لومړۍ 158 کرښې.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় শান্ত কুমার দাস
শু শানসান, ওই মেসেজটা গ্রুপে তুমি পাঠিয়েছো?
যেমনটা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম...
...আমি দেখা দিতে আসছি।
ওটা কে ছিলো?
আমি আরেকবার ফোন দিয়ে দেখছি!
এই নম্বরে সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।
সংযোগ হচ্ছে না...
এটা কি তাহলে...
ও বাড়ির ফোনও তুলছে না, পুলিশকে ফোন করবো?
বেশ, আমি এক্ষুণি আসছি।
হঠকারী কিছু করতে যেয়ো না, এই পরিস্থিতি সাধারণ পুলিশকে স্পষ্টভাবে বুঝানো যাবে না।
আমি এখন ক্যাপ্টেন শাওয়ের সাথে দেখা করতে যাচ্ছি।
কেন যেন মনে হচ্ছে, অনলাইনে পাবলিশ হওয়া এই নিউজ আর্টিকেলটাই এই বিপত্তির কারণ।
তাহলে এটা হয়েছে কারণ...
এখন এসব ভাবার সময় নেই।
শু শানসান কোথায় আছে সেটা জানা আমাদের প্রথম কাজ!
চেং শাওশি, দোকানটা ভিতর থেকে বন্ধ করে তুমি আর চিয়াও লিন ভেতরে থাকো,
কোথাও যাবে না।
ঠিক আছে।
আমি এক্ষুণি ফিরে আসছি।
আমরা তোমার সাথে আসবো?
চেং শাওশির এখন যা পরিস্থিতি,
তাতে ওকে এই আতঙ্কিত অবস্থায় থানায় নিয়ে গেলে পুলিশকে উল্টোপাল্টা বলে দিতে পারে,
তার থেকে ওকে আগে শান্ত করা ভালো।
তাছাড়া, নিরাপত্তার খাতিরে তুমি ওর ফোনটা আটকে রাখো।
#০৯ - খ্যাতির পরিণাম
⏳ খুব একটা সময় লাগলো না বুঝে উঠতে ⌛
⏳ অবচেতন মনের ভিতরে কিছু একটা গেল বদলে ⌛
⏳ তোমার চোখ ⌛
⏳ তার থেকে নেই কোনো পালানোর পথ ⌛
⏳ সময় আগের মতো আর যায় না বয়ে ⌛
⏳ ক্যামেরার ফ্ল্যাশ আগেই যখন সবটা দেয় থামিয়ে ⌛
⏳ তুমি বিনা ⌛
⏳ জানি না পারবো কিনা এ পথে যেতে এগিয়ে ⌛
⏳ কারণ আমি হারাতে চলেছি সজ্ঞান ⌛
⏳ সময়ের কাঁটায় পিছিয়েছি যতক্ষণ ⌛
⏳ অস্তিত্বের দেখেছি প্রত্যাবর্তন ⌛
⏳ লুকিয়েছো কিছু বহু গোপনে ⌛
⏳ তোমার মনে ⌛
⏳ সকল সন্তাপ আর হাসি হবেনা কভুও ম্লান ⌛
⏳ জানি সেই বিজয়ের লগ্নে থাকবে পাশে তুমি আমার ⌛
⏳ ভূতের অর্ণব থেকে উঠে ফিরে এসো সময়ে ⌛
⏳ ফিরে এসো সময়ে ⌛
⏳ ফিরে এসো সময়ে ⌛
⏳ ফিরে এসো সময়ে... ⌛
⏳ 時光代理人 ⌛ - L I N K C L I C K -
এই মুহুর্তে আমরা অনুমান করতে পারি যে সন্দেহভাজন ..
প্রচন্ড হিংস্র এবং তীব্র অসামাজিক ব্যক্তিত্ব ব্যাধির শিকার।
সে কোনোরকম অভিসন্ধি ছাড়া যদৃচ্ছভাবে খুন করে।
সে খুনের পরিকল্পনাগুলো খুব সতর্কতার সহিত করে।
এর মধ্যে অনেকগুলো কেসকে আত্মহত্যা আখ্যা দিয়ে ভুল করা হয়েছে,
কেবল একটা ব্যতিক্রম কেস ছাড়া।
একজন সাক্ষী "উ লিহুয়া" নামের এই ভিক্টিমকে ঘটনাটার আগে ছবিতে থাকা লোকটার সাথে ...
