لومړۍ 200 کرښې.
© মালায়ালাম সিনেখোর
চাচা...
একটা কত?
দশ টাকা।
একটা দিন।
পিয়ালী...
জিয়া...
পছন্দ হয়েছে?
হুম, অনেক সুন্দর।
শক্ত করে ধর, নইলে উড়ে যাবে।
আমিও এটার মতো উড়তে চাই।
আমিও উড়ব।
জিয়া, শিখাবে পিয়ালীকে।
কখন?
আরেকদিন।
- সত্যি তো? - সত্যি।
অনুবাদক: আরুশ আরিয়ান। • সম্পাদনায়: মোহাম্মদ সায়েম। •
উফফ! আবার।
বোলো না।
এই, উঠেছিস?
আয়, পিয়ালী। উঠে পড়।
পানি পড়লো কিভাবে?
পিয়ালী পানি খাওয়ার সময় পড়ে গেছে।
ওহ, আচ্ছা?
তুই বোতলের মুখ খুলে রেখেছিলি।
জিয়া, পিয়ালী ঘুমের মধ্যে হিসু করে দিয়েছে।
চল, গোসল করে আসি।
আচ্ছা।
জিয়া, গতকাল এখানে একটা আপু এসেছিল।
উনি বললেন, এখানের সবাই না কি ভিক্ষুক।
আমরাও কি ভিক্ষুক?
একদম না।
তারাই ভিক্ষুক, যারা কোনো কাজ না করে মানুষের কাছে খাবার বা টাকার জন্য হাত পাতে।
তুই কি ওর পা ব্রাশ করছিস? অদ্ভুত তো!
যত্তসব!
আয়।
আমরা ওরকম নই।
আমি কাজে যাই, তাই না?
আয়।
দেখি।
জিয়া, ঐ দ্যাখ।
আমিও ওখানে যাব।
আচ্ছা, পরে।
কখন?
এটা এখন আকাশে। নিচে নামলে নিয়ে যাবো।
জিয়া, বিমানটা অনেক বড়।
বাহ, টুনটুনি দেখি এখানে।
সাহির ভাইয়া...
তোমাকে আজ খুব সুন্দর লাগছে।
- তাই না কি? - অনেক সুন্দর।
আরেহ, তাইতো। দেখি তো একটু।
কিন্তু চেহারা দেখে ক্লান্ত মনে হচ্ছে।
- তাই? - হ্যাঁ।
একটু চাপাতি খাও।
- ক্লান্তি চলে যাবে। - তুই খেয়েছিস?
হুম।
না খেলেও হতো। এভাবে যখন বলছিস, কিভাবে না খেয়ে থাকি?
আজকেও গোসল করোনি?
কেন করব? খচ্চররাই প্রতিদিন গোসল করে।
আমি তো খচ্চর নই। কেন গোসল করব?
এসেছিস?
কাজ এখনো শেষ হয়নি?
প্রায় শেষ।
নে।
- এই, খাওয়া শেষ? - হ্যাঁ।
আমাকে ভয় পাস তাহলে।
পিয়ালী, তোর খাবার আর পানি এখানে রেখেছি।
এই বোতলের পানিই খাবি।
দাদি, ওকে দেখে রেখো।
দাদি...
দাদি...
হ্যাঁ! ঘুম ভেঙেছে!
পেয়ালী, যাই তাহলে।
ভাই, এই ছেলেটার কথায় ঐ দিন তোমাকে বলেছিলাম।
কোনটা?
আহ... ঐদিন বলেছিলাম না।
ওকে ডাক।
ওই!
এদিকে আয়।
ও আবার ডাকছে কেন?
- ডাকলেন কেন? - ওকে ডাকেছি। তোকে না।
ছোট মেয়েটা কোথায়?
ও আমার বোন।
ডেকে আন। দেখি একটু।
যা বলছি।
পিয়ালী...
বাবু, সামনে আয়। তোকে দেখি
দেখে তো একটুও ওদের মতো লাগছে না।
এমনই তো বলছিলাম।
তোর নাম কী?
পিয়ালী।
ওকে উত্তর অঞ্চলের মেয়েদের মতো লাগে।
ওকে শহরে দিক পাঠাবো না।
পুলিশরা দেখলে ভালো পরিবারের বাচ্চা মনে করবে।
পরে ঝামেলায় পড়বো।
ভাই, আমি ওকে কাজে পাঠাবো না।
তুই কে কথা বলার?
