Saani Kaayidham

Saani Kaayidham (சாணிக் காயிதம்)

Скачать Bengali субтитры

Информация о релизе

சன்னி காயிதம்-Saani Kaayidham Bangla subtitle by Shanto
సన్నీ గాయం-Saani Kaayidham Bangla subtitle by Shanto
സന്നി കായിധം-Saani Kaayidham Bangla subtitle by Shanto
ಬಿಸಿಲಿನ ಗಾಯ-Saani Kaayidham Bangla subtitle by Shanto
ಬಿಸಿಲಿನ ಗಾಯ-Saani Kaayidham Bangla subtitle
சன்னி காயிதம்-Saani Kaayidham Bangla subtitle
சன்னி காயிதம்-সানি কায়িধাম বাংলা সাবটাইটেল বাই শান্ত কুমার দাস
சன்னி காயிதம்-সানি কায়িধাম বাংলা সাবটাইটেল বাই শান্ত
சன்னி காயிதம்-সানি কায়িধাম বিসাব বাই শান্ত
சன்னி காயிதம்-সানি কায়িধাম (বাংলা সাবটাইটেল)
Комментарий от Shanto_Kumar_Das
🔥🔥মাতৃভাষায় উপভোগ করুন কীর্তি সুরেশ এবং সেলভারাঘবান অভিনীত ক্লাসিক রিভেঞ্জ মুভি "সানি কায়িধাম"। রানটাইম- ০২ঃ১৬ঃ৩৮। যেকোনো দেশি-বিদেশি সাইটে মুভিটি পেয়ে যাবেন।

Теги

other
Опубликовано: 2022-05-06
Загрузки: 199
Для слабослышащих: No

Предпросмотр субтитров (Bengali)

Первые 200 строк.

অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ শান্ত কুমার দাস ۞ রবিউল আওয়াল জীবন আকাশ বসাক ۞ মোঃ জমির উদ্দীন খাঁন

অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ আহমেদ জয়নুদ্দিন ۞ রানা সরকার

সম্পাদনায় ۞ শান্ত কুমার দাস ۞

╰┈➤ ❝ ❞

সূচনা পরদেশপট্টিনাম, ১৯৮৯

জানি না, পোন্নি!

পোন্নি! পোন্নি, দয়া করো।

আমি কিছু বলতে পারবো না। আমায় ছেড়ে দাও!

তোমার পায়ে পড়ছি!

আমি জানি না।

কসম খেয়ে বলছি। আমি কিছু জানি না, পোন্নি।

এমন'টা করো না! দয়া করে এমন করো না, পোন্নি।

আমার সন্তানের দিব্যি খেয়ে বলছি, আমি কিচ্ছু জানি না।

শোন।

ওর থেকে লিখিয়ে নিয়েছি।

একে তো বাজেভাবে ছুরি মেরেছিস।

আরেকটা আঘাতেই ও সোজা শশ্মানের টিকিট কাটবে।

তার আগেই ওকে পুড়িয়ে ছাড়খাড় করতে চাই।

ক্যান'টা কোথায়?

গাড়িতে রাখা আছে। নিয়ে আয়।

মারিস না। ওকে জ্যান্ত পোড়ানো উচিত।

দেশলাই বাক্স'টা দে।

জলদি!

জলদি।

- কোথায় যাচ্ছিস? - ব্যাগ'টা আনতে।

মনি উথুকোট্টাই'তে রয়েছে...

আর আনবু...

জলদি কর। চল যাওয়া যাক।

জলদি!

খন্ড ১ ভূমি এবং এর মানুষজন

বসে-বসে আর কতক্ষণ একে-অপরের দিকে তাকিয়ে থাকবো?

শোন, হয় কোনো সুরাহা বের কর নয়তো তর্কই করতে থাক।

পেরুমল, সম্পত্তির আমার ভাগ'টা মিটিয়ে দাও।

- নয়তো... - কীসের সম্পত্তি?

