لومړۍ 200 کرښې.
অনুবাদেঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম রাজু তালুকদার রায়হান শেখ জনি
সম্পাদনায়ঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
AIMLESS BULLET
এই, মানসু! চল!
মানসু, জলদি কর!
ব্যাপারটা কী?
আপনারা মদের টাকা দেননি। আর এই দরজার কাচ কেন ভেঙেছেন?
বলেছিলাম তো বাকি টাকা কাল দিব।
আমাদের টাকা শেষ তাই আপাতত ছাড় দিতে বলিনি?
সেটা আপনার সমস্যা! দরজার কাচ কেন ভেঙেছেন?
আমাদের সাথে এভাবে কথা বলবি?
মৃতদের মাঝে শুধু আমরাই অবশিষ্ট আছি, তাই সবাই একটু মাতাল হয়ে...
দরজাটা ভেঙে ফেলেছি। ওকে দেখে কি তোর স্বাভাবিক মনে হচ্ছে?
আমি কিছু জানি না। গিয়ে মালিকের সাথে কথা বলুন।
আমরা টাকা না দিতে পারি, কিন্তু তোর মালিককে বলিস...
তার কারণ এই না যে আমরা দিতে চাই না।
কমান্ডার, আমাদের যাওয়া উচিত।
এটা বলে ডাকতে মানা করেছি না?
বন্ধুর মতো হয়ে থাকো, আর আমাকে গ্যেওংসিক বলে ডাকবে।
আরে ছাড়ো! ওকে কমান্ডার ডাকার মানেটা কী
যেখানে আমরা সবাই অকর্মার ঢেকি?
কিন্তু, সার্জেন্ট...
ওনাকে কমান্ডার ডাকার সেই সময়টা খুব মিস করি।
আমিও।
সৈনিক ভাইয়েরা, আমাদের দেশ যখন মরছিল আমরা এটাকে বাঁচিয়েছি।
কমান্ডার!
আমাদের চিৎকার করে সবাইকে জানান দেওয়া উচিত।
ভালো বুদ্ধি!
যদি এতে আমাদের কিছুটা স্বস্তি মেলে!
গ্যেওংসিক!
চলো নিরাপদ থাকা যাক! নিরাপদ, ঠিক আছে?
হ্যাঁ, আমাদের নিরাপদে থাকা উচিত।
কিন্তু এখন এসবের কোনো মানে নেই।
কী বাজে বকছ!
হাত উঁচু করো!
- আর দৌড়াও! - দৌড়াও!
কমান্ডারকে স্যালুট করো!
সার্জেন্ট পার্ক!
- তোমার মেডেল ঠিক করো! - মাফ করবেন, স্যার!
পরে দেখা হবে!
আমাদের না কথা হয়েছিল কেউ কাউকে যন্ত্রণা দিব না?
কিন্তু তুমি এখনও কিছু বলোনি।
হতাশা আমাকে পাগল করে দিচ্ছে।
যখন তুমি আমার সঙ্গে থাকো আমি সইতে পারি না।
- ফিরে যাও। - জানি।
আর আমি সইতে পারি না একাকীত্ব।
কিছু মূহুর্তের জন্য, চেয়েছিলাম আমাদের কেউ যেন
মরে ব্যস উধাও হয়ে যাক।
কমসেকম তারপর, আমাদের কাছে আগলে রাখার মতো কিছু স্মৃতি বাঁচবে।
কিন্তু এখন আমার কাছে বেঁচে থাকার একটা ভয়ংকর আকাঙ্ক্ষা রয়েছে।
আমি ব্যস একসাথে থাকতে চাই।
ব্যস এক বাটি পানির সাথেই আমরা আজ রাতে বিয়ে পড়ে নিতে পারি।
ম্যেওংসুক, আমার জন্য আর একটু অপেক্ষা করো।
তাহলে মেরে ফেলো আমায়।
তোমার আর্মির চাকরি শেষ হবার অপেক্ষা করেছি।
তারপর আরও দুইটা বছর।
বাসায় বন্দী থেকেছি, এই ভয়ে যে হয়তো পাগল হয়ে যাবো।
থামো!
থেমে যাও...
আমি কোনো চমৎকারের আশা করছি না।
কিন্তু এই বাস্তবতায় আমি নিমজ্জিত হতে চাই না যেখানে
একটা মানুষের আকাঙ্ক্ষাগুলোও ঠিকমতো পূরণ করতে পারব না।
আমি... আমি পঙ্গু, এক হারিয়ে যাওয়া অধ্যায়,
একটা ভাঙা পাত্র যাকে ব্যবহার করে যুদ্ধ শেষে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
ছেওলহো!
চলো!
চলো!