ভাই, সে পিয়ালীর দেখভাল করে।
সে তাকে স্কুলে পাঠাতে চায়।
তাই সে এভাবে বলেছে।
ওর বোন। ওই-ই সিদ্ধান্ত নিবে।
তোর ইচ্ছে না হলে ওকে কাজে পাঠাতে হবে না।
- যাচ্ছি তাইলে? - আচ্ছা।
ও আর এখানে থাকতে পারবে না।
যারা আমার হয়ে কাজ করে ওরাই এখানে থাকতে পারবে।
অন্যদের জায়গা নেই।
তুই থাকতে পরবি।
ভাই, এভাবে বলবেন না।
যারা আমার হয়ে কাজ করে ওদেরই আমি এখানে থাকতে দিই।
ওর বদলে অন্য কাউকে থাকতে দিলে, আমি নতুন আরেকজন কর্মী পাবো।
টাকাও পাবো।
এবার যা।
এভাবে বলবেন না। সে তো অনেক পরিশ্রম করে।
সবার চেয়ে ও বেশি কাজ করে।
ভাই...
ট্রাফিক সিগন্যালে এভাবে কাঁদলে বিক্রি আরো বেড়ে যাবে।
তোকে এখানে থাকার ভাড়া দিতে হবে।
হুম।
এখন থেকে হাজার টাকা থাকা ভাড়া নিস।
ভাই, ভাড়া কম নাও।
যা তো এখান থেকে।
তোকে ডাকিনি।
উকালতি করতে আসিস্ না।
ওকে কোনো কঠিন কাজ করতে পাঠাবো না।
ওকে স্রেফ অন্য বাচ্চাদের সঙ্গ দিতে হবে।
এখানকার সব বাচ্চারাই যায়। ও কেন যাবে না?
বাচ্চাদের কাজে পাঠালে, কিছু টাকাও আসছে।
ও না গেলে অন্য কেউ যাবে।
তুই এতো কথা বলছিস কেন?
বড় হয়ে তো কাজ করতে হবে, তাই না?
কাল থেকে কাজে পাঠাবি।
হ্যালো... হ্যাঁ?
ভয় লাগছে?
এটা কে দিয়েছে?
জিয়া।
অনেক সুন্দর।
এখন আরো সুন্দর লাগছে, তাই না?
- ভাই... - কী?
ভাড়া দিবো তাইলে।
মাস শেষে ওকে দিস।
নইলে তাকে কাজে পাঠাতে হবে।
এখন যা।
পিয়ালী ওখানে বাবু।
পিয়ালী...
জিয়া, বেলুনটা কতদূরে যাবে?
অনেক দূরে।
কত দূর?
আকাশের শেষ প্রান্তে।
বেলুনে অনেকগুলো চুমো দেয়া উচিত ছিল।
কী জন্য?
মা-বাবা'র কাছে চুমোগুলো পৌঁছে যেতো।
জিয়া বলেছিলি না, মা-বাবা আকাশে থাকে?
এমন হলে ওরা বেলুনটা পাবে, তাই না?
তোকে আজ একটা নতুন বেলুন কিনে দিবো।
সত্যি?
এটা কী?
তোর তো কিচ্ছু বিক্রি হয়নি।
মন দিয়ে কাজ করিস।
ভাগ!
এই শালা আমার হাতে ধোলায় খাবে।
বসে আছিস কেন?
গাধা।
শালা মরে গেলে পরে অযথা আমার জেল-জরিমানা হবে?
হাসছিস কেন? আমাকে চিনিস না যে।
তোর কিছুই বিক্রি হয়নি?
জলদি আয়।
কী দেখছিস?
ওই...
ভাই...
ভিতরে আয়।
- ভাই... - কী?
৩০টা টাকা দিবেন?
কেন? শনিবারে টাকা পাবি।
একটু জরুরি।
তাই? যা এখান থেকে!
এখনো ভাড়া দিসনি।
শনিবারে টাকা পাবি।
যা!
ভাই, এদিকে দেখে যান।
এক কেজি উন্ডি মাত্র দুইশ টাকা।
আসুন।
দিদি, বাচ্চাদের কাপড় আছে।
আসুন, দেখে যান।
দিদি, আপনার কি জিন্স লাগবে
উইন্ডো শপিংয়ে কোনো টাকা লাগে না, একদম ফ্রি।
এই, আমি চা খেয়ে আসছি।
এক্ষুনি আসছি।
এসব কী হচ্ছে?
দিলি তো সব নষ্ট করে!
কোত্থেকে যে আসে আপদ কোথাকার?
পুরো দিনটাই বৃথা!
দাঁড়া!
পালা!
আয়... আয়।
তারাতাড়ি আয়।
কি রে হার মানলি?
না, একটা জায়গায় যেতে হবে।
কারণ তুই হেরেছিস।
না।
মিনি আপুর দোকানে যেতে হবে।
No comments yet. Be the first to leave one.