لومړۍ 200 کرښې.
হে ঈশ্বর, দেখো ও কত্ত সুন্দর।
সুন্দর না বলো?
এইতো, এইতো।
স্যরি।
তোমার কি ঘুম পেয়েছে?
আসো তাড়াতাড়ি তোমার কাপড় চেঞ্জ করে দিই।
সাবধানে চেঞ্জ করো।
হয়ে গেছে।
- ঠান্ডা লাগছে, তাই না? - তাড়াতাড়ি এটা পড়ে নাও।
আমার নাম কাং সোং-মিন।
কাং সোং-মিন, বয়স ২৯ বছর ১৬ই জুলাই, ২০১৬
আমাকে গ্যাংওয়ান-দো প্রদেশের চুনচিওন রেলওয়ে স্টেশনে পাওয়া গিয়েছিলো।
৮ই মে, ১৯৮৮।
আমার সাথে কোনো কাগজপত্র ছিলো না, তাই সেই এজেন্সি....
তারা আমার বর্তমান নাম দিয়েছে।
১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৮ এ, স্টেট অব নিউইয়র্ক আমাকে দত্তক নিয়ে নেয়।
বাম । ডান
ছোটবেলায় আমি অসুস্থ থাকতাম।
সবসময়।
পরে আমি জানতে পারলাম যে আমার হার্টের সমস্যা আছে। আর...
আমেরিকাতে বড় হওয়া...
কঠিন ছিলো।
আমি এখানে সর্বদা নিঃসঙ্গ...
আলাদা....
দুর্বল ছিলাম।
তারপরও এমন না যে আমি সেখানে ফিরে যেতে চাই।
যেহেতু আমি তখনও মার্কিন নাগরিক ছিলাম না, তাই আমাকে শেষ পর্যন্ত বলা হয়েছিলো....
ফিরে যেতে।
কিন্তু আমার ফিরে যাওয়ার মতো কোনো জায়গা ছিল না।
তাই আমি... এখানে চলে এলাম...
এই আশায় যে হয়তো আমি আমার আসল মাকে খুঁজে পাবো।
না, আমি তাকে দোষ দিই না...
তাকে আমি এটা জিজ্ঞাসাও করবো না যে সে কেন আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলো।
আমি শুধু তাকে দেখতে চাই।
আমার আসল মা।
আমরা তাকে ডাকি...
ওম-মা
বাংলা অনুবাদ ও সম্পাদনায় শান্ত কুমার দাস
তুমি কোরিয়ান নও?
তোমার হয়ে নিশ্চয়তা দেয়ার মতো কোনো আত্মীয় আছে এখানে?
না, নেই।
স্যরি, তোমাকে কাজটা দিতে পারছি না।
যদি সে এখানে বসবাস করতে আসে, তাহলে তার কোরিয়ান ভাষা শেখা উচিত ছিলো।
তার মতো অনেক অভাগারা কোরিয়ায় আসে এই ভেবে যে শুধুমাত্র ইংরেজী জানা থাকলেই যথেষ্ট।
সাম্পুং ডিপার্টমেন্ট স্টোর বন্ধ হওয়ার আজ ২৫ বছর পুর্ণ হয়েছে।
সরকার কোরিয়ার মানুষকে নিরাপত্তা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও,
আজ পর্যন্ত তেমন একটা কিছু করা হয়নি।
আশা করি এক বছর পর আমরা সবাই কম লজ্জা বোধ করবো।
আমি কাং ইউন-জেওং, SBC নিউজ দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ।
🚛 무브 투 헤븐 🚛 🚐 স্বর্গের পথে যাত্রা 🚐
এপিসোড- ০৯
- আচ্ছা শোনো, - কী?
তুমি ফিরে কেন এলে?
ও আমার পরিবার।
আঙ্কেল হিসাবে এক ও একমাত্র ভাইপোকে রক্ষা করা আমার কর্তব্য।
তোমার কি অসুখ-টসুখ করেছে? মরে যাবে নাকি?
মানে?
আমার মা বলে, যখন মানুষের মরার সময় ঘনিয়ে আসে, তখন নাকি তারা হঠাৎ করে বদলানোর চেষ্টা করে।
তুমি মরো কিংবা না মরো তাতে আমার কিছু আসে যায় না।
তুমি যদি আবার গেয়-রু'কে হয়রানি করো,
তাহলে আমি মিষ্টার য়ো'কে বলে ওর অভিভাবকত্ব আমি নিজেই নিয়ে নেবো।
এইতো, তোমার উদ্দেশ্য বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে।
আমার উদ্দেশ্য শুরু থেকেই ভালোই ছিল।
তাহলে তোমাকে অকপটে একটা প্রশ্ন করি।
তুমি কতদিন যাবৎ গেয়-রুকে পছন্দ করো?
কী? আশ্চর্য তো!
