لومړۍ 200 کرښې.
KRACK- ক্র্যাক
জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপ PROJAPATI-The Movie Addict Town
অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ আকতার হোসেন ۞ হাবিবুল্লাহ কায়সার জিতু বিশ্বাস ۞ মুনতাসীর হক ইশান
অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ আল আরাফ সিহাব ۞ তানজীদ আহমেদ ইয়াচ্ছের ইউলাদ সিমান্ত ۞ লাবিব হাসান লিমন
অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ আহমেদ শুভ্র ۞ মাহফুজ আহমেদ তুহিন আহনাফ মুজাহিদ অনিক ۞ রবিউল আওয়াল জীবন।
অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ তানভীর হোসেন (ব্রাড ডেলসন) ۞ রবিউল আওয়াল জীবন সুমন হোসেন ۞ শাকিব সরোয়ার
অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ মোঃ রানা সরকার ۞ আবদুল কাদের জিলানী মোঃ সাজ্জাত হোসেন ۞ ইমরুল হাসান নাসিম
অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ ইমতিয়াজ উদ্দিন ۞ আর.কে.ই.রুহুল মহিউদ্দিন ফাহাদ ۞ কবির হোসেন তইবুর
সম্পাদনায় জিতু বিশ্বাস তানজীদ আহমেদ ইমতিয়াজ উদ্দিন শাকিব সরোয়ার
হাই, সুপ্রিয় বন্ধুরা আমার!
আমি তোমাদের ভেঙ্কি বলছি।
আসলে ব্যাপারটা হলো...
সাধারণত আমরা মনে করি গ্রহের গতিবিধি, নক্ষত্রপুঞ্জ,
সপ্তাহের দিনগুলো, প্রকৃতির কালসাম্য, টাকা, ভাগ্য ইত্যাদিই আমাদের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে।
তবে আমরা যদি ঠিকভাবে বাঁচতেই না পারি,
অবহেলিত জিনিসগুলোই যে-কোনো মুহুর্তে সর্বনাশ ডেকে আনবে।
এখনো বুঝতে পারেননি তো? একবার পৃথিবীর কথাটাই ভাবুন না,
দেখছেন?
এই নোটটা পকেটে থাকার কথা,
ফলটা গাছে থাকার কথা,
আর পেরেকটা দেয়ালে থাকার কথা...
এই ক্ষুদ্রতম ৩টা জিনিসই সমাজের প্রভাবশালী ৩ জন ব্যক্তির সর্বনাশ ডেকে এনেছে।
তাদের মধ্যে কমন যে জিনিসটা হচ্ছে,
একজন পুলিশই তাদের তিনজনের জীবনে সর্বনাশ ডেকে এনেছে।
চলুন, সেটাই দেখে আসি।
তিহার জেল, নয়া দিল্লি।
- আমাদের অনুমতি রয়েছে। - কার অনুমতি?
কেন্দ্রীয় মূখ্যমন্ত্রীর তরফ থেকে লিখিত অনুমতিপত্র।
আমরা এখন যার সাক্ষাৎকার নিতে চলেছি, সে কোনো সাধারণ ব্যক্তি নয়।
সে ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড ক্রিমিনাল, যে একসময় পুরো ভারতে ত্রাস সৃষ্টি করেছিল।
১০ বছর বয়সেই তার মধ্যে সমাজবিরোধী মনোভাব চলে আসে।
আর মাত্র ২৫ বছর বয়সেই মুম্বাইয়ের মাফিয়া জগতে এক বিশেষ স্থান দখল করে নেয়।
এমনকি সে ১৫ বছর আগে মুম্বাইয়ে সংঘটিত ত্রমিক বোমা বিস্ফোরণের সাথেও সম্পৃক্ত ছিলো।
এর পরপরই, সে খুবই অপ্রত্যাশিতভাবে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।
সে আর কেউ নয়, মোস্ট ওয়ান্টেড ক্রিমিনাল সেলিম ভাটকাল।
তো ইন্টারভিউ শুরু করা যাক?
