা গাছপালা অনেক ভালোবাসতো।
বাড়ির এক কোণায় চারাঘর ছিল
যেখানে ছিল নানান ধরনের গাছ।
তাদের দেখভাল করলে, মায়ের সব দুঃখ-কষ্ট মুছে যেত।
কিন্তু সেটা আরও বেশি দুঃখ-কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াতো।
এখনও এখানে পড়ে আছিস?
এসব করে কি কোনো টাকা আসে?
এত মাস উধাও থাকার পর এসব কথা তোমার মুখে মানায় না।
কী বললি? হা?
বাসায় গিয়ে ঘুমাও।
আমি ঘুমাবো না কী করব তা নিয়ে তোর মাথা ঘামানো লাগবে না, মাগী!
জুয়াবাজী ড্রাগসের চেয়েও খারাপ।
বাবা গায়ে তুলতো।
বিভৎস এক বাস্তবতা।
আমাকে না বললেও আমি খুঁজে বের করব।
খানকি মাগী।
ধুর শালা।
কী ভেবেছিলি লুকিয়ে রাখলে আমি খুঁজে পাবো না?
মিন-সুর কথা ভাবো। এমন কোরো না।
চুপ কর, অকর্মার ঢেকি।
ধুর শালী।
জ্ঞানে ফিরো।
এই!
ভালো করে পড়, বুঝেছিস?
আরে দেখো ওকে!
কেমন মায়ের মতো ড্যাবড্যাব করে তাকাচ্ছে।
- না। থামো। - ধুর বাল!
মিন-সু!
আমি শয়তানটাকে খুন করেছিলাম।
আমার মা...
আমার মায়ের জন্য।
মায়ের জন্য যাকে আমি সবচেয়ে ভালোবাসি।
মনে হয়েছিল প্রিয়জনের জন্য করেছি...
তাই ভুল কিছু করিনি।
মিন-সু।
দুনিয়া কিছু না জানলে,
সেটা সত্যিতে পরিণত হয়।
শান্তি নেমে আসে।
দুনিয়া চুপ হয়ে যায়।
আর গাছ বেড়ে ওঠে।
আমি...
সত্যিই খুশি তুই বড় হয়ে পুলিশ হয়েছিস।
আর দশ বছর পর
মা সারেন্ডার করে।
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
ROSE MANSION
এপিসোড - ১২
এত দিন হয়ে গেল! ওকে এখনও খুঁজে পাওনি কেন?
ও কোথায় কোথায় গেছিল চেক করেছ?
রোড ব্লক করেছ?
ব্যাকআপ টিম ডেকেছ?
আমরা সবকিছু করেছি।
আবর্জনার মধ্যে ওর ফোন খুঁজে বের করা সহজ কাজ না।
মাফ করবেন।
আমরা অনেক পরিশ্রম করছি।
ধ্যাৎ, দূর হও। শোননি কী বললাম?
দূর হও!
মেজাজটা খারাপ করছে।
মানে কী? ক্রিমিনালটা ওদের দলের সদস্য না?
দেখ কেমন অলসের মতো বসে আছে সব।
এই, ইউনিট দুই আমাদের সাহায্য করছে না কেন?
তোমরা সাপোর্টিং টিম না?
শালা আবালচোদা।
এবার কিন্তু লাইন ক্রশ করছিস।
নিজের দায়িত্ব কর না, চোদনা।
এটা তোদের কেস, আমাদের না।
তোর অক্ষমতার দায় আমাদের ঘাড়ে চাপাতে আসছিস কেন, পাগলাচোদা।
- শালারা দেখি গালাগালিতে ভালোই ওস্তাদ। - ক্যাপ্টেন।
- ক্যাপ্টেন। - খানকির পোলা!
- আয় তুই। - শালা...
- সর। - ক্যাপ্টেন, থামুন।
- বানচোতের মুখের দিকে দেখ। - তাহলে প্রেস ডেকে বাড়াবাড়ি করতে গেলি কেন, আবাল শালা?
- থামুন। - আমার দিকে জিনিস ছুঁড়বি না।
- সরে যা আমার রাস্তা থেকে! - সর!
তাহলে কি লুকিয়ে লুকিয়ে তদন্ত করব রে, চোদনা?
ক্রিমিনাল কে জেনে ফেলার পরও?
- ক্যাপ্টেন। - ছাড়। এই। ছাড়!
- ছাড় আমাকে! - প্লিজ এমন করবেন না।
- না, থামুন। - আয়, বানচোত!
- ছাড় আমাকে। এই, শালা খানকির পোলা! - শালা মাদারচোদ।
- মিন-সু ক্রিমিনাল না! - মারা খা। কী?
- ও একটা সাসপেক্ট! আমার রাস্তা থেকে সরে যা। - না, থামুন।
- ছাড় আমাকে! - থামাও ওনাকে।
- যোগ্য কারো পাশে দাঁড়া। - শান্ত হন।
তোর টিমমেট হয় তো কী হয়েছে?
- ছাড়! - পিরিত চোদিয়ে তদন্ত করতে চাইলে,
- সিভিল অ্যাফেয়ার্স অফিস যা না, চোদনা! - থামুন!
ওভাবে তদন্ত করিস বলেই তথ্য-প্রমাণ হেরফেরের অপরাধে সাসপেন্ড হয়ে...
...গ্যাড়াকলে পড়েছিস।
- কী? - শালা...
এভাবে তদন্ত করে কোনো ফায়দা পাবি না।
তুই তো প্রসিকিউশনের থেকেও ঝাড়ি খেয়েছিস।
মুখ ফসকে বের হয়ে গেল। ধুর।
- আমাদের তাতে কিছু যায় আসে না। - যেন আমাদের খুব যায় আসে!