আমি কেবলমাত্র ওর বন্ধু।
- আমি ওর সবচেয়ে ভালো বন্ধু হিসেবে তার জন্য দায়বদ্ধ -- - তো ওকে কবে থেকে পছন্দ করা শুরু করেছিলে?
তো,
ঘটনা শুরু হয়েছিলো যখন আমাদের...
প্রথম দেখা হয়েছিলো।
তো তখন তোমাদের বয়স কত ছিলো?
তখন আমাদের বয়স ছয় বছরের আশেপাশে হবে হয়তো।
তখন ওরা শিফট হয়ে এখানে আসে।
আচ্ছা, তোমার কি কখনো কিছু অদ্ভুত মনে হয়েছিলো?
মানে?
মানে, গেয়-রু আর পাঁচটা সাধারণ বাচ্চার মতো নয়।
ওর বাবা-মাকে দেখে কি কখনো মনে হয়েছে যে উনারা ওর কারণে ভুগছেন...
কিংবা ওকে বকাঝকা করছেন?
এটা আমার জীবনের গল্প।
আমি এখনও ভাবি যে আমার মা আমার আসল মা নাকি আমার সৎ মা।
হেই।
তুমি হঠাৎ আমাকে এ কথাটা জিজ্ঞাসা করছো কেন?
এমনিই।
গেয়-রুর চেহারার সাথে ওর বাবার চেহারার কোনো সাদৃশ্য নেই,
তাই আমি ভাবছিলাম যে জ্যেং-উ ওর আসল বাবা কিনা।
ঠিক, গেয়-রু আসলেই অনেক হ্যান্ডসাম।
সমস্ত ধন্যবাদ তার মায়ের উচ্চতর জিনকে।
এখন আমার ডিএনএ টেস্ট করানোর....
সময় এসে গেছে।
তোমার সেটা করার দরকার নেই।
তোমাকে দেখতে ঠিক তোমার মায়ের মতই।
কী?
ওহ, উনি ফিরে এসেছেন।
আমার?
হ্যালো?
ওহ হ্যা।
অবশ্যই।
আচ্ছা।
ঠিক আছে।
হুম।
ক্রিসান মোটেল
এত তাড়াতাড়ি আসার জন্য ধন্যবাদ।
সমস্যা নেই। আমাদের আর অন্য কোনো পরিকল্পনা ছিলো না।
ওর লাশটা অনেক পরে পাওয়া যাওয়ার কারণে,
রুমটা এখনো বেশ অগোছালো।
আমি কি মৃতের নাম এবং বয়স জানতে পারি?
ওর নাম ম্যাথিউ গ্রীন।
একজন পুরুষ।
ও ১৯৮৮ সালে জন্মগ্রহণ করে।
ওহ।
উনি কি বিদেশী ছিলেন?
না।
ও কোরিয়ান বংশদ্ভূত...
কিন্তু জন্মের সাথে সাথে ওকে যুক্তরাষ্ট্রে দত্তক পাঠানো হয়।
ওর কোরিয়ান নাম কাং সোং-মিন।
কিন্তু আমরা ওকে ম্যাথিউ নামে ডাকতাম।
আপনিও কি তার দায়িত্বে ছিলেন, মিস. সোন?
কোরিয়াতে একটা সংস্থা আছে যারা দত্তক হিসাবে নেওয়া লোকজনকে তাদের আসল বাবা-মার সাথে দেখা করায়, আর আমি সেখানকার একজন স্বেচ্ছাসেবক।
সেখানেই ওর সাথে আমার দেখা হয়েছিলো।
আচ্ছা।
উনি মারা গেলেন কীভাবে?
ওর হার্টে জিনগত একটা সমস্যা ছিলো।
যেহেতু ও একা থাকতো তাই ওকে সাহায্য করার কেউ ছিলোনা,
আর তাই যখন ওর হার্ট অ্যাটাক হয়, তখন ও কারো কাছ থেকে সাহায্য পায়নি।
আমার মাঝে মাঝে এখানে আসা উচিত ছিলো। না আসতে পারার জন্য দুঃখিত।
মিষ্টার ম্যাথিউ গ্রীন,
২৯শে জুন, ২০২০ এ আপনি গত হয়েছেন।
আমরা...
ট্রমা ক্লিনার্স এবং আমরা আপনার জিনিস এখান থেকে নিয়ে যেতে এসেছি।
আমি হান গেয়-রু,
- এবং আমি চো সাং-গু। - এটাই আমাদের কাজ।
এখন,
আমরা আপনার জিনিসগুলোকে তার সঠিক স্থানে পৌঁছে দিতে আপনাকে সাহায্য করা শুরু করছি।
সহজেই কোরিয়ান শিখুন সংবাদ উপস্থাপিকা কাং ইউন-জেওং
কোরিয়ান শিখতে শিখতে নিশ্চয়ই উনি তার ফ্যান হয়ে গেছেন।
এটাও?