বুড়োটা সব আমায় দিয়ে গেছে। সেই ব্যাপারে তুই অবগত নস, না?

উইল নিয়ে আমি তোয়াক্কা করি না।

এই সমস্যা'টা সমাধানের জন্য তোমার ওপর ভরসা করে রয়েছি।

দাঁড়া, শান্ত হ।

- সুষ্ঠুভাবে এটা মিটমাট করা যাক। - আমি আর অপেক্ষা করতে পারবো না!

বাবা'কে নেশার ছলে ফেলে আমার সম্পত্তি'র ভাগ বাগিয়ে নিয়েছো!

হ্যাঁ, যেটা পারো কর। এখন বিদেয় হ।

তোকে আর তোর ছেলে'কে টুকরো-টুকরো করে ফেলবো...

আর ফিঙ্গারপ্রিন্টের জন্য ওর বুড়ো আঙ্গুল কেটে নেবো।

যেটা পারো কর। এখন চোখের সামনে থেকে বিদেয় হ।

এটা কেমন ধরণের কথা?

ওর কথাগুলো শুনলে?

কাকা, শেষবার কবে টয়লেটগুলো পরিষ্কার করা হয়েছিল?

দুর্গন্ধে টেকা যাচ্ছে না। কাউকে দিয়ে পরিষ্কার করাও।

দু'জন রাজনীতিবিদ'কে ভেতরে পাবে। ওদের দিয়ে করাও।

শোনো, মানি...

ও আমার বাড়ির দুয়ারে এসে, সম্পত্তির ভাগ নিয়ে ঝগড়া করছে।

বুড়োটা সব ভালো বুঝেই সব আমাকে দিয়ে গেছে।

তুমিও নির্বাচনে দাড়াও, দাদা।

আমাদের লোকেদের ভোটেই জয় হাসিল করে ফেলবো।

কিছু সাহসী পদক্ষেপ নিলে'ই আমাদের র‍্যাঙ্ক বাড়বে।

কিন্তু মারি, আমাদের কাছে নাম্বার নেই।

রাজনীতি, হাহ?

ভাই, প্রতিযোগীতার জন্য প্রস্তুত কিনা বলো...

লোক আমি নিয়ে আসবো।

তোমার চেহারা দেখেই লোকজন ভিড় জমাবে।

নিঃসন্দেহেই জয় তোমার'ই হবে।

এসবের কোনো দরকার নেই, মারি। বাদ দাও এসব।

একবার বলো না ভাই।

এই!

সমাজের সাফাই নয় পরে করবি, এখন টয়লেটগুলো পরিষ্কার কর।

আমি কাউকে পাঠিয়ে দিচ্ছি, ভাই।

কী বলছিস?

তুই পরিষ্কার করবি না?

তুই না করতে চাইলে, কাউন্সিলার পারবে।

মুখ সামলে কথা বলো। একটু বয়সজ্ঞান দেখে কথা বলো।

তার বয়স? আমার বাল'টাও ছেড়া যায় না।

মারি, বাদ দাও।

আমায় চোখ রাঙাচ্ছিস নাকি?

আমায় চোখ রাঙালি?

বুড়ো সজ্ঞানে'ই তার উইলে স্বাক্ষর করেছে।

ছুরি'টা দে তো। ওকে এখানে'ই কুপিয়ে মারবো।

আমি ঋণে-জর্জরিত আর সংঘর্ষ চালিয়ে যাচ্ছি।

ও ভেবেছে সবকিছু ও'ই বাগিয়ে নেবে!

