لومړۍ 200 کرښې.
জার্মান সেনাদল, উত্তর-পূর্ব দিকে!
গতি বাড়াও! বিমান নিয়ে ঝাঁপ দিতে হবে!
ঠিক করে বানান করো, রেফ।
"Rudder" বানানে ২টি D আছে.
- ধন্যবাদ, উইংম্যান। - হ্যাঁ, অবশ্যই।
ওও, আরো সৈন্য!
ঝাঁঝরা করে দাও, ড্যানি।
করছি, রেফ।
- স্বাধীন মানুষের দেশ এটা। - আর সাহসী মানুষদের বাড়ি।
চমৎকার চালিয়েছ,বাবা!
এসো। আমি তোমাকে শেখাব কিভাবে বিমান চালাতে হয়।
আমি সামনের দিকটায় উঠছি!
না, তুমি পেছনে যাও।
আমি লম্বা, তাই আমার সামনে বসা উচিৎ।
আমি তোমার থেকে বয়সে বড়, আর আমি তোমাকে শেখাচ্ছি। তাই, না।
ওয়াও। মনে হচ্ছে আমরা সত্যি সত্যিই উড়ছি।
হ্যাঁ, আমি এটা অনেকবার করেছি।
আচ্ছা, তুমি মেশিনগান চালাও।
আমি এর গতি বাড়াই।
আমরা ওই নোংরা জার্মান লুটেরাদের শিক্ষা দিয়ে ছাড়বো।
ওহ ঈশ্বর!
- দাড়াও! - এটা বন্ধ করো, রেফ!
আমি বাবাকে এটা অনেকবার করতে দেখেছি।
চিন্তা কোরোনা!
রেফ!
ওহ, ঈশ্বর! আমরা উড়ছি!
আমরা উড়ছি!
ওওহ! আহ!
ওয়াও।
বাবা আমাকে মেরেই ফেলবে।
এসো।
ইয়েস! হুররে!
আমরা উড়তে পেরেছি!
আমরা উড়েছি! হ্যাঁ! আমি একজন পাইলট!
- আমি জানি! - হ্যাঁ!
আমরা উড়েছি।
- দায়িত্বজ্ঞানহীন ছেলে কোথাকার! - বাবা-
আমি তোমাকে আগেই বলেছি, তুমি ওই ফালতু আর ...
মূর্খ ছেলেটার সাথে খেলে খেলে সময় নষ্ট করছ।
যথেষ্ট হয়েছে আর না!
ও ফালতু ছেলে না, বাবা!
বাবা!
ওহহ!
এসো আমার সাথে!
আহ!
ওঠ। আর এক্ষুনি বাড়ি যাও!
উঠে দাড়াও।
তোমার অনেক কাজ বাকি আছে।
জলদি! জলদি, বাড়ি যাও!
ইইহ!
ওকে ছেড়ে দিন!
বাবা, না!
আমি আপনার মাথা ফাটিয়ে দেব, নোংরা জার্মান কোথাকার!
আমাকে কি বললে?
আমি ফ্রান্সে জার্মানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি।
তখন আমি পরিখাগুলোতে বসে যুদ্ধ করেছি।
আর আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, আর কারো যেন সেসব দেখতে না হয়...
যা আমি দেখেছি।
তুমি আমার সেরা বন্ধু।
বাবা, দাঁড়াও!
বাবা, দাঁড়াও!
এডলফ হিটলার...
জার্মান যুদ্ধযানগুলো তৈরি করিয়েছেন...
আর যুদ্ধের মুখে ঠেলে দিয়েছেন সমগ্র ইউরোপকে।
কিন্তু যখন ফ্রান্সও হিটলারের কাছে আত্মসমর্পণ করল...
আমেরিকা তখনো যুদ্ধে নামতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে।
- ম্যাক কলি আর ওয়াকার কোথায়? - এখনো প্রশিক্ষণ নিচ্ছে, স্যার।
ঠিক আছে, ড্যানি। ওদের দেখিয়ে দাও, কিভাবে উড়তে হয়।
চলো চিকেন খেলি। তুমি রেডি? (এ খেলাতে দুই পক্ষ মুখোমুখি এগিয়ে যায়, যে আগে তার মোড় ঘুরিয়ে ফেলে সে কাপুরুষ বা চিকেন বলে চিহ্নিত হয়)
এটা কোন খামার না, আর বিমানগুলোও কোন কীটনাশক ছেটানো বিমান না।
আমি তোমার সাথে চিকেন খেলবো না।
বাচ্চাদের মত করোনা। শোন আমি কি বলি-
- আমি এটা করবো না, রেফ। - আচ্ছা, তবে আমিই তোমার দিকে আসছি।
তুমি ঘুরে চলে যেতে পারো, অথবা আমাকে আঘাত করতে পারো। তোমার যা ইচ্ছা হয়।
কি হচ্ছে!!!-
এই সেরেছে!
