لومړۍ 200 کرښې.
🔥অনুবাদ আয়োজনেঃ🔥 💖𝗧𝗘𝗔𝗠 𝗪𝗕𝗠𝗙💖
শেবাগ! উঠো শেবাগ!
উঠো শেবাগ!
এত দূরে পালিয়ে যেও যেন কেউ তোমার দেখা না পায়।
আজকের এই দিন কখনো ভুলে যেওনা।
আম্মি!
আজকের পর নিজের ভাগ্য নিজে লিখে নিও!
না!
- আম্মি। না, আম্মি। - যাও এখান থেকে।
- যাও শেবাগ। - না, আম্মি!
থেমো না।
আম্মি!
আম্মি!
আজ তোমার ভাগ্য বদলে গেছে।
আজকের দিন কখনো ভুলে যেওনা।
এই দিন তোমার ভাগ্য বদলে দেবে।
- আমি সবসময় তোমার মাঝেই থাকব। - না!
আম্মি!
আম্মি!
না।
আমি সর্বদা তোমায় পথ দেখাব।
তোমার নিজের ভাগ্য নিজেকে লিখতে হবে।
আম্মি!
না!
শেবাগ?
সে তার মায়ের সাথেই মরে গিয়েছিল।
এখন কেবল এই আমি বাকি।
আমার চেহারার এই চিহ্ন আমার খারাপ সময় মনে করিয়ে দেয়।
আম্মি!
আর এটা...
সেই খারাপ সময়ের একটা ভালো স্মৃতি।
যে গর্বের সাথে আপনি আপনার খারাপ সময়কে সাথে নিয়ে চলছেন,
ঠিক ততটাই গর্বের সাথে আজ থেকে এটাও আপনার সাথে নিয়ে চলবেন।
INTRO
𝗧𝗿𝗮𝗻𝘀𝗹𝗮𝘁𝗲𝗱 & 𝗘𝗱𝗶𝘁𝗲𝗱 𝗕𝘆: 𝗡𝗘𝗔𝗠𝗨𝗟 𝗛𝗢𝗤𝗨𝗘 𝗔𝗕𝗘𝗚
INTRO
নিত্যনতুন সকল মুভি ও সিরিজের আপডেট পেতে জয়েন করুন আমাদের গ্রুপঃ 𝗪𝗕𝗠𝗙 : 𝗙𝗜𝗟𝗠 𝗦𝗢𝗖𝗜𝗘𝗧𝗬
পারস্যের শাহ্ হুকুম দিয়েছে তার সাথে হাত মিলিয়ে নিতে।
নাহয়, সে সমরকন্দে হামলা করবে বলেছে।
বেচারা ফার্সি।
সে চায় আমি ভয় পেয়ে যাই।
চলো, পেলাম ভয়।
এখন? তার সামনে মাথা নত করবো?
কাম্বার আলী।
শাহে্র কাছে আমার বার্তা পাঠাও এই বলে যে, তার স্বপ্ন...
স্বপ্নই থেকে যাবে।
হুজুর, পারস্যের শাহে্র শক্তি--
তো?
বাবর ও একই চেষ্টা করেছিল।
আর আজ সে জঙ্গলে জঙ্গলে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
নিজের ব্যর্থ চেষ্টাকে খুঁজে খুঁজে।
শুনেছি, তার চেষ্টার ফল মিষ্টি হচ্ছে হুজুর।
এখন সে আর হতাশা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে না।
সবাই বাবরের নৃশংসতার সামনে মাথানত করছে।
বাবর আশেপাশে সকল ছোটো এলাকায় হামলা করে,
তাদের বিজয় করে,
নিজেদের সাথে একত্র করছে।
বিশাল সেনাবাহিনী বানাচ্ছে।
মাফ করবেন, হুজুর।
আমি কেবল আপনাকে বিষয়টা জানিয়ে রাখছি।
কেমন আছেন আপনি?
কতদিন পরে আসলে বাবর।
পাঁচ চাঁদ পর। (৫ মাস)
আপনার ছেলে দিন রাত একটা দায়িত্বের পেছনে ছুটছিলো,
সেনাবাহিনীর সংখ্যা এবং শক্তি বাড়ানো।
এসবের পেছনে কত সময় চলে গেল মনেই নেই।
কিন্তু আপনার তো বিগত প্রত্যেক রাত আর দিন মনে আছে।
এমন কোন মুহূর্ত ছিল যখন আপনি আপনার ছেলের জন্য দোয়া করেননি।
আপনিও তো।
বাবর, আপনার অপেক্ষায় আপনার নানীজানের চোখ সর্বদা দরজাতেই লেগে থাকতো।
কিছু ভালোবাসা খোলা হাওয়ার মতন হয়।
খালি চোখে দেখা যায় না।
কিন্তু না থাকলে, শ্বাস আটকে যায়।
কীভাবে অপেক্ষা না করতাম?