"কিম সেওংগুকের হিসাবরক্ষা দপ্তর"
সং সাহেব, বরাবরের মতো আপনিই সবার প্রথম অফিসে।
আমি জায়গাটা পরিষ্কার করে নিই?
আপনি গিয়ে প্রথম তলার কফি শপে বসলে কেমন হয়?
আবার দাঁতের সমস্যা?
আজ বেতন পাওয়ার পর ডাক্তারের কাছে একবার দেখিয়ে নিয়েন।
সারাক্ষণ আপনার দাঁতের ব্যথা লেগেই থাকে।
ডাক্তারের কাছে না গিয়ে এখনও কীভাবে সহ্য করে যাচ্ছেন জানি না।
চলো!
বাচ্চারা, চলো! চলো!
ছোট চাচ্চু, আজ অনেক পত্রিকা বিক্রি করেছ?
এই নে, খা।
কিছু খেতে দাও! আমার খিদে পেয়েছে!
তোকে পত্রিকা বিক্রি করতে কে বলেছে? তোর স্কুলে যাওয়া উচিত।
তুমি সারাক্ষণ ঘ্যানঘ্যান করো।
কাল গিয়ে এসব কাজকর্ম ছেড়ে আসবি!
চলো!
- চাচ্চু, আজ শহরে যাচ্ছ? - হ্যাঁ।
- তাহলে অনেক পয়সা কামাবে? - অবশ্যই!
- আমাকে এক জোড়া সুন্দর জুতা কিনে দিবে? - দিব!
- সত্যি? - কাল অবশ্যই কিনে দিব!
মিথ্যা বলছ।
চলো!
তোমার মতো একজন মানুষ, কমান্ডার, চাকরি পাচ্ছে না।
আর্মি ছাড়ার জন্য আমার আফসোস হয়।
যদি ভেবে থাকো সবকিছু আর্মি লাইফের মতো হবে, তাহলে কিন্তু সমস্যায় পড়বে।
বড় বড় কথা আর স্বপ্ন সব হাওয়া হয়ে গেছে,
আর আমার সব ব্যাপারেই ভয় লাগে।
মিরি!
- অনেকদিন পর। - দেখো কে এসেছে!
তোমাকে এখানে দেখে ভালো লাগছে।
কফি শপে কোন কাজে?
- বসো! - ধন্যবাদ।
দেখা হয়ে ভালো লাগছে। আমাদের এখানে মাঝেমধ্যেই এসে ঘুরে যাও না কেন?
- তোমার খিদে পেয়েছে? - না, আমি ঠিক আছি।
আমরা জায়গাটা ঠিক করছি, তাই চা-নাস্তার ব্যস্ততা করতে পারছি না।
আপেল থাকলে,
আমাকে কিছু দিও!
অবশ্যই!
বিয়ে করোনি কেন?
তোমাকে দেখতে ভয়ানক লাগছে। অসুস্থ ছিলে নাকি?
না।
যাইহোক, ফিল্ম কোম্পানিতে তোমার নতুন চাকরি কেমন চলছে?
ওহ, সেটা... কীভাবে যে বলি... অনেকটা উচ্চ জীবন কাটাবার মতো।
ওহ, না... এইমাত্র আমাদের দেখা হলো, কিন্তু আমার শুটের সময় হয়েছে।
ব্যাপার না। তুমি কাজে যাও।
আমাকে ক্ষমা কোরো।
বলেছি আমাকে নিতে গাড়ি পাঠাবে, কিন্তু দেরি করে ফেলেছে।
গাধা সব!
ব্যাপার হলো, আমি তোমার কাছে একটা সাহায্য চাইতে এসেছি।
সত্যি? কী তা?
তোমার ফিল্ম কোম্পানিতে আমার জন্য একটা কাজের ব্যবস্থা করে দিতে পারবে?
সত্যি?
কী মনে করো নায়িক হওয়া খুব সহজ?
নায়িকা হতে কত কাঠখড় পোড়াতে হয় বলি তবে...
নায়িকা হওয়ার জন্য না।
যে কোনো কাজ যা আমি করতে পারি।
ওহ, গাড়ি এসে পড়েছে।
ক্ষমা কোরো, কিন্তু কথা বলে দেখব। পরে দেখা হবে।
- মিস গো! - আরে কী ব্যাপার?
- অনেকদিন পর দেখা। - তোমাকে চিনতেই পারিনি।
আমি, সং ইয়েংহো কাজের খোঁজে আছি।
একটা প্রবাদ আছে, কাপড়ই পুরুষের পরিচয়।
আমাকে দেখে কী মনে হয় চাকরি বাকরি জোগাড় করতে পারব?
- জানি না। - কী সমস্যা?
ভুলে গেছ?