আমার মুখ খুলাতে চাইলে, পর্যাপ্ত টাকা ঢালতে হবে।
এক মিনিট।
স্যার, প্রোগ্রামে একটা সমস্যা দেখা দিয়েছে।
সেলিম ভাটকাল টাকা দাবি করছে।
অনুমতি নিতে আমাকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে।
যেভাবেই হোক সময়মতো লাইভ টেলিকাস্ট শুরু করতে হবে।
এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জন্য।
যে কোন মূল্যে ব্যাপারটার নিষ্পত্তি করো।(টাকা)
জ্বি, স্যার।
কত টাকা চায় আপনার?
- পাঁচ লক্ষ? - উহু।
পঞ্চাশ লক্ষ?
উহু।
পাঁচ কোটি?
পঞ্চাশ রুপি।
শুধুমাত্র পঞ্চাশ রুপি!
পঞ্চাশ রুপি!
পঞ্চাশ রুপি?
এক মিনিট।
তোমার কাছে আছে?
না, ম্যাডাম।
ম্যাডাম...
দুবাই থেকে শুধুমাত্র একটা ফোন কলে যে পুরো মুম্বাই শাসন করতো,
সে আজ জেলে একদম অক্ষম হয়ে বসে রয়েছে।
এর কারণ মাত্র পঞ্চাশ রুপি। এই বালের পঞ্চাশ রুপি!
গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তথ্য পেয়েছে যে কুখ্যাত আন্তর্জাতিক অপরাধী,
এবং মুম্বাই বোমা বিস্ফোরণের দায়ে অভিযুক্ত, যে বিগত তিন বছর যাবৎ পলাতক,
সেলিম ভাটকাল, ইন্ডিয়ায় প্রবেশ করেছে।
মুম্বাই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে অভিযান শুরু করে দিয়েছে।
কুরনুল শহরের প্রান্তভাগে, ভোর ৫ টা।
শুকরিয়া।
- সালাম, ভাই। - সালাম।
সালাম।
মাস্তান... ম্যানিপুলেট মাস্তান।
আমরা আপনার মুম্বাই আগমনের একটা ফোন কল পেয়েছিলাম।
আমি কুরনুলে আপনার প্রয়োজনীয় সকল কাজের দেখাশোনা করবো।
আসুন, বস। আসুন।
কিছুক্ষণ আরাম করুন, ভাই। আমি খাবারের ব্যবস্থা করছি।
আমরা সেলিম ভাটকালের নামে দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই, হায়দ্রাবাদ এবং ব্যঙ্গালুরুসহ...
দেশের সকল বিমানবন্দরগুলোতে রেড এলার্ট জারি করেছি।
তার পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে।
সে কোনোভাবেই দেশ থেকে পালাতে পারবে না।
পালানোর সকল রাস্তা বন্ধ করা হয়েছে।
আমার আর আমার বউয়ের জন্য নতুন পাসপোর্টের ব্যবস্থা কর।
অবিলম্বে ব্যবস্থা কর।
ঠিক আছে।
আসসালামু আলাইকুম জয়ারাম ভাই।
ওয়ালাইকুম আসসালাম! ওয়ালাইকুম আসসালাম!
এই একই ঠিকানা দিয়ে তুমি ইতোমধ্যে প্রায় ২০ টা পাসপোর্ট করিয়েছো ভাই!
নতুন বড় সাহেব এসেছেন, খুবই কড়া।
নাও, এখানের ঠিকানাটা বদলাও। নতুন ঠিকানা সমেত সকল কাগজপত্র নিয়ে এসো।
ধুর!
আসুন, স্যার। আপনাকে এই বাড়িটার কথাই বলেছিলাম।
সব শর্তগুলো বলেছো উনাকে?
হ্যাঁ, নিলাম চলছে না-কি যে বারবার বলতে হবে!
