Ayla: The Daughter of War

Ayla: The Daughter of War (Ayla)

د Bengali ژباړه ډاونلوډ کړئ

د خپرونې معلومات

Ayla The daughter of war (2017) WEBRip Bangla Subtitle by Sayed Fahmidul Islam
Ayla The daughter of war (2017) WEBRip Bangla Subtitle [01 59 27]
د لخوا تبصره Sayed_Fahmidul_Islam
🔰🔰কোরিয়ান মুভি সংক্রান্ত নিত্যনতুন খবরা-খবর পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপ "কোরিয়ান ফিল্ম ক্রাফট" - এ যুক্ত হোন।🔰🔰

تګونه

webrip
web
BRip
په خپور شو: 2018-07-14
ډاونلوډونه: 231
د اوریدلو معیوبیت: No

د Bengali سرليکونو مخکتنه

لومړۍ 200 کرښې.

সাবটাইটেলটি সহজতর ও প্রাণবন্ত করতে বিদেশী সাবের সাহায্য নিয়েছি। আশাকরি সাবটাইটেলের মান আপনাদের হতাশ করবে না।

💜ধন্যবাদ MLSBD💜

সিনেমাটি একজন ভূয়োদর্শীর সত্য ঘটনায় নির্মিত।

কোরিয়ান যুদ্ধ চলাকালীন, সার্জেন্ট সুলেমান দিলবিরলিগি।

"দক্ষিণ কোরিয়া, ৩৮ প্যারালাল, জুন ১৯৫০"

"দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৫ বছর পর"

সেওল।

এই দেখো। - সাইকেল।

আম্মু, এইটা তোমার জন্য বানিয়েছি।

অনেক সুন্দর লাগছে। - আমরা এবার ঘুরতে যাবো।

এইতো ভালো হচ্ছে। ফিরে আসো। আমার আম্মুর আসছে।

এসব কী হচ্ছে? - সব ঠিক আছে।

ভয় পেয়ো না, আমি আছি তোমার সাথে। বুঝলে?

লুকিয়ে পড়ো। - কোথায়?

সেওল, কেঁদো না। চুপ করো।

যদি এভাবে কাঁদতে থাকো, আব্বু আম্মুকে আর কখনো দেখতে পাবে না। বুঝলে?

আমার জন্য এখানেই অপেক্ষা কোরো।

অনুবাদকঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম

"Ayla : The daughter of war" "আয়লা : যুদ্ধ কন্যা"

"ইসকেনদেরুন, জুন ১৯৫০"

আয় না রে বাপ।

সুলেমান!

সুলেমান! - আসছি।

সকাল সকাল এত চেঁচাচ্ছিস কেন? কারণটা কী?

জলদি আয়! খোদার কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া যে তুই বের হয়েছিস!

তোর রোজ কোনো না কোনো কাজ থাকবেই। প্রত্যেকটা দিন একই কাহিনী।

দিনকাল খুব গরম, দিনে কমসেকম একবার তো ওদের পানি খাওয়ানো উচিত। এটা ভালো কাজ।

তুই জেনেশুনে এমন করিস, তাই না? একটু নিয়মনিষ্ঠ হ।

আমরা সার্জেন্ট। টাই ঠিক কর।

তোর জন্যই ভালো। সত্যি। মেয়েদের মতো, কসম করে বলছি।

জানিস কি স্বপ্ন দেখেছি? সাইকেলে করে পুরো দুনিয়া ঘুরছি।

বন্ধু, আমরা আর এখানে কেন থাকব?

প্রত্যেকদিন আমরা এত কাঠখড় পোড়াই বিশ্ব ঘুরতে পারব বলে?

ভাই, কোথায় ছিলি? মেয়েরা তো আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। জলদি জলদি প্যাডেল মার।

ওদের না দেখলে কি আমাদের দিন এগোবে না?

নিজেকে জলধরের মতো মনে হচ্ছে। ওকে দেখলেই ঘামতে শুরু করি।

কম কথা বললে আর ঘামবি না। জলদি।

তুরগী ভাই, আশাকরি আমরা খুব বেশি দেরি করে ফেলিনি।

না, করোনি। চিন্তা কোরো না, তোমার জন্য উঠিয়ে রেখেছি।

ভাই, ছিঁড়ে ফেলো না আবার? - এই নাও।

ওহ খোদা। কি সুন্দর!

