Saaho

Saaho (సాహో)

د Bengali ژباړه ډاونلوډ کړئ

د خپرونې معلومات

Saaho (2019)
د لخوا تبصره Katsuki_Bakugo
সাবটাইটেল সাফিন চৌধুরী ভাইয়ের। সাইটে নাই দেখে শেয়ার করলাম। ভালো লাগলে গুড রেটিং দিবেন। মুভিটি mlwbd তে পেয়ে যাবেন। মুভি টাইম- 2:49:34.

تګونه

other
په خپور شو: 2022-05-06
ډاونلوډونه: 233
د اوریدلو معیوبیت: No

د Bengali سرليکونو مخکتنه

لومړۍ 200 کرښې.

ওয়াজি শহরকে বলা হয় "গ্যাংস্টারদের রাজধানী"। এটি ভারত থেকে বহুদূরে আর এক মাফিয়া সাম্রাজ্যের...সন্নিকটে অবস্থিত।

বর্তমানে এই শহরের বাদশাহ হলো, রয়। যিনি "রয় গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রি" নামক কোম্পানির মালিক।

২০ বছর আগে, এক গ্যাং ওয়ারে রয়ের পুরো পরিবার মারা গিয়েছিলো...

তারপর, সে মুম্বাই ছেড়ে ওয়াজি শহরে চলে আসে আর তৎকালীন গডফাদার "পৃথ্বিরাজের" গ্রুপে যোগ দেয়।

পৃথ্বিরাজের অবসরের পর, সে তার সিংহাসন আর ক্ষমতা...তার ছেলে দেবরাজকে না দিয়ে... রয়কে দেয়।

রয় গ্রুপ তেল আর স্বর্ণ আমদানি-রপ্তানি ও চোরাচালান করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করছিলো..

কিন্তু, কারাণা গ্রামের এক দুর্ঘটনার কারণে... তাদের সেই ব্যবসায় বিপর্যয় নেমে আসে।

তখন পৃথ্বিরাজের সহকারী "ফ্র‍্যাঙ্কো ম্যাসলিন"...সেই অরাজক পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে আনে।

ভবিষ্যতে যেনো আর এমনটা না হয়...সেজন্য রয় বোর্ড মেম্বারদের কাছে একটা প্রস্তাব নিয়ে আসে।

আর সেই প্রস্তাবটা হচ্ছে, এই অবৈধ ব্যবসাটাকে বৈধ ব্যবসায় রুপান্তর করে নেওয়া। রয় সেসব দ্রব্যাদি... ভারতে রপ্তানি করার সিদ্ধান্ত নেয়।

রয় ভারতে একটা "হাইড্রো ইলেকট্রিক পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করতে চেয়েছিলো। কিন্তু, সেই কাজে বাধা দেয়....ভারতের মুখ্যমন্ত্রী, মিঃ রামসোয়ামি আলাজ্ঞাডা।

দেখুন, আমি আপনাদেরকে আগেও বলেছি যে, আমাদের সরকার এসব গুন্ডাদেরকে কখনোই প্রশ্রয় দেয়নি... আর দিবেও না!

- আহ্! - তাছাড়া, আমাদের সরকার কোনো সংস্থার কথামতো চলে না...

আমাদের সরকার রাষ্ট্রের নিয়ম-কানুন মোতাবেক চলে।

স্যরি গ্যাংস্টারস, আশা করি...তোমরা আমার কথাটা বুঝতে পেরেছো।

দেবরাজ, এই রামাসোয়ামিকে রাজি করানো তো অনেক কঠিন!

রয় গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ২০১৬ সালে ভারতে যেই... "হাইড্রো-ইলেক্ট্রিকাল পাওয়ার প্ল্যান্ট" - স্থাপনের কাজ শুরু করতে চেয়েছিলো......