৬ মাসের অগ্রিম সহ ৫০০০ টাকা ভাড়া।
আর এই মাস থেকে ৫০ টাকা বেশি বিদ্যুৎ বিল যোগ হবে।
অতিরিক্ত ৫০ টাকা কেন?
প্রতিবারই নতুন ভাড়াটিয়া আনলে আপনি কোনো না কোনো ঝামেলা বাধানই!
এই, তোমার পোষাইলে নাও, নইতো বাদ দাও!
আরে এটা আমার ইজ্জতের ব্যাপার।
ধুর ব্যাটা! দালালের আবার ইজ্জত মারাইছে!
প্লিজ থামেন।
আমাকে অপদস্ত করার সাহস কিভাবে হয়!
- গায়ে হাত তোলার সাহস কিভাবে হয় তোর! - হেই, মাস্তান, ঝামেলা কিসের?
বাদ দে।
- আমাকে দালাল বলার সাহস কিভাবে হয়! - মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছিস কিন্তু?
তোকে আমি খুন করবো!
- এই ... - এই...
যা ভাগ।
বাড়ি নিয়ে জাহান্নামে যাক! কি বালের শাউয়ার বাড়িটা!
সামনের বাড়িটা এর থেকে শতগুণে ভালো।
চলুন, আপনাকে সেটা নিয়ে দিচ্ছি।
মাত্র পঞ্চাশ টাকার জন্য কিসের এত পুন্দাপুন্দি!
চল যায়।
বাড়িটা আপনাকেই ভাড়া দিচ্ছি। কালকেই উঠতে পারেন।
ঠিক আছে।
"8-2-167"
হ্যাঁ, এখন এড্রেসটা সঠিক।
আপনি গত ৪ দিন ধরে সেলিম ভাটকালকে খুঁজছেন।
আপনার কি মনে হয়, এখনো সে ইন্ডিয়াতে আছে?
সীমান্ত পার হওয়ার কোনোই সুযোগ নেই ।
সেলিম ভাটকালকে এবার পুলিশের হাত থেকে কেউ বাঁচাতে পারবে না।
যত বড় মাপের অপরাধীই হোক না কেন, কতিপয় কিছু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভুল করতে বাধ্য সে।
আর একজন পরিশ্রমী পুলিশ অফিসার সেটা অবশ্যই খুঁজে বের করতে পারে।
মা ... আরো জোরে ...
অনুবাদ আয়োজনে TEAM PROJAPOTI- টিম প্রজাপতি
তোমার স্বামীর মাত্রই ইনেসপেক্টর পদে পদোন্নতি হয়েছে!
একটু ধীরেসুস্থে চালাও। ঢাকনাগুলা খুলে যাচ্ছে!
ধীরে ...ধীরে
জোরে চালাও মা! জোরে
ওরে পুচকু... আমার কথা শোনো প্লিজ!
তোমার সাথে কী আছে, ডার্লিং? বলো তাকে।
আরো জোরে, জোরে...
যখনই কোনো উৎসব হয়,
সে আমাকে আর বাবুকে একই রঙের পোশাক পড়িয়ে...
হাতে একটা বাক্স ধরিয়ে দিয়ে,
-...মন্দিরে নিয়ে যায়। - হ্যাঁ, বাবা।
- যদিও এটা বাজনা বাদক দলের মত দেখায়... - হা?
বাবা বলেছে মা!
মন্দিরে এসে এমন কথা বলা উচিত না।
পাপ হয়!
বক্সগুলা নীচে রেখে ক্ষমা প্রার্থনা করো।
আহ!
একই মেনু, আচারিয়া একই পুলিহোড়া (লেবু ভাত)।
মনে হচ্ছে এবার আরো কাজু বাদাম আর কিসমিস দিয়েছে।
তোমার রান্না করা খাবার অমৃত, মা।
বাবা শুনো।
কী, বাবু?
