Первые 200 строк.
অনুবাদ ও সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ
"বার্দো" (বার্দো হলো বৌদ্ধিক দর্শনের একটা অবস্থার নাম। বৌদ্ধ দর্শনে পুনর্জন্মকে সত্য মনে করা হয়, এক জন্ম থেকে অপর জন্মের মাঝের জীবন বা অবস্থাকে বলা হয় বার্দো।)
শট!
একইভাবে বল কর, উইকেট বরাবর!
আরেকবার!
ধর! ধর, ধর বলটা!
জোশ! আউট!
- কোমরে উপরে তো, নো বল এটা! - বল না এটা নো বল!?
নো বল!
এটা নো বল হয় কী করে?
কোমরের উপরে বল করেছিস!
চিট করিস না!
- আম্পায়ার বললো না নো বল এটা? - কোমরের নিচেই ছিল বলটা!
- চিটিং করবি না! - খেলা পারিস তুই? বেশি বাড় বাড়িস না!
ওকে নিয়ে যা, নইলে মাটিতে পুঁতে ফেলবো এখন!
তোর মুখ বেশীই চলে রে, সাদ?
শালা মুসলিমের বাচ্চা!
- মাদারচোত! - এই!
মারামারি করতে চাস তুই?
পাগল হয়ে গেছিস তুই? চলে যা!
এই, বালু...বিজয়!
- কী হয়েছে? - অ্যাম্বুলেন্স ডাক!
যা! চলে যা তুই!
কুশল, ওর অনেক রক্ত পরছে!
এটা বহিরাগতদের দেশ হয়ে গেছে!
মানে, হিন্দুস্তানে হিন্দুদেরই কোনো পাত্তা নেই
স্যার, ইতিহাসটা দেখুন!
প্রথমে আসলো মুঘলরা! আমরা নিজেদের মাঝেই লড়ছিলাম!
তারপর, ব্রিটিশেরা আসলো, জাত আর ধর্ম দিয়ে আমাদের ভাগ করা হলো!
দেশ ভাগের সময়ও আমরা সুযোগ পেয়েছিলাম...
কিন্তু, অহিংস আন্দোলনে আমরা ঝুঁকলাম!
ওদের দেখুন! ২০০০ বছর ধরে তারা আছে।
আর, আমরা যেখানে ছিলাম সেখানেই আছি!
পেট্রোলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাস্তায় মিছিল করছি!
- এই পাগলের বাচ্চারা... - ১৪০০ বছর।
কী?
ইসলাম ধর্মের অস্তিত্ব ১৪০০ বছর ধরে, ২০০০ বছর ধরে নয়।
এখানে কেনো এসেছেন?
"সাদ" নামে কাউকে চেনো?
যে ছেলেটা ক্রিকেট খেলতে আসতো?
গত সপ্তাহে কিছু হয়েছিল?
ও ঘাড়ত্যারা পাবলিক।
ওর বলে ৪/৬ মেরেছিলাম!
জানেন, ও কী করেছে?
রমেশের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে!
- নায়াগ্রা ফলসের মতো রক্ত বের হচ্ছিল। - তারপর?
- তারপর আর কী? রমেশকে হাসপাতালে নিয়ে গেলাম! - আর, সাদ?
- পালিয়ে গেল! - ওর দলের কারোও নাম্বার আছে?
ধন্যবাদ কুশল।
স্যার, এদের সাথে ঝামেলা করছেন কেনো?
এর উপর নজর রাখবে।
মাদারচোত, কী করছিস তুই?
বল!
বল!
বল না, মাদারচোত!?
"হরে রাম" বল!
বল, বল!
- ডিল কর। - জানি তুই শালার পুত ডিল করতেই এসেছিস।
তোর মনিব তোকে শেখায়নি...
যে প্রথমে ইসা ভাইকে সম্মান করতে হবে?
ডিল করতে চাস? আগে সম্মান কর।
হাত এগিয়ে আন...
সম্মান কর, নয়তো বের হয়ে যা এখান থেকে।
এর স্বাদ মনে রাখবি।
শাহিদেরও একই সমস্যা ছিল।
ময়দানে শত্রু থাকবেই...
কিন্তু, শত্রুকেও সম্মান করতে হবে!
শাহিদকে বের কর, সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
নাহ।
ওর মাথায় ছিট আছে জানি।
কিন্তু, ছিটগ্রস্ত লোক মাঝেমধ্যে বেশ কাজে আসে।
৫ কোটি রুপি।
কোটিতে কাজ হবে না।
জেরুজালেমে যাবো।
কুব্বাত দেখবো।
পাকিস্তানি পাসপোর্ট দিয়ে সেটা সম্ভব না।
তো, তুই তোর মনিবের কাছে গিয়ে বল...