...ভারত সরকার সেই কাজ শুরু করার অনুমোদন দিয়েছে।

এবং রাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আমি এই দলিলে লিখিত দিচ্ছি যে, ভারত সরকারও এই কাজে তাদেরকে পূর্ণ সহায়তা দান করবে।

- স্বাক্ষর লেখার নিচে... - রামাসোয়ামি আলাজ্ঞাডার স্বাক্ষর আছে।

আসলে, আমরা আপনার স্বাক্ষরটার জন্যই আপনাকে অপহরণ করেছি।

তাই, এই দলিলে স্বাক্ষর করে দিলেই....আপনি চলে যেতে পারবেন।

আমার এই হাত দিয়ে আমি বহু অপরাধীকে আটকিয়েছি... আর তোমাদেরকে এখন শুধু আমিই আটকাতে পারি।

একজন মুখ্যমন্ত্রীকে অপহরণ করার পরিণাম...জানো?

আমার লোকেরা এসে... তোমাদেরকে গুলি করে মেরে...তোমাদের লাশ ওই দরজা দিয়ে টেনে-হিঁচড়ে বের করবে...!

ভেতরে আসো।

হুম, ধন্যবাদ।

এটা তোমার জন্যই এনেছি, নাও ধরো।

বাই, দাদা।

আপনি একা নিখোঁজ হলে, লোকে সেটাকে অপহরণ ভাবতো...

কিন্তু, যখন পুরো পরিবারই একসাথে নিখোঁজ হয়ে যায়...তখন লোকে ভাবে যে, তারা সবাই ঘুরতে গেছে। তাই, আপনার পুরো পরিবারকে এখানে নিয়ে এলাম।

রয়ের সমন্ধে আমি সবই জানি। রয় এত খারাপ লোক না।

সবাইই জানে যে, সে কারও পরিবারের ক্ষতি করে না।

তাহলে, আমার আর ভয় পাবার কী আছে?

আহ্!

তোকে শুধু হুমকি দেয়ার ইচ্ছা থাকলে...সেটা ভারত থেকেই করাতে পারতাম আর দলিলেও স্বাক্ষর করিয়ে নিতাম।

কিন্তু, স্বাক্ষর করার সময়...আমি তোর চোখে ভয় দেখতে চেয়েছিলাম। আর এখন থেকে তোর সাথে আমার সব লেনদেন এভাবেই হবে।

দলিলে স্বাক্ষর কর।

যেই সরকার সারাজীবন ভর আমাদের কোম্পানিকে তিরস্কার করে গেছে....

আজ থেকে, তারাই আমাদের গোলামি করবে।

তারা কি আমাদেরকে আটকাতে পারবে?

না!

চিয়ার্স!

রয় অনেকদিন পর ভারতে যাচ্ছে....

আমাদের টাকা ভর্তি জাহাজগুলোও কিছুক্ষণের মধ্যেই ভারতে পৌঁছে যাবে।

বলো?

কোথায় আছি তা জানি না।

বোম্বাই হলে তোমাকে জায়গার নাম বলতে পারতাম। কিন্তু, মুম্বাই হওয়ার পর থেকে...এখানকার অনেক কিছুই বদলে গেছে।

ড্রাইভার, এই জায়গাটার নাম কী?

ব্যালার্ড পিয়ার রোড, স্যার।

আমরা ব্যালার্ড পিয়ার রোডে আছি আর ৫ মিনিটের মধ্যেই তোমার কাছে পৌঁছে যাবো।

আমরা যেই চোরের ব্যাপারে কথা বলতে যাচ্ছি...তার ব্যাপারে আর নতুন করে কিছু বলার প্রয়োজন নেই।

সে মাত্র দুইটা চুরি করেই দুই হাজার কোটি টাকা লুটে নিয়েছে।

কে এই চোর? আর সে কেনোই বা এই চুরিগুলো করছে?!