তদন্তে আরও এগ্রেসিভ হতে হবে তোদের, আহাম্মকের দল।
- বুঝেশুনে কথা বল, চুতিয়া। - থামুন।
- মাদারচোদ! - সব পাগল হয়ে গেছে।
- ছাড় আমাকে। - না, সত্যিই।
- আয়, হারামি! ছাড় আমাকে। - ধুর।
ছাড় আমাকে!
আবার আমার দিকে জিনিস ছুঁড়ে দেখ শুধু, চোদনা!
- খানকির পোলা! - মারা খা!
জি-না।
জি-না, আগে এই ওষুধটা খেয়ে নাও,
নাহলে মাথা ঘুরবে।
কী করছ তুমি?
ওষুধটা খাও আগে, তারপর সব বলছি।
এটা খাও। কিচ্ছু হবে না।
বিশ্বাস করো।
না, খাবো না।
আমি সত্যিই এখন হতবাক।
জানি।
কেন এসব করলে?
কেন?
আনার বোনকে...
জি-না। আমি ওকে কিডন্যাপ করেছিলাম। কিন্তু...
ওকে মারিনি।
আমি এটা কীভাবে বিশ্বাস করব?
বিশ্বাস করা না করা তোমার উপর। কিন্তু সত্যি তো হচ্ছে...
আমি ওকে মারিনি।
আমি যাচ্ছি।
জি-না।
এটা আমার শেষ অনুরোধ।
আমাকে বুঝিয়ে বলতে দাও।
আমি কথা দিচ্ছি। কথা শেষ হলে,
আমি পুলিশের কাছে সারেন্ডার করব।
এর আগেই সারেন্ডার করলে,
তুমি আমাকে খুনি ভাববে।
আর আমার সেটা পছন্দ হবে না।
তোমাকে সত্যিটা জানতেই হবে।
আমি কেন?
কারণ তুমি জি-হিউনের খুনিকে খুঁজবে।
বেশ।
বলো সবকিছু।
কখন থেকে আমাকে ফলো করছ?
ইয়ংমা পুলিশ স্টেশনে আমার পোস্টিং হবার পর থেকেই।
তোমাকে একা...
একটা লিখিত এগ্রিমেন্ট হাতে দেখেছিলাম।
তোমাকে অনেক মনমরা এবং আত্মবিশ্বাসী মনে হচ্ছিল।
আমি সত্যিই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম।
তখন থেকেই।
তোমার ব্যাপারে ভাবতে ভাবতে আমি একসময় নিজেকেই ভয় পেতে শুরু করি।
পরীক্ষায় পাস করেছিস?
- কোনোরকমে। - এটা তো জানা কথা।
আরে বুকটা একদম ধুকপুক করছিল।
করছিল, তাই না?
- একদম। - ভাবাই যায় না।
এই।
তোমরা স্টুডেন্ট না?
- তো? - পারেও!
তো কী হয়েছে?
এখান থেকে যাও না, বাপু।
এই, পুলিশ এসেছে। চল যাই।
সত্যি?
কি বিরক্তিকর।
আর সেই ভীতিকর কৌতুহল পরিণত হয় অনিয়ন্ত্রিত আবেশে।
(ইয়ংমা পুলিশ স্টেশন পার্ক মিন-সু )
আমার মায়ের প্রিয় গাছগুলো রাখতে একটা বাসা খুঁজছিলাম।
আর তখন...
তোমার বাসার পিছনের বাসাটার কথা মাথায় আসে।
(ব্যক্তিগত তথ্য পার্ক হিউং-ছুল)
এটা বিল্ডিং ১১৮।
পুরো পরিবার দেশের বাইরে থাকে।
তাই জায়গাটা অনেক নিরিবিলি আর বিরক্ত করার কেউ থাকবে না।
আমি খুশি ছিলাম।
কিন্তু খারাপও লাগছিল।
আমি কারো জন্য কখনো এতটা পাগল হইনি।
আমি নিজেকেও ঠিকমতো বুঝতে পারছিলাম না।
জানতাম আমাকে থামা উচিত।
কিন্তু আমার জন্য তোমার প্রতি সেই আসক্তি থেকে বের হওয়া অসম্ভব ছিল।
আমি একাডেমিতে ছিলাম।
কাল রাত ১০টার দিকে।
ততক্ষণে ফিরে আসবো।
কেন? আমাকে নিতে আসবে নাকি?
সত্যি?
ঠিক আছে। কাল দেখা হবে।
তারপর একদিন...
তুমি চলে গেলে।
তুমি এটা কখনো বলতে না।
আমি...
হীনমন্যতায় ভুগছি আর অনেক বোকা আমি, ধুর।
এজন্যই আমি বাসা ছেড়ে যাচ্ছি, ঠিক আছে?
আমাদের মধ্যে থেকে একজন বাসা ছাড়লেই কেবল শান্তি ফিরে আসবে।
আমার বিশ্বাস হচ্ছে না।
তোমার কি এমনটা করতেই হবে?
হ্যাঁ। এটাই আমার বাঁচার একমাত্র উপায়।
আমি এই বাড়িতে আর কখনো পা দিব না।
আমি এখানে আর কিছুদিন থাকলে মারা যাবো।
সং জি-না!
তুমি মরে গেলেই...
হয়তো ভালো হবে।
ওর সাথে বের হওয়া কতদিন হয়েছে?
আমি কিছু জিজ্ঞেস করেছি।
বল না।
No comments yet. Be the first to leave one.