তোর মাইয়্যাগুলোও সুন্দর তবে এটা একদম আলাদা।

দেখ ওর দিকে, তাই না? - এই ভাই, ও কি তোর দিকে তাকাচ্ছে?

কেন তাকাবে না? - নিজের দিকে দেখ একবার। - কি কমতি আছে আমার?

টাইটা তো ঠিকমতো পরতে শিখ।

নিজেকে একজন তরুণ অফিসার হিসেবে পেশ কর। - ভাই রে, তোর এই টাই দিয়ে আমাকে খুব প্যারা দিচ্ছিস।

আমার মিলিটারি রেকর্ডস দেখাতে বাধ্য করিস না।

আমার কাজ নিয়ে কিছু বলবি না। আমি তোদের মতো না।

আমি একজন স্নাইপার। সবসময় লক্ষ্য ভেদ করি।

চল।

চল।

নুরান।

চাচা বলছিলেন তাদের কোরিয়ায় সৈন্য পাঠাতে হবে। আর যদি ওদের পাঠিয়ে দেয় তখন?

এসব বলিস না তো। স্থানীয় কলেজ থেকে, ওদের কেন নিয়ে যাবে?

জানি না, কিন্তু খুব ভয় হচ্ছে।

"৩৯. মেকানাইজ" "পদাতিক বিভাগ"

এক-দুই।

সুলেমান, বসো। এটা আমার অর্ডার। বসো।

তোমাকে কেন ডেকেছি বলতে পারবে? শুনেছ অবশ্যই, আমরা দক্ষিণ কোরিয়ায় সৈন্য পাঠাচ্ছি।

শুনেছি, মেজর। আল্লাহ্‌ তাদের সাহায্য করুক। - আমিন।

আনকারা সেনা প্রস্তুত করছে,

কিন্তু আমাদের কাছেও একটা অর্ডার এসেছে। আমাদের সৈন্য পাঠাতে হবে।

আমি তোমার কথা ভাবছিলাম, সুলেমান।

তোমার অনুপস্থিতি আমার কোনো কাজে আসবে না,

কিন্তু তাদের তোমার মতো নিঃস্বার্থ সেনা দরকার।

কি বলো? - এ তো আমার জন্য সম্মানের বিষয় হবে।

তোমায় শুভ কামনা জানাই। কেউ কি তোমার অপেক্ষায় আছে?

জ্বি, মেজর। জীবনের চেয়েও মূল্যবান, আমার জন্মভূমির মতো।

কোরিয়ানরা সব একই রকম দেখতে, তাই না? - হ্যাঁ।

না, তা ঠিক। - সুলেমান।

তুই টেকনিক্যাল স্টাফ হিসাবে যাবি। যুদ্ধ এখনো শুরু হয়নি।

ভাবতে পারছি না তুই যুদ্ধে যাচ্ছিস। - দেখ ওর চেহারাটার দিকে। ও মারাশের মাল।

ভাইরে, খোদা যেন কারো এমন পরীক্ষা না নেয়।

ভাব কেন একজন মানুষ অন্য একজনকে খুন করবে যদি না ওর জীবনের কোনো ঝুঁকি থাকে।

আমরাও কি সাথে গিয়ে ঐ কমিউনিস্টগুলোকে কচু কাটা করে কাটতে পারি না?

এসবে কি কোনো কাজ হবে? সেখানে মানুষ নির্যাতিত হচ্ছে।

ওদের সাথে আমাদের বুঝাপড়া করতে সুযোগ দেওয়া হোক। - আলী কি তোর সাথে যাবে?

আমার ভাই যুদ্ধে যাবে, আর আমি চুপ করে বসে থাকব?

কে ওর রক্ষা করবে? - মেয়েটার কেউ নাই।

তোর বাড়িতে কথা বলেছিস? - ইযলেয়ালকে দিয়ে নুরানের কাছে খবর পাঠিয়েছি।

আজ রাতে আমাদের কথা বলা খুব জরুরি।

এই আলীই শুধু তোমাকে বিভ্রান্তিতে ফেলে। চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকবে না।

আর যদি কোরিয়ায় হারিয়ে যাও, তখন কি হবে সুলেমান?

