لومړۍ 200 کرښې.
আমি যা-ই করি না কেন, সবসময় অমনই হয়।
ওরা সবাই মিলে আমার পিছনে লাগে।
এই, কাঁদিস না!
এটা খুবই বিব্রতকর।
কিন্তু কান্না তো বেরিয়ে আসে।
পরেরবার, ওরা কাঁদবে।
তুই সবসময় এমন বলিস, কিন্তু আমরা কখনোই জিতি না।
কারণ তুই হাল ছেড়ে দিস!
তোকে বলেছিলাম, এভাবে মারবি…
নোয়া!
এখন যাই! আজকে বাসায় অনুষ্ঠান আছে।
তোর চাচীর হাতের কেক আনতে ভুলিস না কিন্তু!
বাবা!
সর! তোর গা থেকে রসুনের গন্ধ আসছে।
নোয়া, এমন কোরো না।
আজকের অনুষ্ঠান শুধু তোমার ছোট ভাইয়ের জন্য না।
তোমাকে বুঝতে হবে,
কিছু সময় আগেই, আমাদের অনেক বাচ্চা তাদের প্রথম জন্মদিনের আগে মারা গেছে।
এই অনুষ্ঠান, আমাদের সবার জন্য।
জানি না।
কিন্তু মনে হয় যেন সব গুরুত্ব ও-ই পায়।
নোয়া,
তুমি এখন বড় ভাই।
তোমার ভাই অনেক ব্যাপারেই তোমার উপর নির্ভরশীল।
কিন্তু তুমি কি কসম খেয়ে বলতে পারবে আমার প্রথম জন্মদিনেও অনুষ্ঠান রেখেছিলে?
এমন জিনিস নিয়ে মিথ্যা কথা কীভাবে বলি?
তখন আমাদের সময়টা খারাপ যাচ্ছিল,
কিন্তু তোমার কোনোকিছুর অভাব রাখা হয়নি।
এর জন্য তোমার মা'কে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত তোমার।
তুমি নিশ্চিত আমি লাল সুতো বেছে নিয়েছিলাম?
তুমি জানো না আমরা এতে কতটা খুশি হয়েছিলাম।
কিন্তু আমার ভবিষ্যৎ তো তেমন রোমাঞ্চকর হবে না, তাই না?
আমি তীর ধনুক কেন বেছে নিলাম না?
নোয়া,
বিশ্বাস করো, দীর্ঘ জীবন নিয়ে আফসোস করার কিছু নেই।
বেশ, মোজাসু পয়সা উঠালেই ভালো করবে।
ওর পেটে রাক্ষস আছে, তাই ওকে অবশ্যই ধনী হতে হবে।
বাবা, হাসছ কেন? আমি সত্যি বলছি।
তোমার এর জন্য প্রার্থনা করা উচিত।
আমাদের ছেলের প্রথম জন্মদিনে আসার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।
সবাই দেখতেই পাচ্ছেন, ও অনেক সুস্থ সবল।
ঈশ্বর সত্যিই আমাদের আশীর্বাদ দিয়েছেন।
দোলজাবির এই প্রথা শুধু
আপনাদের সাথেই আমাদের বন্ধন গড়ে না বরং তাদের সাথেও গড়ে যারা আগে এসেছে...
অনেক বলেছ।
কিছু কথা উপদেশ দেওয়ার জন্যও বাঁচিয়ে রাখো।
আমার ভাই তার ভাতিজার ভবিষ্যৎ দেখার জন্য অধীর হয়ে আছে।
আমি কীভাবে তাকে আটকে রাখতে পারি?
এবার মোজাসুর সময় হয়েছে নিজের নিয়তি বেছে নেওয়ার।
ওর হয়ে আমি তুলতে পারব না?
মোজাসু, একটা বেছে নাও!
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
তো,
এসে গেছে।
শেষ সময়।
আপনি এখন প্রস্তুতি নিলেই ভালো হবে।
ও কি… খুব যন্ত্রণায় আছে?