সবসময় আমার পেছনে লেগে থাকো কেন, রেফ?
তুমি কোনদিকে যাবে?
মনে হয় ডানদিকে যাব। না, না, বামদিকে। আমি বামদিকেই যাব।
ওকে, আমরা বামদিকে যাচ্ছি, তাইনা?
ডা-আহ, ডানদিকে। ঠিক আছে?
ঠিক আছে মানে কি? বামে নাকি ডানে?
আচ্ছা, তুমি আমার মাথায় প্যাঁচ লাগিয়ে দিচ্ছ!
আমি জানিনা। যা খুশি করো।
হায় ঈশ্বর, রেফ, আমরা ডানে যাচ্ছি! ডানে মোড় নাআও!
আহ!
- উউউ-হুউউ! - উউউ-হুউউ-উউউ!!
এটা খুব নিখুঁত হয়েছে।
তুমি কিছু বললে?
আমার কথা শুনে রাখ, ওই চাষার বাচ্চাদের এর জন্য জবাবদিহি করতে হবে!
হ্যাঁ, স্যার, সেনাবাহিনীর বিমানের...
সম্পূর্ণ অ-অ-অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যাবহার, স্যার।
- আমার টুপি নিয়ে এসো। - ইয়েস, স্যার।
ওই চাষা দুটোকে ডু-লিটলের অফিসে পাঠিয়ে দিও।
২ বছরের প্রশিক্ষণ শেষে...
তোমার কি মনে হয়, ওই ৪৫,০০০ ডলারের বিমান...
তোমাদের বিনোদনের জন্য দেয়া হয়েছে?
না, স্যার। আমি তো ওর থেকে...
দূরে থাকতে চেয়েছিলাম, মেজর।
আর গত সপ্তাহে যখন বিমান নিয়ে ঘুরপাক খেলে...
তাহলে ওটা কি ছিল? হাত আরো পাকা করছিলে?
এটা প্রশিক্ষণ নয়, ম্যাক কলি।
এটা চমকবাজি।
আর ব্যাক্তিগতভাবে আমি একে অসংযত আচরণ...
আর দায়িত্বহীনতা বলে ধরে নেব।
মেজর...
যখন আপনি পৃথিবীর প্রথম মানুষ হিসেবে কিছু একটা করে বিখ্যাত হবেন,
সেটা কেমন হবে?
আমার সামনে ভালো সেজ না, ছেলে।
না, স্যার, আমি অশ্রদ্ধাপূর্ণ আচরণ করতে চাইনি।
আমি মনে করি- আচ্ছা, আমি-
এটা বেপরোয়া আর দায়িত্বজ্ঞানহীনতা...
যদি এটা শুধু দেখাবার জন্য এটা করা হয়,
কিন্তু আমি এটা করছিলাম অন্যদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য , স্যার...
যেভাবে আপনি আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন।
ফ্রেঞ্চ ভাষায় এ জন্য একটি শব্দও আছে...
যখন মানুষেরা তাদের নেতাদের সম্মান জানাতে একত্রিত হয়।
তারা একে HOMAGE (শ্রদ্ধাঞ্জলি) বলে, স্যার।
- কি? - শ্রদ্ধাঞ্জলি, স্যার।
এটা বাজে কথা, ম্যাক কলি!
কিন্তু, খুব ভালো বাজে কথা।
ধন্যবাদ, স্যার।
ম্যাক কলি, তুমি আমার ১৫ বছর আগের কথা মনে করিয়ে দিল।
এটা নিয়ে তোমার সাথে কিছু কথা আছে।
বসো।
ব্রিটিশরা তোমাকে ঈগল স্কোয়াড্রনে নিয়েছে।
তুমি কালই ইংল্যান্ড যাচ্ছ...
যদি তুমি চাও।
হাহ। ওয়াও!
হিটলার আর সমগ্র ইউরোপের জয়ের মাঝে...
মাত্র অল্প কয়েকজন ব্রিটিশ বৈমানিক রয়েছে।
তাই তাদের প্রয়োজন সর্বাত্মক সহযোগীতা।
হ্যাঁ, স্যার। আচ্ছা, আমি যাচ্ছি।
নিয়ম রক্ষার খাতিরে...
আমি তোমাকে আবার ভেবে দেখতে বলব।
স্যার?
আজ অথবা কাল, আমাদেরও এ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে হবে।...
