لومړۍ 200 کرښې.
"The Legend of The Blue Sea"- episode 09 Bengali Subtitle- Rifat Kabir Sharna
আমি তাই ফিরে যাব।
আমি যেখানে থাকতাম সেখানে। আরও দেরি হওয়ার আগে।
তুমি কি...তোমাকে ভালোবাসার প্ল্যান করলে বলতে বলেছিলে,তাই না?
করেছি। সেই প্ল্যান।
তাই বলছি... যেও না।
আমি যাব না?
হ্যাঁ।
যেও না।
অনেক হয়েছে, এখন বাসায় চলো।
হ-জুন জ্যা, কী হয়েছে? তুমি-তুমি ঠিক আছ?
হ-জুন জ্যা,হ-জুন জ্যা!
হ-জুন জ্যা,হ-জুন জ্যা!
হ-জুন জ্যা! হ-জুন জ্যা!
হ-জুন জ্যা! হ-জুন জ্যা!
হ-জুন জ্যা!
প্লিজ সাহায্য করুন!
হ্যালো। কী হয়েছে?
হ-জুন জ্যা!
এখানে, এখানে একজন পড়ে আছেন।
হ জুন জ্যা!
একটু জলদি পাঠান প্লিজ।
হ্যালো?
- কে তুমি? - কে আপনি?
আমি দাম রিয়ং।
যদি তুমি পরের দুনিয়ার আমি হয়ে থাক,
স্বপ্ন থেকে জেগে ওঠার পরেও এই কথাটা শুধু মনে রেখো।
সবকিছুরই পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।
এখানকার সম্পর্ক ওখান পর্যন্ত গড়াতে থাকলে
দুর্ভাগ্যের সম্পর্কও তেমনটাই হবে।
বিপদজনক লোকটার কাছ থেকে ওই মেয়েটাকে...
দেখে রেখো।
এই যে, ঠিক আছেন?
এটা দেখতে পাচ্ছেন? এটা দেখতে পাচ্ছেন?
হ জুন জ্যা।
ঠিক আছেন?
ঠিক আছি।
ঠিক আছি।
ঠিক আছ?
আমি ঠিক আছি।
# 한글 자막과 대화 에서 번역된-
# কোরিয়ান সাব과 대화 에서 번역된-
# কোরিয়ান সাব ও সংলাপ থেকে 번역된-
# কোরিয়ান সাব ও সংলাপ থেকে অনূদিত-
방글라 자막 제공- 리팥 커비르 서르나
বাংলা সাবটাইটেল 제공- 리팥 커비르 서르나
বাংলা সাবটাইটেল নিবেদন- 리팥 커비르 서르나
বাংলা সাবটাইটেল নিবেদন- রিফাত 커비르 서르나
বাংলা সাবটাইটেল নিবেদন- রিফাত কবীর 서르나
বাংলা সাবটাইটেল নিবেদন- রিফাত কবীর স্বর্ণা
부른 바다의 전설 (নীল সাগরের কিংবদন্তি)
제 9 회 (পর্ব ৯)
ঠিক আছ তো?
তুমি? তুমিও একটু আগে কোথায় ব্যথা পেয়েছিলে বলে?
এখন ব্যথা করছে না।
কেন?
কখন ভালোবাসব না বাসব না, প্ল্যান আছে না নেই, এসব বলে বিরক্ত করলে
আর পেছনে পেছনে কোথাও পালিয়ে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছিলে?
এই, তুমি ডেঞ্জারাস মেয়ে তো।
গেলে যাবে কোথায়? কার কাছে যেতে চাচ্ছ?
সরকারি অফিসার লোকটা?
জং হুন এখন নেই।
কেন? কোথায় গেছে?
দূরে।
তুমিও ওকে ফলো করে দূরে চলে যাচ্ছ?
কেন? ও আবার দূরে গিয়ে "রামেয়ন খাই চল" বলেছে?
যে রামেয়ন বানিয়ে দিয়েছিল সে জং হুন না তো।
ও... ও না?