তার পরবর্তী লক্ষ্য কী? - এসব সমন্ধে আমাদের বিন্দুমাত্র ধারণাও নেই।

আমাদের নিজেদের উপর লজ্জা হওয়া উচিৎ।

- স্যার? - হ্যাঁ, বলো।

স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের তিনটি টিম এই মামলার উপর তদন্ত চালাচ্ছে, স্যার।

আমরা সিসিটিভির নজরদারি আরো বাড়িয়ে দিয়েছি আর সব ধরনের কার্যকলাপের উপর নজর রাখছি।

আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যেই সেই চোরটাকে আমরা ধরে ফেলবো, স্যার।

স্যার।

আরেকটা চুরি হয়েছে, স্যার।

কী?!

তৃতীয় আরেকটা চুরি হয়ে গেছে, স্যার।

হ্যাঁ?

- তদন্ত চলছে, স্যার। আমরা শীঘ্রই তাকে ধরে ফেলবো। - এসব হচ্ছেটা কী?! তোমরা কি কোনো প্রমাণই খুঁজে পাওনি?

গোসায়ামি।

- গোসোয়ামি! - স্যার।

প্রমাণ পাওনি!?

শুধু প্রমাণই না, যারা যারা চুরি করেছে...তাদেরকেও ধরে ফেলেছি।

কিন্তু...

কিন্তু...

যাদের ধরেছি... তারা নাকি জানেই না যে, তারা চুরি করেছে, স্যার।

কী বললে?!

উনাকে দেখে উচ্চপদস্থ পুলিশ অফিসার...মনে হচ্ছে।

স্যার...

আপনার সাথে কিছু কথা ছিলো, স্যার।

গোপনীয় কথা।

আচ্ছা।

- এই... - থামো।

ওকে আসতে দাও, অজয়।

ধন্যবাদ, স্যার।

বলো।

আমি উনাদেরকে যা-যা বলেছি...আপনাকেও সেটাই বলছি, স্যার।

আমার কথা শোনার পর আপনি নিজেই বিচার করুন যে, আমি চোর কিনা...

সাধারণত, সকালবেলায়... লোকেরা পাখির ডাক শুনে ঘুম থেকে উঠে।

কিন্তু, আমি ঘুম থেকে উঠি...টিভি সিরিয়ালের শব্দ শুনে।

বিদ্যুতের বিল দেখামাত্রই যখন আমি চিন্তিত হয়ে গেছিলাম...তখনি কে যেনো বারবার দরজার বেল বাজাচ্ছিলো।

এই! কে রে তুই?

তারপর, দরজা খোলার সাথে সাথেই একটা তীর এসে দরজার মধ্যে লাগে।

টিভিতে কী "নাজুক নাগিনী" সিরিয়ালটা শুরু হয়েছে না?

গুলি করো আমায় নাগিনী...গুলি করো।

হ্যাঁ...

ভয় পেয়ো না। তোমার সামনে থাকা ঝুড়িতে একটা বন্দুক রাখা আছে, দেখো!

তুমি যদি তৎক্ষণাৎ এই বন্দুকটা দিয়ে আকাশের দিকে গুলি চালাও....

তাহলে, আমি তোমার এই মাসের বিদ্যুৎ বিলটা পরিশোধ করে দিবো।

যেহেতু, সে সিরিয়ালটার নাম ঠিক বলেছিলো...

তাই, আমার মনে হয়েছিলো যে...সে আমার বিদ্যুৎ বিলটা পরিশোধ করে দিবে।

স্যার, তারপর কী হয়েছিলো, তা আমি বলছি...

রোজকার মতোই আমি নিজের গাড়িতে উঠে ভগবান গণেশের মূর্তির কাছে প্রার্থনা করছিলাম।

তখনই, মূর্তিটার কাছে রাখা চিঠিটার দিকে আমার নজর পড়ে।

গুলির আওয়াজ শোনার সাথে সাথেই...

গাড়িটাকে ব্যান্ড্রার টার্নার রোডের সামনে পার্ক করে দিয়ো...