যেটা তুই বলছিস, আমি তাকে নেশাগ্রস্ত করিনি।

বুড়ো নিজের সজ্ঞানে'ই তার উইলে স্বাক্ষর করেছে।

তার সজ্ঞানে'র গুষ্টি কিলাই।

ভাই, ওকে আমার ভাগ দিতে বলো।

ওকে আমি নয়াকড়িও দেবো না।

তোকে মেরেই ফেলবো।

গিরি, মাথা ঠান্ডা করো।

এখানে দেখার মতো কিছুই নেই। কাজে ফেরত যা।

- গিরি, না... - আমার কথা'টা শোন।

ভাই, তুমি না থাকলে, এখানে'ই ওর পিস-পিস করে ফেলতাম।

বিদেয় হ।

হাফ একর জমির জন্য নিজের জীবন খুইয়ে বসবি।

তুই আর তোর ছেলে আমার হাতেই মরবি।

দেখো তোমার সামনে দাঁড়িয়ে'ই ও আমায় যা মুখে আসছে বলে চলেছে।

যেটা মন চায় আমি বলবো। মেরে তোর চোয়াল থেঁতো করে দেবো।

বাসু, ভেতরে কীসের শব্দ হচ্ছে? দেখে আয় তো।

আমার ভাগ দিবি না? জোচ্চর কোথাকার।

রাজনীতি'তে ঢুকতে চাও? তাহলে আমরা এখানে কী ছিড়তে রয়েছি?

আনবু, না...

মারি আনবু'র কলার চেপে ধরেছে, জলদি করো, দাদা।

এই, মারি!

থাম, মারি।

- ওকে মারা'র সাহস কীকরে হলো? - শান্ত হও, আনবু।

ওর কলার চেপে কেন ধরলি?

আমার কোনো দোষ নেই। ও বিনা কারণে'ই তর্ক করে যাচ্ছিল।

ও তো ভুল কিছু বলেনি, তাই নয় কি?

সারা সপ্তাহ ধরে তোকে দেখছি।

তুই আমাদের পোষা কুত্তা ছাড়া আর কিছুই নস।

নির্বাচনে আমাদের এলাকা'তে এসে আমাদের বিরুদ্ধে'ই চক্রান্ত করে...

আশা করছিস ও হাতে-হাত গুটিয়ে বসে থাকবে?

কান্দাসামি, ওর সাথে হাত মিলিয়ে দেখছি বড়োই আত্মবিশ্বাসী হয়ে গেছো।

তোমাকে বের করে দেবো!

বেরিয়ে যা! ওকে এখান থেকে বের কর।

- বুড়ো... - বেরিয়ে যা!

কাজের খোঁজে এই দুয়ারে আর পা মাড়াবি না...

- বেরিয়ে যাও! - ওকে জ্বালিয়ে দাও, বস।

- ওকে এখানে'ই পিস-পিস করে ফেলো। - মাথা ঠান্ডা কর, বাসু।

একটা পুলিশকে বউ হিসেবে পেয়ে নিজেকে হনু ভাবছিস?

তোদের পাওনা বুঝিয়ে দেবো।

আনবু, না...

এইমাত্র আমার নাম ধরে ডাকলি?

বাদ দে, আনবু।

আনবু, আমার পরিবার'কে নিয়ে কোনো বাজে কথা নয়।

যে ব্যাটা তার বউকে খোলা ছেড়ে দেয় তার আবার এত দেমাক।

ওকেও দেখে নেবো।

চলো, মারি। যাওয়া যাক।

আনবু, ওর বউ একজন পুলিশ?

হ্যাঁ, মামা। জেনে ভয় লাগছে?

সে খুব সুন্দরী আর কোমল।

চল, ওর সব তেজ শুষে নেবো।

ওকে দেখে নেয়া যাক।

তোমার খালি মাথার চুলই কেন কালো?

ছোটবেলায়, মা কেবল আমার মাথাতেই তেল মাখাতো।

তাই আমার চুলের রঙ কালো।

আমার মা আমার চুলে প্রতিদিন তেল মাখালেও, নিজের চুলে কখনো মাখে না।

তাই আমার মায়ের চুল লাল আর সিল্কি। আমার চুল কালো, ঠিক বাবা'র মতো।

বাবা'কে ভালোবাসো না মা'কে?

