لومړۍ 200 کرښې.
অনুবাদ ও সম্পাদনা আরমান আল মাহমুদ
দক-সুন! স্কুলের দেরি হয়ে যাচ্ছে! জলদি কর!
আচ্ছা!
আমি যাচ্ছি।
খোদা, কী লবণ।
আমি যাচ্ছি!
আমি যাচ্ছি।
তোকে দিয়ে আসবো?
লাগবে না। আমারও গাড়ি আছে।
গাড়ি?
আমি যাচ্ছি—
কেউ নেই, তাই না? জানি। হ্যাঁ।
ওহ, আমার ব্যাগ।
মামা! জলদি টানুন!
জলদি টানুন!
মামা! জলদি টানুন!
ধুর! এই!
এই, নে! এটা নে!
- কী করছিস? - দং-রিওং—
স্যরি!
- ওহ, খোদা! - স্যরি!
- ধুর! - স্যরি।
ধ্যাত।
ধুর ছাই!
মামা, টান দেন!
বাসায় চলে যাবো নাকি?
আমি কলেজে পড়তে চাই।
তুই অসুস্থ নাকি রে, বেটি?
তবে শুনে ভালো লাগলো।
আজকে থেকে পড়া শুরু করবো। প্রাইভেট পড়বো।
কী— কীসের প্রাইভেট?
তোর বোন সউল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়!
টাকা নষ্ট না করে ওর কাছেই তো পড়তে পারিস!
ওর কাছে পড়।
স্থানান্তর কর।
"x" বাদে সব ডানে নিয়ে যা!
আহ্।
2x সমান...
সিক্স মাইনাস এইট।
খোদা।
নিশ্চিত তো?
এই, গাধী!
অন্য পাশে নিয়ে গেলে মাইনাস হবে বলেছি, বলিনি?
বলেছো।
আর কতবার বলতে হবে?
মাথা খালি? মাথায় গিলু নেই?
এটা সেভেনথ গ্রেডের অঙ্ক! ফার্স্ট সেমিস্টারের!
তুই গাধী হলেও, এটারও সমাধান পারিস না কীভাবে?
গোড়া থেকেই তোর মানসিকতায় দোষ আছে।
সব তোর কাছে ছেলেখেলা। কিছুতেই সিরিয়াস না তুই।
তোর চোখ সবসময় ঝিমিয়ে থাকে।
হায়রে খোদা।
বলতে চাচ্ছি, আরও বেশি মনোযোগ দে।
তুই মাথামোটা হলেও, অন্তত ভালোভাবে চেষ্টা কর!
জীবনে চলা এতই সহজ ভাবিস?
তোর ঘাড়ের ওই জিনিস, মাথাটা।
ওটা কেন বয়ে বেড়াস? ওটা শুধু স্টাইল করতে না,
পড়াশোনায়ও ব্যবহার কর।
মাথা খাটা! মাথামোটা হলেও, মুখস্থ করতে পারবি।
বুঝার চেষ্টা বাদ দিয়ে, শুধু মুখস্থ কর! বুঝেছিস?
গাধী কোথাকার!
খোদা।
মাথা খারাপ হয়ে গেল।
মরে গেলেও, আপুর কাছে পড়বো না।
বরং স্টাডি রুমে পড়বো।
মা। ওর সমস্যা হলো মনোযোগের অভাব।
টেবিলে দশ মিনিটও বসতে পারে না।
ছোট আপুকে কখনো টেবিলে বসতে দেখিনি।
ওহ, হয়েছে কি,
ব্যাংকে শুনেছিলাম,
একটা জিনিস মনোযোগে সাহায্য করে।
কী?
বেটি, তোর কপাল ভালো যে আমি তোর বাবা।
আর, এই ব্লকে থাকাটাও বড় সৌভাগ্য।
তুই নিশ্চয়ই ব্যস্ত। স্যরি।
গো-খেলা পারিস?
তুই চাল।
রামেন খাবি?
আমি বানাবো?
বসো।
বাপরে। এত দামি ইয়েলো করভিনা কোথায় পেলেন?
বিক্রি করছে দেখে কিনে আনলাম। একটা গোটা বক্স কিনেছি।
- জলদি খান, ভাই। - হ্যাঁ।
বাসায় কখনো খাইনি এই মাছ। কীভাবে খাবো?
হাতে নিয়ে খাবেন।
আমরা কিছুদিন হলো খাচ্ছি।
বাপরে। জুং-বং এর মা, আপনি সত্যিই একজন সাধু-সন্ত।
এত চমৎকার ও দামি জিনিস খাওয়ানোর মতো বড় মনের হতে পারলেন কীভাবে?
আমি তো শুধু নিজের পরিবারকে খাওয়াতে পারলেই বাঁচি।
বাপরে...
বাপরে। কত মোটা।
বাপরে।
এখানেই মারা যাবো!
কী মজা!
শুনলাম দক-সুন গো-খেলা শিখছে।
গো-খেলা নাকি মনোযোগ বাড়াতে বেশ কাজে দেয়।
গো-খেলা ওর জন্য কঠিন হবে।
ও হয়তো বেশিদিন টিকবে না।
আরে মশাই, এ কথা কীভাবে বলেন?
ও বেশিদিন টিকবে না মানে? একদিন টিকে ছেড়েও দিয়েছে।
জানি নিজের মেয়েকে নিয়ে এভাবে বলা উচিত না,
কিন্তু পড়ালেখার মাথা ওর মোটেও নেই।
তবে এখন হাত দিয়ে নাড়াচাড়া করছে।
ওটাও নাকি মনোযোগ বাড়ায়।
খাচ্ছো না কেন?
