لومړۍ 200 کرښې.
আর সবসময়ের মতো
পরের বার আমার সাথে দেখার হওয়ার আগে
এটা শুনতে থাকুন।
-হ্যালো -মাইক
জাগিয়ে দিলাম নাকি?
হ্যাঁ লিফ, কি চাও?
আমি একটা চমৎকার বাসায় থাকতে পারছি
তোমার সবকিছু নিয়ে।
বাইরে খুবই সুন্দর।
তুমি আমাকে লাঞ্চ করানো উচিত।
-হ্যালো -হেই
ইভান বলছি।
আর
আমার তোমাকে ইন্টার্ভিউ করার কথা
হ্যাঁ, আই একটু আগেই চলে এলাম।
বুঝতে পারছিলাম না কি করবো।
আমি আসতে চাই নি কল করার আগে
ভালো লাগলো।
১০ মিনিট হবে তোমার?
অবশ্যই, সরি।
এটা কি তোমার ম্যাগাজিনের জন্য
কোনোভাবে তোমার প্রথম ইন্টার্ভিউ?
না, আমার মনে হয় না আমি এমন কারো ইন্টার্ভিউ নিয়েছি
যে হোটেলে থাকার মতো সামর্থ্য রাখে।
তাহলে অভিনন্দন।
পদন্নতির জন্য এখন তারা কোথায় আর্টিকেল
ধন্যবাদ, ধন্যবাদ.
মানে সবকিছুর পরেও
এই একটা জিনিস আমার জন্য খুবই মাইনে রাখে।
জানো, আমি এটা করতে চাই না
যতক্ষণ না আমি যা করি তা উপভোগ না করে ঘৃণা করি।
তো, তাহলে এই?
আমি মনে করি সঙ্গীতশিল্পীদের কখনোই বলা উচিত না
কারণ তাদের তাকার দরকার হতে পারে।
তারা আবার নিজেদের নাম বেচা শুরু করতে পারে।
জানি না, কয়েক বছরে আমার নামের আর তেমন মুল্য থাকবে না।
এমনও না যে
আমি দামী গাড়ি আর মাদক পছন্দ করি।
আর সত্যি বলতে, রেকর্ডিং আমাকে কখনোই বিশেষ আগ্রহী করে নি।
মানে আমি ওটা ছেড়ে দিতে ভালোই প্রস্তুত।
আর ট্যুরিং করার ইচ্ছা নেই?
আমার একটা অংশ এখনো এটা পছন্দ করে তবে
তবে এখন বরং কিছুদিন এক জায়গায় থাকি।
আর জায়গাটা হচ্ছে...?
হয়তো নিউ ইয়র্ক।
স্কুলের পর আমার বোনের আসার কথা।
তো, ওর সাথে কিছুদিন থাকবো হয়তো।
তুমি অভিনয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা
পুরোই গুজব তাই না?
-না। -আমি শুনেছি যে
টিভি মুভি তে তুমি লইনের অন্ধ বোনের ভুমিকা করছো।
না
আমি অভিনয়ে আসলে পৃথিবী উলটে যেতো।
-কেনো? -মানে
বিজ্ঞাপন বাদ দিলে আমি যখন আসলেই তরুণ ছিলাম
আমি একবারই অভিনয়ের চেষ্টা করেছি।
কি হলো?
আমি ১১ ছিলাম মনে হয়
পিটার প্যানের স্কুল প্রোডাকশান ছিলো।
আমি ওয়েন্ডির ভুমিকা করছিলাম।
তো, ঠিক উড়ার আগে
আমি হোঁচট খেয়ে পড়ে যাই।
কেউ বুঝে উঠার আগেই
আমি ব্যথা পাই আর তারা আমাকে তুলে...
আকাশে ঘোরাতে থাকে
রক্ত পড়ছে, আমি কেঁদে ভাসিয়ে ফেলছি।
শেষমেশ আট টা সেলাই লাগে
আমার চিবুকের নিচে।
পুরো ব্যাপারটা আমার পরিবার আর
বন্ধু আর
পুরো স্কুলের সামনে ঘটে।
আমরা শুধু... আমরা স্টেজ থেকে ২০ ফিট উপরে ছিলাম।
এগুলা চাও তুমি? আমি এগুলোর কিছুই চাই কিনা?
হ্যাঁ, নিশ্চয়ই।
তো সামনে কি?
