لومړۍ 190 کرښې.
বাল!
আমি এসেছি!
কেউ আছে?
ওহ... ওহ...
ওহ। ওহ ধ্যাৎ।
হাই।
হেই।
ওহ।
হ্যাঁ, ওদের দেখিয়ে দিবে।
ওদের দেখিয়ে দিবে, এলি।
ঠিক আছে।
হাই।
ওহ, তুমি কত শক্তিশালী!
আমি আছি তো। সমস্যা নেই।
হ্যাঁ, সমস্যা নেই।
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
এনা?
ওহ খোদা।
এতে তোমার কোনো ভুল নেই।
আমরা জোন থেকে বের হতে দেরি করেছি।
- আমি... - ওর খিদে পেয়েছে।
ওকে দুধ খাওয়ানো লাগবে, আর আমি...
ওকে আমার বুকের দুধ খাওয়াতে চাই না।
কামড় খাওয়ার আগেই নাড়িটা কেটে দিয়েছিলাম।
আগেই।
তুমি ওকে... নিজের সাথে বস্টোন নিয়ে যাবে...
আর এমন কারো হাতে তুলে দিবে,
যে ওকে বড় করবে, নিরাপদে রাখবে।
আমি এটা পারব না।
আর ওকে এটা দিও।
এনা।
ওর নাম এলি।
আমি পারব না।
আমরা দুজন দুজনকে কতদিন ধরে চিনি?
সারাটাজীবন ধরে।
তো ওকে কোলে তুলে নিয়ে যাও...
তারপর আমাকে মেরে ফেলবে।
আমি তোমাকে মারতে পারব না।
প্লিজ, প্লিজ, প্লিজ।
প্লিজ!
মারলিন!
এই নাও।
ওর মাথাটা ধরো... হ্যাঁ, এভাবে।
এটা রাখো।
ওর কান চাপা দাও।
এলি।
এলি।
এলি!
আমার আওয়াজ পাওনি?
না... কী?
বেশ, এটা খুঁজে পেলাম।
বিফেরোনি। বোয়ার্ড বাবুর্চির।
ওহ, জোশ।
আর এটা কখনো খেলেছ?
বগেল? ওয়ার্ড গেম।
উম-হুম।
বেশ, যদি আমাকে কিছুতে হারাতে চাও, তবে এটাই সেই জিনিস।
বেশ, ঠিক আছে তাহলে।
আমরা প্রায় পৌঁছে গেছি।
- উম-হুম। - হাসপাতাল ঐদিকে আছে।
হয়তো আমরা সেটাকেই খুঁজছি।
বেশ।
এটা একটু ধরবে?
ধন্যবাদ।
ভেতরে একটা গিটার ছিল।
ভেঙেচূরে একাকার অবস্থা কিন্তু মনে হলো,
চাইলে একটা গিটারের ব্যবস্থা করতে পারব।
অনেক দিন ধরে বাজাই না।
আসলে, ভাবছিলাম হয়তো তোমাকে শিখাতে পারব।
আমার আশা তুমি দারুণ বাজাবে।
গিটার বাজানো শিখতে চাও?
- এলি? - হুম?
ওহ, হ্যাঁ।
শিখতে পারলে ভালোই হয়।
আচ্ছা, তো ভাবছিলাম...
আমরা শর্টকাট একটা রাস্তা খুঁজে বিল্ডিংয়ে উঠব,
তারপর একদম উঁচুতে উঠে চারিদিক দেখে নিব।
উহ, আসলে, এবার বোমা মেরে ওই জঞ্জাল সরিয়ে
আমাদের যাবার রাস্তা করার কথা ভাবছিলাম।
ওখানে কিছু ডায়নামাইট পেয়েছি।
সত্যি?
না, তো আমরা শর্টকাট একটা রাস্তা খুঁজে বিল্ডিংয়ে উঠব,
তারপর একদম উঁচুতে উঠে চারিদিক দেখে নিব।
কিন্তু তোমাকে বোকা বানিয়েছি, তাই না?
অবস্থা দেখো।
একেই বলে পোড়া কপাল।
মিলিটারি বোমা ফেললো...
কিন্তু একটাও সেই বিল্ডিংয়ে পড়ল না যেটাকে তারা ধ্বংস করতে চাচ্ছিল।
উপরে যাবার রাস্তা নেই।
তোমাকে উপরে চড়াবো, তুমি উপর থেকে মইটা নামিয়ে দিবে,
তারপর আমরা মই দিয়ে যেতে পারব।
আসো। তোমাকে উপরে চড়তে সাহায্য করব।
- তুমি ঠিক আছ? - হ্যাঁ, আমি ঠিক আছি।
তোমাকে আজ একটু বেশিই চুপচাপ মনে হচ্ছে, তাই।
ওহ... স্যরি।
না, ব্যাপার না।
- কী বলেছি শুনেছ... - হ্যাঁ, চড়তে সাহায্য করবে।
শুনেছি।
এক... দুই, উঠো।
- উঠতে পেরেছ? - হ্যাঁ।
ঠিক আছে।
ওরে!
ওহ খোদা, এলি!