তোমার জন্য আরও ভাত নিয়ে আসো।
আরে, সাবাস।
খাচ্ছো না কেন?
অদল-বদল করবি? আমি খুলে দিচ্ছি।
তুই এটা মেলা।
ওয়াও!
নে!
নে।
মেলাতে থাক। আমি বাথরুমে যাচ্ছি।
ভাবি, জুং-বং আজকাল ভালোভাবে পড়ছে?
পরীক্ষার তো ৫০ দিনও নেই, তাই না?
তিন, দুই, এক।
লালটা, লালটা!
একটু গাঁজানো সয়াবিন বাঁটা নিয়ে আসি...
আরে!
সকাল সকাল কোথায় গিয়েছিলেন?
আজকে মি-রানের জন্মদিন!
ওর জন্য সীউইড স্যুপ বানাচ্ছি।
ভেতরে যাচ্ছি।
হারামজাদা!
মেরে ফেলবো।
স্যরি।
আমি যাচ্ছি।
রাতে আমরা বাইরে খাচ্ছি জানিস তো? তাড়াতাড়ি ফিরিস।
রাতে পড়া আছে।
আজকে রবিবার।
মরতে চাস?
৫টার মধ্যে আসতে হবে, তাই তো?
তোর জুতার কী হয়েছে?
কী? কেন? কী?
জানিস না? এটা এয়ার জর্ডান। কেন?
এগুলোর জন্য লিডারশীপ টিমের হাতে ধরা পড়বি।
এগুলো এমনিতেই ধরা পড়ে, গাধা।
গত সপ্তাহ থেকে সুন-ঊ লিডারশীপ টিমে আছে, গাধী।
তাহলে তো তোর জন্য ভালো, গাধা।
তোর জন্যও ভালো। আজকে তোর লাঞ্চও নেয়া লাগবে না।
থুতনিতে লেগে থাকা ওটা খেতে পারবি, গাধী।
বাই।
বাংহাক-দং থেকে সাংমুন হয়ে তোয়েগিয়ে-রো।
কোথায় আমরা? পৌঁছে গেছি? নামবো?
এখনো অনেক দূর। তোকে রেখে যাবো ভাবছিস?
দক-সুন। কোথায় রে?
শুনতে পাচ্ছিস? সাড়া দে, দক-সুন!
নাম ধরে ডাকিস না।
- ধুর! - মামা! কী করছো!
কী একটা অবস্থা!
কী হয়েছে?
অ্যাক্সিডেন্ট হলো নাকি? নামবো নাকি নামবো না?
নেমে যাবো? কী করবো? কী হয়েছে?
সোনা! সময় হয়ে গেছে!
আর মেকআপ লাগিয়ো না। তুমি এমনিতেই সুন্দর।
কয়টা বেজেছে?
৪:৩৩, সময় হয়ে গেছে!
জুং-হোয়ান! জুং-বং! জলদি আয়!
বাইরে খেতে যাচ্ছে বলে সবাই সেজেগুজে সুন্দর হয়ে যাচ্ছে।
কে এটা? এটা কি সত্যিই আমার ছেলে?
কোনো নায়ক না? চমৎকার জামা পরেছিস।
নতুন নাকি?
গতকালও তো পরলাম এটা।
আহা! জুং-বং কোথায়? ওকে জলদি আসতে বল।
ভাইয়া, জলদি চলো। আজকে মায়ের জন্মদিন। আমরা বাইরে খাচ্ছি।
এটা শেষ করা অব্দি বাইরে এক কদমও রাখবো না।
এটা আমার যুদ্ধ।
আমরা পর্ক কাটলেট খাবো।
গাড়িতে করলে হয়তো গাড়ির অসুখ হবে।
আরে, ওর এতক্ষণ কেন লাগছে? সোনা!
মি-রান! রা মি—
সোনা, কাঁধ এত উঁচু করলে কেন?
আমি... বাসায় থাকি?
না। পরিবারকে একসাথে থাকতে হয়। জলদি উঠে পড়।
সামনে কিছু মালপত্র আছে, তাই সবাই পেছনে ওঠো।
জলদি!
চলো, কিট।
হ্যাঁ গো।
ঝিনুক সব খাওয়া হয়ে গেছে?
হ্যাঁ।
তাহলে শেষ হবার আগে আরও কিছু কিনে আনতে!
তুমি তো জানো আমি শুধু ঝিনুক দিয়েই ভাত খেতে পারি।
ঝিনুক ছাড়াই খাও!
ঝিনুক রাঁধতে কত ঝামেলা জানো?
ধুতে আর সিদ্ধ করতে অনেক সময় লাগে।
তারপর প্রত্যেকটা খুলে আবার ম্যারিনেট করা লাগে।
ভাবো চাইলেই মুখের সামনে হাজির হয়ে যায়?
খোদা, ভাপা মাংস কিংবা করভিনা মাছ ভাজা
খেতে চেয়েছি?
এই একটা জিনিসই তো ভালোবাসি। সেটাও বানিয়ে দিতে পারো না?
আর, এর জন্য এত মেজাজ দেখাচ্ছো কেন?
সক্রেটিস একদম ঠিক বলেছিল।
"বাজে স্ত্রীও স্ত্রী।"
আমি বলেই তোমার সাথে সংসার করছি। জানো সেটা?
যত্তসব বলে যাচ্ছে...
তোমার কপাল ভালো যে আমি তোমার সাথে সংসার করছি!
নেই কোনো ভদ্রতা, নেই কোনো গুণ।
কপাল! কপাল....
কোনো গুণ না থাকলে তিনটা বাচ্চা জন্ম দিলাম কীভাবে?
No comments yet. Be the first to leave one.