لومړۍ 200 کرښې.
🎫 অনুবাদ ও সম্পাদনায় 🎫 শান্ত কুমার দাস
💮 💮 Extraordinary You (어쩌다 발견한 하루) 💮 💮 🔸 🔷 অসাধারণ তুমি 🔷 🔸
নেটফ্লিক্স ভার্সন : এপিসোড-০২
এখন থেকে তুমি আমার ব্যাগ টানবে, ইয়ো জু-দা।
- ও কি সিরিয়াস? - মানে কিভাবে...
জু-দার পদবী ইয়ো?
নাম-জুর নামের অর্থ হলো নায়ক।
ইয়ো জু-দা...
ইয়ো জু-দা?
তার মানে ও গল্পের নায়িকা??
আমি নায়িকা নই?
অসম্ভব।
হেই, ডান-য়ো!
কোথায় লেখা?
সিক্রেট
চরিত্রসমূহ
এটা হতে পারে না...
ইউন ডান-য়ো, বয়স ১৮ বছর, বেয়ক গেয়ং এর বাগদত্তা, হার্টের রোগী।
"অতিরিক্ত পার্শ্বচরিত্র"
আমি অতিরিক্ত চরিত্র?
অতিরিক্ত চরিত্র: মি-চেই, আন সু-চেওল, মো-বম, বান-জাং, ইউন ডান-য়ো,
বেয়ক গেয়ং, বয়স ১৮ বছর
স্যরি...
ও-ই প্রথম মেয়ে যে আমার সাথে এমনটা করলো।
য়ো নাম-জু!
আমিও কেক পছন্দ করি। বিশেষ করে হাতে তৈরি কেক।
- এটা তুমি কোথা থেকে পেয়েছো? - কেন?
- এটা দেখতে একদম আমারটার মতোই। - এটা তোমারটাই।
তোমার কাছে কেন?
আমার মনে হয় না এটা তোমার এখানে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করা উচিত।
এখানেই না তুমি আমার...
স্কুল ইউনিফর্মটা নষ্ট করেছিলে?
শুধু আমার ইউনিফর্মই না, তার সাথে...
আমি দুঃখিত।
কিসের জন্য?
তোমার গালে আমার ঠোঁট লেগে যাওয়ার জন্য।
সেটাতে কি তুমি বেশি সমস্যায় পড়েছো?
নাকি তুমি আরো বেশি কিছু চাও?
না, আমি সেটা বলতে চাইনি।
ঠোঁট স্পর্শ করার ব্যাপারটা তুমি ফিরিয়ে নিতে পারবে না,
তবে তোমাকে লন্ড্রি করার টাকা দিতে হবে।
যদি তুমি নিজেই লন্ড্রি করে দাও, তাহলে তোমাকে লন্ড্রি ফি দেওয়া থেকে ছাড় দেবো।
তখনই তোমাকে এটা আবার ফেরত দেবো।
এটা একদম বস্তাপচা আর শিশুসুলভ কাহিনী!
রোমান্টিক কমিকসের বই এমনই হয়ে থাকে।
আমি ভাবতাম আমাদের আশেপাশের মানুষদের নামগুলো সত্যিই অদ্ভুত।
ইল-জিন, ই-জিন, স্যাম-জিন,
বান-জাং, মো-বম।
ইয়ে জু-দা, য়ো নাম-জু।
সুন্দর আর সাধারণই তো নামগুলো।
চি মি-চেই।
তাহলে আমার নামটা হার্টের ব্যারাইম্মা দিচ্ছো না কেন?
এটাই অনেক হাস্যকর যে আমি এইরকম একটা আউলফাউল কমিক বইয়ের অংশ।
- কিন্তু তাও অতিরিক্ত চরিত্র? আমি? ইউন ডান-য়ো? - হ্যা।
তুমি এই প্রধান চরিত্রদেরও কেউ নও।
এটা পাগলামি।
খোলা মনে এটাকে মেনেই নাওনা।
আমি এই ফাউল কমিক বইয়ের কোনো প্রধান নয় বরং একটা....
অতিরিক্ত চরিত্র, এমনকি এ কমিক বই বাচ্চারাও পড়ে না।
আর তুমি বলছো আমার খুশি থাকা উচিত?
মনে হচ্ছে তুমি অতিরিক্ত চরিত্র বলেই বেশিটা হতবাক।
আমি যা বলি এবং করি তা য়ো নাম-জু এবং ইয়ো জু-দা'র জন্য।
তাহলে আমার কি হবে?
মরার আগ পর্যন্ত কি আমাকে অতিরিক্ত চরিত্র হয়েই থাকতে হবে?
