لومړۍ 200 کرښې.
❝অনুবাদটি ভালো লাগলে গুড রেটিং এবং ফিডব্যাক দিয়ে উৎসাহিত করবেন।❞
শুভ বিবাহ
• • • অনুবাদক • • • আশিকুর রহমান, মোহাম্মদ সায়েম, চন্দন দোলুই, মিঠুন বিশ্বাস।
রিঙ্কু, কী করছিস? জলদি আয়!
এই খোইচ্ছা তোমার স্বামীর মঙ্গলের জন্য।
এটা হারাবে না।
- এই, মুন্না! - বুঝেছ?
এদিকে আস।
জামাই, যাওয়া যাক?
মেয়েটা এখন চলে যাবে...
সাবধানে। ব্যথা পেয়েছিস, ফুল?
না।
একবার ঘোমটা দেওয়া ধরলে,
চোখ নামিয়ে চলতে শেখো।
বসো...
নোটিশ বোর্ড চল! বাস এসে গেছে!
ভেতরে জায়গা নেই, ছাদে বসুন।
- জলদি আসো। - আরভিন্দ, জলদি ব্যাগগুলো আনো!
- ফুল... - জলদি কর ...
সব গয়না খুলে...
আমাকে দাও।
বাসে ভিড় বেশি।
কখন চুরি হয়ে যাবে, টেরই পাবে না।
আমাদের গ্রামে একটা প্রবাদ আছে...
"গয়না চুরি হলে দ্বিগুণ কষ্ট হয়, প্রথম কষ্ট চুরিতে, দ্বিতীয় কষ্ট পুলিশি তদন্তে।"
বেলপুর-কাটারিয়ার যাত্রীরা সামনে আসুন!
শুভ তৃতীয়ার দিনে আরো একটা দম্পতি হয়ে গেল,
যেন শুভ দিনে বিয়ে করলে সুখী দাম্পত্যের নিশ্চয়তা দেয়!
ভাই, মেয়েটাকে বসতে দেবেন?
বসতে দাও।
বসুন, আপা।
সরো তো।
প্রদীপের স্যুট ওর থেকে ভালো।
যৌতুক হিসেবে কী পেলে?
আজকাল তো মোটরসাইকেল দেয়।
আমিও একটা পেয়েছি।
ট্যাঙ্ক ভরা!
- সত্যি? - হ্যাঁ।
আমরাও একটা মোটরসাইকেল পেয়েছি,
- দেড় লাখ নগদ টাকা, - ওহ!
- আর একটা মোবাইল। - মোবাইল পেয়েছি, কিন্তু নেটওয়ার্ক না পেলে কি লাভ!
রেখে দাও!
তো, তুমি কী পেয়েছো?
ছেলেটার নিশ্চয়ই কোনো সমস্যা আছে।
দৈনিক ভাস্কর
ব্যবসায়ী-সৈন্যরা দস্যু কনের শিকার হয়েছে
পরবর্তী স্টেশন আসার আগে টয়লেট থেকে আসি, বুঝেছ?
এখানেই থাকবে।
যাত্রীগণ, দয়া করে মনোযোগ দিন। ট্রেন নাম্বার...
- ১২৫৬..... - খাওয়ার পানি! কারো লাগবে?
- এই, পানি! - জি, স্যার।
একটু পানি দাও তো।
- কত? - ১ টাকা, স্যার।
- দেখে নামা রে ভাই! - ট্রেন এখানে বেশিক্ষণ থামে না।
পানি লাগবে? ঠাণ্ডা পানি! পানি!
এ কেমন আচরণ? আগেই নামানো উচিত ছিল।
সরো।
সিট খালি দেখতে পাচ্ছ না?
এসে এখানে বসো।
সরো তো, সিট খালি হয়েছে।
আরাম করে বসতে পারব।
ভেতরে চলো। সিট পাবে।
দেখ, ওই সিটটা খালি।
সরে বসুন তো।
- পানির বোতল কিনেছ? - হ্যাঁ।
ধ্যাত্তেরি!
আগেই ভালো ছিলাম।
উঠো। আমাদের স্টেশনে এসে গেছি।
জলদি কর, এটাই শেষ বাস।
কী হলো? আসো।
ওখানে সিট খালি আছে। জলদি বসো।
বসো।
আগামী মাসে বিয়ে করবো।
তাই বাসর রাত নিয়ে চিন্তায় আছি।
দীপু আসলে ওর থেকে কায়দা কানুন জিজ্ঞেস করবো।
আমরা যেতে পারি?
চুপ করুন!
আপনাদের ভরসায় গান বানিয়েছি আর এখন...
- বাস এসে গেছে ! - উঠো!
চলো। চলো।
বাজানো শুরু করো!
জামাই সাহেব।
এদিকে দাও।
কি সব এনেছো?! সেই স্বাগতম করেছো!
কীভাবে করেছিস?
এত প্রশ্ন করা বন্ধ কর!
সুরজমুখী ১ কি.মি.
ভাবি,
আসুন।
নমষ্কার, চাচা।
আপনাদের বউ।
- নতুন চাচি এসেছে! - নতুন চাচি এসেছে!
- এই! দীপু এসেছে! - নতুন চাচি এসেছে!
- চাচি এসেছে! - ওখানে দাঁড়াও!
তোমার ছেলে এসেছে।
বাবলু!
আমাকে ছেড়ে কেন চলে এসেছিলে?
- আপনি চাচির সাথে ছিলেন! - প্রনাম, বাবা।
আশির্বাদ রইল। এত দেরি হলো কেন?