ধ্যাৎ।
ওখানে থাকো তুমি!
তোমার এটা দেখা উচিত!
এলি?
আমি উপরে!
- এলি! - আসো!
- এলি! - আসো!
দাঁড়াও। ধুর ছাই।
- ওকে ভয় পাইয়ে দিও না। - ভয় পাওয়াবো না।
- কী করছ? - সমস্যা নেই।
পাতাগুলো নাও, জলদি। নাও।
এই নাও।
ও কত সুন্দর!
আহ, কোথায় যাচ্ছে ও?
চলো, চলো, চলো, চলো!
ঠিক আছে।
তো...
এসবেরই প্রত্যাশা করেছিলে?
এর মধ্যেও কিছু ত্রুটি আছে...
কিন্তু এই দৃশ্যটা অগ্রাহ্য করতে পারবে না।
দেখো, আমি জানি না হাসপাতালটা ঠিক কোথায়...
হ্যাঁ, আমরা খুঁজে নিব।
অবশ্যই। এটা ব্যস...
হয়তো সেখানে খারাপ কিছু অপেক্ষা করছে না, কিন্তু
এতদূর যাবত সবসময় খারাপটাই অপেক্ষা করেছে।
- তারপরেও আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি। - হ্যাঁ।
আমি ব্যস বলছি ওখানে ঝুঁকি আছে।
আমাদের এসব করার দরকার নেই।
ব্যস... এটাই বলতে চাচ্ছি তোমাকে।
মানে? আমাদের তাহলে কী করা উচিত?
কিছুই না। আমরা টমির কাছে ফিরে যাব।
আর এসব কিছু ভুলে যাব।
আমরা এত কিছু করার পর...
আমি এত কিছু দেখার পর...
খালি হাতে ফিরে যেতে পারি না।
জানি তোমার উদ্দেশ্য খুব ভালো।
জানি তুমি আমার রক্ষা করতে চাও। আর করেওছ।
আর একবার এটা শেষ হলে, আমরা যেখানে খুশি যাব।
টমির কাছে, বা ভেড়ার খামারে,
বা চাঁদে।
আমিও তোমার পেছন পেছন আসব।
কিন্তু এবারে আমরা মাঝ পথ থেকে ফিরে যেতে পারি না।
আমরা যা শুরু করেছিলাম তা শেষ করব।
- এসব কি ফেডরার? - না।
আর্মির।
মহামারীর কয়েকদিন পরেই ওরা
এগুলো সব জায়গায় স্থাপন করে।
ইমার্জেন্সি মেডিকেল ক্যাম্প।
যদিও বেশিদিন টিকেনি।
- এমন একটা ক্যাম্পে আমিও গেছিলাম। - সারাহের সাথে?
- না, ও তার অনেক আগেই মারা গেছিল। - ওহ।
তাহলে তোমার কী হয়েছিল?
- এটার জন্য। - আহ, যে লোকটা গুলি করতে গিয়ে নিশানা মিস করেছিল।
ভেবেছিলাম পরে হয়েছিল।
না।
- দ্বিতীয় দিন। - বেশ, আর্মির লোকেদের হাতে দায়িত্বটা দেওয়া উচিত ছিল আমার।
ওরা সেলাইয়ে আমার চেয়ে অনেক বেশি দক্ষ।
ওটা আমি ছিলাম।
আমিই গুলি করতে গিয়ে নিশানা মিস করেছিলাম।
বলার মতো কিছু নেই।
সারাহ মারা যায়...
আর আমি বেঁচে থাকার কারণটাই হারিয়ে ফেলি।
একদম সহজ হিসাব।
আর আমার ভয়ও করছিল না। আমি প্রস্তুত ছিলাম।
পুরোপুরিভাবে প্রস্তুত।
যখন...
যখন...
ট্রিগারটায় চাপ দিতে যাচ্ছিলাম, আমি আঁতকে উঠছিলাম।
আজও জানি না কারণটা।
যাইহোক, এটাও জানি না তোমাকে এসব কেন বলছি...
তোমার এসব বলার কারণ আমি জানি।
হ্যাঁ, অবশ্যই জানো।
তো বলা যায়, সময় সব ক্ষত পূরণ করে দেয়।
কিন্তু সময় এই ক্ষতটা পূরণ করেনি।
বেশ, আমি খুশি...
সময় এটা করেনি।
আমিও।
- আমাদের এখন উঠা উচিত। - হ্যাঁ।
জানো এখন আমার কী করতে ইচ্ছে করছে?
কী?
- তোমার ফালতু ধাঁধাঁ শুনতে। - ওহ-হো-হো।
দাঁড়ায় না সে, বসে নাকো চলাই যে তার কাজ, তত্ত্ব তাহার যে না বোঝে মাথায় পড়ে বাজ?
- বাতাস? - না, সময়।
ওহ, এটা আমার খুব পছন্দ।
কোন জামা গাঁয়ে দেয় না?
- পায়জামা। - ওহ, এটা জঘন্য।
- ধুর মিয়া। এটা সত্যি ভালো ছিল। - এটা... এটা...
No comments yet. Be the first to leave one.