একজন অতিরিক্ত চরিত্রও তো গুরুত্বপুর্ণ কাজ করে থাকে।
লেখকই সিদ্ধান্ত নেবে যে তুমি কি বলবে এবং কি করবে।
এটাই তো আমার পছন্দ নয়!
ও নিজেকে কি মনে করে?
শান্ত হও।
আমরা তো একটা রোমান্টিক কমিক বইয়ের চরিত্র,
তাহলে কেন বেশি খুশি হবো না?
খুশি?
আমি তো কোনো প্রধান চরিত্র নই, তাও কি হবো? খুশি?
কৌতুক নাকি!
তোকে ধিক্কার জানাই, মি. লেখক। যদি তোকে একবার আমার হাতের কাছে পাই না,
তখন আমার সাথে এরকম করার পরিণাম তোকে বুঝিয়ে দেবো, হারামি, জারজ কোথাকার।
ওহ.......আমি বাজি ধরে বলতে পারি যে লেখক কখনো ভাবেননি....
তুমি এতটা আক্রমণাত্মক হতে পারো।
ঠিক আছে, তুমি যেখানে ছিলে এখন তোমাকে সেখানে আবার ফিরে যেতে হবে।
আরে, কি করছো তুমি?
আরে, দেখে চলো।
হেই, জু-দা।
- কি করবে এগুলো দিয়ে? - এগুলোকে বিক্রি করছো নাকি?
কোলাহল কম করো।
বাহ্!
তো এসবকিছু শুধুমাত্র এই দুজনের জন্যই?
আর সুর্য কি শুধু নায়ক-নায়িকার উপরেই আলো ছড়ায় নাকি?
জু-দা, একটু সরে বসতে পারো?
ধুর! ছাই।
আরো একটু সরে বসতে পারো?
ডান-য়ো, তোমার আবার কি হলো?
আমি এখানে বসতে চাইছি। তুমি কি ওখানে বসতে পারবে?
আচ্ছা।
ধন্যবাদ।
বাহ্!
খোদা! কি একটা অবস্থা!
ও (লেখক) আমার সাথে এরকম কিভাবে করতে পারলো?
বাহ্।
লেখক এসব ব্যাপারে দেখছি খুবই দক্ষ।
ওই ছেলেটা ইয়ো জু-দার উপর যেসব কারণে ফিদা হতে পারে সেগুলোর....
উপরেই লেখক ফোকাস করছে। বুঝতে পেরেছি।
ডান-য়ো, উঠে দাঁড়াও।
বসে আছো কেন? আজকে তোমার মডেল হওয়ার পালা।
সবাই ওর জন্য হাততালি দাও!
ঠিক আছে!
সবাই, ডান-য়োর দিকে তাকাও।
তাহলে তোমরা ওর মুখমন্ডলের কোন পাশ দেখতে পাচ্ছো?
-ডান পাশ। -বাম পাশ।
- ওটা বাম পাশ হবে, শুকর। -শুকর?
শুকর, এটা বাম পাশ।
একদম সঠিক।
তোমরা ওর মুখমন্ডলের বাম পাশ দেখতে পাচ্ছো,
কিন্তু এটা নির্ভর করে যে তোমরা কোথায় বসে আছো,
যার কারনে তোমরা প্রত্যেকেই ওকে ভিন্নভাবে দেখতে পাবে।
আলো আসার কোণ ও অভিমুখ...
এবং তোমরা প্রত্যেকে এই মডেল সম্পর্কে...
কিরকম অনুভূতি পোষণ করো,তার উপর নির্ভর করে...
তোমরা সবাই ডান-য়োর ভিন্ন ভিন্ন ভার্সন আঁকবে।
শুরু করো।
বাহ্!
তুমি তো দেখছি একজন জন্মগত চিত্রশিল্পী, নাম-জু।
ওয়াও।
এই চুলগুলো ডান-য়োর চুলগুলোর থেকে অনেক বেশি লম্বা।
ঠিক একদম জু-দার মতো...
এটাকে দেখতে একদম ইয়ো জু-দার মতো।
ইয়ো জু-দা?
সু-চেওল, তুমি কি আমার ড্রয়িংয়ের মুল্যায়ন করছো নাকি?
আরে না, আমি মূল্যায়ন করছি না। ঠিক আছে, এটা ও নয়। আমার উপর ক্ষেপে যেও না, বন্ধু।
ঠিকই তো। তুমি একদম ফালতু কথা বলবে না। ওতো বলছে এটা ডান-য়োর ছবি।
আমি...
ভালো ছবি আঁকতে পারে এমন ছেলেদেরকে আমি পছন্দ করি।
কি বললো ও?
এত ইনিয়ে বিনিয়ে বলার কি আছে।
সাই-মি, আমি তোমাকে একজন ভালো বন্ধুর থেকে আর বেশি কিছু মনে করি না...