দেশে কী সময়মতো সব হয়?
- আশির্বাদ কর, মা। - আশির্বাদ রইল, সোনা। ভেতরে চল। - বৌমা'কে নিবে না? - ওকে ভুলেই গিয়েছিলাম। চলো, সোনা।
অনেক চিন্তা হচ্ছিল।
- প্রণাম, দাদী। - আশির্বাদ রইল।
যশোদা, সৌভাগ্য বয়ে আনার জন্য ঘি দিয়ে প্রদীপ জ্বালাও।
সৌভাগ্য বয়ে আনবে? ঘি আছে কি না কে জানে!
- পুনম, পূজোর থালাটা দে। - দাদার আশির্বাদ নাও আগে।
বাতিটা জ্বালাও।
সুখী হও!
দাদা, প্রণাম!
- সাবধানে থাকো! - আজকে তো "সুখে থাকো" বলতে পারতে।
ভাবি, ভাইয়্যা কি শহরে পৌঁছেছে?
দীপু, এদিকে আয়।
পুনম, থালাটা দে।
যশোদা, পুজোটা আমি করতে চাই।
এই নিন।
আমার শেষকৃত্যের পুজোটাও আপনি কইরেন।
বাদ দাও। তুমিই কর।
না, আপনি করেন।
কে জানে বাবলুর বিয়ের সময় বেঁচে থাকবেন কি না।
না, তুমিই কর!
নাও।
ঠিক আছে।
আমার...
সোনা ছেলে!
ঘোমটা উঠাও, সোনা। এখানে সবাই বাড়ির লোক আছি।
কী হলো?
ঘোমটা উঠাও, ফুল।
লজ্জা পাচ্ছে মনে হয়!
ঘোমটা উঠাও!
ওহ, ইশ্বর!
- কী হলো? - হয়েছেটা কী?
- কী হলো? - জানি না!
কী হয়েছে?
- এটা কে? - ও কে?
- কে তুমি? - কে ও?
আপনার স্ত্রী, তাছাড়া আবার কে?
আমি? তুমি...
ট্রেনে....
ট্রেনে কী হয়েছিল?
কী হলো? চলো।
চাচী বদল হয়ে গেছে?
চাচী বদল হয়ে গেছে!
- চাচী বদল হয়ে গেছে! - ওই, বাবলু!
পুনম, বাবলুকে থামা! কথাটা পুরো গ্রামকে জানাবে।
ওই, বাবলু!
স্ত্রী হারিয়ে ফেলেছিস।
খাইছে রে!
এমন কান্ড দেখে আমাদের পূর্বপুরুষরা পর্যন্ত চমকে যাবে, দীপক।
সাথে কে চলছে সেটা কীভাবে টের পাসনি?
কারো লাগেজ বা জুতা বদল হলে মানতাম,
বা ভুল করে কারো ছাতা বা সাইকেল আনলেও মানতাম।
অন্যের স্ত্রী কীভাবে নিয়ে আসিস!
একই লাল শাড়ি পরা, উচ্চতাও একই,
- তার ওপর লম্বা ঘোমটা দেওয়া, তো... - চুপ কর!
সব দোষ এখন ঘোমটার!
উমি ঠিক বলেছে।
তাই না?
তাবুর মতো ঘোমটা এমতাবস্থায় চেহারা কীভাবে দেখবে...
নিজের জুতা ছাড়া কিছুই দেখা যায় না।
ওর জুতা দেখে চিনতে পারিসনি?
- ঠিক! - এই ভুল কীভাবে করলি?
নতুন স্বামী, নতুন জুতা।
কীভাবে চিনব?
তার ওপর, ট্রেন ছিল ফুল।
সাথে একই বগিতে দু-তিন জন নবদম্পতি ছিল।
এমতাবস্থায় যে কেউ গুলিয়ে ফেলবে।
যে মেয়েটাকে রেখে এসেছে...
সেও ঘোমটা দিয়ে ছিল।
এখনো হয়তো জানে না ওর স্বামী ওকে ছেড়ে চলে এসেছে।
ও নিশ্চয়ই চিন্তায় মরে যাচ্ছে।
কাজটা অনেক খারাপ করেছিস।
বাবা...
আমি স্টেশনে যাচ্ছি।
- যা। - এবার হুশ ফিরেছে! - দাঁড়া, দীপু!
- আমরাও সাথে যাচ্ছি। - হ্যাঁ, জলদি যা।
- চল! - চল।
ওর কী হবে?
কেউ হয়তো ওর খোঁজ করছে।
- ওকে সাথে নিব? - গাধা একটা!
নিজের সাইকেলে অন্যের স্ত্রীকে বসাতে চাস?
বেয়াদব!
তোমার নাম কী?
পুষ্পা।
পুষ্পা রানি।
- স্বামীর নাম? - কী?
স্বামীর নাম কেউ মুখে নেয়?
হ্যাঁ, ঠিক বলেছ।
পঙ্কজ।
গ্রামের বাড়ি?
সাম্বেলা।
ওটা কই?
- ছত্তিশগড়। - ছত্তিশগড়!
ছত্তিশগড়!
শ্বশুর বাড়ি?
মনে করতে পারছি না।
বাড়িতে কোনো মোবাইল আছে?
নাম্বারটা লেখ, গুঞ্জন।
পুনম, ও তোমার সাথে ঘুমাবে।
পটিলা
কোনো জিনিস যেন পড়ে না থাকে।
No comments yet. Be the first to leave one.