যে তুমি চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত আমরা একে অপরের সাথে দেখা করব না।
কথা রাখা উচিত তোমার। আর দেখা যাবে কে অপেক্ষা করতে পারে না।
ভালোবাসার কারণে চাকরির খোঁজ...
আমি কি তবে তোমার জন্য কিছুই ছিলাম না?
না, তেমন না। একসাথে কোথাও বসলে কেমন হয়?
আমি শুটে যাচ্ছি।
নায়িকা হতে কেমন লাগে?
ভেতরে যাচ্ছ না কেন?
তোমার বোন ভেতরে বসে কাঁদছে।
একজন ব্যক্তিকে তার বাজেটের মধ্যে থাকতে হবে; নাহলে...
তা ঠিক...
ম্যেওংসুক!
- সার্জেন্ট! - দেখো কে এসেছে! সার্জেন্ট পার্ক!
কবে ছাড়া পেলে?
আপনাকে আমি শ্রদ্ধা করি তা আপনি আর্মিতে থাকেন বা না থাকেন।
আজ রাতে আমার তরফ থেকে খায়দায়।
আরে কী বলো? আমাদের তো তোমাকে খাওয়ানো উচিত।
এখানে কী করছ? জানি তোমার বাড়িতে থাকতে বিরক্ত লাগে
কিন্তু আজকাল বাইরে একটু বেশিই সময় কাটাচ্ছ।
আর বাইরে থেকেও কাজের কাজ কিছু হবে না।
একই ব্যাপার, বাইরে থাকো বা বাসায়।
তোমার কি এটুকুই বলার ছিল?
গ্যেওংসিকের সাথে তোমার দেখা সাক্ষাৎ কেমন হচ্ছে?
এই সম্পর্কের টানাপোড়েনে আমি ক্লান্ত।
কিন্তু উপকারে আসতে পারিনি বলে ক্ষমা কোরো।
- কিন্তু এখন থেকে, আমি... - পাগল হবার জন্য আমার কী করা লাগবে?
ঘোড়ার ডিমের ঘড়িটা আগাচ্ছেই না।
সং সাহেব, একটা বিরতি নিলে কেমন হয়?
আমি ঢিলামি করা একমাত্র ব্যক্তি হতে চাই না।
হ্যাঁ, ধন্যবাদ।
আমাদের মতো মানুষের যারা বেতনের টাকায় বেঁচে থাকে
তারা বস অফিসে না থাকলেই কেবল বিরতি নিতে পারে।
- সং সাহেব? - জ্বি?
চলুন দুপুরের খাবারটা খেয়ে আসি। বিল আমি দিব।
ধন্যবাদ, কিন্তু আমাদের দাঁতে ব্যথা আছে...
আপনি সবসময় না করেন। আপনার দাঁতের ব্যথাটা নিশ্চিত ভয়াবহ।
তা দাঁতটা তুলে ফেলছেন না কেন?
আমি খেতে যাচ্ছি।
মিস চোই, সঙ্গে যাবেন নাকি?
ওহ, ধন্যবাদ!
আমাকে এক কাপ বার্লি চা দিতে পারবে?
জ্বি, স্যার।
আজ যেহেতু বেতন পেয়েছেন, দাঁতের ডাক্তারের কাছে আপনার দেখিয়ে নেওয়া উচিত।
"কমার্শিয়াল ব্যাংক অব কোরিয়া, নামদ্যেমুন ব্রাঞ্চ"
বেতন পেয়ে সোজা বাসায় যাচ্ছেন?
বউয়ের হাসিখুশি মুখটা দেখার মজাই আলাদা।
আপনি বেশ বিরক্তিকর।
"ইয়ু ডেন্টাল ক্লিনিক"
হ্যালো।
- দাম কত এগুলোর? - ওগুলোর?
৩০০।
কম দামে ভালো জিনিস!
মা! বাবা এসেছে!
চলো!
বাবা!
বড় চাচ্চু বলেছে আমাকে স্কার্ট কিনে দিবে।
হুম।
আর জুতাও।
মা আর ছোট চাচ্চুর সাথে আমি হাশিন ডিপার্টমেন্ট স্টোরেও যাচ্ছি।
চলো! চলো!
চলো! চলো!
গরম!
কমান্ডার, আপনার মতো একজন মানুষ বেকার বসে আছে,
আমার সত্যিই আর্মি ছেড়ে আফসোস হচ্ছে।
যদি ভেবে থাকো সবকিছু আর্মি লাইফের মতো হবে, তাহলে কিন্তু সমস্যায় পড়বে।
আর্মি শেষ করে বিগত দুই বছর ধরে
আমি কুত্তার মতো কাজ খুঁজেছি।
No comments yet. Be the first to leave one.