গাড়িতে উঠতে দেখেছে।
অনেক আলোচনার পর, আজ সকালে, আমাদের ঊর্ধ্বতন ডিপার্টমেন্ট অবশেষে ...
সূত্র সংগ্রহের জন্য এই গোপন ক্যামেরায় ধারণকৃত ছবিটি প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো।
কয়েক ঘন্টার মধ্যে, তারা অনেকগুলো রিপোর্ট পায়...
আর বেশিরভাগ রিপোর্টই একই ব্যক্তির দিকে ইশারা করে।
লিউ মিন, পুরুষ, ২৭ বছর বয়স।
সে বিদেশে পড়াশোনা শেষ করেছে এবং...
বর্তমানে একটি কোম্পানীতে নির্বাহী পরিচালক হিসেবে কাজ করছে।
কিসের নির্বাহী পরিচালক?
সে তার বাবার পজিশনে বসেছে। হয়তো সেজন্যই লোকজন তাকে ঘৃণা করে।
কোনো প্রমান ছাড়া এগুলো সবই ব্যস হাইপোথিসিস, এগুলো আমাদের...
ক্যাপ্টেন শাও, আপনার সাথে একজন দেখা করতে এসেছে।
চেন বিন, কী করছো তুমি?
মিটিং চলাকালীন সময়ে দৌঁড়ে গেলে, আর এখন এলে মিটিংয়ে ব্যাঘাত ঘটাতে,
কী চাও তুমি?
মিটিংয়ের আগে একটা ফোন পেয়েছিলাম, তাই একজনকে তুলতে গেছিলাম।
চেং শাওশি, শান্ত হও।
লু গুয়াং পুলিশ রিপোর্ট করতে গেছে তো।
ক্যাপ্টেন শাওকে বেশ আস্থাভাজন মনে হয়, আমি নিশ্চিত উনি শানসানকে ঠিক খুঁজবেন।
ওহ হ্যাঁ, অনলাইনে এর সাথে সম্পর্কিত খবর নিশ্চয়ই থাকবে...
ওখানে কোনো সূত্র পাওয়া যেতে...
- চিয়াও লিন, তুমি... - লু গুয়াং আমাকে বলে গিয়েছে,
হুজুগে খবর পড়ে যাতে আরো দুশ্চিন্তাগ্রস্থ না হও,
সেজন্য নিরাপত্তার খাতিরে আমি তোমার ফোন আটকে রাখবো।
আমি উপরে গিয়ে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকি, লু গুয়াং ফিরে এলে আমাকে খবর দিও।
বললে না আমাদের সাহায্য করতে পারবে না? এখন কেন এসেছো তাহলে?
আমাকে আবার সিসিটিভি ফুটেজের সেই ছবিটা দেখাতে পারেন?
এর সাথে আমার এক বন্ধুর জীবন জড়িত আছে।
কী?
তোমার বন্ধু...?
আজ সকালে, ওর ফোন বন্ধ করার আগে একজন লোক অদ্ভুত ফোন করে।
তোমার অনুমান এই ঘটনার সাথে সিরিয়াল কিলারটার কোনো যোগসূত্র আছে?
বলাতো কঠিন,
কিন্তু যত তাড়াতাড়ি আমরা খুনীটাকে ধরতে পারবো,
তত তাড়াতাড়ি আমাদের উত্তর পেয়ে যাবো।
নাও।
সন্দেহভাজনের গাড়ির লাইসেন্স প্লেটের নাম্বার হলো...
BS30X7948.
ক্যাপ্টেন শাও?
চেং শাওশি?
তোমার হয়েছে?
এই ছবিটা আর কে দেখেছে?
এই ছবিটা আজ সকালে অনলাইনে পোস্ট করা হয়েছে, সবাই দেখতে পারবে।
- সর্বনাশ! - হেই, তড়িঘড়ি করে কোথায় যাচ্ছো?
তোমার নিখোঁজ বন্ধুর ব্যাপারে বলে যাও?
ক্যাপ্টেন শাও, ওর কী হয়েছে?
কে জানে, এই ছেলেগুলো খুবই রহস্যজনক।
যদি সেদিন মিঃ লিয়াংয়ের কেসটা সমাধান না হতো,
আমি এসবে কক্ষণো বিশ্বাস করতাম না।
আসলে, কি জানেন, বিশ্বাস করেই নিন।
সে মাত্র যে গাড়ির প্লেটের নাম্বার বললো, তার মালিক কে বলুন তো?