তোমাকে বলিনি!
- আচ্ছা, এবার একটু ড্রয়িংটা দেখতে দেবে। - অবশ্যই।
চোখগুলোর দিকে তাকাও।
ওগুলো কত গভীর তা দেখতে পাচ্ছো?
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩০০ মিটার উচ্চতায়?
- উনি গভীরতার কথা বলেছেন, বোকা। - আচ্ছা, গভীরতা।
এবার চুলের দিকে তাকাও।
দেখেছো ও কতো নিখুঁতভাবে এগুলোকে ফুটিয়ে তুলেছে?
আমি কি এসব করছি যাতে নাম-জু আর জু-দার মধ্যে প্রেম হতে পারে?
হ্যালো? সবাই মনোযোগ দাও।
এই যে, আমি এখানে। আমার দিকে তাকাও।
- দেখতে কেমন লাগছে এটা? - একদম অদ্ভুত।
মারলে কেন আমাকে?
একদম জু-দার মতো দেখতে লাগছে।
ধুর, আমি আর এসব মেনে নিতে পারছি না।
তার মানে আমার দিকে নজর দেয়ার জন্য এইরকম কান্ড করতে হবে তো তাহলে?
দেখলে এটা?
কি হলো?
আমি না ঐ প্লাস্টারের ভাস্কর্যগুলো ভেঙে ফেললাম? এখনো ওগুলো ঠিক আছে কেন?
ও মা গো!
এটা কি?
এখানেও?
কি হচ্ছে?
সিক্রেট
আজব জিনিসগুলো তাহলে এখানেও হচ্ছে।
তোমার তো অবাক হওয়ার মতো কিছুই হয়নি।
বুঝিয়ে বলো।
কি বোঝাবো?
এসব কি হচ্ছে তা ব্যাখ্যা করে আমাকে বুঝিয়ে দাও।
আমরা সবাই কমিক বইয়ের ভেতরে।
তাহলে এখানে যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে।
কিন্তু এরকম কিছু তো এই বইয়ে লেখা নেই।
এই যে এইগুলো। আমি এগুলোর সবকয়টাই ভেঙে ফেলেছিলাম।
এতটা নিষ্ঠুর কিভাবে হলে।
যখন কেউ আমার কথা শুনছিলো না তখন অদ্ভুত লাগছিলো...
আর সবথেকে বেশি অদ্ভুত লেগেছিলো যখন প্লাস্টারের ভাঙা ভাস্কর্যগুলো আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেলো।
আচ্ছা,
তাহলে আমি জানি না।
তাহলে তুমি ঐটার বিষয়েও জানো না?
ওহ, খোদা। সিরিয়াসলি।
এটা তোমাকে দেখানোর কোনো প্লান ছিলো না। কিন্তু কি আর করবো,
এই দেখো।
ওয়াও!
এবার মনোযোগ দিয়ে শোনো।
আমরা লেখকের সৃষ্টি করা একটা কমিক বইয়ের দুনিয়াতে রয়েছি।
আর এটা হলো সেই জগতের একটা সিক্রেট জায়গা।
এবং এখানে,
শুধুমাত্র সেগুলোই ঘটবে যেগুলো লেখক আগে থেকেই লিখে রেখেছেন।
তাই, আমরা সেটাই বলি যেটা লেখক লিখে রেখেছেন,
আর সেভাবেই আচরণ করি যেমনটা তিনি এঁকে রেখেছেন।
এটাকে স্টেজ বলা হয়।
আচ্ছা।
এই কারণেই তাহলে আমি জু-দার সাথে ভালোভাবে কথা বলতাম...
আর গেয়ং এর কথার প্রতিবাদ করতে পারিনি?
এইতো, বুঝেছো!
তবে এখানে আরো কিছু দৃশ্যপট ফাঁকা আছে যেগুলো লেখক আঁকেননি।
যেহেতু এগুলো লেখক আঁকেননি,
তাই কিছু ঘটনা এগুলোর মতোই কিছুটা অদ্ভুত লাগবে।
এটাকে "শ্যাডো" বলা হয়।
শ্যাডো?
শ্যাডো হলো স্টেজের বাইরে, আর চরিত্রগুলোও তখন স্বাধীন।
যেমনটা তুমি আর আমি এখন আছি।
এবং যাদের কাছে ইগো আছে, একমাত্র তারাই শ্যাডোতে ঘটা ঘটনাগুলো মনে রাখতে পারে।
এটা পাগলামি।
তবে, তোমার ইগো আছে বলেই মনে কোরো না যে তুমি সবসময় স্বাধীন থাকবে।
চরিত্ররগুলো যে কাজই করুক না,
No comments yet. Be the first to leave one.