আমার জন্য ইন্ডিয়ান ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্টের ব্যবস্থা করে দিতে।
হয়ে যাবে।
চলি।
হ্যাঁ, তুমি এখন যেতে পারো।
“আমি এই শহরের ডন ছিলাম!"
এটা আমার ভুল ছিল।
আপনাদের সবার আশীর্বাদ চাই এখন।
এই বান্টি মাদারচোত কবি হয়ে গেল!
আর, জয়া হয়ে গেল হিরোইন!
আর আমি...আমি যাদব ম্যামের পোষা কুত্তা হয়ে তার পাছা চেটে দিতাম, দুবাইয়ের শেখের পাছাও বাদ যেতো না।
দক্ষিণ।
পূর্ব।
এই তথ্য দিয়ে কোন বাল করবো?
সবসময় আজেবাজে তথ্য দেয়।
কোথায় যাচ্ছিস?
মুম্বাই।
কাল আমার জন্মদিন।
আমার শ্যুটিং আছে।
বান্টিকে ফোন দেই।
পরিচালকের ১২ টা বাজিয়ে দেবে।
শোন না! পার্টি আছে একটা!
আদিত্য জোহর আসবে পার্টিতে!
তোর হিরোও আসবে সেখানে।
হুম, আমাকে অনেক সাহায্য করছে ও!
হোগা পেতে দিচ্ছিস চুদতে, সাহায্য করবে না?
হেই দোস্ত, আজ আপনাদের মন মাতাতে আসছে সুরেলা একজন শিল্পী!
আমার লাইফের সবচেয়ে জাঁকজমকওয়ালা বার্থডে পার্টি ছিল সেটা!
এত মানুষের ভিড়েও নিজেকে একা লাগছিল।
বারবার ভাবছিলাম, কেনো ইসার সাথে দেখা করতে গেলাম?
যাদব ম্যাম আমাকে রঙচঙ মাখিয়ে এমন অবস্থা করেছে যে নিজেকে সার্কাসের ভাড়ের মতো লাগছিল!
আহাম ব্রক্ষ্মাস্থি, গণেশ।
আহাম ব্রক্ষ্মাস্থি, গুরুজি।
জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
তুমি দ্বিধাদন্ধে আছো।
এই কাহিনী তোমাকে বুঝতে সাহায্য করবে।
দেবতা আর অসুরের নিরন্তর ধরে চলা যুদ্ধে...
একটা সময় ছিলে এমন...
যখন, অসুরেরা প্রভাবশালী ছিল।
দেবতা নিষ্পাপ চেহারার একজন বালককে পাঠালেন...
কাচ্চা, অসুরদের সাথে সন্ধি স্থাপনের সাথে গোয়েন্দাগিরী করার জন্য।
অসুরদের গুরু, সুকাচার্য...
যার কাছে মৃতকে জীবিত করার বিদ্যা জানা ছিল..
মৃত সঞ্জিবনী দিয়ে যে কোনো মৃত ব্যক্তিকে দ্বিতীয়বার জীবিত করা যেত।
সময় প্রবাহিত হতে লাগলো।
সুকাচার্যের মেয়ে দেবজানীর সাথে কাচ্চার ভালোবাসার সম্পর্ক স্থাপিত হলো।
অসুরেরা শংকায় পরে গেল।
যে তাদের সবচেয়ে মূল্যবান শাস্ত্রীয় জ্ঞান যেন দেবতাদের কাছে চলে না যায়।
তো, অসুরেরা কাচ্চাকে বলি দিলো...
দেবজানীর বুকফাটা কান্নায় দয়াপরবশ হয়ে...
সুকাচার্য মৃত সঞ্জিবনী ব্যবহার করে...
কাচ্চাকে আবারোও জীবিত করলো।
দেবজানী খুশি হলো...
আর, কাচ্চা নিশ্চয়তা পেলো এই ভেবে মৃত্যুকে চাইলেই সে ফাঁকি দিতে পারবে।
তারপর?
বাকি কাহিনী অন্য কোনো এক সময়ে বলবো।
এখনও তোমার অনেক জন্ম বাকি আছে, গণেশ।
এখনকার মতো এটুকুই মাথায় রাখো...
জয় পেতে হলে তোমাকে কয়েকবার মরতে হবে।
কীভাবে?
কীভাবে আমি আমার পরের জন্মে যাবো?
এত সহজ নয়, গণেশ।
শক্তি দিয়ে হয় না, বলি দান করতে হয়।
- আমি করবো। - বলি দান?
প্রথম ধাপটা কী?