বাবা'কে ভালোবাসি।

মা'কে ভালোবাসি।

আমার পাশের বাড়ির মহিলা'টাকে ভালো লাগে।

ওদের ছাগল ছানা'কে ভালো লাগে।

আমার সুদালাই'কে ভালো লাগে।

সেটা আবার কে?

আমার বন্ধু।

কাল ওকে সঙ্গে করে নিয়ে আসবো।

আর পাশের বাড়ির বাচ্চা'টাকে ভালো লাগে।

এটার কথা মা'কে বলবে না কিন্তু।

- কাল দেখা হবে। - আচ্ছা।

খেয়াল রেখো।

তুই যে কারো সাথে এভাবে আসবি না।

আয়।

মা, সাঙ্গেয়া মামাকে পছন্দ করো না কেন?

চুপচাপ চলে আয়।

আমি কেবল জানতে চাই।

একদম বড়োদের মতো কথা বলবি না, বুঝলি?

বলো না, মা।

ভাবছি স্কুলে তোকে সবাই কীভাবে সহ্য করে।

আজ তোমার স্বামী এত তাড়াতাড়ি চলে এলো যে?

সে মদ খেয়েছে।

সাবধানে, মেয়ে!

হাঁটতেই পারছিলো না। গিয়ে দেখো।

আচ্ছা, দিদি। আমি দেখে আসছি।

বাবা...

চোখে কীভাবে আঘাত পেলে?

সেরকম কিছু হয়নি। যা।

মা...

বাবা মদ খেয়ে আবার মার খেয়েছে।

তোর ব্যাগ রেখে হাত-মুখ ধুয়ে আয়।

আচ্ছা।

কী হয়েছে?

কী হয়েছে?

আবার?

কারখানায় একটা ছোট্ট ঝামেলা হয়েছিল।

নির্বাচন নিয়ে। আর সেটা নিয়ে জল এতদূর গড়ায়।

আমার মেজাজ খুইয়ে বসি, সাথে চাকরিও?

তোমায় বের করে দিয়েছে?

একারণেই নির্বাচন নিয়ে নাক গলাতে তোমায় মানা করেছিলাম।

এই কুঁড়েঘর'কে আমাদের পাকা বাড়ি বানাতে হবে।

মেয়ে'টার বয়স তো আর কম হলো না।

ওকে আমাদের রক্ষা করতে হবে।

ভয় করছে আমার।

কিন্তু তুমি প্রতিদিন মাতাল হয়ে বাড়ি ঢোকো।

তোমার প্রতি ও শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলবে।

দেখো, ইতোমধ্যেই ও তোমায় নিয়ে উপহাস করে।

বেশ, বাদ দাও।

যা হওয়ার হয়ে গেছে।

কাল ওদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে কাজে ফিরে যাও।

কোনো ঝগড়া বা বিবাদে নাক গলাতে যেও না।

শুধু নিজেদের চরকায় তেল দেয়া যাক।

কী ভাবছো?

পুলিশ গিন্নি'র আদেশ পেয়েছি।

মানা ছাড়া আর কোনো উপায় আছে নাকি?

এসব কোত্থেকে এলো?

এমন ভাবনা-চিন্তা আর কতদিন মনে পুষে রাখবে?

হ্যাঁ।

সবাই আমায়, "মি. পুলিশওম্যান" বলে ডাকে।

একটা কথা স্পষ্ট করে শুনে নাও।

ডিউটি শেষ হওয়া মাত্রই, আমার ব্যাজ খুলে ফেলি।

এটা স্রেফ একটা চাকরি'ই মাত্র।

মাইনে পাওয়া চাকরি। ব্যস।

তুমি তো রোজ মাতাল হয়ে বাড়ি ফেরো। সংসারের হাল কে ধরবে?

কাল কাজে ফিরে যেও। যা হয়েছে ভুলে যাও।

Комментарии

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left