তাহলে সে আবার কে?
সেটা বলতে পারব না।
তোমাকে দিয়ে আর হবে না! আমাকে ফলো কর।
- এই দেখো। অনেকগুলো পুতুল না? -হুম।
একটা চুজ করো।
আমি ওটা। পিংক অক্টোপাস।
ঠিক আছে। তুমি পিংক অক্টোপাস চুজ করেছ তো?
তুমি পছন্দ করেছ। তাহলে তোমাকে ওটা যেভাবেই হোক তুলে আনতে হবে
চেষ্টা করে দেখো।
হয়েছে!
প্রায় হয়েই গিয়েছিল...
তাই? প্রায় এসে পড়েছিল? কিন্তু আসলে আসে নি ,তাই না?
আসলে মানুষের জীবন হল 'হবে, হবে' করতে করতে না হওয়ার জীবন
কিন্তু তুমি যদি এখানে হাল ছেড়ে দাও,
তোমার পছন্দ করা ওই পিংক অক্টোপাস কখনো বের করে আনতে পারবে না।
আবার চেষ্টা করে দেখো।
হচ্ছে না দেখি।
মেয়ে আবারো হাল ছেড়ে দিচ্ছ দেখি?
তুমি যেটা পছন্দ করেছ সেটা তোমার হওয়ার আগ পর্যন্ত হাল ছেড়ে দিলে চলবে না!
সেটা পিংক অক্টোপাস হোক,
না আর যাই হোক!
তাহলে আমি আরেকবার চেষ্টা করে দেখছি।
- চলো এখন— - আ, দাঁড়াও, দাঁড়াও দেখি!
ওহ, প্রায় এসেই গিয়েছিল তো, এটা!
এটা... যা দেখছি- মেশিনটা একটু সমস্যা করছে মনে হয়।
এই চিমটাটা ইচ্ছে করেই একটু ঢিলা করে রাখা দেখছি।এখন চলো যাই।
তাহলে হাল ছেড়ে দেব?
না রে। এটা হাল ছেড়ে দেয়া না, একটু বিরতি নেয়া!
পরের পর্ব পর্যন্ত?
ঠিক তাই। কেমনে কী? তুমি এত দিনে স্মার্ট হলা?
যাই হোক ইম্পরট্যান্ট ব্যাপার হল- তোমার পছন্দের জিনিসের ব্যাপারে শেষ পর্যন্ত হাল ছেড়ে দেয়া চলবে না।
হাল ছেড়ে দিলে চলবে? না চলবে না?
চলবে না।
ঠিক তাই।
বনরুটি খেতে যাবা?
# 부른 바다의 전설 বাংলা সাব- রিফাত কবীর স্বর্ণা
# সহায়তা- Aegisub সফটওয়্যার
ওই, আমি তোকে যেতে বারণ করলাম, আর তুই কোন মতেই কথা শুনলি না।
বড় দুর্ঘটনা প্রায় হয়েই গিয়েছিল!
বলেছি তো, আমি ঠিক আছি।
শালাটা কে ছিল? চেহারা দেখেছিস?
কী জানি!
কি, কারো কথা মনেও আসছে না?
আমি আর কী বলব, আমাদের এত বেশি শত্রু যে ...
জলদি করে সন্দেহের লিস্টটা কমিয়েও আনা যায় না...
হিহিয়নদোং তল্লাশি করার সময় পুলিশের...
- কী হল? - চোখে ধরা পড়ে আর মধ্যদুপুরে তাকে ধাওয়া করা হয়।
-কী হল? [টিভির হেডলাইনঃ পুলিশের চোখের সামনে থেকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থতা... গর্ত খোঁড়া তল্লাশি!]
ওই লোকটা।
ওই লোকটা বলছিস?
পলাতক আসামি? মা দ্যা ইয়ং?
হুম, ঠিক। ওই লোকটা।
আজকে ক্যাপ খোলা দেখি?
চং, তোমারও মনে আছে?