যে টিউবটা আপনারা পেয়েছেন সেটা একটা ইনিশিয়েটর...
নিউট্রনের ফিউশন রিয়েকশনকে সক্রিয় করার জন্য।
দক্ষিণ কোরিয়াও একই প্রজেক্ট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে।
আর, আমার মনে হয়...
তারা ব্ল্যাক মার্কেটে ডিজাইনটা এখন বিক্রি করছে।
কিন্তু, ডিজাইনটা দেখে তো মনে হচ্ছে না এতগুলো টিউবের দরকার আছে!
ঠিক তাই, ২/৩ টা টিউবই বোমা সক্রিয় করার জন্য যথেষ্ট।.
অন্য টিউবগুলো জ্বালানি হিসেবে কাজ করবে।
তাদের কাছে কয়টা টিউব আছে বলে আপনার মনে হয়?
এই সাধারণ দেখতে যে টিউবগুলো আপনারা দেখতে পাচ্ছেন...
ভারতে প্রবেশ করা সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র।
ল্যাব রিপোর্ট অনুযায়ী, লিথিয়াম ডিউটেরাইড বহন করছে এগুলো।
যেগুলো ফিউশন বম্বিং এ জ্বালানি হিসেবে কাজ করবে।
মালাম আর আলাম ১০ টা টিউবের কথা বলেছে।
আমরা তাদের কাছ থেকে পাঁচটা পেয়েছি।
আমরা বিশ্বাস করি, পূর্ণ বিস্ফোরণ ঘটাতে সবগুলো টিউবই দরকার।
আলামের ল্যাপটপও আনলক করা হয়েছে।
সেখানে ডার্ক নেটে একটা চ্যাটরুম পাওয়া গেছে যার মাধ্যমে হিজবুদ্দিন যোগাযোগ করতো।
রামা চেষ্টা করছে চ্যাটরুমে পাওয়া উপাত্তগুলো ডিক্রিপ্ট করতে।
এই শব্দটার মানে "বিজয়"!
এটা কী?
১৬.০৭.১৭
১৬ই জুলাই।
আজ ৮ তারিখ।
ডিকোড করে যা বুঝলাম, ১৬ই জুলাই হতে পারে কেয়ামতের দিন।
শহরের প্রতিটা কোণ আমাদের স্ক্যান করতে হবে।
নিউক্লিয়ার ফুয়েলগুলো চেক করো।
সবগুলো চেক পয়েন্টকে সতর্ক করে দাও।
জি, স্যার।
অঞ্জলীর ডায়েরী থেকে পাওয়া নাম্বারগুলোর মধ্যে একটাও চালু আছে?
এখনও চালু পাইনি, তবে শাহিদ খান আর ওর ডান হাত হারুনের ভয়েস স্যাম্পল পাওয়া গেছে।
- চ্যাট থেকে কী জানা গেলো, রামা? - বিশ্লেষণ করা হচ্ছে, স্যার।
বিশ্লেষণ যথেষ্ট নয়, কথা বলতে হবে।
ওদের বিশ্বাস অর্জন করো। এটাই আমাদের একমাত্র সুযোগ।
শাহিদ খানের সাথে একটা মিটিং এর ব্যবস্থা করো।
এই! এই উঠ!
আসুন, স্যার! বসুন।
ফোনে আমাকে বলা হয়েছে সবকিছু।
কোথাকার গাড়ি এটা, স্যার? গুজরাট নাকি মহারাষ্ট্র?
গুজরাট, কোচ থেকে এসেছে
হাজারো গাড়ি আসে, স্যার।
আর, আপনি সবগুলো চেক করেন, তাই না?
চারটা চ্যাট্রুমের হিস্ট্রি এই পর্যন্ত খোলা সম্ভব হয়েছে।
চ্যাটে তারা কী বলছে?
সাদের ব্যাপারে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে।
ক্রিকেট খেলার সময় ওদের ঝগড়া হয়েছে। ওর বন্ধুরা বললো।
এর পরে কোথায় গেছে কেউ জানে না।
তবে, জলদি খোঁজ পেয়ে যাবো।
ভরসা রাখো।
এখন বলো এটা কী।
এটা হোয়াটসএপের চ্যাটের মতো নয়।
যার যে কাজ সে শুধু ততোটুকুই লেখে।
আচ্ছা, এই "Girl 6" কী বলছে এখানে?
উনি কে?
শাহিদ খান নাতো?
হুম।
কিছু মাল পাওয়া যাচ্ছে না।
যার ল্যাপটপ সে বলছে...
টাকা না দিলে মালও দেবে না।
No comments yet. Be the first to leave one.