কি জানি।
মনে হয় এটাই ভালো যে সামনের দুইটা বছর
একেবারেই ঠিক করা নেই প্রথমবারের মতো।
মানুষজন ভাব ধরে কয়েক মাস চুপ থাকলে
যেন আর কয়েক মাস আছে বেঁচে থাকার।
মনে হয় আমি এখন একটু থেমে
নতুন কিছু ঠিক করে
নতুন কিছু করবো।
জানি না।
আমি শুধু ভাবছি
জীবনের পরের অংশটা ওখানেই আছে
আর আমি জানি না সেটা কি।
জানো আমি কি ভাবছিলাম?
আমি শো এর কথা ভাবছিলাম।
ভাবলাম পুরো শো টাই
আরও অনেক সেন্স মেইক করতো
যদি উজ্জ্বল অনুসন্ধানী টা
সবচেয়ে উজ্জ্বল সিরিয়াল কিলার হতো।
মানে ভেবে দেখো যেখানেই যায়
একটা খুন হচ্ছে। কিন্তু কখনোই কেউ ভাবতে পারে না
সে এটা করতে পারে।
-মাইক. -হুহ
গতরাতে কখন বিছানায় গেছো?
আমি জানি না...ছয়।
ওরা মেটস গেম খেলছিলো তখন।
আর আলো বের হয়ে গিয়েছিলো মনে হয়।
একবার বিছানায় যাওয়ার সময় আমাকে অপহরণ করা হয়েছিলো।
আর কতদিন এটা চালাবে?
যতদিন লাগে।
বেশ তুমি এটা আর কখনো দেখো না।
তোমার কাল বের হয়ে আসতে হবে, না?
-কি, শো? -না,
আমার অন এয়ারের সময়সূচীতে একটা পরিবর্তন আছে আজরাতে। কাল নয়।
আমার মনে হয় জোনাস ও ফ্রি থাকাবে।
ও আছে কোথায়?
সে তোমাকে দেখায় নি।
কি দেখাবে?
মনে হচ্ছে, আমরা শুরু করার জন্য প্রস্তুত।
আমি নিশ্চিত তুমি অপেক্ষা করে আছো
তোমার টাকা দিয়ে কি করেছি আমি জানতে।
আমি এখানে আমার রিসার্চ পরিবেশন করতে এসেছি
যেটা অটোমেটেড ছবি গ্রাউন্ড ট্রু জিনিস আর
আর ছবি ডিক্রিপশানের উপর
ম্যাট্রিক্স ফ্রিকোয়েন্সি এনালাইসিস ব্যবহার করে।
একটা অনাবিষ্কৃত সমস্যা
ছবি এনক্রিপশানে
হচ্ছে আপনি সফল হয়েছেন কি হন নি।
ধরুন আপনার কাছে অনেক গুলো টেক্সট আছে যেগুলো আপনার ডিকোড করতে হবে।
আপনি কম্পিউটারকে বলতে পারেন বারবার ম্যাসেজ ডিকোড করতে।
শব্দের পুঞ্জি পেয়ে গেলেই বুঝে যাবেন কাজ শেষ।
লম্বা ম্যাসেজে সম্ভাবনা বেশি হচ্ছে
কম্পিউটার অনেকবার কি অনুমানের চেষ্টা করে
একসময় জিরোর মতো
বা কাছাকাছি কিছু দেবে।
যেহেতু ভিডিওতে বেশীরভাগ পিক্সেল
ফ্রেম থেকে ফ্রেমে পরিবর্তন হয় না
কম্পিউটার এন ক্রিপশান কি খুঁজতে পারে
যেগুলো একি ধরণের পিক্সেলের সেট নিয়ে তৈরি
লম্বা স্ট্রেচ অফ ফ্রেম যেগুলোকে সিকোয়েল স্টেশানালিটি বলে।
কম্পিউটারের এমন কোনো পদ্ধতি নেই যেখানে
সে স্টিল ফ্রেমড ছবি ডিক্রিপ্ট করা শেষ করতে পারে।
প্রথম দুই মেথডের কোনটাই কাজ করে না
ওয়েভলেট এনালাইসিসও না বা
কোনো গতানুগতিক এনালিটিক টুল।
একজন ব্যক্তির বসে নিজে নিজে দেখতে হবে
প্রতিটি ছবি, একটি ডিক্রিপশান প্রোগ্রাম
ঠিকমতো ডেকোড করা হয়েছে কিনা।
একটা সমাধান হচ্ছে ছবিতে বারবার আসা এজ শেপ গুলো খোঁজা।
ছবি যেগুলোর অর্থবহ বিষয়বস্তু আছে
বা যেগুলোকে কম্পোনেন্ট শেপে ভাঙা যায়।
ছোট ম্যাট্রিসের একি সিরিজ যেটি একসাথে
বড় শূন্যস্থানগুলো বারবার আবির্ভূত করে।
এই বিশেষ ক্লিফগুলো কতো ফ্রিকোয়েন্ট আবির্ভূত হয় সেটা পরিসংখ্যান ব্যবহার করে
আমরা কার্যকরভাবে বের করতে পারি কখন একটি ছবি ডিক্রিপ্ট হয়েছে।
এটা শুধু সাধারণ লাইন ড্রইং এ কাজে লাগে না
আরো জটিল ফটো রিয়েলিস্টিক ওয়ানেও লাগে।
তাই ম্যাট্রিক্স ফ্রিকোয়েন্সি এনালাইসিস ব্যবহার করে
কম্পিউটার সিস্টেম কে ছবি ডিকোডে প্রোগ্রাম করা যায়
কি অনুমান করে যতক্ষণ না ছবি আবির্ভূত হয়।
আর আমরা বড় স্কেলের ডিক্রিপশান সিস্টেম সেটআপ করতে পারি
যেখানে খুব সামান্য মানুষের হাত লাগে।
আর এগুলো অনেক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে
কাজে লাগে.