ওই লোকটাই তো? আগের বার বৃষ্টির সময় পুলিশের পোশাক আর টুপি পরে ছিল।
পুলিশের টুপিও পরে ছিল, কালো টুপিও পরে ছিল।
তুমি ... সে দিনের পরেও ওই লোকটাকে কখনো দেখেছ?
দেখেছি। লিফলেট বিলি করার সময়।
ওয়াও! আমি আজকে অনেক বেশি চমকে গেছি। আসলেই বেশ কয়েকবার। এই, আমার গায়ের লোম খাড়া হয়ে গেছে, দেখছিস?
ও, তার মানে দুর্ধর্ষ পলাতক ক্রিমিনালটা চং-কে ফলো করছিল? কেন?
এমন কিছু হয়ে থাকলে তোমার বলা উচিত ছিল না!
বোকা নাকি?
ওই, চং-ও তো জানত না। তুইও তো এইমাত্র জানলি, চং তাহলে কীভাবে জানবে ? কেন বাচ্চা মেয়েটার সাথে এমন করছিস?!
ওহ, ওই বদমাশ! ওই বাচ্চা অযথাই অমন করছে, অযথাই।
ওই, ঠাণ্ডা তো, কী করছিস? ভেতরে আয়।
বস দেখি।
ওই বদমাশটা কেন যে চং এর পিছু নিচ্ছে
ওই, শুধু চং এর পিছু নিয়েছিল? তোকে ডেকে নিয়ে প্রায় মেরেই ফেলেছিল তো।
তুই আজকে শেষ হয়েই গিয়েছিলি প্রায়!
না মানে, সেজন্যই। এমন বদলোক কেন চং-কে...
এখানকার সম্পর্ক ওখান পর্যন্ত গড়াতে থাকলে
দুর্ভাগ্যের সম্পর্কও তেমনটাই হবে।
বিপদজনক লোকটার কাছ থেকে ওই মেয়েটাকে দেখে রেখো।
বড় ভাই।
কী হয়েছে?
আমার কথা অন্যভাবে নিয়ো না।
- আমি একটা স্বপ্ন দেখেছি। - স্বপ্ন?
স্বপ্নের মধ্যে আমি চোসন যুগের মানুষ ছিলাম।
- কী? - আর ওই ব্রেসলেটটাও পরে ছিলাম।
ব্রেসলেট? কি,ওই কিম দাম রিয়ং এর ব্রেসলেটটা?
তার মানে তুই কিম দাম রিয়ং ছিলি? ওই স্বপ্নের মধ্যে?
হ্যাঁ।
যেভাবেই হোক না কেন, এমনটাই মনে হচ্ছে।
হতেই পারে। আমিও মিয়ংরিয়াং (명량) মুভি দেখে খালি নৌ-সেনাপতি লি সুন সিন হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলাম।
আরে, অমন বোকাসোকা স্বপ্ন না!
বোকাসোকা স্বপ্ন হলে তোরটাই বোকা স্বপ্ন। তুই কোথাকার দাম রিয়ং?
আগের জন্ম দেখছিস?
না, আগের জন্ম বলার চেয়ে অন্য কোন দুনিয়ার মত বলা যায় মনে হচ্ছে।
- যেন অন্য কোন আমি। - অন্য কোন আমি-র মতই কথা বলছিস!
ওই, আমি তোর সাথে ব্রেসলেটটার ব্যাপারে কথা বলেছিলাম,
সিয়া বিধ্বস্ত জাহাজ খোঁড়াখুঁড়ির কথা বলেছে, সেজন্যই তুই ওরকম পাগলাটে স্বপ্ন দেখছিস।
জানিস তো, বাস্তবতা স্বপ্নকে নিয়ন্ত্রণ করে।
তুই বেটা মস্তিষ্ক বিজ্ঞানের স্পেশালিষ্ট আর এটাও জানিস না?