এভাবে বোলো না। ওখানে যারা আছে...

তাদের আমাদের দেশের সাহায্য প্রয়োজন, আর সেটা হবে আমার মাধ্যমে।

কী করে এড়িয়ে যেতে পারি? - জালাল কীভাবে পারল?

কিন্তু আমি পারব না। এটাই আমি। এই জন্যই কি তুমি আমায় ভালোবাসোনি?

এখনো বাসি, কিন্তু জায়গাটা তো দূরে।

অনেক দূরে। যদি ওখানে গিয়ে আমায় ভুলে যাও...

আশ্চর্য। এর জন্য ভয় করছ? এই তোমার ভয়ের কারণ?

আমি অনাথ। ছোট থেকেই আমি চাচার কাছে একটা বোঝা।

তুমি ছাড়া আমার কেউ নেই। তুমিই আমার একমাত্র সম্বল।

আর তুমি একটা অনাথ মেয়েকে এইভাবে ছেড়ে যাবে... - আমি তোমাকে কখনো ছেড়ে যাবো না। তোমার সাথ ছাড়ব না। কখনো না।

প্রত্যেকদিন তোমায় চিঠি লিখব। ছবি তুলব।

সেগুলো পড়বে আর দেখবে মনে হবে যেন আমি তোমার পাশেই আছি। কথা দিলাম।

প্রতিদিন সকালে তোমায় কিচ্ছুক্ষণের জন্য দেখব।

আর তোমায় আমার স্মৃতিতে জড়িয়ে রাখবার চেষ্টা করব।

অনুভব করো। আমায় কক্ষনো ভুলবে না।

আমার উষ্ণতা মনে রেখো।

"মারাশ"

মা, নিমাত। একটা টেলিগ্রাম এসেছে। আমাকে একটু পড়ে দাও তো যদি তেমন ব্যস্ত না হও।

হোসাইন চাচা, কী যে বলেন? এ আর কী এমন।

হোসাইন চাচা, আপনার ছেলের চিঠি।

ওকে কোরিয়া পাঠানোর জন্য বাছাই করা হয়েছে।

লিখেছে, "আমার জন্য চিন্তা কোরো না, মাঝেমধ্যেই চিঠি লিখব।"

"আমার জন্য দোয়া কোরো।"

আমাকে এখন যেতে হবে, আম্মা আমার জন্য অপেক্ষা করছে।

"কোরিয়ায় বিরোধী থেকে সাম্যবাদী..."

যুদ্ধটা পৃথিবীর আরেক প্রান্তে হচ্ছে। আমাদের ছেলেদের জবাব নেই।

আমার কোনো ছেলে জন্মায়নি, যাকে ওখানে পাঠিয়ে গর্ব করব।

"তারা একদল আর্মি সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে..."

আল্লাহ্‌, ওর সাহায্য কোরো। ওকে সহি সালামতে বাসায় পাঠিয়ো।

তোমার যাত্রাটা সহজ হোক, সুলেমান।

নুরান, যখন আমরা যাচ্ছিলাম, ইসকেনদেরুন দেখতে এত ছোট লাগছিল যে...

একজন মানুষ উপলব্ধি করতে পারবে পৃথিবীটা কত বিশাল।

পৃথিবীটা বিশাল আর দূরত্ব অনেক।

কিন্তু আমার ভেতর দুইটা আগুন জ্বলছে যা আমায় ধরে রেখেছে।

এক - যাদের আমি সাহায্য করতে যাচ্ছি তাদের কাউকে চিনি না।

অপরটা - আমাদের ভালোবাসা, যা তোমার থেকে দূরে যাবার কষ্টের চেয়েও বেশি বিস্ফোরিত হচ্ছে।

