لومړۍ 200 کرښې.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
কী হচ্ছে এসব?
ওহ খোদা, ওহ খোদা।
ম্যাডাম, আপনি ঠিক আছেন?
হ্যাঁ।
যাক, আপনার কিছু হয়নি।
- ওহ, ধন্যবাদ। - এখন কী হবে?
কী?
একটা কিডনির নিলাম হলো একটু আগে।
সেই নিলাম আমি জিতেছিলাম।
তো?
আমি কিডনিটা পাব কোথায়?
এই যে!
আপনি পরিস্থিতি দেখতে পাচ্ছেন না?
কত যেন হয়েছিল? ১৩৩.২৫ মিলিয়ন, তাই না?
দশটা ১০ মিলিয়ন ওনের কয়েন, আর এই ১১, ১২, ১৩...
আর এই যে, ১ মিলিয়ন।
মোট, ১৩৪ মিলিয়ন।
তো আপনাকে ৭৫০,০০০ ওন ফেরত দিতে হবে। ক্যাশে দিবেন?
মাফ করবেন।
- আপনি ওখানে যান। - কী?
ওখানে যান! ধ্যাৎ, আপনার সমস্যা কী?
আপনি কি চোখে দেখেন না?
- তাহলে আমি কীভাবে... - ওখানে যান বলছি।
আপনি ওখানে যান আমি দেখব ব্যাপারটা।
ম্যানেজার ক্বাক, ম্যানেজার ক্বাক!
ম্যানেজার ক্বাক!
তুই কি অন্ধ? তোর কাছে এর কোনো সমাধান আছে?
বস নাকি?
কে বলছ?
আমি জু-ইয়ং।
তোমার হাতে ওয়াকি-টকি কী করছে?
এই, আমার কথা শুনতে পাচ্ছ না?
তাহলে আমি যে নিলামে জিতলাম!
- জিতেছিস তো কী হয়েছে? - এই, এই!
পুলিশ ডাক।
পুলিশ ডাক, বানচোত!
- পুলিশ ডাক! - পুলিশ ডাক।
- তুমি কি উত্তর দিবে না? - পুলিশ ডাক, বাল!
বলছি ওয়াকি-টকি তোমার হাতে কী করছে?
এই, এই, ম্যানেজার ক্বাকের সাথে কথা বলা যাবে?
বস।
ছাদ ভেঙে পড়েছে। ম্যানেজার ক্বাক তার নিচে চাপা পড়েছেন।
তুই দায়িত্বে আছিস!
ওরা ম্যানেজার ক্বাককে বের করার চেষ্টা করছে। একটু অপেক্ষা করেন?
ধুর বাল, আমি পাগল হয়ে যাব।
ওকে গিয়ে ওয়াকি-টকিটা দাও। ও কথা তো বলতে পারবে, তাই না?
- ছুরি নামা, বানচোত। - নড়বি না।
এখন ওয়াকি-টকিটা দেওয়া যাবে না।
ওয়াকি-টকি দেওয়া যাবে না মানে?
বস।
আপনি কি একা আছেন?
এই ভাই, আমার সাথে আয়।
ছাড় আমাকে, বানচোতেরা!
- ওহ, আচ্ছা, দাঁড়া এক মিনিট! - শালা, বানচোত, পারেও বটে!
- শালা, চল আমার সাথে! - ছাড়! ছাড় আমাকে!
ওহ, ধ্যাৎ।
কীসের কথা বলছ?
এই, কী বললে আবার বলো।
বললাম আপনি কি একা?
একা থাকলে, আমি এসে আপনার সাহায্য করব।
তোর সব ব্যাপারে পা ঢুকানো কেন লাগে রে, মাগী?
- ওদের ধরার পর কী করব? - ধরার পর কী করবি মানে?
- আগে, ওদের ওয়েটিং রুমে ঢুকাবি। - এই!
বানচোত কোথাকার।
জলদি ম্যানেজার ক্বাকের সাথে আমার কথা বলা!
ম্যানেজার ক্বাক মারা গেছে।
কী...
ধুর বাড়া, আমার মেজাজটা এবার খারাপ হচ্ছে।
ওয়াকি-টকি কোথায়?
গেল কোথায়?
ভাইয়া।
কী রে, তুই বেঁচে আছিস?
যাক, ভালো। জলদি ওয়েটিং রুমে যা।
গিয়ে মেয়েদের খেয়াল রাখ।
- আমাকে বসের কাছে যেতে হবে। - এখন কী করবে?
কী করব মানে?
এই অবস্থায় কেউ মরলে অদ্ভুত মনে হবে না।
কী সব বলছিস?
তোর কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে?
ভাইয়া, তুমি এখন গিয়ে আবার বসের পা চাটতে চাও?
এখানে একদম বারোটা বেজে আছে।
মানুষ গিয়ে নিচে পড়ছে। তোমার কি এসব চোখে পড়ছে না?
তো?
আমি জানি টাকা কোথায় আছে।
- বসের জায়গাটা তোমার নেওয়া উচিত। - ধুর বাল।
বেশি লেকচার না দিয়ে মোদ্দা কথায় আয় না।
চলো সব ঝামেলা মিটিয়ে এখান থেকে বের হই।
কীসের ঝামেলা মেটাবি?
আমি তোমার সাহায্য করব।
কিন্তু সম্পূর্ণ টাকা তুমি নিবে।
তুই...
সবসময় আমাকে...
এত প্যারা দিস কেন, হাহ?
ওরে, শালা।
জু-ইয়ং, এখানে আয়।
আরে, আয় না।
শালা।
বানচোতাটা!
বানচোতটা কখনো ভেবেছিল এভাবে মরবে, হাহ?