কাজটার বদলে আমি তোমাকে ২০,০০০ টাকা দিবো।

ধ্যাত! কী সব যা-তা বলছে! পাগল কোথাকার!

টাকা!?

তুই কে?

আমি জন স্নো।

আমি কিছুই জানি না।

এখানেই থেকো।

কার বিয়ের হচ্ছে, তা জানার জন্য বিয়ের কার্ডটা খুলেছিলাম, স্যার।

কিন্তু, খোলার পর বুঝতে পারলাম যে, সেটা আমারই...শনির দশার নেমন্তন্ন!

চুপচাপ লকার রুমে রাখা সব সোনা-গয়না আর টাকা ব্যাগের মধ্যে প্যাক করে দে...

নাহলে, কী হবে... তা ডানে তাকিয়ে দেখে নে।

যদি এই চিঠির কথামতো কাজ না করিস, তাহলে স্যুটকেসের মধ্যে রাখা বোমা ফাটবে...

আর তোর পরিবারের লোকেরা এসে তোর লাশের শেষ সৎকার করবে!

তোর সময় শুরু হলো।

দোকানের ম্যানেজারের দিকে চোখ গরম করে তাকালে...এই স্যুটকেশের পাশাপাশি একটা রে-ব্যান সানগ্লাসও ফ্রি পাবে।

আয় হায়!

ফাস্ট আ্যন্ড ফিউরিয়াস ডেলিভারি সার্ভিস।

ব্যাগগুলো দাও।

জলদি করো।

শেষ বেলুনটা ফুটেছে...!

যেখান থেকে এসেছো...সেখানে ফিরে যাও।

এই...এই... তুই না বলেছিলি যে, তুই গাড়িটার ব্যাপারে কিছুই জানিস না?

তাহলে গাড়িটা সেখানে পৌঁছানোর সাথে সাথেই গুলি চালালি কীভাবে?

গাড়িটা এসে গেছে বলে আমি গুলি চালাইনি, স্যার।

তাহলে?

আমি গুলি চালিয়েছিলাম কারণ... চিঠিটার অপর পৃষ্ঠায় লেখা ছিলো যে,

"সিরিয়ালটা শেষ হবার পর যদি তুমি আরেকবার গুলি চালাও....

তাহলে, আমি এই সিরিয়ালটাকে চিরতরে বন্ধ করিয়ে দিবো।"

দাঁড়াও!

তুই-ই শেষ সাক্ষ্য...তাই না?

- তারপর কী হয়েছিলো...তা ভালো করে ভেবেচিন্তে বল! - স্যার, স্যার...

দাঁড়াও, সোয়ামি।

তুই কী ওই গাড়ির ড্রাইভারকে দেখেছিলি?

না, স্যার।

ওই গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন নম্বরটা খেয়াল করিসনি?

না, স্যার।

গাড়িটা কী রংয়ের ছিল?

দেখিনি, স্যার।

তুই কী কিছুই দেখিসনি!?

আরে ব্যাটা... তুই কি অন্ধ নাকি?

জ্বি, স্যার।

হ্যাঁ, স্যার। ও অন্ধই।

ও অন্ধ। ও চোখে দেখতে পায় না।

অন্ধ নাকি তুই?

গাড়ি...

চোরটার কথামতো কাজ করলে, সে ওর চোখের চিকিৎসা করিয়ে দিবে বলেছিলো...

খোঁজ নিয়ে দেখলাম...আ্যপোলো হাসপাতালে বিকেল চারটায় ওর চোখ অপারেশনের আ্যপয়েনমেন্ট বুক করা আছে।

মিঃ শিনডে..