তুমিই ভোর চারটায় উঠে পুলিহোড়া বানিয়েছিলে, তাই না?
তাহলে উনারা সব কৃতিত্ব মাকে দিচ্ছে কেন?
আরে, জোরে বলিস না। শুনে ফেললে তোর মার খারাপ লাগবে।
মানুষের সামনে তুমি খাটো হলে আমিও কষ্ট পাবো বাবা।
- হা? - তেমন কিছুই না।
আচ্ছা ... বাবার খারাপ লাগছে।
হুঁ।
- চলেন যায়। - হ্যাঁ চলো, মা।
চালাক ছেলে!
পরিস্থিতি বুঝে ভালোই কথা ঘুরাতে পারিস।
বাড়িতে থাকলে মায়ের দলে আর এখানে এসে বাবার দলে।
ওরে চালবাজ! মহান রাজনীতিবিদ হবে তো দেখছি!
না বাবা। শুধুমাত্র পুলিশ হবো।
জানি, দুষ্টু বাবুটা আমার। চল যায়!
বাবা, পড়ার জন্য ইউনিফর্ম দিয়েছো, ডিউটির জন্য একটা শহর দিয়েছো,
একটা সুন্দরী স্ত্রী আর বাচ্চা দিয়েছো যারা আমাকে নিয়ে উপহাস করে।
এই জীবনে এতটুকুই যথেষ্ট, বাবা।
এই চলবে।
বিদায়, শীঘ্রই দেখা হবে।
দেখা হবে। ঠিক আছে?
কোনো পাসপোর্ট তদন্তে আসে নাই তো।
- নিশ্চিত তো? - নিশ্চিত।
এটা চেক করেন।
এটা সুলেমানপেটার দ্বিতীয় গলি, তাই না?
তাতে কী?
রাস্তার এই পাশের এলাকাটা টু টাউন পুলিশ ষ্টেশনের অর্ন্তগত।
আর ওপাশ ওয়ান টাউন পুলিশ ষ্টেশনের আওতায় পড়েছে, জানেন না?
- ওয়ান টাউন? - হ্যাঁ।
-স্যার -হ্যা বল।
একটু ভুল হয়ে গেছে, স্যার।
ভাড়ার জন্য যে ঘরটা নিয়েছি সেটা ওয়ান টাউন পুলিশের আওতায় পড়ে।
তো কী হয়েছে?
আমাদের লোকজন সব টু টাউন পুলিশ স্টেশনে কাজ করে।
আমাদের সব পাসপোর্ট ওখানেই ম্যানেজ করা হয়।
কিন্তু এবার তদন্তের জন্য ওয়ান টাউন পুলিশ স্টেশন থেকে কেউ আসবে।
পুলিশই তো আসবে নাকি? ম্যানেজ হয়ে যাবে কোনোভাবে।
ঠিক আছে, স্যার।
এই ৫০ রুপির জন্য এত পুন্দাপুন্দি কেন রে?
গুড মর্নিং।
টাটা দিচ্ছিস নাকি স্যালুট দিচ্ছিস?
কী যে বলেন না, স্যার। নিজেদের মধ্যে এসব ফর্মালিটির দরকার নেই।
আরে এই!
স্যালুটের জন্যই পুলিশের চাকরি করি, বেতনের জন্য না।
ঠিক আছে, স্যার।
এইতো!
স্যালুটটা আপনার জন্য তবে আপনার বেতনটা আমার জন্য, স্যার।
- মর্নিং, স্যার। - মর্নিং।
মর্নিং, স্যার।
- সুব্বা রাও... - হ্যাঁ, স্যার।
- মি. রাজু কোথায়? - এখনো আসেনি, স্যার।
এখনো আসেনি?
এত দেরি হচ্ছে কেন?
সে তো সময়মতোই চলে আসে।
হ্যা... আসুন, মি. রাজু।
আপনাকে ছাড়া স্টেশন ফাঁকা ফাঁকা লাগে।
No comments yet. Be the first to leave one.