আমরা এটা চাই আর না চাই।
আর তখন আমার সেরা পাইলটদের আমার দরকার পড়বে।
তাই তোমাকে থাকতে বলাটা আমার কর্তব্যের মাঝে পড়ে।
মেজর, আপনি হলে কি করতেন?
যদি তোমার জায়গায় আমি থাকতাম...
আমি যেতাম।
দেখ তো, আমার মাথায় কি টাক পড়ে যাচ্ছে?
ওওওওহ!
ধুর, আমি দেখতে অনেক সুদর্শন!
কখনো মরে যেওনা যেন।
মৃত্যু। ঠিক এই জিনিসটা নিয়েই...
তোমাকে আজ কাজ করতে হবে।
তুমি চোখের নিচে লবঙ্গ তেল দেবে...
চোখ জ্বলতে দাও আর জ্বলা বন্ধ হতে দাও।
তোমার নার্সকে একা কোথাও নিয়ে যাও, জোরে শ্বাস নাও...
তাকে তোমার ভেজা চোখ দেখতে দাও...
আর বলো, "প্রিয়তম, তারা আমাকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করছে...
"আমি জানিনা আমার কি হবে...
"কিন্তু আমি যদি মারা যাই, আমি শুধু এটুকু সান্তনা পেয়ে যেতে চাই যে...
"আমরা সারা জীবনের বাঁচা আজ রাতেই বেঁচে ছিলাম।"
এসো, ছেলেরা! নার্সরা আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।
এসো, ওর সব চুল পড়ে যাবার আগেই।
তুমি কিভাবে এটা করতে পারলে?
আসলে, ডু-লিটল আমাকে এটা করতে দিয়েছেন।
সে চেয়েছে আমি যাতে আসল- আসল যুদ্ধের প্রশিক্ষণ পাই।
ঠিক আছে, তুমি কি ভাবছ?
ওখানে কোন যুদ্ধের প্রশিক্ষণ চলছে না। এটা আসল যুদ্ধ।
যেখানে পরাজিতরা মৃত্যুবরণ করে, আর যেখানে আসলে কেউই জয়ী হয়না-
আর যারা ফেরে তারা ধ্বংসস্তূপের মতই বিধ্বস্ত থাকে...
ঠিক আমার বাবার মত।
হ্যাঁ, আমি বুঝতে পেরেছি, ড্যানি।
কিন্তু আমার কেন যেন মনে হচ্ছে, ওখানে যাওয়াটা আমার কর্তব্য।
আমাকে কর্তব্য শেখাতে এসোনা, যত্তসব।
তুমি যে ইউনিফর্ম পড়ে আছ আমিও তাই পড়ে আছি।
যদি ঝামেলা আমার ওপর এসে পড়ে, তবে আমি এর জন্য প্রস্তুত।
কিন্তু কেন সেধে সেধে ঝামেলায় জড়াতে যাবো?
হায় ঈশ্বর, ড্যানি, শোন।
আমার বয়স ২৫ বছর হতে চলেছে। আমি একজন প্রাপ্ত বয়স্কও হতে চলেছি।
তারা আমাকে বিমান প্রশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিচ্ছে।
আমি তাদের বিমান নিয়ে কিভাবে ঘুরপাক খেতে হয় তা শেখাতে চাইনা।
আমি একজন যোদ্ধা হতে চাই।
হেই, তাড়াতাড়ি এসো!
নার্সরা একা একা ন-ন-নাচতে পারবেনা।
চলো।
যদি কর্তব্যের মানে রোজ ১৫০ জন লোককে...
তাদের অন্তর্বাস পড়া অবস্থায় দেখাকে বোঝায়...
তাহলে আমরা তা পালনে এক পায়ে রাজী।
আমি বিশ্বাস করতে পারছি না।
নিউ ইয়র্ক শহরের শনিবার রাত।
জানো আমার এলাকার লোকেরা কি করছে?
কিছুইনা!
গরুদের নিয়ে মজা করছে।
আচ্ছা, এজন্যই তো তুমি নৌবাহিনীতে যোগ দিয়েছ, হানি।
ওই নোংরা শহর থেকে বেঁচে যেতে আর সারা দুনিয়াকে দেখতে।
বারবারা,তুমি মনে হয় ভুলে গিয়েছ, আমরা নৌবাহিনীর নার্স, কোন পর্যটক নই।
আমি দেশের সেবা করার জন্য এখানে এসেছি আর...
ছেলেদের সাথে দেখা করতে।
আমিও।
মেয়েরা, আজ রাতে আমরা অনেক মজা করতে যাচ্ছি।
এভেলিন, তোমার গল্পটা ওদের বলো।
কি?
ওহ, আমাদের বলো না।
ওহ, এটা অনেক লম্বা কাহিনী।
No comments yet. Be the first to leave one.