আমরা চুরির মামলাটার উপর তদন্ত করা শুরু করে দিয়েছি, স্যার।

পুরো ৩০ জন সদস্যই এখানে আছে।

আমাকে শুধু এক সপ্তাহ সময় দিন।

আমি এটা জানতে ফোন দেইনি, শিন্ডে।

আমি তোমাকে এটা জানাতে ফোন করেছি যে...একজন আন্ডারকাভার অফিসার এই মামলাটারা দায়িত্ব নিয়েছে।

কে সে, স্যার?

তার নাম অশোক চক্রবর্তী।

এগুলো... তার সম্পর্কে সব যাবতীয় তথ্যাদি।

ওর প্রফাইলে যতগুলো রেকর্ডস আর মেডেল আছে....ততগুলো কারও ফেইক প্রফাইলেও থাকে না!

মনে হয়...আমরা জীবনেও এত রেকর্ডস আর মেডেল অর্জন করতে পারবো না!

কিন্তু, সে কি ওই চোরটাকে ধরতে পারবে?

আমি ওর সাথে এর আগেও কাজ করেছি, স্যার। সেই পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকেই বলতে পারি...

ওর পুরো জীবনটাই একটা রেকর্ডের পাতার মতো।

মানে?

স্যার, এটা সেই আ্যলেক্সে নামক লোকটার ছবি।

অবৈধ অস্ত্র বেচাকেনার সময়... মণির লোকেরা ওকে তুলে নিয়ে গেছে।

ও কোনো সামাজিক ফিল্মের শুরুতে আসা... ধূমপানের বিজ্ঞাপনের মতো।

সেই বিজ্ঞাপনের বার্তাটা সঠিক থাকলেও, সিনগুলো যেরকম ভয়ংকর থাকে...ও তেমনই ভয়ংকর, স্যার।

আমরা সবাই আগে আলাদা আলাদাভাবে ব্যবসা করে ব্যবসায় লস খাচ্ছিলাম।

কিন্তু, তোর কারণে আমরা সবাই এখন একত্রিত হয়ে গেছি।

বলো, গণপতি বাপ্পা মোরিয়া!

গণপতি বাপ্পা মোরিয়া!

বাবা, খেলা শুরু করবো নাকি?

ভাই, মরার আগেও আ্যলেক্স আমাদের টাকা দিয়ে যাচ্ছে!

আমার গাড়িটা বাজি রেখে বললাম, ও মরবে না।

কে রে তুই? কোথা থেকে এসেছিস?

ড্রাই স্টেট থেকে এসেছি।

এই শালা, মণি ভাইয়ের বিপক্ষে বাজি ধরার সাহস কী করে হলো তোর!

প্রেসার কুকারের ছিপিটা পাঁচবার শিস দিলে বুঝবে...খিচুড়ি রান্না হয়ে গেছে।

ঠিক আছে, ভাবী।

পাঁচবার শিস বাজার পর খিচুড়িও রান্না হয়ে যাবে আর তুইও মরবি।

ওকে বাঁচানোর চেষ্টা কর, যা!

দেখা যাক...তুই ওকে বাঁচাতে পারিস কিনা!

এক।

ও তো আজ এখানেই মরবে!

আমার তো মনে হচ্ছে না যে, ও মরবে!

এই, যেয়ে ধর ওকে।

তুই যেয়ে দরজাটা লাগিয়ে দে, যা!

ভাই...!

ভাই, প্লিজ...আমাকে বাঁচাও!

এরা আমাকে মেরে ফেলবে, ভাই। প্লিজ আমায় বাঁচাও....!

এই...ওকে যেতে দাও!

আরে, সাবধানে! পিছে দেখো!

এই শূয়রগুলোর মাঝখানে এত সুন্দরী রমণী কোত্থেকে আসলো!?

কী বললে?

তুমি করছোটা কী?

আমি কাপড় শুকাচ্ছি।

এই বৃষ্টির মধ্যে কাপড় শুকাতে দিচ্ছো!?

এই মারামারির মাঝখানে আবার রোম্যান্স শুরু করেছো কেনো?

More Bengali subtitles for Saaho

تبصرې

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left