জীবন বড়ই অপ্রত্যাশিত, তাই না?
বস মরলে ঐ ক্লিনারের হাত ধরে রাশিয়া পালাবি?
তোর কি মনে হয় না এসব জিনিস নিয়ে একটু বেশিই মাথা ঘামাচ্ছিস?
সত্যিই জানিস টাকা কোথায় আছে?
ঠিক আছে।
আমার এমনটা করতে ভালো লাগছে না, কিন্তু চল দুজনে মিলে কাজটা করি।
তুই চাস না?
তুই-ই তো বললি।
তুই-ই তো কথা উঠালি।
হাত মেলা।
আমার মনে হয় তুই এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চাচ্ছিস।
কিন্তু আমি কীইবা করতে পারি?
সত্যি বলতে...
আমি বসকে খুব ভালোবাসি।
বুঝেছিস?
চুদির ভাই!
তুই জানিস না আমি কেমন, খানকি মাগী!
এই।
তুই কে রে?
বাঁচলি কীভাবে? মিন!
ওকে কি মেরে ফেলব?
মেশিনের কী হলো? আবার নষ্ট হয়েছে নাকি?
- বাবা কোথায়? - ওকে মেরে ফেলা লাগবে।
এই।
তুই এখানে কী করছিস?
আহ?
বল!
ভূমিকম্প হয়েছে...
একটু আগে ভূমিকম্প হয়েছে।
তোমরা এখান থেকে বের হবে না?
- মেশিন আবার খারাপ হলো নাকি! - ওরে, মাগীর ঘরের মাগী রে!
আচ্ছা...
শালা।
তুই এখনো বেঁচে আছিস!
আহ?
তখন তো শ্বাস নিচ্ছিলি না।
এখন কীভাবে বেঁচে আছিস?
তোর তো মরে যাবার কথা।
সব রক্ত বের করে হাড়গুলো ভাঙা লাগবে।
- যদি এখনও বেঁচে থাকিস... - এই খানকিটা আবার কথা বলছে না কেন?
বাবাই তো রিমোটে চাপ দিয়েছিল, তাই না?
শালী তো কোনো উত্তরই দিচ্ছে না।
এই, আবার কে ভুল করল?
কাউকে সরাসরি মেশিনে ঢুকালে, মেশিন ভেঙে যেতে পারে।
তাই হাত-পা কেটে আলাদা করতে হয়।
কিন্তু জ্যান্ত অবস্থায়, হাত-পা কেটে আলাদা করা খুব মুশকিল হয়।
মিন আগেরবার মাল খেয়ে টাল হয়েছিল। তাই হাত-পা আর কেটে আলাদা করেনি।
যদিও হাড়গোড় ভেঙে দিলে সমস্যা হয় না। কিন্তু এসব করতে আমার খুব বিরক্তি লাগে...
এই, মাদারচোদ!
- এসব ওকে কেন বলছিস। - আমি তোর কারণে পিটিয়েছি, মিন!
পিটানো উচিত ছিল তোর।
কাউকে কিছু বলতে মানা করেছিলাম না?
তোকে কুড়াল হাতে নিতে মানা করেছিলাম!
তোকে কুড়াল হাতে নিতে মানা করেছিলাম!
মানা করেছিলাম কি না?
বল, মানা করেছিলাম কি না?
বল, মানা করেছিলাম কি না?
- এভাবে মেশিন নষ্ট হয়ে যাবে! - তোকে কুড়াল হাতে নিতে মানা করেছিলাম।
এভাবে মেশিন আবার নষ্ট হয়ে যাবে, মাদারচোদ!
নষ্ট হলে কি তোর বাপ ঠিক করবে?
শালা মাদারচোদ।
মেশিনটা নষ্ট হতেই চলেছিল, বোকাচোদা।
এজন্যই তোকে কুড়াল হাতে নিতে মানা করেছিলাম।
আবালচোদার বাচ্চা।
এই!
তুই এখান থেকে বের হতে পারবি না।
বাবাই শুধু ঢুকতে বা বের হতে পারে।
তুই বের হলে, বাবা আমাকে বকা দিবে।
আমাকে এখন যেতে হবে।
চাবি কোথায়?
চাবি কোথায় মানে? বাবা তো নেই এখানে।
আমি বের না হলে,
তোমার বাবাও মরবে।
আমাদের একসাথে বের হতে হবে।
বাবা কেন মরবে?
বাবাই তো বস!
না, হি-সক...
এখন বস।
ও তোমার বাবাকে মারতে গেছে।
খানকি মাগী, মিথ্যা বলবি না!
হি-সক চাচ্চু অনেক ভালো মানুষ!
হি-সক চাচ্চু আমাদের জুশ খেতে দেয়।
আমি মিথ্যা বলছি না।
এটাই সত্যি।
এই, মিথ্যা বলবি না।
বাবা মারা গেলে, আমরা সবাই মারা যাব।
মিথ্যা বলতে মানা করেছি।
আমি মিথ্যা বলছি না।
এটাই সত্যি।
আমি তোমার বাবাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছিলাম, কিন্তু হি-সক আমাকে নিচে ফেলে দেয়।
তুই বলবি আর আমি বিশ্বাস করে ফেলব?
আমাকে বোকাচোদা ভেবেছিস!
এই, কী করছিস?
ছাড়ো আমাকে।
ছাড়ো বলছি।
তোর সামনে যে মাগীটা পড়েছিল এখনো মরেনি?
- এই শোন। - হ্যাঁ।
- একটু নিচে নাম। - হ্যাঁ।
মাগী।
আর এরকম করবি না, বুঝলি?
No comments yet. Be the first to leave one.