- তাই বুঝি? -সেটাই।
আহ! আমি আজকাল কেমন যেন হয়ে গেছি।
এই, এমনিতে পরের মিশন সামনে রেখে এমন-সেমন স্বপ্ন দেখা ঠিক আছে।
এই, আমাদের আন জিনজু-কে ঝেড়ে ফেলার প্রজেক্টটা সত্যিই ভালো হবে মনে হচ্ছে।
কি? হা-হা-হা!
হ্যাঁ, ওই বাচ্চাটা, স-ইউনা নাম।
ওই বাচ্চার সাথে আমার এলিজাবেথের একটু ঝামেলা ছিল মনে হয়।
তাই তো এই বিশ্রী বাচ্চাগুলাকে দেখলেই বোঝা যায়।
ও মা! ওই বাচ্চার মা ফোন করেছিল? কেন?
ওই বাচ্চাকে সুইমিং-এ ঢুকাতে অনুরোধ করেছে?
মানে... ঢুকিয়ে দেবে, তুমি?
তাই? নিশ্চয়ই।
ওহ, ওসব বাচ্চারা ঢুকে পড়লে অযথাই আমাদের বাচ্চারা অস্বস্তিতে পড়বে।
হ্যাঁ, বুঝতে পেরেছি। তোমার উপর ভরসা রাখছি তাহলে।
হ্যাঁ, হ্যাঁ, তাই হবে। আমাদের বিস্তারিত আলাপ-সালাপ দেখা হলে হবে।
হ্যাঁ, ঠিক আছে। রাখি তাহলে।
এই দেড় ঘণ্টা ফোনে কথা বললে , কিন্তু এতক্ষণেও বিস্তারিত আলাপ-সালাপ করতে পারলে না?
ওগো।
চেয়ারম্যান হ-এর সাথে কথা বলে দেখেছ?
জানি না! সন্ধ্যায় একবার ডিনারের কথা বলেছিলাম, প্রচণ্ড ব্যস্ততার ভান করে আর সময় দেন নি।
ও মা, আমাদের বাসার তরকারি এত স্বাদ লেগেছে, সেজন্যই তো...
আমি এতগুলা করে নিয়ে দিয়ে আসছি
কী ব্যাপার? পেয়ে শুধু খাবে, খেয়ে মুখ ধুয়ে ফেলবে, কী সমস্যা, ওই বাড়ির?!
সে যে কেমন লোক? টাকার খনি জমিজমা বা দালানকোঠা, নিজেই বিনিয়োগ করবে, আমাদের দেবে নাকি?
তাই তো একটুখানি চাইছি, আমরা কত কাজ করছি না এখন? উফ~
ওই ঘুষ দেয়ার টাকা কীভাবে যে হাতাতে হয়েছে!
কীভাবে যে ট্যাক্স অফিসে ধরা খাব না, কোন এক্সটারনাল অডিটে ধরা খাব না
কত মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সবকিছু জড়ো করতে হয়েছে!
নিশ্চয়। এটাকে কালো টাকা বলা হলে...
আমারও কষ্ট লাগে। রক্ত-ঘাম ঝরিয়েই তো জোগাড় করেছি!
ওগো, কী যে বলো, আহা রে!
আসলেই কষ্ট করেছ, সত্যিই। আমরা আসলেই, এই টাকা ঠিক জায়গায় বিনিয়োগ করব,
এই রক্ত আর ঘাম বৃথা যেতে দেব না, ঠিক আছে?
ঠিক আছে। ওগো, আমরা আজ রাতটাও বৃথা যেতে দেব না, লড়াই করি চলো।
কী যে বলো!
- কে? -জী, পোস্ট অফিস থেকে পার্সেল এসেছে। খাং-স-হি আছেন?
এটা রেজিস্টার্ড মেইল তো, উনাকে নিজে এসে নিয়ে যেতে হবে।
কেন এখানে এসেছ? পাগল হয়ে গেছ?
আমিও মারা যাচ্ছি। ঠাণ্ডা লাগে, খিদে পায়, হাতে টাকাও নেই
No comments yet. Be the first to leave one.