আমাকে মাথার ব্যায়াম করিও না, বলেই দাও!
লিউ মিন!
আমি ওর ফোন নিয়ে নিয়েছিলাম, এরপর বললো ও উপরে ঘুমোতে যাচ্ছে।
লু গুয়াং, কী হয়েছে?
চেং শাওশি!
ও এখানে নেই!
আমাদের ক্ষমতা পরষ্পরের পূরক।
তুমি ছবির স্থান ও কালে বিরাজ করতে পারো।
কিন্তু সেটা একটা হাই-ফাইভের মাধ্যমে।
আর কি কোনো উপায় নেই?
দুর্ভাগ্যবশত, এটাই একমাত্র উপায়।
তাহলে যদি আমি নিজের দু-হাতের মাধ্যমে হাই-ফাইভ করে ছবিতে ঢুকি...
আমার সাথে তোমার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে।
যদি তেমনটা হয়, তাহলে ছবিতে কী কী ঘটবে সেটা তুমি জানতে পারবে না।
আমি স্বশরীরে কীভাবে ছবিতে ঢুকতে পারলাম?
তোমার হাতে এখন থেকে ১২ ঘন্টা সময় আছে।
এই সময়টুকু নিজেকে লোকচক্ষুর অন্তরালে রাখো, যেন তুমি ওখানে নেই।
আমি শুধু খুনীর উদ্দেশ্য এবং সূত্র খুঁজতে যাবো।
আমি কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করবো না, আর না কোনো অস্বাভাবিক পদক্ষেপ নিবো।
তাহলে, আমি নিরাপদে ফিরে যেতে পারবো।
লু...লু গুয়াং?
আসলেই ওর সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
ধ্যাত, গেল কোথায় সে?
মনে হচ্ছে এটা সিসিটিভি ক্যামেরার দৃষ্টিসীমারের বাইরের জোন।
এখানে ওর আসার অপেক্ষা করি,
আর তারপর...
আমার ফোন...
লু গুয়াং আমাকে বলে গিয়েছে,
হুজুগে খবর পড়ে যাতে আরো দুশ্চিন্তাগ্রস্থ না হও,
সেজন্য নিরাপত্তার খাতিরে আমি তোমার ফোন আটকে রাখবো।
ধ্যাত, এমন একটা কাজের সময়ে...
কে?
আমরা পুলিশ।
লিউ মিনকে কিছু প্রশ্ন করার আছে।
মিঃ লিউ! পুলিশ এসেছে মিন মিনের সাথে দেখা করতে!
পুলিশ কেন এসেছে?
সকাল থেকে আসা বন্ধ করার নামই নিচ্ছে না!
সিসিটিভি ফুটেজের যে স্ক্রিনশটটা অনলাইনে পোস্ট করা হয়েছে ...
সেটা আমার ছেলের জীবন ধ্বংস করে দিচ্ছে!
মিঃ লিউ, আমরা আপনার ছেলের ব্যাপারে অনেক তথ্য পেয়েছি,
তাই সত্যটা খুঁজে বের করার জন্য আপনার সাথে দেখা করতে আসছি।
কী?
আপনারা অনলাইনের ওই বিদ্বেষীদের মন্তব্য বিশ্বাস করেন?
তারা ধনী লোকেদের দেখতে পারে না! এটা সাইবারবুলিং!
আমার ছেলে কিভাবে এসব সিরিয়াল মার্ডারের সাথে জড়িত থাকতে পারে?
যত সব ফালতু কথা।
ওই লোকগুলো আমাদের কোম্পানীকে ঘৃণা করে, এটা এক প্রকার প্রতিহিংসাপরায়নতা!
- আপনাকে বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত। - আরে না, পথেই তো।
জানি না কি হচ্ছে আজ, একটা গাড়িও পাইনি।
চলুন। আপনার বাবা-মাকে অপেক্ষা করানো ঠিক হবে না।
মিঃ লিউ, আপনি এটা বলতে পারেন না।
সবাই আপনার ছেলের দিকে আঙুল তুলছে কারণ...
মিঃ লিউ, আপনি লিউ মিনকে বাইরে ডাকুন, আমরা কথা বলি।
No comments yet. Be the first to leave one.