আর তাই আমার কোনো ভয় নেই। তুমিও কোনো ভয় করবে না।

আমরা দুজনে মিলে পৃথিবীর সবকিছুর সাথে লড়তে পারব।

কারণ আমাদের দুটো সম্পদ আছে। তারা হলো বিশ্বাস ও ভালোবাসা।

"শ্রদ্ধেয় বাবা, খেয়াল রেখো মা যেন আমার খাওয়া দাওয়া নিয়ে চিন্তা না করে।"

"যদিও আমেরিকান খাবার একটু অদ্ভুত, কিন্তু আমাদের ভালোই খেয়াল রেখেছে।"

যেমন ধরো, তারা আমাদের এগস্ (eggs) দেয়, মানে ডিমের পাউডার। তবে এটা মুহারামের জন্য নতুন কিছু।

ও যখন মুখ ভর্তি এগস্ পাউডার নিয়ে কথা বলে আর যেভাবে তোতলায় সেটা তোমাদের দেখা উচিত।

"জালাল ও ইলহান, ভাইয়েরা..."

"মেয়েদের কিছু বলিস না, কিন্তু ওরা সবাই আমাদেরকে হাতিয়ার দিয়েছে।"

"আমাদের শুটিং এর ট্রেনিং শুরু হয়ে গেছে। আর সবসময় একটা কথাই বলি, আমরা যুদ্ধে যাচ্ছি।"

"তারা আমাদের শিখাচ্ছে যে,"

"ওদের আমরা ইউএস আর্মির শক্তিমত্তা দেখাব।"

উত্তর কোরিয়ায় ৩৮ প্যারালাল।

সিনেমাটি অনুবাদ করেছে সিনিয়র লেফটেন্যান্ট মেসুত।

সে একজন অনুবাদক, আমাদের পরিচয়টা বেশ মজাদার ছিল।

কমান্ডার। - সুলেমান।

ইঞ্জিনের জন্য জ্বালানী দরকার। কোথায় পাবো?

আমি দেখছি ব্যাপারটা। - ধন্যবাদ। আমার রুমে অনেক পিঁপড়া।

বুঝতে পারছি না কী করব। সারারাত আমাকে কামড়েছে।

আমেরিকানরা বলে, জাহাজে কি পোকামাকড় উঠতে পারে?

অবশ্যই পারে, কমান্ডার।

বন্দরে ওরা হামাগুড়ি দিয়ে দড়িতে চড়ে।

বেশ। ওদের তাড়ানোর জন্য আমাকে একটু তেল দাও।

কিন্তু ওরা তো মারা যাবে। - তাহলে কি করব?

ওদের খেতে দাও।

কমান্ডার, ওরা নিজেদের জীবিকার জন্য লড়ছে।

ওরা চিনির খোঁজে যাবে আর তোমায় ছেড়ে দিবে। তোমাকে একসাথে থাকা শিখতে হবে।

আচ্ছা বলো তো, তুমিও কি আমার মতো কমিউনিস্ট? - না, আমি এসব অত বুঝি না।

কিন্তু পিঁপড়াদের থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।

একটা পিঁপড়া পর্যন্ত মারতে পারে না আর সে যাবে যুদ্ধে।

আর আলী তো মাশাল্লাহ। ওর ছোড়া গুলি বলয়ের মতো একটা আরেকটাকে পাশ করে।

কারণ সে কমিউনিস্টদের খুন করার অভিলাষে পুড়ছে।

তবে লেফটেন্যান্ট মেসুতের সাথে খুব একটা বনতি পরেনি।

প্রিয়তম, আমাদের এক মাসের জলযাত্রা খুব জলদিই শেষ হবে।

যেমনটা সবসময় বলি, কোনো উল্টা পাল্টা চিন্তা করবে না।

সব ঠিক আছে? - তোমাদের মধ্যেই তাদের এক যাজক রয়েছে।

ওরা তো আমাদের নামাজ পছন্দ করে না। - না, তারা নামাজের জন্য আসেনি।

তাদেরও একজন যাজক রয়েছে যে প্রত্যেক সপ্তাহে আসে। এটা সে জন্য না।

তাহলে কেন এসেছে?

সার্জেন্ট আলী, তুমি সবসময় তো আর গুলি করতে পারবে না।

যদি ওরা আমাদের গুলি মারতে শুরু করে?