উনার নানী বলে কথা।
আমি আমার পূর্ববর্তী সব দোষের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।
আমার এতটা কঠোর হওয়া উচিত হয়নি।
না, নানীজান, আপনার কঠোরতা আমাকে শক্তি দেয়।
আমি আজ যা হতে পেরেছি, কেবল আপনার জন্যই।
আমার কখনো এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ভালো লাগেনি।
কিন্তু আপনি আমাকে একজন সেনা হওয়ার গুরুত্ব বুঝিয়েছেন।
আপনি আমাকে, আমার শক্তির গুরুত্ব বুঝিয়েছেন।
শুনেছি বাদশাহ বাবর পূর্বের অনেক এলাকা জিতে নিয়েছে?
খবর রেখেছেন তবে আপনি।
ইনশাআল্লাহ, প্রত্যেক ছোটো জয়ের মানে,
সেনাবাহিনীতে আরো সেনা।
আর এই বাড়তি সেনাবাহিনী মানে, আমার আর সমরকন্দের দূরত্ব কমে যাওয়া।
আর খানজাদা থেকেও।
তলোয়ার নেয়ামেই থাকতে দিন।
এটা আপনার যুদ্ধের ময়দান নয়।
এখানে কোনো বিপদ নেই।
ওর নাম মাহাম। বাইসঙ্গরের মেয়ে।
আপনার আম্মিজানের অনেক খেয়াল রেখেছেন উনি।
শুকরিয়া।
আর সেদিন ঝিলে ডুবে যাওয়া থেকে কুতলুককে উনিই বাঁচিয়েছিল।
আপনার ঋণ তো শোধ করতে পারবো না।
কিন্তু এই ছোটো উপহারটুকু কবুল করুন।
আপনার পরিবার আর আপনার খিদমত করা আমার দায়িত্ব।
উপহার দিয়ে লজ্জিত করবেন না।
আপনার খিদমতেই আমার খুশি।
আর তার কোনো মূল্য হতে পারে না।
আপনি কীভাবে জানলেন কেউ আছে?
আমি এটাও জানি কখন থেকে আছেন।
এতক্ষণ ধরে কী দেখছিলেন?
দেখছিলাম না, পড়ছিলাম।
আপনার পিঠে লিখা কষ্টের কাহিনি।
আপনার কষ্টকে আরো মানুষ অনুভব করতে পারে।
তোমাকে পাঠিয়েছিলাম উনাকে ডাকতে, কথা বাড়াতে নয়।
আমি কেবল এটাই বলছিলাম--
ওয়াজির খান আর বাইসঙ্গর আপনার সাথে কিছু কথা বলতে চায়, বাবর।
আমাদের অনুপস্থিতিতে সমরকন্দে অনেক কিছুই ঘটে গেছে।
শেবানি খানের সাথে পারস্যের শাহ্'র মুখোমুখি হয়েছে।
আর শাহ্, শেবানিকে তার দলে যুক্ত হতে বলেছে।
এমন নাছোড়বান্দারা কখনো কারো কাছে মাথানত করে না।
শেবানি এই প্রস্তাব কখনো মঞ্জুর করবেনা।
আপনি ঠিক বলেছেন, হুজুর।
সে অনেক অপমানের সাথে শাহ্'র আদেশ ফিরিয়ে দিয়েছে।
এখন শাহ্ এই অপমানের বদলা অবশ্যই নেবে।
আর আমরা অবশ্যই তাকে সাহায্য করবো।
শত্রুর শত্রু সবসময় ভালো বন্ধু প্রমাণিত হয়।
যত দ্রুত আমরা শাহ্'র সাহায্য পাবো,
তত দ্রুত আমরা খানজাদার নিকটে যেতে পারবো।
আপাকে ছাড়া প্রতিটা মুহূর্ত আমাকে আমার ব্যর্থতার কথা মনে করিয়ে দেয়।
আমার তাকে সেই বন্দিত্ব থেকে ছুটিয়ে আনতে হবেই।
ব্যস!
অপরের উপর জুলুম করলে নিজের প্রতি হওয়া জুলুম কমে না শেহজাদি।
পীড়া তো প্রত্যেকেই পেয়েছে।
সে কেবল ১০ বছরের ছিলো।
আর আমি ১১ বছরের যখন আমার সবকিছু ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
আপনি ১৬ বছরের ছিলেন, আপনার ভাই ১৪ বছরের।
কম পীড়া সহ্য করেছেন আপনারা?
শেবানি এমন কী জুলুম করেছিল তোমার উপর,
যে তোমার ঘৃণা এতটা গভীর হয়ে গেল?