আমাদের তো মুখ ফুটে বলবে না।
হ্যাঁ।
অসহনীয় যন্ত্রণা।
আমরা তাকে মরফিন দিতে পারি।
কিন্তু আপনাকে বলে রাখি,
তার যন্ত্রণা কমাতে যে পরিমাণ ডোজ দরকার হবে,
তাতে তার শরীর জীবিত তো থাকবে,
কিন্তু আত্মা মরে যাবে।
না। আমি ওকে ঐ অবস্থায় দেখতে চাই না।
কিন্তু ইটসুকো, এটাই হানার জন্য ভালো হবে...
তুমি এসব থেকে দূরে থাকো!
আস্তে দৌড়াও!
তোমরা তো দেখি একে অপরকে পিষে ফেলবে,
তখন মাটি থেকে তোমাদের লাশ উঠানো লাগবে আমাদের।
এখন এখানে অনেক ভিড় হয়ে গেছে।
মা!
মা!
কী হলো? ব্যথা পেয়েছ?
আমি প্রায় এক ঘন্টা ধরে অপেক্ষা করছিলাম।
বাবা আসেনি কেন?
আসেনি মানে?
বাবা তোমাকে স্কুলে নিতে যায়নি?
মা, দেখো।
কিছু হয়েছে।
দেখি। দেখি যেতে দিন।
ওখানে খুঁজে দেখেছ?
ওরা বলছে সে নাকি দেশদ্রোহী।
মিসেস বেক!
আমার স্বামী কোথায়?
তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে।
গ্রেফতার করেছে?
কেন?
ওরা কারণ বলেনি।
ব্যস বলেছে অপরাধ নাকি বেশ গুরুতর।
এখন কোথায় আছে?
তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য লোকাল স্টেশনে নিয়ে গেছে।
তারা নিশ্চয়ই ওকে অন্য কারো সাথে গুলিয়ে ফেলেছে।
আমাকে এখন ওর কাছে যেতে হবে।
বাছা, শোনো।
লোকগুলো ইসাকের জন্যই এসেছিল।
জানো এর মানে কী?
এর মানে কেউ তার নাম বলেছে।
তোমাকে সতর্ক থাকতে হবে,
প্রার্থনা করতে হবে।
নোয়া,
তোমার চাচ্চুকে গিয়ে খুঁজো। খুঁজে স্টেশনে নিয়ে আসবে।
পারবে করতে?
যাও এবার।
নোয়া, এখানে কী করছ?
- তোমাকে যেতে হবে! বাবাকে গ্রেফতার করেছে। - গ্রেফতার?
- ওকে গ্রেফতার করেছে? - বাবাকে ওরা স্টেশনে নিয়ে গেছে।
মা এখন ওখানে আছে।
আমার বসের সাথে আগে কথা বলা লাগবে।
এখানে দাঁড়াও।
আমাদের হাতে এক ঘন্টা আছে।
চলো তোমার বাবাকে জেল থেকে বের করি।
আমার তো ব্যাপারটা মাথাতেই ঢুকছে না।
এটা কীভাবে সম্ভব?
তুমি তো ডিল ক্লোজ করে ফেলেছিলে।
তাহলে তোমাকে চাকরি থেকে বের করলো কেন?
শেষ মূহুর্তে গিয়ে উনি মন বদলে ফেলেছিলেন।
কিন্তু কেন?
কারণ আমি বলেছিলাম ওনাকে।
সেটা কেন করতে গেলে?
কারণ মন বলেছিল।
আমি কিছুই বুঝতে পারছি না, কিন্তু অনেক হয়েছে।
তুমি এবার আমেরিকায় ফিরে যাবে, বুঝলে?
আমি ফিরতে পারব না।
আমার ভিসা খুইয়ে ফেলেছি।
তাহলে কী করবে?
আমেরিকান কোনো উত্তর না। ওটা শুধুই কল্পনা।
এসব কী বলছ?