ঠিক আছে, আমি স্টুডিও তে অনেক ম্যাসেজ পাচ্ছি।
একি গান আজরাতে দুবার বাজিয়েছি মনে হচ্ছে।
আমাকে মাফ করবেন।
তোমাদের একজন আবার দয়ার বশবর্তী হয়ে বলেছো
জুমস্টেগ, তুমি যদি পুরানো আমলের পাঁচটি গান এভাবে বাজাতেই থাকো
তাহলে তোমার ১০টা শ্রোতাও ভাগবে।
আসলে এটা যথেষ্ট উদার একটা উক্তি
কারণ আমার আছেই সাত না আট জন শ্রোতা। তাই মজাটা আপনার দিকে গেলো।
তাছাড়া পেইভমেন্ট খারাপ কি? আমার ভালো লাগে।
দেখো, দেরি হয়ে গেছে। ক্লান্ত লাগছে। ভুল করছি।
যাই গা, ছুটিটা উপভোগ করি।
আর সবসময়ের মতো, পরের বার আমাকে শোনার আগ পর্যন্ত
এটা শুনতে থাকুন।
জানি না কীভাবে এখনো এতো অবাক হও।
জানি না।
তিন পেগ উইস্কি দিন প্লীজ।
পাওয়ার পয়েন্ট প্রেসেন্টেশান দিয়ে রোমান্স বোঝাতে চাও?
কিছু একটা করে তো ওর মন গলাতে হবে।
কফি খাওয়ালেই পারতে।
ভেবেছিলাম আমার একটা আউটসাইড চান্স আছে।
এক্সকিউজ মি আনিতা, একটা প্রশ্ন করি?
যদি বলি আমি তোমাকে বলি আমি তোমাকে একটা ক্রাউডেড অডিটোরিয়ামে পছন্দ করি
যখন তুমি রিসার্চ পেপার প্রেসেন্ট করছো, তুমি কি বলতে?
ধন্যবাদ, আমি কি তোমাকে চিনি?
দুটা উত্তরই ঠিক আছে।
-দেখেছো? -ধন্যবাদ।
-ধন্যবাদ।. -ধন্যবাদ।
আসলেই, ঘোড়ায় ইতিমধ্যেই উঠে গেলে।
-চিয়ার্স -তুমি আমাকে বলছো
তুমি ওদের কারো সাথেই কথা বলতে না।
কি সেট করতে চাচ্ছো? ব্যক্তিগত কোনো রেকর্ড?
একদিনে সবচেয়ে বেশি প্রত্যাখ্যান।
কালো ড্রেস পরাটা কিউট আছে।
কালো, আমি একটি টেবিল ভর্তি মেয়ের কাছে একা একা যাবো না। না।
আমি জানি একটা কে কীভাবে আলাদা করতে হয়।
বলো না আমি তোমাদের জন্য কখনো কিছু করিনি।
-না, কোরো না। -এটা ঠিক হচ্ছে না।
মনে হয় সে চাচ্ছে তুমি ওকে ফলো করো।
আমরা সাধারণত ওকে উইস্কি দেই না।
-হাই অ্যাবি। -হেই.
তো ম্যাগাজিনের লেখক ইন্টার্ভিউ ডেকেছে।
ভালোই লোক টা।
No comments yet. Be the first to leave one.