- আমার সাথে-- - বাদশাহ শেবানি আসছেন।
অভিনন্দন।
আপনি আরো বেশ কিছুদিন মুক্তি পাবেন আমার বন্দিত্ব থেকে, খোলা হাওয়ায়।
আমি কাল একটা যুদ্ধে যাচ্ছি।
উত্তরের একটি সাম্রাজ্য আছে, কাজিগঞ্জ।
একদম আপনার মতন।
জেদী।
প্রত্যেক বছর আমি জেতার চেষ্টা করি, আর প্রত্যেক বছরই আমি হেরে আসি।
তাহলে এবার জিতে যাবেন।
যেমনটা আমায় জিতে নিয়েছেন।
আব্বাজান সবসময় বলতো।
উত্তরের এলাকাগুলোয় কুদরতের রহমত আছে।
উচ্চতা আর ঠান্ডা হওয়ার ফলে শত্রু থেকে সুরক্ষিত থাকতে পারে।
আপনার সাথে কতজন সৈন্য নিয়ে যাচ্ছেন?
এবার আমার সম্পূর্ণ সেনাবাহিনী যাবে।
১০ হাজার সেপাই।
আর কীভাবে যাচ্ছেন?
ঘোড়ায় চড়ে। আর কীভাবে?
আমার মতে আপনার কম সৈন্য নিয়ে যাওয়া উচিত।
কেবল আপনার সেরা সেনাদের নিয়ে যাওয়া উচিত।
আর খচ্চরে করে।
পাহাড় চড়াইয়ের ক্ষেত্রে ঘোড়া থেকে খচ্চর বেশি কার্যকরি হবে।
শব্দ কম করে।
আপনার হামলা যতটা নিরব হবে,
আপনার জয় ততটাই জোরেসোরে হবে।
শেবানির হামলার ফলে আশেপাশের ছোটো এলাকাগুলো অনেক চিন্তিত, হুজুর।
যদি আমরা তাদের সুরক্ষা দিয়ে পরিবর্তে তাদের আনুগত্য চাই তাহলে...
ক্ষমা করবেন। চোখ লেগে এসেছিল।
তো এখন খুলে থাকলে, কাজের কথা শুরু করা যাক?
কী বলছিলেন আপনি, ওয়াজির খান?
যদি এই এলাকাগুলো আমাদের সাথে হাত মেলায়,
তাহলে আমাদের সেনাবাহিনীতে ২০০০ সৈন্য আরো যুক্ত হয়ে যাবে।
এলাকাগুলো পশ্চিম থেকে শুরু হয়।
ভালো হবে আমরা পূর্ব দিক থেকে হামলা করলে।
এর ফলে তারা আমাদের দেখতেই পাবে না।
আর সূর্য উঠার সাথে সাথে আমরা--
এসব এলাকার সাথে আমাদের কোনোপ্রকার শত্রুতা নেই।
সম্পূর্ণ কথা না বুঝে বলাটা বোকামো ছাড়া কিছুই না।
হতে পারে কথা বলেই সমাধান করা যাবে।
কথাবার্তা!
কথাবার্তা দুর্বল সেপাইয়ের অস্ত্র।
আপনার আম্মি আর নানীজান আপনার অপেক্ষা করছেন।
আপনি আসছেন?
আমার আব্বা সবসময় শেখাতেন যে,
তলোয়ার দিয়ে জমিন জয় করা যায়,
কিন্তু বুদ্ধি দিয়ে মানুষের আনুগত্য অর্জন করা যায়।
তাই প্রথমে কথাবার্তা বলুন।
হতে পারে শক্তি ব্যবহারের প্রয়োজনই হবে না।
ভাই এক পোটলা গাঞ্জা দাও তো।
- তুমি ঠিক আছো? - হ্যাঁ হ্যাঁ, একদম।
না, তুমি ঠিক নেই।
দুই বছর হয়ে গেল।
ছোটো ছোটো এলাকা জিতে আপনি সেনাবাহিনী তো জমা করে ফেলেছেন।
কিন্তু এখন মনে হচ্ছে আপনি যুদ্ধই করতে চান না।
এটার কেবল দুটো কারণ হতে পারে।
কারো যুদ্ধের ময়দানে মৃত্যু ভয় থাকলে তখন, অথবা কেউ বেচে থাকার কারণ খুঁজে পেলে তখন।
আর আমি এটুকু জানি আপনার মৃত্যু ভয় তো নেই।
একটা সাধারণ মেয়ে এমন জাদু করে দিলো?
যে আপনি আপনার উদ্দেশ্য ভুলে গেলেন?
ভুলে গেছেন যে আপনার বোন শেবানির কাছে বন্দীদশায় জুলুমের শিকার হচ্ছে!
মানুষ মহলে জন্মগ্রহণ করুক বা রাস্তায়,
মানুষই তো হয়,
নিজের আবেগের গোলাম।
আর...
তোমার আবেগ তোমার উপর ভারী হয়ে যাচ্ছে, কাসিম।
আমি সবসময় তোমার ভালোবাসার কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে আসছি আর শ্রদ্ধাও করি।
কিন্তু বন্ধুত্ব ছাড়া তোমাকে আর কিছুই দিতে পারবো না আমি।
No comments yet. Be the first to leave one.