لومړۍ 106 کرښې.
iPhone 13 Pro এর ক্যামেরায় ধারণকৃত
একটি "পার্ক চ্যান-উক (박찬욱)" পরিচালিত সিনেমা
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ❝ শান্ত কুমার দাস ❞
হাজার বছর? এই কফিনের বার্ণিশ লক্ষ লক্ষ বছর ধরে থাকা উচিত।
জোড়াতালিটা জুতসই হয়নি যদিও,
তবে আপনি এখন একটা সুন্দর কফিনের মালিক।
তাই এই পৃথিবীর সাথে আপনার আবদ্ধ সকল মোহমায়াকে পেছনে ফেলে...
আমি আপনার জন্য একটা রৌপ্য কফিন.... না, খাঁটি সোনার কফিন তৈরি করতাম
এবং পরে আপনাকে যথাযথ মর্যাদার সাথে সমাহিত করতাম।
আমি আমার জীবনে সব ধরণের চোরকে মেরেছি,
কিন্তু এখন পর্যন্ত হত্যা করার জন্য কোনো কফিন চোরকে পাইনি।
একের পর এক খরা এবং যুদ্ধ...
সকল গাছ ধ্বংস করে দিয়েছে।
তাই আমি কফিন, কফিন বহনের গাড়ি এবং...
কাঠের টোটেম তৈরি করার জন্য যথেষ্ট কাঠ খুঁজে পাইনি।
এত ব্যতিব্যস্ত হয়ে এমন কার কফিন এবং কফিন গাড়ি বানাচ্ছো?
প্রাক্তন নৃপতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন না কি?
সে কি তোমাকে অনেক ভয় দেখিয়েছে?
তোমার জন্য কি তাকে মেরে ফেলবো?
এসো, দেখাও সে কোথায় আছে।
ওহ, না, না, না।
ধ্যাঁত!
সত্যটা হলো...
আমাদের গ্রামকে বাঁচাতে গিয়ে একজন হিতৈষী মানব মারা গেছেন।
আমরা তার প্রতি কিভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবো জানিনা,
শুধুমাত্র তাকে যথাযথ মর্যাদায় সমাহিত করতে পারি।
সেজন্য আমি আপনার কফিন চুরি করেছি।
তোমাার মুণ্ডুচ্ছেদ করি এর আগে...
এই হিতৈষী ব্যক্তির গল্প শোনাও।
হ্যাঁ, মহাশয়।
বহু প্রজন্ম ধরে, আমাদের গ্রামটি ছিলো একটি শান্তিপূর্ণ গ্রাম,
আন্তরিকতা ও ভালোবাসায় পরিপুর্ণ।
কিন্তু তারপর!
এই বছর...
এক প্রবল খরা আমাদের উপর আঘাত হানে এবং আমরা অনাহারের কবলে পড়ি।
তারপর একদিন...
সর্পের জিভের মতো জিভওয়ালা এক বণিক গ্রামে এসে বললো...
"তোমাদের টাকার দরকার হলে আমার কাছে তোমাদের ধানক্ষেত বন্ধক রাখো,
আমি তোমাদের পৃথিবীর সকল টাকা ধার দেব।"
আমরা বলেছি না, দরকার নেই, কিন্তু সে বললো কোনো সমস্যা নেই...
তাই শেষপর্যন্ত তার কাছ থেকে আমরা টাকা ধার নিলাম, এরপর সুদ বাড়লো...
এবং আমরা আর পরিশোধ করতে পারলাম না।
তখন ওই শয়তান বণিক...
গ্রামবাসীদের ভয় দেখিয়ে আমাদের জমি আমাদের করে নেয়ার জন্য চার ঠগকে নিয়ে এসো।
তাই ডোম সকল গ্রামবাসীদের জড়ো করে বললেন...
আমাদের পক্ষে লড়া অসম্ভব।
"চলো এমন একজন যোদ্ধার সন্ধান করি যে আমাদের সাহায্য করতে পারবে।"
গ্রামবাসীরা উত্তর-দক্ষিণ- পূর্ব-পশ্চিম সর্বত্র অনুসন্ধান করলো...
এবং তারা যা খুঁজে পেলো তা না ছিলো কোনো নেউল...
না র্যাকুন,
না বাঘ,
না হাতি...
বরং ছিলো একটা সাদা মার্টেন, যার আপাদমস্তক তুষারের মতো সাদা।
কল্পনাতীত সুন্দর।
সে শুধু সৌন্দর্য্যেই সম্পূর্ণ নয়, তার মেজাজ ধ্বংসাত্মক এবং তার জিহ্বা ঘাতক।
সে মার্শাল আর্টে পারদর্শী।
সে টানা তিনদিন তাদের সাথে যুদ্ধ করে...
এবং তাদের তিনজনকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়।
কিন্তু তাদের নেতা, বোলতা, সহজ ব্যক্তি ছিলো না।
সে ছুটে আসলো, আক্রমণ করলো, কামড়ে দিলো, আঁচড়ে দিলো...
কিন্তু এরপরও সে সাদা মার্টেনের সাথে পেরে উঠছিলো না।
তিনটা একাধারে রাউন্ডহাউজ কিক মেরে...
বেদম মার খেয়ে বোলতা নিজেকে বললো...
না, আমি এভাবে মরতে পারি না।
তাই সে তার গোপন অস্ত্র ...
একটা বিশাল ধনুক, ঈশ্বর জানে কোত্থেকে বের করলো...
এর ছিলা টানলো....
এবং একঝাঁক বিষাক্ত তীর নিক্ষেপ করলো!
এবার বুঝলাম! এজন্যই তার ডাক নাম বোলতা!
বোলতা,
বণিক,
সকলে সাদা মার্টেনের হাতে মরলো।
অবশেষে গ্রামে পুনরায় শান্তি ফিরে আসলো...
কিন্তু সে দুর্বল হতে শুরু করলো...
এবং তার চেহারা ভূতের মত ফ্যাকাশে হয়ে গেল।
"ওহ না!"
একটা বিষাক্ত মৌমাছিল হুল আমার শিরায় ঢুকে গেছে।
সাদা মার্টেন নিস্তেজ হয়ে গেল...
এবং একদিন তার তপ্ত যৌবন সমুদ্রের ঠান্ডা জলে পতিত হলো।
যেহেতু তার জীবন এবং মৃত্যুর গল্প আমার হৃদয় স্পর্শ করেছে,
এবং তোমার উদ্দেশ্যও প্রশংসনীয় মনে হচ্ছে...
তাই আমি তোমাকে ক্ষমা করলাম।
হে মহান যোদ্ধা।
আপনি সত্যিই একজন ভালো মানুষ!
কিন্তু...
কিন্তু?
আমার পরিশ্রান্ত হাড়কে রাখার জন্য ওই কফিনটা দরকার।
আশা করি তুমি বুঝতে পেরেছো।
ধ্যাঁত...
আমার কথা কি শুনছিলেন? কানে কি বেশি ময়লা জমে গেছে?
ওহ না, সাদা মার্টেন!
সাদা মার্টেন...
ওটা কি...
আমার ...
কফিন?
আমার কফিন!
...মূলত।
তুমি কি...
চুরি করছো...
আমার...
কফিন?!
মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হও।
গরু চোর, ঘোড়া চোর, কুকুর চোর এবং মুরগি চোর...
আমি তাদের সবাইকে মেরেছি।
কিন্তু এখনো পর্যন্ত মারার জন্য কোনো কফিন চোরকে পাই নি।
ওহ কী মজা!
No comments yet. Be the first to leave one.