বাবা, আমাকে আর কেউ চাকরি দিবে না।
আমার সাথে শুধু একটা লোকই কাজ করবে
সেটা ইয়োশি-সান।
সে একদিন আমার সাথে দেখা করতে এসেছিল।
সে সবকিছু শুনেছিল।
জানি না ও তোমাকে কী প্রস্তাব দিয়েছে।
কিন্তু ওর সাথে তোমার কোনো লেনাদেনা নেই!
সে পাচিনকো পার্লার খুলতে চাচ্ছে...
পাচিনকো ব্যবসায়? তুমি?
তুমি আর দাদীই তো সবসময় বলো এতে লজ্জার কিছু নেই...
হ্যাঁ, সেটা আমার ক্ষেত্রে, কিন্তু আমার ছেলের ক্ষেত্রে না।
বুঝেছি, ইয়োশি তোমার মাথাটা খেয়েছে।
ও বলেছে এসব বৈধ,
তাই না?
জানো আমি কীভাবে জানলাম?
কারণ ওর দাদাও আমাকে একই কথা বলেছিল।
তোমার মতো আমিও অল্প সময়ে ধনী হতে চেয়েছিলাম।
কিন্তু তোমার মা আর দাদীর বদৌলতে এই যাত্রায় বেঁচে গেছি।
ওরা না হলে, কী যে হতো ঈশ্বরই জানেন।
এসব পুরানো আলাপ।
মামোরু ইয়োশির এসবের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই...
কিন্তু রক্ত একই!
দাদার রক্ত নাতির দেহেও বইছে।
এটা ছেলেমানুষি।
আমি এর অনুমতি দিব না!
পৃথিবীর সমস্ত সম্পদের বিনিময়েও না...
এমনভাবে বলছ যেন এসবে কিছুই যায় আসে না। টাকা, সফলতায়।
আমি তো তা বলছি না।
বুঝেছি,
কিন্তু তোমার স্বপ্নগুলো,
আমার জন্য যথেষ্ট না।
নোয়া, ওরা কী বলছে?
বাবাকে কোনো বড় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
বলছে বাবা খুব দুর্বল মানুষ, তাই সে জেলে মারা যাবে।
কী হয়েছে?
চাচ্চু ঝামেলায় পড়েছে।
বলছে, বাবা নির্দোষ হলে বাসায় ফিরতে পারবে,
কিন্তু দোষী হলে…
এখন বলছে, অনেক হয়েছে।
আরও মানুষ অপেক্ষা করছে।
আমার বসের কাছে গিয়ে সব বুঝিয়ে বলব।
আমার সাথে কেমন ব্যবহার করা হয়েছে জানতে পারলে ওনার রাগ হবে।
তাহলে আমাদের সাহায্য করবে?
ইসাক আজ রাতে বাসায় ফিরবে তো?
আমার ভাই জেলে একটা রাতও কাটাবে না।
ইসাক জেলে থাকবে না।
কখনোই না।
তোমার মুখ ভার কেন?
কী বললাম আমি?
তুমি বাবাকে বাসায় নিয়ে আসবে।
একদম। আমি জলদিই ওকে ফিরিয়ে আনব।
একটু শুনবেন, ম্যাম?
একটা মিনিট।
কী চান?
ওরা কি আপনার স্বামীকেও ধরেছে?
আমার দেবরকে।
তিন মাস আগে।
তিন মাস?
তারপর থেকে ওকে দেখেননি?
না।
আপনার স্বামীকে কবে গ্রেফতার করেছে?
আজ সকালে।
কিন্তু নিশ্চয়ই কোনো ভুল হয়েছে।
আমার স্বামী একজন যাজক। সে রাজনীতির সাথে জড়িত নয়।
আপনি যাজক বেকের স্ত্রী?
আপনি…
কীভাবে আমার স্বামীকে চিনেন?
এখানে না।
নোয়া, চলো।
সত্যিই কি সবখানে গুপ্তচর রয়েছে?
এখন তো আরও বেশি যেহেতু ওরা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
No comments yet. Be the first to leave one.