প্রতিটা লাশকেই ধর্মীয় বিধিবিধান অনুযায়ী সমাহিত করতে হবে।

"বুসান, দক্ষিণ কোরিয়া, অক্টোবর ১৯৫০"

স্বাগতম!

চলো, বন্ধুরা। তেগু পৌঁছাতে এখনো ৯৫ কি.মি. পথচলা বাকি।

"তেগু, দক্ষিণ কোরিয়া"

বন্ধুরা, এই গরমে দক্ষিণ কোরিয়া পুরোপুরিভাবে কবলিত ছিল।

কিন্তু ঐক্যবন্ধনের শক্তির জোরে শত্রুপক্ষ বিদায় হয়...

এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে ভোগদখলের হাত থেকে রক্ষা করা হয়।

এটাই সময় বর্ডারে আঘাত হানার।

আমরা কুনু-রি যাওয়ার পথ বানিয়ে নিবো। - তুর্কি সেনা হিসেবে...

আমরা এই প্রথম যুদ্ধের নির্দয়তার সম্মুখীন হবো।

ওদের কি খোদার ভয় নেই। দেশটার কী হাল করেছে।

এমন একটা দৃশ্য দেখার পর, হয়তো তোমরা উপলব্ধি করবে তোমাদের দায়িত্ব কতটা পবিত্র।

"২৫ ইউএস হেড-কোয়াটারস, কুনু-রি" বন্ধুরা, আমাদের শেষ আঘাতটা এখান থেকেই হানব।

সুকৌশলী পরিবেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ওরা এমন দুর্দশাগ্রস্থ এলাকায় কী করছে? যদি অচমকা কিছু ঘটে যায় তখন?

আমেরিকানরা বলেছে আমাদের কাজ শেষ। মাস খানিকের মধ্যেই সবাই বাসায় ফিরে যাবো।

চলো গিয়ে মার্সম্যালো খেয়ে আসি আর সাথে একটু ড্রিংকও করা যাবে।

কী মার্সম্যালো? আমরা কি এতদূর এসেছি ক্যান্ডি খাওয়ার জন্য?

আমাদের একটা কাজ দেওয়া হয়েছে, কিছুতো করতেই হবে।

যদি কিছু গেরিলা মারতে চাও তোমাকে নিজেই যেতে হবে।

এইমাত্র পৌঁছালাম আর এখানে আগে থেকেই সব ঠিক হয়ে আছে। - যেমন তোমার ইচ্ছা।

আমেরিকানরা কমান্ড করে আর আমরা তা ফলো করি।

আমরা কি এখানে আমাদের সুযোগ নিতে দেওয়ার জন্য এসেছি? ওরা কি আমাদের বিশ্বাস করে না?

এটাই কি কারণ আমাদেরকে রণক্ষেত্র থেকে দূরে রাখবার?

এখানে তোমার জাতির জন্য বীরত্বের পরিচয় দিতে এসেছ নাকি কমিউনিস্টদের নির্যাতন করতে?

এটা বললে কেন? কমান্ডার, তুমি কাদের পক্ষে বলো তো?

তুমি কি বলতে চাচ্ছো আমি গোয়েন্দা? আমাকে হুমকি দিচ্ছো?

তো বলো না কীভাবে রিঅ্যাক্ট করব। কার দিকে তুমি?

কমান্ডার, এখানে আছি কারণ নিজের কাজটা আমি ভালোমতো করি। যেমনটা বাকিরা করে।

ব্যাপারটা নিশ্চিত হয়ে নেওয়াই ভালো হবে।

চলো গাড়িতে ওঠো যদি অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটে।

অপ্রত্যাশিত কী ঘটবে, সুলেমান?

সবাই বলছে মিলিটারি প্রক্রিয়া শেষ। কাজ শেষ।

হে খোদা! জলদি!

সবাই ঠিক আছো? - জলদি!

জলদি!

জরুরি অবস্থায় সৈন্যদল ৯ এর সাথে যোগাযোগের জন্য অর্ডার দিয়েছিলাম।

কিন্তু যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

আমার একজন ভালো উপদেষ্টা দরকার। - আছি, কমান্ডার।

تبصرې

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left