এটাও?
প্রয়াত ম্যাথিউ গ্রীন, আপনার আত্মার শান্তি হোক
আ-জি
"আ-জি।"
আ-জি।
আ-জি।
আ-জি!
কী বললে তুমি?
"আ-জি।"
মিষ্টার ম্যাথিউর একটা পোষা কুকুর ছিলো।
- তাই? - কিন্তু সেটা তো এখানে নেই।
অদ্ভুত।
এই নিন, আপনাদের জন্য এটা নিয়ে আসলাম।
আপনাকে ধন্যবাদ।
আমরা মিষ্টার ম্যাথিউর পোষা কুকুর আ-জিকে খুঁজে পাইনি।
সেটাও কি মারা গেছে?
আপনারা আ-জির সম্পর্কে কিভাবে জানলেন?
আচ্ছা। আ-জি এখন পশু হাসপাতালে।
আমি যখন প্রথম ম্যাথিউর রুমে ঢুকলাম...
তখন আ-জি ওর পাশে পড়ে ছিলো।
আ-জি সারাক্ষণ ওর পাশে পড়ে কাঁদছিলো।
ম্যাথিউ ৪ বছর যাবৎ কোরিয়াতে আছেন, কিন্তু উনার কি কেউ-ই ছিলো না?
সে কি তার বাবা -মা কিংবা আত্মীয়দের খুঁজে পায়নি?
ও চেয়েছিলো তো অবশ্যই।
কিন্তু চাইলেই তো আর খুঁজে পাওয়া যায় না।
এটা কি সম্ভব যে কেউ তার পরিবারকে খুঁজে পেয়েও তাদের সাথে দেখা করতে পারে নি?
হ্যা, যদি তাদের প্রকৃত বাবা-মা দেখা করতে অস্বীকার করে।
এটা কি উনার সাথেও হয়েছে?
সে আসে নি?
সে আমাকে দেখতে চায় না?
ঠিক আছে।
বুঝতে পেরেছি।
আমি দুঃখিত। আপনার মা আপনার সাথে দেখা করতে পারবেন না....
তার অবস্থার কারণে।
আমি সত্যিই খুব দুঃখিত।
তাকে তো দত্তক নেয়া হয়েছিলো,
কিন্তু তাও কেন তিনি নাগরিকত্ব পেলেন না বরং তাকে আবার ফেরত পাঠানো হলো?
কাজগুলো এখন অনেক উন্নত হয়েছে,
কিন্তু তখন চেক করার মতো কাগজপত্র এতই কম ছিলো যে যা দেখে বলা যেতো....
যে দত্তক নেয়া বাচ্চাদের যে দেশে দত্তক নেয়া হয়েছে সেখানকার নাগরিকত্ব তারা পেয়েছে নাকি পায় নি।
তাই যদি তাদের দত্তক নেয়া বাবা-মা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন না করেন....
কিংবা দত্তক প্রত্যাহার করা হয় যেমনটা ম্যাথিউর ক্ষেত্রে হয়েছিলো,
সেক্ষেত্রে নাগরিক হওয়া অসম্ভব।
দত্তক প্রত্যাহার মানে?
আপনি বলতে চাইছেন যে উনাকে পছন্দ হয়নি বিধায় উনার দত্তক নেয়া বাবা-মা উনাকে পরিত্যাগ করেছিলো?
ম্যাথিউর ক্ষেত্রে,
ওর হার্টের রোগের ব্যাপারটা ওকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর পর জানা গিয়েছিলো।
তাই ওকে এখান থেকে ওখানে অনেক জায়গায় পাঠানো হয়েছিলো…
মিষ্টার ম্যাথিউর জিনিসপত্র।
আমাদেরকে এগুলো তার মাকে দিতে হবে।
সেটাই তো সমস্যা।
আমাদের সেন্টার থেকে যখন তাকে ওর মৃত্যুর খবর জানিয়েছিলো তখন তাকে এটার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছিলো,
কিন্তু তিনি না বলে দিয়েছেন।
তাই আমার মনে হয় না যে এটা আমরা তাকে দিতে পারবো।
দয়া করে আমাকে উনার ঠিকানা দিন।
আমি নিজে গিয়ে এগুলো তাকে দিয়ে আসবো।
আমার কাছে উনার ঠিকানা নেই।
আর আমার মনে হয় না এমন তথ্য সংস্থা থেকে কাউকে দেয়া হবে।
- মাফ করবেন, আমি সত্যিই-- - এতে আপনার কোনো দোষ নেই।
চিন্তা করবেন না।
এটা আমরা বুঝে নেবো।
সত্যি বোলছো তুমি?
যে মা তাকে ১০ মাস ১০ দিন কষ্ট করে জন্ম দিলো সে-ই মা তার সন্তান তাকে দেখতে...
No comments yet. Be the first to leave one.